Ekramul Hoq RUBEL
.............স্কলারগন নাস্তিক হওয়ার পেছনের রহস্য
আল্লাহ সম্বন্ধে একটি সুসম ধারনা পেতে হলে, শুধু তাঁর বাণী পড়লেই হবে না একি সাথে তাঁর সৃষ্টি জগৎ নিয়েও ভাবতে হবে। তা না হলে আমরা তাঁর সম্বন্ধে একটা অসম্পুর্ন, ভারসাম্যহীন ধারনা পোষন করে বসে থাকব।
এ ছাড়া আমাদের ইসলাম মানা এবং বুঝা দুটোই ভারসাম্য হীন হয়ে যাবে। ভারসাম্যহীন ইসলাম মানার ফলাফল হবে ভয়ংকর।
ইসলাম নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করার পরও দেখা যায়, আল্লাহ তা'য়ালার প্রতি শ্রদ্ধা বোধ হয় না। নানান ধরনের সন্দেহ, আবান্তর প্রশ্ন মাঝে মাঝে আমাদের ঈমানে ফাঁটল ধরিয়ে দেয়। মন মত কিছু না হলে আমাদের অনেকেই আল্লাহ তা'য়ালাকে দোষ দিতে থাকে।
কেন আল্লাহ তা'য়ালা এমন করল, ওরকম কি করতে পারত না? আমার সাথেই কেন এমন হল? অন্যের কেন এমন হয় না? এই সব প্রশ্ন অনেককে জর্জরিত করে দেয়।
আল্লাহ কোরআনে আমাদেরকে বহুবার তাঁর সৃষ্টিজগৎ নিয়ে চিন্তা করতে বলেছেন। কারন আল্লাহ তায়ালাকে জানার জন্য আমাদের কাছে দুইটি মাত্র উপায় রয়েছে।
একটি হচ্ছে তার দেয়া বানী। আরেকটি হচ্ছে, আমাদের চোখের সামনে তাঁর এই বিশাল সৃষ্টি জগৎ।
দ্রষ্টব্যঃ বাংলা শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত নর নারীকে দেখা যায় কোরানের আয়াত নিয়ে প্রচুর লিখা লিখি করে। বুঝা যায় তারা নিয়মিত কোরআনের অনুশীলন করেন। কিন্তু তাদের বাংলা লিখার বানানের ধরন দেখলে প্রশ্ন জাগে যে মানুষটি মাতৃভাষার শব্দ সমুহের বানান শুদ্ধভাবে লিখতে পারে না, সে আরবী ভাষার কোরআন নিয়ে কতটা বুঝে?
একই মাটিতে একটি গাছের আম মিষ্টি অপরটির টক কেন? এটি নিয়েই গবেষনা করতে থাকুন, জটিল এই রহস্য উদঘাটন করতে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজে পেলে বুঝা যায় আল্লাহর অস্তিত্ত।
ধ্যান মগ্ন হয়েও তাঁকে পেতে পারেন সে ভিন্ন আরেক পথ।
জাহান্নামের যে সাতটি নাম কোরআনে উল্লেখিত:-
১. জাহান্নাম।
২. জাহিম।
৩. সাকার।
৪. ছা'ঈর।
৫. হাবিয়া।
৬. হুতামা।
৭. লাজা।
অপরাধের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শাস্তির জন্যে ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ বা এলাকা রয়েছে। অপরাধ তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ হবে এক একটি ফটক-যা নিম্নরূপঃ
(১) জাহান্নাম :
وعد الله المنافقين والمنافقات والكفار نار جهنم خالدين فيها
অর্থাৎ, আল্লাহ তায়ালা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, মুনাফিক পুরুষ ও নারী গণ এবং কাফেররা অনন্ত কাল জাহান্নামের আগুনে বাস করবে। –সূরা তাওবা-৬৮
(২) জাহিম :
والـذيـن سـعـوا فـي أبـاتـنـا مـعـجـزيـن أولنك اصحـاب الـجـحـيـم
অর্থাৎ, যারা অক্ষম হয়েও আমার নিদর্শনাবলীতে ভুল ধরার চেষ্টা করে তারাই জাহিমের অধিবাসী। (সূরা হজ্জ-৫১)
(৩) সাকার :
إن هذا إلا قول البشر سأصليه ستر
অর্থাৎ, যে/যারা (আমার আয়াতকে) বলতো ইহাতো মানুষেরই কথা-শীঘ্রই আমি তাকে সাকারায় ফেলবো। (সূরা মুদ্দাসির-২৫, ২৬)
(৪) ছা'ঈর:
আল্লাহর বিধান না মানলে সায়ীরে প্রবেশ করতে হবে ।
মহান আল্লাহ বলেন- وقالوا لوكنا نسمع أو نعقل ما كنا اصحاب الشعير *
অর্থাৎ, তখন তারা বলবে আমরা যদি আল্লাহর বানী মানতাম ও অনুধাবন করতাম তবে আজ আমরা সায়ীরের অধিবাসী হতাম না। –সূরা মুলক-১০
(৫) হাবীয়া :
وأما مـن خفـت مـوازيـنـه نـامه هـاويـة و مـا أدرك مـاهـيه نار حامية
অর্থাৎ, যার নেক আমলের পাল্লা হালকা হবে তার আবাস হবে হাবিয়া দোজখে। তুমি কি জানো হাবিয়া কি ? উহা উত্তপ্ত আগুন। -সূরা কারিয়া-৮
(৬) হুতামা :
كلا لينبذن في الحطمة وما أدراك ما الحطمة نار الله الموقدة *
অর্থাৎ, যারা পর নিন্দা করে ও মাল জমা করে তারা হুতামায় নিক্ষিপ্ত হবে। তুমি জান হুতামা কি ? উহা আল্লাহর জালানো আগুন । সূরা হুমাযাহ-৪
(৭) লাজা :
انها لظى براعة للشـوى تـدعـوا مـن أدبر و تولى و جمع فاوعى
অর্থাৎ, নিশ্চয়ই লাজা হচ্ছে আগুনের লেলিহান শিখা, উহা চামড়া ও গোস্ত ঝলসাবে। যে ব্যক্তি সত্যকে অমান্য করে আর মালামাল জমা করে তাকে লাজা ডাকবে। -সূরা মায়ারিজ-১৬
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Jamalpur
2000