Mirror Time
19/06/2026
নির্বাচনী গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাসেম মাসুক লস্কর
নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক গণসংযোগ ও জনসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন বানিয়াচং উপজেলার ২নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাসেম মাসুক লস্কর।
শুক্রবার বিকেলে তিনি উপজেলার ৫ ও ৬নং বাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়ী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের কাছে নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরেন। গণসংযোগকালে তিনি এলাকাবাসীর কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া ও সমর্থন পান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৪নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল ইসলাম, ২নং ইউনিয়ন সভাপতি কারী আব্দুল মুহিত, ৪নং ইউনিয়ন সভাপতি ফয়জুল হক, ২নং ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সবুজ মিয়া, ২নং ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ বিষয়ক সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান, ইউনিয়ন সহকারী বায়তুলমাল সম্পাদক আজিজুর রহমান, বাবুর বাজার ৫/৬নং বাজার ইউনিট সভাপতি অনি মিয়া এবং বাবুর বাজার ইউনিট সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
গণসংযোগ শেষে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাসেম মাসুক লস্কর বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন।
#বানিয়াচং #হবিগঞ্জ #ইউপিনির্বাচন #গণসংযোগ
19/06/2026
জমি দখলের হুমকিতে প্রাণশঙ্কায় পরিবার, দুর্গাপুরে সংবাদ সম্মেলনে ন্যায়বিচারের.....see more
19/06/2026
19/06/2026
জাতীয় ছাত্রশক্তি হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মসূচির শুরুতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ হবিগঞ্জের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে অনুষ্ঠিত পরিচিতি ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ছাত্রশক্তি হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক নূর আলম চৌধুরী এবং সভা পরিচালনা করেন সদস্য সচিব হাকিমুল ইসলাম।
সভায় নবগঠিত জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনা সভা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব মীর দুলালসহ জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় ছাত্রশক্তি হবিগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জেলার ছাত্রসমাজের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি একটি আদর্শ, মেধাভিত্তিক ও গণমুখী ছাত্র সংগঠন গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সভা শেষে নেতৃবৃন্দ জাতীয় ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করতে এবং হবিগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগঠনের কার্যক্রম বিস্তারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
#হবিগঞ্জ #জাতীয়ছাত্রশক্তি #এনসিপি #পরিচিতিসভা
19/06/2026
নবীগঞ্জ বাজার আজ যেন অবৈধ দখলদার ও বেপরোয়া টমটম চালকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। রাস্তার দুই পাশে অবৈধ দখল এবং তার ওপর টমটমের অবৈধ পার্কিং—সব মিলিয়ে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে অসহনীয় যানজট। এতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে অবৈধ দখলদার ও নিয়মভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষের অনীহা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, জনগণের চলাচলের রাস্তা যেন কার্যত দখলদারদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে এবং প্রতিদিনের এই ভোগান্তির দায় কেউ নিচ্ছে না।
এ অবস্থায় নবীগঞ্জ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয়রা জোরালোভাবে দাবি জানিয়েছেন—অবিলম্বে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, রাস্তার ওপর টমটমের অবৈধ পার্কিং বন্ধ এবং বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
#নবীগঞ্জ #হবিগঞ্জ #অবৈধদখল #যানজট #টমটম
19/06/2026
ভেজাল খাদ্য ও দূষণে ভোলায় বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি, প্রয়োজন বিশেষজ্ঞ.....see more
19/06/2026
অসহায় তরুণীর বিয়ের পুরো দায়িত্ব নিল সুন্দ্রাটিকি পল্লী উন্নয়ন.....see more
19/06/2026
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়কের হরিতলা এলাকায় বাদশা কোম্পানির কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভরঞ্জন চাকমা স্থানীয়দের বরাতে জানান, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাতনামা বাস মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে সেটি উল্টে যায়। এতে আরোহী ব্যক্তিটি রাস্তায় ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং ঘাতক বাসটিকে চিহ্নিত করার কাজ অব্যাহত রয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন ওসি।
**মীর দুলাল**
19/06/2026
পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ জন বাংলাদেশি হাজি। অন্যদিকে হজ পালন করতে গিয়ে হজের আগে ও পরে এ পর্যন্ত ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রত্যাবর্তনকারী ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৬ হাজার ২৬৯ জন।
সৌদি আরবে মৃত্যুবরণকারী ৫৪ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে মক্কায়। এছাড়া মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।
ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। গত ১৯ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত সংস্থাটি ২৬ হাজার ৮৬৮ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইনসের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ২১ হাজার ৪৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন আরও ৪ হাজার ৩ জন হাজি।
হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এ পর্যন্ত মোট ১৫২টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৭৬টি ফ্লাইট, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৪টি এবং ফ্লাইনাস পরিচালনা করেছে ২২টি ফ্লাইট।
স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র (ই-প্রেসক্রিপশন) প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা প্রদান করা হয়েছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের চিকিৎসা, তথ্যসেবা ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।
হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট আগামী ৩০ জুন নির্ধারিত রয়েছে। অবশিষ্ট হাজিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
**মো: আল-মাহফুজ শাওন **
19/06/2026
সুন্দরবনের নদী-খাল ও বনাঞ্চল থেকে জোয়ার-ভাটার স্রোতে ভেসে আসা শুকনো গাছের পাতা, ডালপালা ও বিভিন্ন ফল সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছেন উপকূলীয় অঞ্চলের নারীরা। জ্বালানি সংকট, দারিদ্র্য ও বিকল্প জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে এসব প্রাকৃতিক উপকরণই হয়ে উঠেছে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম ভরসা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করায় প্রাকৃতিক বনায়ন ব্যাহত হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
উপকূলীয় অঞ্চলে জীবিকার পাশাপাশি জ্বালানি সংগ্রহও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর নারীরা প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন নদী ও খালের তীর থেকে ভেসে আসা শুকনো পাতা, গোলপাতার অংশ, কেওড়া, গেওয়া ও অন্যান্য গাছের ফল সংগ্রহে। এতে একদিকে পরিবারের জ্বালানি খরচ কমে, অন্যদিকে ভেসে আসা উপকরণের পুনঃব্যবহারও নিশ্চিত হয়।
সম্প্রতি কয়রা উপজেলার শাকবাড়িয়া নদীর তীরে দেখা যায়, এক নারী কোমরসমান পানিতে নেমে ভেসে আসা শুকনো পাতা ও ফল সংগ্রহ করছেন। ঝুড়িভর্তি এসব পাতা ও ফল বাড়িতে নিয়ে শুকিয়ে রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, জোয়ারের পানির সঙ্গে সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের পাতা, ফল ও শুকনো ডালপালা ভেসে আসে। এগুলো উপকূলের দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য এক ধরনের বিনামূল্যের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বাসিন্দা অঞ্জনা মুন্ডা বলেন, “ভেসে আসা ফলগুলোর ভেতরে শাঁস থাকলে শুকাতে সময় লাগে। তাই আমরা শাঁস ফেলে দিয়ে খোলস শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করি। নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে কিছু ফল বিক্রিও করি। তবে বনের বাইন গাছের ফল সহজে পোড়ে না, তাই সেগুলো গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।”
স্থানীয় নারীরা জানান, অভাবের কারণে অনেক পরিবার জ্বালানি কাঠ কিংবা গ্যাস কিনতে পারে না। ফলে নদী ও খালের তীরে ভেসে আসা ফল ও পাতা সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়। তাঁদের দাবি, প্রতি জোয়ারে একজন মানুষ এক থেকে দেড় মণ পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করতে পারেন।
কাটকাটা গ্রামের মধ্যবয়সী নারী সুরভি মণ্ডল বলেন, “সারা বছরই এসব ফল সংগ্রহের কাজ চলে। এলাকায় জ্বালানির খুব সংকট। তাই আমরা দল বেঁধে নদীর তীর থেকে ভেসে আসা সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের ফল সংগ্রহ করি। এসব ফল জ্বালানি ছাড়াও ছাগলের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।”
সুন্দরবনসংলগ্ন কপোতাক্ষ, শাকবাড়িয়া ও কয়রা নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা শ্রাবন্তী রানী, সূর্য মুন্ডা ও নিলিমা রানী জানান, সুন্দরবনের গাছের ফল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের কারণে প্রাকৃতিক বনায়নের ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু বিকল্প জ্বালানির অভাবে তাঁরা বাধ্য হয়ে এসব ফল সংগ্রহ করেন।
এ বিষয়ে উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ঘুগরাকাটি ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা সুজাউদ্দিন বলেন, “সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের পাতা ও ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে সাধারণ মানুষ সেগুলো জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। কিন্তু এসব ফল সংরক্ষণ করা গেলে নদীর চরগুলোতে প্রাকৃতিক সবুজ বেষ্টনী গড়ে উঠতে পারত।”
কয়রা উপজেলা বন কর্মকর্তা জহিরুল হক বলেন, “সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার ফলে প্রাকৃতিক বনায়ন ব্যাহত হচ্ছে। সচেতনতার অভাবে মানুষ এসব ফল সংগ্রহ করছে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বারবার সতর্ক করা হয়েছে।”
সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, “সুন্দরবনের গাছ থেকে ঝরে পড়া ফলের একটি অংশ বনেই চারা হিসেবে জন্ম নেয়। তবে অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে লোকালয়ের নদীর তীরে জমা হয়। এসব ফল উপকূলের মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান করলেও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। কারণ, এসব ফল থেকে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে নতুন বনায়নের সম্ভাবনা ছিল।”
পরিবেশবিদদের মতে, উপকূলীয় অঞ্চলে বিকল্প জ্বালানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা না গেলে সুন্দরবননির্ভর এই জ্বালানি সংগ্রহ বন্ধ করা কঠিন হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের জীবিকার প্রয়োজন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় সাধনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা।
**মো. আল-মাহফুজ শাওন**
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Habiganj