BDAlo
24/11/2014
বন্ধুত্বের সুতোয়
জীবনে চলতে গেলে বন্ধুর সান্নিধ্য চাই সবারই। আবার চলতি পথে ব্যস্ততা কিংবা জীবন ধারার অদল-বদলের কারণে অনেক বন্ধুকে হয়তো নেহাত অনিচ্ছাতেই হারিয়ে ফেলি আমরা। একইভাবে পরিবেশ আর পারিপার্শ্বিকতার কারণে কখনো কখনো সন্ধান করতে হয় নতুন বন্ধুত্বেরও। আর নতুন বন্ধু খোঁজার এই সময়টায় কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখতে না পারলে তা সময়ের পালাবদলে অনেকের জন্যই কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। একজন ভালো বন্ধু পাওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো বন্ধুত্বের সম্পর্কের মাঝে কোনো ধরনের স্বার্থ কিংবা প্রাপ্তির চিন্তা মাথায় না রাখা। মনে রাখবেন স্বার্থের প্রয়োজনে করা বন্ধুত্ব আপনাকে একটা সময়ে লাভবান করলেও চূড়ান্ত বিচারে আপনাকে করে তুলতে পারে নিঃসঙ্গ। এ কারণে কোনো ধরনের প্রাপ্তির চিন্তা থেকে নয়, বরং নিজের ভালোলাগা আর ভালোবাসাগুলোকে ভাগাভাগি করে নেয়াই হোক বন্ধুত্বের প্রথম দাবি। দ্বিতীয়ত, বন্ধুত্বের মাঝে যেন ভুল বোঝাবুঝি বা মনোমালিন্য সহজেই স্থান করে নিতে না পারে সেজন্য নতুন করে বন্ধু হওয়ার মানসিকতাটুকু বোঝাও কম-বেশি জরুরি। এক্ষেত্রে শুধু যে সমমানসিকতাসম্পন্ন মানুষেরাই আপনার বন্ধু হবেন তেমনটা কিন্তু নয়, বরং নতুন বন্ধুর মানসিকতা যেমনই হোক না কেন তার প্রতি আপনার সহনশীলতা এবং আপনার মতের প্রতি তার সমর্থনই পারে একটা নির্ভেজাল বন্ধুত্ব গড়ে দিতে।
নতুন কারো সাথে বন্ধুত্ব গড়বার মাধ্যমে আপনি যেমন আপনার মনের কথা কিংবা কাজের পরিবেশের অনেক কথা ভাগাভাগি করে নিতে চান তেমনি আপনার বন্ধুটির মনেও একই রকম আকাঙক্ষা থাকাটা স্বাভাবিক। কাজেই নিজের কথা বলার পাশাপাশি বন্ধুর কথা শুনতে চাইবার মানসিকতাটাও জরুরি। আর এ প্রেক্ষাপটে খুব বেশি মাত্রায় আত্মকেন্দ্রিক কোনো মানুষের সাথে বন্ধুত্বে জড়ানোর আগে অবশ্যই তার সাথে আপনি কতটা মানিয়ে নিতে পারবেন সে বিষয়টুকু ভেবে দেখা দরকার।
বন্ধুত্বের যেমন সুনির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা হয় না তেমনি বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রেও ধরাবাঁধা কোনো নিয়মের কথা বলা যায় না। তবে বন্ধুত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে বয়স, লিঙ্গ বা সামাজিক অবস্থান যেন মুখ্য হয়ে না দাঁড়ায় সেটি অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে। আবার বন্ধুত্ব হয়ে যাবার পর এ ধরনের চিন্তাও মাথা থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কেননা যাদের কাছে বন্ধুত্বের আবেগের চাইতে নিজের অবস্থান অনেক বেশি মুখ্য তাদের সাথে কখনও প্রাণখুলে বন্ধুত্বের আনন্দটুকু উপভোগ করা যায় না। আবার বন্ধুর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে যারা খুব বেশি কৌতূহল দেখান বা বন্ধুর কোনো বিষয়ে যারা উপযাচক হয়ে অযাচিত উপদেশ বিলাতে ভালোবাসেন তাদেরকেও নতুন বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করতে সতর্ক হতে হবে। সর্বোপরি নতুন বন্ধু হিসেবে কারো দিকে হাত বাড়াতে বা কারো বন্ধুত্বের ডাকে সাড়া দিতে তার মানসিকতা, বন্ধুর প্রতি তার মূল্যায়ন সম্পর্কেও কম-বেশি জানতে এবং বুঝতে হবে।
24/11/2014
সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই খালি পেটে পানি পান করে থাকেন। কিন্তু এই পানি পান করা কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? ভালো হলে কেন ভালো? কীভাবে উপকার পাওয়া যায় সকালে পানি পান করলে? আর কতটুকুই বা পানি পান করতে হবে?
সকালে খালি পেটে পানি পান
চিকিৎসকদের মতে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। প্রতিদিন সকালে অন্তত দুই থেকে চার গ্লাস পানি খাওয়া উচিত। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি খেলে বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং উপকারিতাও টের পাওয়া যায়। তবে সকালে পানি খাওয়ার পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভাল। এ উপায়ের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি পরিপাক ক্রিয়ার জন্য ভীষণ উপকারী।
কিন্তু কীভাবে উপকারে আসে এবং এর সুফল কীভাবে পাওয়া যায়?
অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি খেয়ে সুস্থ থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা যায়। সকালে খালি পেটে পানি কেবল পাকস্থলী পরিষ্কারই নয়, আমাদের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।
প্রথমত, এ অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সাহায্য করে। পরিপাক ক্রিয়া থেকে সঠিক ভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভাল হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে উপকারে আসে। ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখে। রক্ত থেকে টক্সিন ও বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এটি। এছাড়াও পানি নতুন রক্তকোষ এবং মাংস পেশী তৈরির প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে।
10 ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ 42/0
তামিম= 25
এনামুল= 15
7.4 Chatara to Tamim, 1 run
7.3 chatara to tamim, 4 runs
7 ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ 29/0
তামিম= 13
এনামুল= 14
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gazipur
1740