IQ Technology BD

IQ Technology BD

Share

28/06/2023
08/05/2023

“সচেতনতামূলক পোষ্ট”

মিরপুর বেরিবাধের রাস্তায় যারা যাতায়াত করেন তারা অনেকেই লক্ষ্য করবেন রাস্তার দুই পাশে কিছু মাছ বিক্রেতা বসে থাকেন জিওল মাছ নিয়ে (শিং,মাগুর,কৈ)।বিরুলিয়া থেকে নবাবের বাগ পর্যন্ত প্রতি ১/১.৫ কি:মি: পরপরই একজন করে পাবেন যারা বালতি আর বড় সিলভারের ডালায় করে মাছ সাজিয়ে বসে থাকে।এদের জিজ্ঞাসা করলেই বলবে দেশী বিলের মাছ।এরা মাছগুলো ঠিকা বা আনুমানিক একটা দাম ধরে বিক্রি করে।প্রতিজনের কাছেই কৈ,শিং,মাগুর সব মিলিয়ে আনুমানিক ২/২.৫ কেজি করে মাছ থাকে,যার দাম তারা কাষ্টোমার বুঝে ৩হাজার থেকে ৫হাজার পর্যন্ত চেয়ে থাকে!

এই মাছগুলো আসলে মোটেও দেশী বিলের মাছ নয়।রাজশাহী এবং নঁওগা এলাকার চাষের মাছ এগুলো।এগুলোকে কৃত্তিম রং মিশিয়ে এরা ডালায় সাজিয়ে দেশী বলে বিক্রি করে।চাষের মাছ খাওয়া দোষের কিছু নয়,তবে এরা প্রতারনা করে দেশী মাছ বলে সস্তা চাষের মাছ বেশী দামে বিক্রি করছে এটাই দোষের।

এছাড়াও এই একই রূটে এবং পূর্বাচল ৩০০ফিট রূটে দুপুরের পরে মিনি ট্রাকে করে একদল মাছওয়ালা পদ্মা এবং যমুনা নদীর মাছ বলে বার্মা থেকে আমদানীকৃত প্রিজারভেটিভ দেয়া বিশালাকারের ফ্রোজেন রুই,কাতলা,বোয়াল এবং বাঘাড় মাছ বিক্রি করে।এরা তো আরও বড় প্রতারক!

সুতরাং যারা এসব মাছ কিনে খান বা যাওয়া-আসার পথে দেখতে দেখতে কেনার পরিকল্পনা করছেন তারা একটু ভেবে-চিন্তে কিনবেন আশা করি।

07/05/2023

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও পুরুষ মৌমাছি কেন স্ত্রী মৌমাছির সাথে মিলন করে?

এরা মৃত্যুর জন্য মোটেও ভয় পায় না।একজন মানুষকে মারতে হলে প্রায় ১১০০ হুলের বিষ প্রয়োজন। আনুমানিক ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য ১১০০ মৌমাছি প্রায় ৯০ হাজার মাইল পথ ঘুরতে হয়। যা কিনা চাদের কক্ষপথের প্রায় তিনগুণ!

ফুলের হিসাব করলে দেখা যায় ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ ফুলের পরাগরেণু স্পর্শ করতে হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে ভালো মৌসুমে প্রায় ৫৫ কেজি মধু জমা হয়। এসব তথ্য থেকে আমরা বুঝতে পারি কর্মী মৌমাছি কি পরিমাণ পরিশ্রমী।

অপরদিকে রাণী মৌমাছি শুধু খায় আর ডিম পারে!
রাণী প্রতিদিন ১৫০০ থেকে ২৫০০ ডিম দেয়। পুরুষ মৌমাছির স্বভা বেশ অদ্ভুত। এরা জীবনেও কোন কাজ করে না, এমনকি কর্মী মৌমাছিকে এদের খাবার পর্যন্ত মুখে তুলে দিতে হয়। এদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হলো রাণী মৌমাছির সাথে মিলিত হওয়া!

মিলন মৌসুমে প্রতিদিন দুপুরবেলা চাকের সর্বাধিক সক্ষম পুরুষ মৌমাছিগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ভিড় জমায় যাকে বলা হয় পুরুষ ধর্মসভা!

ঠিক একই সময়ে চাক থেকে রাণী মৌমাছি ঘুরতে বের হয়, যাকে বলা হয় “দি মিটিং ফ্লাইট”

রাণী মৌমাছি হঠাৎ করে ঢুকে পড়ে পুরুষ ধর্মসভা এলাকায়। সে এসেই এক বিশেষ ধরণের গন্ধ ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে শত শত পুরুষ মৌমাছি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এর পরপরই রাণী মৌমাছি উড়ন্ত অবস্থায় পছন্দমত পুরুষের সাথে মিলন করে। রাণী মৌমাছি একেবারে পর্যায়ক্রমে ১৮-২০টা পুরুষ মৌমাছির সাথে মিলিত হতে পারে!

অদ্ভুত ব্যাপার হল, যৌন মিলনের সময় পুরুষ মৌমাছির এন্ডোফেরাস বা যৌনাঙ্গ ভেঙ্গে যায় এবং তখনই মারা যায় পুরুষ মৌমাছি। এজন্যই এই মিলনকে বলা হয় “দি ড্রামাটিক সেক্সুয়াল সুইসাইড”।

একটি মৌচাক একটি মাত্র রাণী আ স্ত্রী মৌমাছি থাকে। রাণীকে কেন্দ্র করেই মৌচাক গড়ে ওঠে।

যদি কোন ডিম থেকে স্ত্রী মৌমাছির জন্ম হয় সে শিশু স্ত্রী মৌমাছিকে কর্মী মৌমাছিরা লুকিয়ে রাখে যেন রাণীর নজরে না আসে। রাণীর নজরে পড়লে ঐ শিশু স্ত্রী মৌমাছির নিশ্চিত মৃত্যু । শিশু রাণী মৌমাছিটি বড় হলে দুই রাণীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। এতে দুটি পথ খোলা থাকে । হয় যুদ্ধে মৃত্যু ( একজন অপর জনকে হত্যা করে মৌচাকের কর্তৃত্ব গ্রহণ করে) না হয় দুজন আলাদা হয়ে পৃথক দুটি মৌচাক গড়ে তোলা।

অনাকাঙ্খিতভাবে যদি কোন রাণী মৌমাছি মারা যায় তবে সে খবর ১৫ মিনিটের মধ্যে সকল কর্মী মৌমাছি জানতে পারে এবং সম্মিলিতভাবে নতুন রাণী মৌমাছি তৈরি করার উদ্যোগ নেয়।

আরো কিছু অদ্ভুত বিষয় রয়েছে, যা জানলে আপনারা অবশ্যই অবাক হবেন,,, ৫০০ গ্রাম মধু তৈরিতে ২০ লক্ষ ফুল লাগে। শ্রমিক বা কর্মী মৌমাছি সারা জীবনে আধা চা চামচ মধু তৈরি করতে পারে। আরো একটা মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীতে মধু একমাত্র খাদ্য যা কখনোই পঁচে না!!!

সংগৃহীত

05/05/2023

ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ইত্যাদি বড়-বড় শহর গুলোর ২০০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে যদি ৭ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সংগঠিত হয় তবে এই শহরের বিল্ডিংগুলো অবস্থা হতে পারে মেক্সিকো সিটির বিল্ডিং গুলোর মতো।

১৯৮৫ সালে মেক্সিকো শহর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে একটা ভূমিকম্প হয়েছিল কিন্তু মেক্সিকো শহরের অনেক বিল্ডিং উল্টে পড়ে।মেক্সিকো শহর যেস্হানে গড়ে উঠেছে ঐস্হানটি কোন এক সময় লেক ছিল। লেকটি শুকিয়ে গেলে ঐ ভূমির উপর শহরটি গড়ে উঠে। মেক্সিকো সিটির ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক গভীর পর্যন্ত পলিমাটি বিস্তৃত ছিল ও মাটির গঠন ছিলও অনেক নরম। ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্টি হওয়া ভূপৃষ্ঠ-তরঙ্গ যখন নরম মাটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন সেই তরঙ্গ খুব ধীরগতিতে প্রবাহিত হয় ও বহু-তরঙ্গ বহু-গর্ভের বিভিন্ন স্তরে প্রতিফলিত হয়ে ছোট-ছোট একাধিক তরঙ্গ একত্রিত হয়ে বড় তরঙ্গের সৃষ্টি করে ফলে বিল্ডিং এর নিচের ভূমি অনেক বেশি উচ্চতায় কম্পিত হয় ও বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশনের নিচের মাটি নরম হয়ে পড়ে বিল্ডিং এর নিচের অনেক গভীর পর্যন্ত মাটি পানি দ্বারা প্রায় সংপৃক্ত থাকার কারণে।
ভূমিকম্প বিজ্ঞানের ভাষায় ঝাঁকুনির কারণে মাটির গঠন আলগা হয়ে পড়াকে ভূমির তরলিকৃণ বা soi Liquefaction বলে: When liquefaction occurs, the strength of the soil decreases and, the ability of a soil deposit to support foundations for buildings and bridges is reduced as seen in the photo (SC) of the overturned apartment complex buildings")। উপরে বর্ণিত ভূমির তরলিকৃণা বা Soil Liquefaction এর কারণে মেক্সিকো শহর এর অনেক বহুতল বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়ে একদম গোঁড়া থেকে উল্টে পড়ে গিয়েছিল।

ভূতাত্ত্বিক ভাবে বাংলাদেশের ভূমি গড়ে উঠেছে গঙ্গা নদী ও ব্রক্ষমপুত্র নদ বাহিত পলি মাটি দিয়ে। ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ইত্যাদি বড়-বড় শহর গুলোর ২০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে যদি ৭ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সংগঠিত হয় তবে সেই ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্টি হওয়া তরঙ্গ যখন জলাভূমি, পুকুর, ডোবা, নদী-নালা ভরাট করে তৈরি করা বিল্ডিং এর নিচ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশনের নিচের মাটি নরম হয়ে পড়ে বিল্ডিং ধ্বসে পড়ার প্রচণ্ড ঝুঁকি রয়েছে।

-মোস্তফা কামাল পলাশ
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইডি গবেষক এবং আবহাওয়াবিদ

30/04/2023

কাঠঠোকরার জিহ্বা এত লম্বা যে, এটি তার মাথার চারপাশে পুরো খুলি (Skull) কে আবৃত করে রাখে। একটি কাঠঠোকরা যখন তার লম্বা ও শক্ত ঠোঁট দিয়ে তীব্র বেগে গাছের গুঁড়িতে খোঁচা দেয়, এই জিহ্বা (hyoid bone) সংকোচন ও প্রসারণ এর মাধ্যমে মাথার খুলিকে স্থিতিশীল রাখে এবং মস্তিষ্ক কে Shock Absorption এর মাধ্যমে আঘাত থেকে রক্ষা করে। কাঠঠোকরা 1200 g থেকে 1400 g বল নিয়ে তার ঠোঁট দিয়ে গাছের গুঁড়িতে আঘাত করে।

উল্লেখ্য 60 g থেকে 100 g ফোর্স নিয়ে মানুষ তার মাথা দিয়ে শক্ত কিছুতে আঘাত করলে, সে মারাত্মকভাবে আহত হবে।

"অতএব তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?"
সূরা আর রহমান।

লেখা ও ছবি - Ashrin Tamim

Want your business to be the top-listed Media Company in Fulbaria?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Fulbaria