Dj.RuBeL
09/08/2025
My litel Princess
28/07/2025
সিডনীতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার লেনদেন!
নবপ্রজন্মের আন্দোলনের মহানায়ক হিসেবে পরিচিত মাহফুজ, যার প্রতি অনেকেই ভরসা রেখেছিলেন, তার নাম এখন একটি বিতর্কের কেন্দ্রে। জন্মদেশের বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান, মাহফুজের নামের পাশে আজ যোগ হচ্ছে বিতর্ক, ঠিক যেমনভাবে কিছুদিন আগে আলোচনায় এসেছিল হাতিয়ার হান্নান মাসুদ ও 'ধরা খাওয়া' সমন্বয়ক রিয়াদ। নোয়াখালীর গৌরবময় ইতিহাস ও মর্যাদার প্রতি এই অব্যবহার আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে।
জানা গেছে, মাহফুজের আপন বড় ভাই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করে। উচ্চতর লেখাপড়ার পাশাপাশি এখানে সে পার্টটাইম একজন নিবেদিত যাত্রী সেবক, বাংলায় বলা হয় 'ট্যাক্সি ড্রাইভার'। মাহফুজের বিভিন্ন লবিং ও ফাইলিংয়ের কমিশনের অর্থ অস্ট্রেলিয়াতে তার স্টুডেন্ট ভাইয়ের ব্যাংক একাউন্টে জমা হচ্ছিল দীর্ঘ ৯ মাস ধরেই (Commonwealth Bank of Australia), গত ২৪/০৭/২০২৫ মিডল ইস্ট থেকে একটি সাড়ে ছয় কোটি টাকার লেনদেন অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার (AUSTRAC) নজরে আসে। অস্বাভাবিক আর্থিক এই কার্যকলাপের দায়ে তার ভাইয়ের ব্যাংক একাউন্টটি জব্দ করা হয়। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন, তাই বিস্তারিত আপাতত চেপে যেতে হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থ জন্মদেশের একটি প্রভাবশালী বেনিয়া গোষ্ঠীর প্রজেক্ট থেকে পাওয়া 'কমিশনভিত্তিক হিস্যা'। জন্মদেশে মাহফুজ ফাইল তদবির ও লবিং করে আর কমিশনের অর্থ অস্ট্রেলিয়াতে ভাই রিসিভ করে, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক গোয়েন্দা বিভাগ (AUSTRAC) বিষয়টি গভীরভাবে অনুসন্ধান করছে। অনেকেই এখন এই অস্বাভাবিক 'ধরা খাওয়া লেনদেন'কে তুলনা করছে বিগত B.A.L আমলের সেই 'ছাগল কাণ্ড' এর সাথে।
এই বাস্তবতায় আমার মনে প্রশ্ন জাগে—আমরা কি শুধুই একজন বা দুজন সমন্বয়ককে লক্ষ্য করব, নাকি পুরো সিস্টেমে যারা প্রবেশ করেছে তাদেরকেও কঠিনভাবে পর্যবেক্ষণ করব?
আমার সুপারিশ, জন্মদেশে অবস্থানরত প্রতিটি সমন্বয়ক এবং তাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের [ফার্স্ট ডিগ্রী রিলেটিভ] আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক একাউন্ট এবং সম্পদ বিবরণী একটি জাতীয় পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হোক। এর আওতায় তাদের পিতা, মাতা, ভাই, বোন, স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি, শ্যালক-শ্যালিকা—সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বিশেষ করে, হাতিয়ার সেই আলোচিত সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবার, এমনকি তার শ্বশুরবাড়ির পক্ষের সম্পত্তিও আজই রাষ্ট্রীয় তদন্তের আওতায় আনা উচিত। না হলে, দেশের উন্নয়নপ্রয়াস এক শ্রেণির দুর্বৃত্তদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়বে—যেখানে দেশের কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ শুধু দর্শক হয়ে থাকবে, এবং ত্যাগের বদলে পাবে হতাশা ও অবহেলা।
সময় এসেছে সততা ও আদর্শিক নেতৃত্বকে রক্ষা করার, আর দুর্নীতির বিষবৃক্ষকে মূল থেকে উপড়ে ফেলার।
অবশেষে আরব বেদুঈন যোদ্ধারা সুওয়ায়দা শহরে ঢুকে পড়েছেন।
সুওয়ায়দার Industrial Zone অঞ্চলে প্রচণ্ড হামলা শুরু করেছেন তাঁরা। কিছুক্ষণের মাঝে শহরের মিউনিসিপ্যাল স্টেডিয়ামে হামলা আরম্ভের কথা রয়েছে তাঁদের। বেদুঈনদের সাথে সাদা পোশাকে Syrian Armed Forces এর UCAV অপারেটরদের ফর্মেশন যুক্ত হয়েছে। তাঁরা আকাশ থেকে Drone হামলা পরিচালনা করছেন।
আরব গোত্রদের একাংশ সুওয়ায়দার মূল শহর থেকে সরে জর্ডান সীমান্তের দিকের শহর সালখাদের দিকে ধেয়ে যাচ্ছেন। অনুমান করা যায় যে, তাঁদের লক্ষ্য জর্ডানের সাথে দ্রূজ মিলিশিয়া ও বাশার আল-আসাদের অবশিষ্ট সেনাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। Jordanian Eastern Command সীমান্তে ভারী অস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করছে। জর্ডানের আরব বেদুঈনরা যেন সীমান্ত অতিক্রম করে সুওয়ায়দার সংঘর্ষে অংশ নিতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা যার অন্যতম লক্ষ্য বলে অনুমান করা হয়েছে।
সুওয়ায়দা শহরের মাঝে আগুন ধরে গিয়েছে। শহরের উপকন্ঠে বেদুঈন যোদ্ধাদের বহর স্রোতের ন্যায় অবতরণ করছে। বেশিরভাগ কনভয় যেখানে এখন পর্যন্ত সুওয়ায়দার পথে রয়েছে। বেদুঈন ও ভিনদেশী যোদ্ধাদের অগ্রাভিযান এভাবে চলমান থাকলে Israeli Air Force সুওয়ায়দাতে গভীর রাতে বিমান হামলা শুরু করতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করছেন সিরিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা। আমার লেখা চলাকালীন সময়ে বা কিছুক্ষণ পূর্বে Royal Jordanian Army সীমান্তে অজ্ঞাতনামা কনভয়ের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে। তবে কনভয়টির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
গোত্রীয় যোদ্ধাদের কনভয়ের সারি দামেশক থেকে শুরু হয়ে সুওয়ায়দার প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়েছে। সমস্ত গোত্র যুদ্ধের স্বার্থে নিজেদের মাঝের সকল পূর্বেকার শত্রুতা মিটিয়ে ফেলতে আরম্ভ করেছে। সুওয়ায়দা শহরে গোত্রীয় যোদ্ধারা প্রতিটি বাড়ি তল্লাশি করছেন। কোথাও দ্রূজ অথবা বাশার আল-আসাদের সেনাদের পাওয়া গেলে সেখানেই নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে। ইতিহাসের নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে সিরিয়ার মাটিতে। শতবর্ষ পর গোত্রের আকারে যুদ্ধের মাঠে অবতীর্ণ হয়েছে আরবের বেদুঈনরা।
এসবের মাঝে গাজায় Israel Defense Forces নিজের সেনাদের নির্দেশ দিয়েছে যে, রাতে ঘুমানোর সময় নিজেদের পজিশনের সমস্ত দরজা ও জানালা যেন ওরা ভালোভাবে বন্ধ করে রাখে। নতুবা HAMA$ যোদ্ধারা রাতের আঁধারে ওদের টেনে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
S. S. K. Road Feni
Feni