Restart
এই দেশে আ'ই'ন কেন সবার জন্য সমান নয়..?
02/03/2026
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে ইকোপার্কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ভেতরে সড়কের ব্লকের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় এক স্কেভেটরচালক দেখতে পান, রক্তাক্ত অবস্থায় ওই শিশুটি জঙ্গল থেকে টলতে টলতে রাস্তার দিকে আসছে। তার শ্বাসনালি কাটা ছিল এবং শরীরের নিচের অংশে কোনো পোশাক ছিল না। শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির গলা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে একটি ট্রাকে করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ ঘটনায় কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাব হোসেন বলেন, "শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। শ্বাসনালি কেটে যাওয়ায় সে কথা বলতে পারছে না। প্রাথমিক আলামত ও পোশাকের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।" উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
বিস্তারিত পড়ুন কমেন্টে।
অধিক শোকে অনেকটা পাথর হয়ে আছি।
এই বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১০১ মিলিয়ন ডলার রিজার্ভ চুরি হয়েছিল, যা আজও উদ্ধার হয়নি। ১০০ বারের উপরে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ পেছানো হয়েছে৷ এই চুরি হওয়ার পর মাস পেরিয়ে গেলেও সাধারণ জনগণ কিছুই জানতে পারেনি, অন্ধকারে রাখা হয়েছে৷ গভর্নর আতিউরের কোন শাস্তি হয়নি৷
এই বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট হতে ৯৬৩ কেজি স্বর্ণ নয়ছয় হয়েছে।
এই বাংলাদেশ ব্যাংকের ছাদে র এর অফিস ছিল। যারা পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতি মনিটর করত৷ মনসুর সাহেব এসে উচ্ছেদ করেছেন।
এই বাংলাদেশ ব্যাংক এর আওয়ামী গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের বাসা হতে কোটি কোটি টাকার নোট উদ্ধার হয়েছে।
এই বাংলাদেশ ব্যাংক লুটপাটের কারণে রিজার্ভ স্মরণকালের তলানিতে নেমেছিল, মাত্র ১৪ বিলিয়ন ডলার।
এরপর আহসান এইচ মনসুর এসে দায়িত্ব নিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সবচাইতে সফল নিয়োগদের একজন এই আহসান এইচ মনসুর। উনার জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ বিলিয়ন ডলারে। কোন ঋণখেলাপীকে ছাড় দেননি, বাড়তি সুযোগ সুবিধা দেননি। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া ৯টা ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করছিলেন। দেয়া হয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। এখন এগুলোর উপরে শকুনের চোখ পড়েছে।
আমার আম্মা, খালা, আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য মানুষের টাকা এই ব্যাংকগুলোয় আছে৷ কেউই ফেরত পাচ্ছিল না৷ এস আলম গং এর লুটপাটের জন্য সব ব্যাংকের ভল্ট খালি হয়ে গিয়েছিল৷
এই ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশের ৭৬ লাখ পরিবারের টাকা আছে৷ অর্থাৎ সাড়ে ৩ কোটি মানুষের আমানত আছে। এগুলো ধাপে ধাপে ফেরত দেয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ সরকার।
আহসান এইচ মনসুর আর উনার উপদেষ্টাকে মববাজি করে অপমানজনকভাবে বিদায় দেয়ার ধরন দেখে মনে হল আমাদের টাকা আবার লুটপাট করার বন্দোবস্ত হচ্ছে৷ আর ফেরত পাব নাকি সন্দেহ।
দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবার একজন সফল কারিগরের এভাবে বিদায়, মেনে নেয়া খুবই কঠিন। ।
উনার জায়গায় কাকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে? এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমান যার খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৯ কোটি টাকা। তাও মাত্র দুই মাস আগে পুন:তফশিল করা হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের মত এত স্পর্শকাতর একটা জায়গায় এরকম ঝুঁকি নেয়া আসলে কিসের ইঙ্গিত বহন করে? মোস্তাকুর রহমান সম্ভবত বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে সবচাইতে কম যোগ্যতাসম্পন্ন গভর্নর।
ড: ইউনুসের নামে একাধিক মামলা দেয়া হবে, সাহসী দেশপ্রেমিক চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে রাতারাতি অব্যাহতি দেয়া হল৷ আর এখন মববাজি করে পুরো দেশের অর্থনীতির হাল ধরা গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে উনার উপদেষ্টাসহ অপমানজনকভাবে বের করে দেয়া হল।
কিসের নিদর্শন এই ঘটনাগুলো? এরপরে আর কোন যোগ্যতাসম্পন্ন দেশপ্রেমিক কখনো দেশের দায়িত্বে আসবেন? কি জন্য আসবেন? একদিন অপমানিত হওয়ার জন্য?
এই বাংলাদেশ নিয়ে আর স্বপ্ন দেখে লাভ নেই৷
হতাশ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Feni