Center for Multidisciplinary Research and Development
We are finding potential candidates to recruit for the following PhD projects at Deakin University, Melbourne, Australia.
Project 1: Multiple PhD Scholarships under an ARC Discovery Project (ARC DP). Topic: Copyright protection of deep neural network models based on watermarking
Project 2: Multiple PhD Scholarships under an ARC Linkage Project (ARC LP). Topic: Ensuring reliable deployment of deep neural network models
Project 3: Deakin-Indian Institute of Technology Madras Cotutelle Program. Topic: Robust Federated Reinforcement Learning for Reliable Multi-Agent Decision Making
Project 4: Deakin University Postgraduate Research (DUPR) Scholarship. Topic: Federated Multi-Task Learning for Resource-Constrained Edge Devices
Generally, the Ph.D. scholarship covers living costs, tuition fee waivers, and health insurance. Please send your complete CV with detailed publication information (including impact factor and SCImago quartile metrics) and academic transcripts to me ([email protected]) if you are interested and meet the following criteria:
• A Bachelor degree in CSE/ECE/EEE or related disciplines with a good CGPA
• A Master degree in CSE/ECE/EEE or related disciplines with a good CGPA and a good research component
• The required English test (IELTS/PTE) score
• Having good-quality publications (Q1 journal articles with good impact factors as the first authors) will get preference
• Working experience with machine learning and deep learning approaches is preferable
If you require more information, please feel free to send a DM to me.
Best Regards,
Dr Md Palash Uddin
Post Doctoral Research Fellow
School of IT, Deakin University, Melbourne, Australia
22/03/2025
7 Sci-Hub Alternative Websites
Can’t access a paper due to a paywall or Sci-Hub being unavailable?
Don’t worry—you don’t have to pay to read academic papers.
Here are 7 alternatives to download papers legally and for free:
👉 Unpaywall –> https://unpaywall.org/
Install this browser extension on Chrome and access papers directly from journal websites for free.
👉 Open Access Button (OAB) –> https://lnkd.in/dXVVQpUf
Paste the paper’s link or DOI into the OAB search bar to find a free version. Legal and straightforward.
👉 PaperPanda –> https://paperpanda.app/
Another browser extension to access millions of research papers with a single click.
👉 DOAJ –> https://doaj.org/
The Directory of Open Access Journals lets you browse millions of scientific papers from around the globe for free.
👉 OA[.]mg –> https://oa.mg/
A search engine dedicated to academic papers, offering access to over 250 million articles.
👉 Core –> https://core.ac.uk/
The world’s largest research paper database, with over 298 million free-access articles.
👉 arXiv –> https://arxiv.org/
Ideal for natural sciences and economics enthusiasts, offering 2.4 million academic papers for free.
Source: Collected for LinkedIn
এক্সাম
বাইরে ঘন কুয়াশা, চারদিকে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আমি হাত দিয়ে দুই চোখ ভালো করে ঘসলাম, নাহ কিছুই তো নেই। আরো কয়েক কদম এগিয়ে গেলাম, এবার চোখে পড়ল লাল ইটের একটা বিল্ডিং আর চিরচেনা গেট৷ সামনে যেতেই গার্ড মামাকে দেখলাম কম্বল গায়ে দিয়ে চেয়ার উপর পা তুলে বসে আছে।
লিফটের দরজা বন্ধ হওয়ার আগেই চলে গেলাম, আমাকে দেখে জায়গা করে দিলো এক ভাই, বাকিরা ক্যান জানি আমার দিকে তাকাচ্ছিলো। পরে বুঝলাম শীতের দিনে মাথা, কপালে ঘাম দেখা যাচ্ছে।
আসলে আজকে ফাইনাল এক্সাম, বাস মিস করায় অটো নিতে হইছে, টেনশনে এই অবস্থা, আর এই সাবজেক্ট টা আসলেই কঠিন, খালি ম্যাথ আর ম্যাথ।
রুমে গিয়ে দেখি খাতা দিয়ে দিছে, পোলাপান মাথা নিচ করে লেখতেছে। দেখেই মনে হয় প্রশ্ন সহজ হইছে। ঝটপট খাতা আর প্রশ্ন নিয়ে গিয়ে জায়গায় বসলাম। পিছনের জনের সেই পরিচিত ডায়ালগ শুনলাম, দোস্ত দেখাস কিন্তু, পাস করা লাগবে।
এক টানে রোল, কোর্স কোড টাইটেল লিখে প্রশ্ন দেখতে লাগলাম। ওমা, কোনো ম্যাথ নাই৷ খালি থিউরি।
কিন্তু কেমন যেনো আনকমন প্রশ্ন মনে হলো, কিন্তু নাহ, লিখা লাগবে, এক্সট্রা পেজ নিতে হবে।
৩ ঘন্টার এক্সাম ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটে শেষ করলাম। খাতা জমা দিতে গিয়ে অন্য ডিপার্টমেন্ট এর এক স্যার কে দেখলাম, আমাকে দেখে মুচকি হেসে খাতাটা নিলো। আর উল্টে পালটে দেখতে লাগল। আমি ব্যাগ নিয়ে বাইরে চলে আসলাম।
খুব রিলাক্স এ হাটতেছি, পরিচিত এক স্যারের দেখা হইল, স্যার এক্সাম কেমন হইছে জানতে চাইল। আমি বলে দিলাম, ফাটাই লিখছি, এ+ শিউর।
মেইন গেট দিয়ে বের হয়ে দেখি সামনের চায়ের দোকানে আমার ক্লাসমেট পোলাপান চা খাচ্ছে। আমি অবাক, আমি দিলাম খাতা জমা ওরা আবার আমার আগে আসলো কেম্নে।
কিরে তোরা এক্সাম কেমন দিলি??
আমার প্রশ্ন শুনে সবাই আমার দিকে তাকাচ্ছে হা করে, জুয়েল বলতেছে এক্সাম তো কাল ব্যাটা, আজকে তো সবাই আসছি শিট ফটোকপি করতে।
আমি আরো অবাক, ধুর ব্যাটা মশকরা করিস, আমি ২.৫ ঘন্টা এক্সাম দিয়ে আসলাম।
জয় আমার কাছে প্রশ্ন চাইল, আমি বললাম ভূলে ফেলাই আসছি রুমে, দাড়া নিয়ে আসি।।
আমি গিয়ে দেখি এক্সাম রুম ফাকা, আমার সিট এর জায়গা টা এখনো গরম, মনে হয় ৫ মিনিট আগে কেউ বসে ছিলো। নিচে দেখলাম প্রশ্নটা উলটো দিকে পরে আছে। আমি উঠিয়ে দেখলাম পুরা প্রশ্ন ম্যাথ দিয়ে ভরা। মাথা চক্কর দিচ্ছে।
এক্সাম রুম এর লোকজন কই গেলো, ঘড়িতে দেখলাম এখনো এক্সাম শেষের ২০ মিনিট বাকী।
বিল্ডিং থেকে বের হয়ে দেখি সন্ধ্যা নামছে, কিন্তু আমি তো ১২.৪০ এ বের হওয়ার কথা, নাহ ঘড়িতে সন্ধ্যা ৭ টা বাজে।
কোনো রকম ভাবে মেসে গেলাম, রুমমেট আমাকে দেখে অবাক, কাল রাত থেকে নাকি আমি রুমে নাই। ফোন অফ সবাই চিন্তা করছে আমাকে নিয়ে।
আমি কথা না বলে শুয়ে পড়লাম, ভাবতে লাগলাম। আমি তাহলে কই দিলাম এক্সাম। কোন সাবজেক্ট এর, কলম টার কালিও দেখি হাফ হয়ে গেছে। প্রশ্ন টাও মিলছে না। মাথা পুরাই হ্যাং।
রুমমেট কাগজে করে ঝালমুড়ি দিয়ে গেলো, খাইতে লাগলাম, কাগজ টা চেনা চেনা লাগছে। আমি অবাক হয়ে দেখতে লাগলাম, আজকে আমি যে এক্সাম দিলাম তার অতিরিক্ত পেজ এটা। আমার তরতাজা হাতের লিখা এখনো স্পষ্ট। বানান ভুলটা স্পট দেখা যাচ্ছে।
আর কিছু ভাবতে পারলাম না, মাথা ঘুরতেছে। চোখ অফ করে শুয়ে ভাবতে লাগলাম, কি ঘটছে আমার সাথে।
আমার পিছনের বন্ধুর কন্ঠ এখনো কানে বাজছে, দোস্ত হেল্প করিস, পাস করা লাগবে। তার ফোনে ফোন দিলাম, ফোনে রিং হচ্ছে কিন্তু ধরছে না। আমার উত্তেজনা বাড়তে লাগল।
হঠাৎ ভার্সিটির গ্রুপে পোস্ট, আমার সেই বন্ধু রোড এক্সিডেন্ট এ কাল রাতে মারা গেছে। আজকে দুপুরে জানাযা শেষ এ দাফন হইছে। মাথা চক্কর দিয়ে উঠল।
বিস্তারিত আসবে সামনে, পার্ট বাই পার্ট। পুরাটা লিখে ফেলব ভাবছি।
গল্পঃ খুত
আপনার আত্নীয়, বন্ধুমহল, প্রতিবেশী দের মাঝে দেখবেন কিছু লোক আছে, যাদের স্বভাব ভূল ধরা। এরা ডিম ভাজলে ডিম সিদ্ধ খাইতে চায় আবার ডিম সিদ্ধ করলে ডিম ভাজা খাইতে চায়। এমন এক মহিলার গল্প শোনাবো আজকে।
এই বুড়ি মহিলার স্বভাব ছিলো, এলাকায় কেউ নতুন বিয়ে করলে, সেই কনে বা বরের খুত/ দোষ বের করা। সেই অভিজ্ঞতা তার, খুত বের করাতে ১০০% এক্সপার্ট।
Sakir এর বউয়ের চোখ হালকা ট্যারা। Sakib Sakib এর বউয়ের না হাটা ভালো না। Sajid এর বউয়ের চুল ছোটো। ShaWon এর বউয়ের হাইট কম। Subrata এর বউয়ের ব্যবহার ভালো না। Nibir এর বউ মানুষের সাথে কথাই কইতে চায় না। Abdullah এর বউ রান্না পারে না। EmRan এর বউ তারে দাম দেয় না। Tusar Tushar দের বউ বেশি বকবক করে। Alamgir এর বউয়ের পোশাক ভালো না। Zahidul এর বউ পোলাটারে কেয়ার করে না।
Pinky এর বর বেশি লম্বা, Tamanna এর বর স্থির থাকে না। Priyanka এর বর বাসায় বসে থাকে সারাদিন, Zoya Rehman এর বরের টাকা বেশি।
যত কিছু আছে, সব সে খুত হিসেবে প্রকাশ করবে। এই সব দেখে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের বন্ধু/ বড়ভাই Moon ভাইয়ের জন্য ভালো দেখে একটা মেয়ে খুজবে, তারপর বিয়ে দিবে। যাতে এই বুড়ি খুত ধরতে না পারে।
সবাই মিলে চেষ্টা করে ভালো একটা মেয়ে খুজে মুন ভাইকে বিয়ে দিয়ে দিলো। পরের দিন বুড়িকে গিয়ে সবাই বলল, এই বুড়ি যা, গিয়ে মুনের বউয়ের খুত বের কর দেখি।
বুড়ি মুনের বাসায় গিয়ে অনেকক্ষণ ধরে পর্যবেক্ষণ করে, কথা বলে বাইরে বের হয়ে আসলো হাসতে হাসতে। তার হাসি দেখে সবাই ভয়ে, এই বুঝি বুড়ি কোনো দোষ খুজে পাইল।
বাইরে এসে বুড়ি বলে, দেখলাম, মেয়ে ভালো, দেখতে সুন্দর, ভদ্র সব ঠিক আছে। কিন্তু.....
সবার আগ্রহ, কিন্তু কি???
বুড়ি হাসে আর বলে, কিন্তু এত ভালো মেয়ে কেউ বিয়ে করে😊😊😊😊
এই মেয়ের দোষ হলো, মেয়ে বেশি ভালো।
আমাদের সমাজে এমন কিছু কিছু মানুষ পাবেন। দয়া করব এদের এড়িয়ে চলবেন। না হলে আপনার মনে সন্দেহ বাড়াবে, ঝামেলা ঢুকাবে। তাই সাবধান।
আর হ্যাঁ, যাদের ট্যাগ দিছি, মাফ করে দিয়েন। গল্পকে আনন্দদায়ক করাএ জন্য এই আয়োজন। সবার বউ আর বর সেরা।
ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখা,
মাহমুদুল হাসান মুন
মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
২৩/০৬/২০২৩
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dinajpur