Sayfuddin 29

Sayfuddin 29

Share

23/06/2024

সামর্থ্য থাকলে কখনোই গ্রামে থাকা উচিত না।
গ্রামে ১০০ বিঘা জমির মালিক হওয়ার চেয়ে শহরে এক টুকরো ভাড়া বাসায় থাকা অনেক ভালো,অনেক সম্মানের,অনেক আরামদায়ক।
গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করাটাকে কোন সূচকে এগিয়ে রাখা যায় আসলে?
এখানে বেশিরভাগ মানুষ এতই টক্সিক যে তারা তাদের ব্যাক্তিগত জীবনের থেকে আপনার জীবন নিয়ে বেশি চিন্তিত।আপনার চুল বড় কেন,আপনি বোরকা পড়েন না কেন,অনার্সে পড়লেও মেয়ের বিয়ে দেয়না কেন,বয়স ২৫ পেরিয়ে গেলেও এখনো জব হয়না কেন, আপনার ব্যাচমেট কেউ বিদেশে গিয়ে লাখ লাখ টাকা কামায় আপনি এখনো পড়াশুনা করেন কেন এসব আজগুবি বিষয় নিয়ে তাদের অনেক টেনশন।মাঝে মাঝে দেখবেন আপনার নিজের ফ্যামিলিও যেসব বিষয় নিয়ে চিন্তিত নয় অন্যান্য মানুষ এর থেকে বেশি চিন্তিত।
গ্রামের টক্সিক বিষয়গুলোর আরেকটি বড় পার্ট হচ্ছে ঝগড়া,
আপনি এমন কোনো বাড়ি খুজে পাবেন না যেখানে জায়গা-জমি নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ফ্যামিলি সেই ফ্যামিলির সাথে কোনো একভাবে ঝগড়া লেগেই থাকে।
১ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে মাথা ফাটাফাটি,অশ্লিল ভাষায় গালাগালি,মামলা মোকদ্দমা চলতেই থাকে।
এইজন ওইজনের নামে গোপনে প্যাচ লাগিয়ে ঝগড়া বাদিয়ে দেওয়া,কাউকে পছন্দ নাহলে তার নামে জায়গায় অজায়গায় বদনাম রটিয়ে দেওয়া,এমনকি বিয়ে আসলেও গোপনে প্যাচ লাগিয়ে দেওয়া গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের যেনো একটি নিত্যদিনের কাজ।
গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ ই এতটা অজ্ঞ যে তারা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বুঝেনা,ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বুঝেনা,এমবিবিএস ডাক্তার এর মানে বুঝেনা।
তাদের কাছে সরকারি চাকুরী মানে পুলিশ(হউক কনস্টেবল), সেনাবাহিনী(হউক সৈনিক), প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক এসব ই।আর একজন নার্সিং এ পড়া স্টুডেন্টকে যেমনভাবে ডাক্তার ভাবে তেমনি সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস পড়ুয়া কাউকেও সেরকম ই ভাবে। তাদের কাছে আপনি সরকারের কত গ্রেডের চাকুরী করেন তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ আপনি প্রাইভেট জব করেন নাকি সরকারি।আপনি যদি প্রাইমারি স্কুলের পিওন ও হোন তাও মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি,কিন্তু বেসরকারি যতো ভালো চাকুরী ই করেন,আমতা আমতা করবেই।
তাদের কাছে আপনার উচ্চশিক্ষা গ্রহনের থেকে আপনার সে বন্ধুর দাম বেশি যে এসএসসির পর সৈনিক/কনস্টেবল/ বিদেশে বা কোনো কাজে চলে গেছে।
আর টক্সিসিটির সবচেয়ে বিরক্তিকর পার্ট হচ্ছে গ্রামের চায়ের দোকানগুলো।গ্রামের প্রতিটি চায়ের দোকানে চায়ে চুমুক উঠেই গীবত দিয়ে।যেখানে কার বৌয়ের বাচ্চা হচ্ছেনা,কার বৌ প্র‍্যাগন্যান্ট থেকে শুরু করে রাজনীতি,অর্থনীতি,খেলাধুলা কোনোটার ই গবেষণা বাকি থাকেনা।যার অধিকাংশই আবার গুজব।
(এতসবের মাঝেও গ্রামে কিছু আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী থাকেই,যারা আপনাকে বুঝতে চায়,বুঝে,বুঝার চেষ্টা করে।যারা অন্যের ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহী নয়,যারা মানে উচ্চশিক্ষা অর্জনের থেকে বিদেশে চলে যাওয়া কিংবা কোনো কাজে চলে যাওয়া কখনোই বেটার অপশন নয়,যারা চায়ের কাপে মিথ্যা আর গীবতের ধুয়ো উঠায় না।তাদের স্যালুট,তারা আজীবন সম্মানপ্রাপ্য)

[ সংগৃহীত ]

17/10/2022

✅ ঠান্ডা নাক দিয়ে পানি পড়া, গলার ভিতর শব্দ করা এই রোগের চিকিৎসাঃ

Fozlu Rimon
1/ Tyclav Suspension
2/ Ambrox Syrup
প্রথম ঔষধ .5 ML(অর্ধেক এমএল)
দ্বিতীয় ঔষধ 1 ML
2 টি ঔষধ 10 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন(সিরিঞ্জ এর মাথায় বাটারফ্লাই ব্যবহার করবেন, পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি)।
সকালে ও রাতে।
7 দিন

নিজে নিজে খাবার না খেলে
এক চামচ রাইস স্যালাইন 70 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে চুলার আগুনে জাল দিয়ে সেদ্ধ করে নিবেন।
রাইস স্যালাইন সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন 3 বেলা।

Suspension বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি করে নিবেন।

প্রথম ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ সর্বোচ্চ 7 দিন(ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে সর্বোচ্চ 9 দিন)।
দ্বিতীয় ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ 25 থেকে 30 দিন।

উল্লেখ্য:
অসুস্থ কবুতরকে ছোলা বুট খাওয়াবেন না এতে হজম করতে পারবে না, ফলে বদহজম হয়ে মারা যাবে।
রাইস স্যালাইন চলাকালীন সময়ে কবুতর সবুজ টয়লেট করে, টয়লেটে পানির পরিমাণ বেশি থাকে (যেকোনো রকম টয়লেট করতে পারে) বমিও করতে পারে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এজন্য অন্য কোন ঔষধ খাওয়ানো যাবে না। ঔষধ কোর্স বন্ধ করা যাবে না।

ঔষধ কোর্স সম্পন্ন হলে লেবু, চিনি, বিট লবণ পানির মিশ্রণ কবুতরের খাচায় সবসময় দিয়ে রাখবেন 6 ঘন্টা পর অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিবেন। ছোট ছোট দানাদার খাবার
যেমন খোসাসহ মুগডাল, বাজরা, চার রঙের মিলেট ও ক্যানারিসিড খাবারের বাটিতে দিয়ে রাখবেন সবসময়।
প্রথম এক থেকে দেড় দিন খাবার খাবে না, তারপর অল্প অল্প করে নিজে নিজে খাবার খাবে। যখন স্বাভাবিক খাবার খাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে টয়লেট স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ঔষধ এবং রাইস স্যালাইন পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি।

16/09/2022

ডিমের ভিতর বাচ্চা মারা গেলে এই ব্যবস্থা নিতে হবে

Seven Vit Syrup
(মাল্টিমাল্টিভিটামিন কডলিভার অয়েল সমৃদ্ধ ও রুচি বর্ধক)

1 লিটার বিশুদ্ধ পানির সাথে অর্ধেক চামচ মিশিয়ে কবুতরকে সাধারণ পানির মতো পরিবেশন করবেন। অবশিষ্ট দ্রবণ 4 ঘন্টা পর ফেলে দিবেন।
3 বেলা।
একটানা 5-7 দিন।

Cac-1000 Plus
এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট
(মাল্টিক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ)

কেচি দিয়ে সমান 7 টুকরা করে তিন বেলা এক টুকরা করে
হাফ লিটার বিশুদ্ধ পানির সাথে মিশিয়ে কবুতরকে সাধারণ পানির মত পরিবেশন করবেন। অবশিষ্ট দ্রবণ 4 ঘন্টা পর ফেলে দিবেন।
3 বেলা।
একটানা 5-7 দিন।

ঔষধ পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি।

ছোট-বড় সব কবুতরের জন্য খাদ্যঃ
কার্বোহাইড্রেট :
প্রোটিন :
তেলবীজ:

সুষম অনুপাতঃ
৫০%+৪৫%+৫% গ্রীষ্মের জন্য
৪৫%+৪৫%+১০% শীতের জন্য

কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারঃ
মাছিগম,
বাজরা,
কালোমটর,
ডাব্লি,
চার ধরনের মিলেট, ক্যানারিসিড।

প্রোটিন জাতীয় খাবারঃ
খোসাসহ মুসুরির ডাল,
খোসাসহ মুগডাল,
খোসাসহ মাসকলাই ডাল,
খোসাসহ এংকর ডাল,
হেলেন ডাল,
ছোলা বুট।

(ডিম ফুটে বাচ্চা বেরিয়ে আসার পর ছোট দানাদার খাবার গুলো পরিমাণে একটু বাড়িয়ে দিবেন
4 ধরনের মিলেট,
ক্যানারিসিড)।

তেলবীজঃ
কুসুম ফুলের বীচ,
ভালো মানের সূর্যমুখী ফুলের বীচ,
মানুষের খাবার উপযোগী লাল সরিষা।

ঔষধি গুণাগুণ সমৃদ্ধঃ
কালোজিরা,
মেথি, জাউন,‌
তিসি।
5 পার্সেন্ট মিশিয়ে দিবেন-
এতে করে কবুতর অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত রোগবালাই থেকে মুক্তি পাবে।

বাজারের মিকচার খাবার খাওয়াবেন না।

আলাদা আলাদা সংগ্রহ করে একসাথে মিশিয়ে কবুতরকে পরিবেশন করবেন।

খাবারের পর
প্রতিদিন এক থেকে দুই বেলা ভালো মানের গ্রিট দিবেন।
গ্রিট এর সাথে মিনারেল মিশিয়ে দিবেন।

পাওয়া যাবে পশুপাখির খাবারের দোকানে
অথবা কবুতরের খাবারের দোকানে।

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Siddirganj, Narayanganj
Dhaka
1430