Islamic Knowledge
হারামের বিলাসিতা দেখে আফসোস করবেন না, বরং শুকরিয়া আদায় করুন যে, আল্লাহ আপনাকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন!
আলহামদুলিল্লাহ..!❤️🩹
26/03/2026
জান্নাতুল বাকিতে আম্মাজান হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর রওজা শরীফ❤️🩹
১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সৌদের বংশ ক্ষমতা দখল করে জান্নাতুল বাকিতে মা ফাতেমা রাঃ এর রওজা সহ অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম এর মাজার ভাঙচুর করে।
এমনিভাবে জান্নাতুল মুয়াল্লা এবং সমগ্র সৌদি আরবের সকল সাহাবি ও পীর আউলিয়ার মাজার গুলো ভাঙচুর করা হয়। সর্বশেষে প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা মোবারক ভাঙচুরের পরিকল্পনা করলে মুসলিম বিশ্বের চাপে বিরত থাকে৷
সৌদের বংশ ক্ষমতা দখল করার পূর্বে সৌদির নাম ছিলো প্রিয় নবীজির দেওয়া নাম 'জাজিরাতুল আরব'।
সেই নাম পরিবর্তন করে সৌদের বংশের নামে নামকরণ করা হয় 'সৌদি আরব '।
ধরেন আপনে কাউরে এত কষ্ট দিলেন, সে ভাত খাইতে বইসাও কাঁদলো,
এই ভাতের দানা গুলা আপনেরে ক্ষমা করবে ভাবসেন?
আপনে কাউরে এত কষ্ট দিলেন,সে জায়নামায ভিজায় ফেললো কেঁদে।
এই জায়নামায আপনেরে ক্ষমা করবে ভাবসেন?
কাউরে এত কষ্ট দিলেন,যে তার ভেতরটা দুমড়ায় মুচড়ায় গেলো!
সে আপনেরে ক্ষমা করলেও,তার রুহ আপনারে ক্ষমা করবে ভাবসেন?
আল্লাহ্ আপনার আমার সহায় হন। আমীন!
ইনশা'আল্লাহ্ ❤️🩹
কড়ায় গন্ডায় সব হিসাব এই পৃথিবীতেই মিলবে।
Every drop of tear is a debt,it has to be paid off.
24/03/2026
শিয়া এবং সুন্নি ইসলামের প্রধান দুটি শাখা। তাদের মধ্যে মৌলিক বিশ্বাস (যেমন: এক খোদা, কুরআন এবং শেষ নবী হিসেবে হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর বিশ্বাস) একই থাকলেও, মূলত ঐতিহাসিকভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রশ্ন থেকে কিছু পার্থক্য তৈরি হয়েছে।
নিচে তাদের মধ্যকার প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নেতৃত্বের ধারণা (খিলাফত বনাম ইমামত)
সুন্নি: তারা বিশ্বাস করেন যে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ইন্তেকালের পর মুসলিম উম্মাহর নেতা বা খলিফা নির্বাচনের দায়িত্ব ছিল জনগণের বা পরামর্শসভার (শূরা)। তারা প্রথম চার খলিফাকে (আবুবকর, উমর, উসমান ও আলী রা.) সঠিক পথপ্রাপ্ত বলে গণ্য করেন।
শিয়া: তারা মনে করেন যে নেতৃত্ব বা 'ইমামত' কোনো নির্বাচনের বিষয় নয়, বরং এটি ঐশীভাবে নির্ধারিত। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ ﷺ তার পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে হযরত আলী (রা.)-কে মনোনীত করে গিয়েছিলেন। শিয়ারা বংশপরম্পরায় ১২ জন ইমামের (ইসনা আশারিয়াদের ক্ষেত্রে) ওপর বিশ্বাস রাখেন।
২. ধর্মীয় উৎস ও হাদিস
সুন্নি: তারা কুরআন এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ (হাদিস) অনুসরণ করেন। তারা সকল সাহাবীর বর্ণিত হাদিসকে নির্ভরযোগ্য মনে করেন। তাদের প্রধান হাদিস গ্রন্থগুলো হলো 'সিহাহ সিত্তাহ' (যেমন: সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।
শিয়া: তারা কুরআন এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পাশাপাশি তাদের ইমামদের কথা ও কাজকেও সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত মনে করেন। তারা মূলত আহলে বায়ত (রাসুলের পরিবার) থেকে আসা হাদিসগুলো বেশি গ্রহণ করেন।
আসলে শিয়া এবং সুন্নি উভয় পক্ষই আহলে বায়াতকে (রাসুলুল্লাহ সো:-এর পরিবার) অত্যন্ত সম্মান ও মহব্বত করে। তবে পার্থক্যের মূল জায়গাটি হলো এই 'মান্য করার' ধরন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে।
বিষয়টি আরও পরিষ্কার করার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখতে পারেন
সুন্নি অবস্থান: সুন্নিরা বিশ্বাস করেন যে আহলে বায়াতকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ। তারা হযরত আলী (রা.), ফাতেমা (রা.), হাসান (রা.) এবং হোসাইন (রা.)-কে জান্নাতী এবং শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করেন। তবে তারা মনে করেন, রাসুলুল্লাহ সো: সরাসরি কাউকে তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী মনোনীত করে যাননি, বরং এটি সাহাবীদের পরামর্শের (শূরা) ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
শিয়া অবস্থান: শিয়ারা মনে করেন, আহলে বায়াতকে কেবল ভালোবাসাই যথেষ্ট নয়, বরং তারাই একমাত্র বৈধ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা (ইমাম)। তাদের মতে, রাসুলুল্লাহ সো: গাদীর-এ-খুম নামক স্থানে হযরত আলী (রা.)-কে স্পষ্ট উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেছিলেন।
এখানেই বড় একটি পার্থক্যের সৃষ্টি হয়
সুন্নি: তারা আহলে বায়াতের পাশাপাশি সকল সাহাবীকে (যেমন: আবু বকর, উমর, উসমান রা.) সমানভাবে সম্মান করেন। তারা মনে করেন, প্রথম তিন খলিফার নেতৃত্বও বৈধ ছিল।
শিয়া: তারা মনে করেন, প্রথম তিন খলিফার হাতে ক্ষমতা যাওয়ায় হযরত আলী (রা.)-এর ওপর অবিচার করা হয়েছে। এজন্য তারা কিছু সাহাবীর সমালোচনা করেন এবং মনে করেন যে প্রকৃত ইসলাম কেবল আহলে বায়াতের মাধ্যমেই এসেছে।
সুন্নিরা বিশ্বাস করেন যে রাসুলুল্লাহ সো: এর সুন্নাহ যেকোনো নির্ভরযোগ্য সাহাবীর মাধ্যমেই আসতে পারে।
শিয়ারা শুধুমাত্র আহলে বায়াত বা তাঁদের অনুসারী সাহাবীদের বর্ণিত হাদিসগুলোকেই নির্ভরযোগ্য মনে করেন।
সারকথা: > আপনি যদি "আহলে বায়াতকে মানা" বলতে তাদের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা করা বোঝান, তবে সুন্নি এবং শিয়া—উভয় দলই তা করে। কিন্তু যদি "মান্য করা" বলতে বোঝান যে কেবল তাদের বংশ থেকেই নেতা আসতে হবে, তবে সেটি শিয়া মতবাদের মূল ভিত্তি।
ইসলামের ইতিহাসে এটি এক বিশাল তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক। কোনো এক পক্ষকে "ঠিক" বলাটা নির্ভর করে আপনি কোন ঐতিহাসিক দলিল এবং ব্যাখ্যাকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করছেন তার ওপর।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Dhaka