Bongo MAMA
26/05/2025
-আমার মেয়ে কখনোই একজন গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে করবে না...
`
বিল গেটস ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি তার মেয়েকে একজন গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে দিতে নিষেধ করেন।
“কিছু বছর আগে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি সম্মেলনে গিয়েছিলাম যা বিনিয়োগ এবং অর্থায়নের উপর ছিল। সেখানে একজন বক্তা ছিলেন বিল গেটস, এবং প্রশ্নোত্তরের সময় আমি এমন একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা সবার মধ্যে হাস্যরস তৈরি করেছিল।
আমি জানতে চেয়েছিলাম, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হিসেবে, তিনি কি তার মেয়ের একজন গরিব বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিয়ে হতে দিতে পারেন। তার উত্তর আমার জীবনকে একেবারে পাল্টে দিল;
বিলের উত্তর ছিল এরকমঃ-
প্রথমত,আপনাকে বুঝতে হবে যে সম্পদ মানে একটি বড় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা নয়!
সম্পদ মূলত সম্পদ তৈরি করার ক্ষমতা।
উদাহরণস্বরূপঃ-একজন ব্যক্তি লটারি বা জ্যাকপট জিতলে।যদিও সে 100 মিলিয়ন ডলার জিতেছে, সে আসলে একজন ধনী মানুষ নয়ঃ সে প্রচুর টাকা সহ একজন গরিব মানুষ এবং এই কারণে 90% লটারি বিজেতা 5 বছরের মধ্যে আবার গরিব হয়ে যায়।
আপনার কাছে এমন ধনীরা আছে যারা টাকায় নিঃস্ব।উদাহরণস্বরূপ,অধিকাংশ উদ্যোক্তা।
তারা আসলে সম্পদের পথে আছেন, যদিও তাদের কাছে টাকা নেই, কারণ তারা তাদের আর্থিক বুদ্ধিমত্তা বিকাশ করছেন এবং সেটাই হলো সম্পদ।
ধনী এবং গরিবের মধ্যে পার্থক্য কি?
এটি আসলে এরকম: ধনীরা মারা যেতে পারে ধনী হওয়ার জন্য, যখন গরিবরা ধনী হওয়ার জন্য হত্যা করতে পারে।
যদি আপনি একটি যুবককে দেখেন যে স্নাতক হতে চায়, নতুন জিনিস শিখতে চায় এবং সবসময় নিজেকে উন্নত করতে চায়,তবে জানবেন সে একজন ধনী ব্যক্তি।
যদি আপনি একটি যুবককে দেখেন যে বিশ্বাস করে সমস্যা সরকারের, এবং সব ধনী লোককে চোর মনে করে এবং তাদের প্রতি সমালোচনা করে, তবে জানবেন সে একজন গরিব, কারণ তার চিন্তাভাবনা গরিব!
ধনীরা বিশ্বাস করে যে তারা শুধু তথ্য এবং প্রশিক্ষণের প্রয়োজন উন্মোচন করার জন্য।যখন গরিবরা মনে করে অন্যদের তাদের জন্য টাকা দিতে হবে শুরু করার জন্য।
শেষে যখন আমি বলি যে আমার মেয়ে গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে করবে না, আমি টাকার কথা বলছি না। আমি ওই ব্যক্তির সম্পদ তৈরি করার ক্ষমতার কথা বলছি।
আমি যা বলব সে জন্য দুঃখিত, কিন্তু অধিকাংশ অপরাধী গরিব। যখন তারা প্রচুর টাকা সামনে পান, তারা তাদের মাথা হারিয়ে ফেলে, এবং এ কারণেই তারা চুরি করে, লুট করে ইত্যাদি…
তাদের জন্য, এটি একটি আশীর্বাদ, কারণ তারা জানে না তারা কিভাবে নিজেদের জন্য টাকা উপার্জন করতে পারে।
একদিন, একজন ব্যাংক নিরাপত্তারক্ষক একটি ব্যাগ ভর্তি টাকা পায়, এবং সে ব্যাগটি ব্যাংকের পরিচালকের কাছে দেয়।
মানুষজন এই ব্যক্তিকে বোকা মনে করেছিল, কিন্তু সে আসলে কেবল একজন ধনী ব্যক্তি ছিল যার কাছে টাকা নেই।
এক বছরের মধ্যে, ব্যাংক তার জন্য একজন রিসেপশনিস্টের পদ প্রস্তাব করে, এবং তিন বছরের মধ্যে সে গ্রাহক ব্যবস্থাপক হয়ে যায় এবং ১০বছরের মধ্যে সে ওই ব্যাংকের আঞ্চলিক শাখা পরিচালনার দায়িত্বে আসে, যেখানে সে শতাধিক কর্মচারী পরিচালনা করে এবং তার বার্ষিক পুরস্কার সেই ব্যাগের মূল্যকে অতিক্রম করে!
সম্পদ প্রথমে একটি মানসিক অবস্থা, বন্ধু…”
23/05/2025
ধরুন,দুপুরে খাওয়ার শেষে এক পিস মাংস রয়ে গেছে। রাতে খাওয়ার সময় মাংসটা কাকে দেবেন?পরিবারে শুধু আপনারা দুজন আর ফুটফুটে এক সন্তান।
কমন যে চিত্রটি আমরা দেখতে পাইঃ-
বাচ্চাকে পুরো মাংসটা দিয়ে দেওয়া হয়। আর বাবা মা দুজনে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকে,সন্তানের খাওয়া দেখে তাদের মনটা ভরে যায়। আহা কি শান্তি!
আসলে যা করা দরকার ছিল:
রাতে ৩ জনই একসাথে খেতে বসুন। তার সামনেই মাংসটা সমান ৩ ভাগে ভাগ করুন। আর ৩ জনে ৩ টুকরা খেয়ে নিন।
বিশ্বাস করুন,বাচ্চাকে আস্ত মাংসটা খাওয়ানোর কোনো ফায়দা নেই। আপনার এই ভুলের কারণে তার ব্রেনে একটা ভুল মেসেজ আজীবনের জন্য সেট হয়ে যাচ্ছে।
অথচ,মাংসের টুকরোটা ভাগ করে খাওয়া তাকে শেখাবে কীভাবে অল্প জিনিসও সবার সাথে ভাগ করে খেতে হয়। তার অপজিটে থাকা মানুষগুলো খেয়েছে কিনা সেই ব্যপারে খেয়াল রাখার মানসিকতা তার মধ্যে জাগ্রত হয়।আর এই বোধ আজীবনের জন্য তার ব্রেইনে ঢুকে যায়।
এটা একেবারে ছোটবেলা থেকেই করা উচিত।বাচ্চা তার বয়স অনুযায়ী যতটুকু বোঝার ঠিকই বুঝবে।শিশুরা তাদের মতো করে সবকিছুই বুঝে নেয়।
ট্রিক্সটা কাজে লাগালেই দেখবেন,তাকে কিছু খেতে দিলে খাওয়ার আগে সে দেখবে বাবা মায়ের ভাগটা আছে কিনা!
বর্তমান সময়ে অনেক বাচ্চাদের দেখা যায় সবকিছু একেবারে নিজের করে পেতে চায়,তারই ভাই বা বোন পেল কিনা সেদিকে খেয়ালই রাখে না।যেন সবটাই তার চাই!
এই গল্পটি আমাদের শিক্ষা দেয় কীভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে মূল্যবোধ এবং ভাগাভাগির শিক্ষা গড়ে তোলা যায়।এটি পরবর্তীতে তাদেরকে জীবনে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে এবং অন্যদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে সাহায্য করে।
28/01/2025
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেক্সুয়ালি উইক ছিলেন। তাঁর লেখা গল্প, কবিতা, গান-এ কবির এই বিশেষ দুর্বলতার বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়৷
পৌষের এক অলস বিকেলের চিত্র। তন্দ্রাচ্ছন্ন কবি উদাস ভঙ্গিতে বসে ডুবুডুবু সূর্যের মিষ্টি রোদ মাখছেন। এমন সময় অপরূপ সৌন্দর্য্যের অধিকারিণী এক ষোড়শী তন্বী কবির পানে কামাতুর দৃষ্টি ফেলে বললেন,
- প্রিয় কবি, এই পৃথিবীতে সুখ ছাড়া আমার সবই আছে। আপনার কাছে একটু সুখ চাই।
ষোড়শী তন্বীর এই আহবান বিজ্ঞ কবির বুঝতে মোটেও বিলম্ব হলো না। কবি ঈষৎ হেসে "সুখ লেনদেন বিষয়ে" হ্যাঁ সূচক সম্মতি জ্ঞাপন করলেন।
তার পরের চিত্রে দেখা যায়, সুন্দরী ষোড়শী তন্বী অতৃপ্ত ভঙ্গিতে কবিকে ভর্ৎসনা করতে করতে কবিসঙ্গ পরিত্যাগ করছেন।
কবি পরাজিত সৈনিকের মতো ব্যথাতুর হৃদয়ে, তীব্র মনোকষ্ট নিয়ে ষোড়শী তন্বীকে ডেকে বললেন,
"তুমি সুখ যদি নাহি পাও
যাও, সুখের সন্ধানে যাও।"
একজন পুরুষ কোন পরিস্থিতিতে এমন কথা বলে তা সহজেই অনুমেয়।
উপমহাদেশের বিরাট রবীন্দ্র গবেষক
উদ্বাস্তু অনিকেত 😎
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka