propertyhatbazar.com

propertyhatbazar.com

Share

30/08/2024

গণ-অভ্যুত্থানে মাদ্রাসাছাত্রদের ভূমিকা
----------------------------------------
বাবা এক ছেলেকে দিয়েছেন মাদ্রাসায় আরেকটিকে স্কুলে। বাবার এ সিদ্ধান্তে সন্তানদের মেধার ফারাক তৈরি হয় না। হয়তো মাদ্রাসার ছেলেটিই বেশি মেধাবী। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিবার ও সমাজ সেই স্কুল-পড়ুয়া ছেলেটিকে সর্বপ্রকারে প্রাধান্য দিয়েছে। মাদ্রাসায় পড়া ছেলেটিকে সকলে মিলে ঠেলে দিতে চেষ্টা করেছে পেছনে। এমনকি মা পর্যন্ত লুকিয়ে স্কুল-পড়ুয়া ছেলেটিকে দুধের সরটা, দেশি মুরগির ডিমটা খাওয়াতে কসুর করেনি। স্কুলের ছলেটির টিউশন ফির অভাব হয়নি, মাদ্রাসার ছেলেটির টিউশনের হয়তো প্রয়োজনই অনুভূত হয়নি। কিন্তু সম্ভাবনার একটি স্বাভাবিক বিকাশধর্ম আছে। তাকে চাপিয়ে রাখা যায় না। সকলের অবজ্ঞাজনিত ক্ষোভ থেকে জেদ চাপলে সে হয়ে উঠে অপ্রতিরোধ্য। এই উপেক্ষিত কিন্তু অপ্রতিরোধ্য অংশটি সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের নিউক্লিয়াসের ভূমিকা পালন করেছে। মাঠের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রেখেছে। আমার ছাত্রদের মধ্যে যারা মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের তাদের
অসাধারণ সংগ্রামী ভূমিকা দেখে এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত হতে পেরেছি। বিশেষ করে মফঃস্বলে তাদের ভূমিকা ছিল অগ্রণী।

বেশ কিছুদিন থেকে প্রগতিশীল তকমাধারী বুদ্ধিজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মাদ্রাসা হয়ে গেলো বলে আহাজারি করে আসছিলেন। মাদ্রাসা ছাত্রদের অধিক সংখ্যায় ভর্তির সুযোগ পাওয়া এবং ভালো ফলাফল করা দেখে তাঁদের মাথা খারাপের অবস্থা হয়ে গিয়েছিল। এর জন্যে তাঁরা একটি বয়ান হাজির করছেন এই বলে যে, মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়া হয়। সেই নম্বরের জোরে মাদ্রাসার ছাত্ররা বেশি বেশি ভর্তির সুযোগ পায়। মাদ্রাসার ছাত্রদের আধিক্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জাত যাবার যোগাড় হয়েছে। তাঁদের এই বয়ানের মধ্য দিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রদের মেধা ও যোগ্যতাকে খাটো করে দেখার প্রবণতা প্রবল। নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করলেও আসলে তাঁরা যে হীনম্মন্য ও একচোখা, এর মধ্য দিয়ে সেটাই প্রমাণিত হয়। তাঁরা মাদ্রাসার ছাত্রদের শুধু অবহেলার চোখে দেখেন না, ঘৃণাও করেন। তাঁদের ঘৃণা মূলত ধর্মবিদ্বেষজাত।

সকল প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্গনে পা-রাখা মাদ্রাসার ছাত্রদের সামনে নতুন জীবন ও মুক্তির আনন্দ হাতছানি দেয়। অবজ্ঞা ও অবহেলাজনিত ক্ষোভ থেকে তাদের ভেতরে প্রতিযোগিতার একটি জেদ তৈরি হয়। এই জেদ তাদের পড়ালেখায় নিবিষ্ট করায়। প্রতিযোগিতায় জয়ী করায়। ভালো ফল এনে দেয়।
এই প্রগতিবাদীরা মাদ্রাসা শিক্ষা সম্পর্কে কখনো জানার চেষ্টা করেননি। তাঁদের বদ্ধমূল ধারণা, মাদ্রাসায় কতিপয় দোয়াকালাম মুখস্থ করানো হয়। সেখানে মেধা ও পরিশ্রম অপ্রয়োজনীয়। বস্তুত মাদ্রাসাশিক্ষার কারিকুলামে এমন কিছু বিষয় আছে যার অনুধ্যানে যুক্তিবাদ ও বাস্তবজীবনমুখী বোধের জন্ম নেয়। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়াদের একটি অংশ আধুনিক জ্ঞান ও দর্শনের চর্চায় অগ্রণী হয়ে উঠে। যদিও তারা যে তাবৎ তাত্ত্বিক ও মতাবাদীদের চিন্তার সাথে পরিচিত হতে পারে সেটা অনেকে বিশ্বাস করতে পারে না। উপরন্তু ইসলামিক দর্শন ও নীতিশাস্ত্রের সাথে পরিচিতি থাকায় তাদের অনেকে হয়ে উঠে দু-ধারী তলোয়ারের মতো। সংখ্যায় কম হলেও এই শ্রেণিটিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পরাভূত করার যোগ্যতা অনেকেরই নেই। কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের মধ্যেও এই দু-ধারী তলোয়ার খুঁজে পাওয়া যাবে বৈকি!

গত দেড় যুগ ধরে পতিত রেজিমের ছত্রচ্ছায়ায় কিছু বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও সাংবাদিক মাদ্রাসাশিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রদর্শন করে এসেছেন। সমাজকে ঘৃণাকাতর ও বিভক্ত করার অপপ্রয়াসের অংশ হিসেবেই এই কাজটি করেছেন তাঁরা। কথায় কথায় মাদ্রাসার ছাত্রদের ধর্মান্ধ, জঙ্গী, রাজাকারসহ নানা জঘন্য তকমা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পেতে তাদের হাইকোর্টে যেতে হয়েছে। বিভিন্ন সময় মুখের দাঁড়ি কিংবা পোশাকের কারণে অনেককে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। এমনকি মামলায় পড়ে জেলে যাওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটেছে। ফলে পতিত সরকারের প্রতি এই শিক্ষার্থীদের চাপা ক্ষোভ অনুকূল অবস্থার প্রেক্ষিতে রাজপথে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বুদ্ধিজীবী শ্রেণির একপেশে বয়ানের কারণে সরকার তার একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ সম্পর্কে পুরোপুরি অন্ধকারে ছিল। ফলে ‘পচা শামুকে পা কাটে’ গ্রাম্য এই প্রবাদটির সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে।

ফাতিহুল কাদির সম্রাট

14/06/2024

সবার জন্য কুরবানী-২৪

এবার কুরবানীর উদ্যোগটা ছিলো কিছুটা সাহসের।

বুঝেছিলাম আমাকে একাই উদ্যোগটির শেষ পর্যন্ত যেতে হবে। পেরেশানীতে ছিলাম। তবে বরাবরের মতো দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো কোনোনা কোনো ব্যবস্থা আল্লাহ করে দিবেন।

আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত আল্লাহতায়ালা এতো বেশি বারাকাহ দান করেছেন যে তা আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি।
আলহামদুলিল্লাহ।

Want your business to be the top-listed Realtor/realty Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


৪৯৬ পুর্ব জুরাইন, বাসস্ট্যান্ড, কদম তলী, ঢাকা-১২০৪। 01712993667
Dhaka
1204