Mind Setup
28/12/2025
হাদী ওয়াকারকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছিলো—সাহস থাকলে ক্যু করে দেখান, জনগন আর্মি ক্যান্টনমেন্টের ইটসহ খুলে নিয়ে আসবে।
হাদী প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছিলো—আমি বিশ্বাস করি আপনি দেশ ছেড়ে পালানোর জন্য বাংলাদেশে আসেন নি। তাই ভয় না পেয়ে নামগুলো বলে দেন কারা আপনাকে কাজ করতে দিচ্ছে না।
ইন্টেরিমের উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্যে হাদী বলেছিলো— একজন রিক্সাওয়ালা পর্যন্ত মনে করে এই উপদেষ্টাদের কেউ ভালো না। এরা জুলাইকে বিক্রি করে দিয়ে এক পা বিদেশে দিয়ে রাখছে। এরা শহীদদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতেছে।
হাদী বিএনপি কে বলেছিলো—শহীদ জিয়ার বিএনপি কে ভারতের দাস হইতে দিবে না।
হাদী জামাতকে বলেছিলো—নিজামী সাঈদীর জামাতকে ভারতের দাস হইতে দিবে না।
হাদী এনসিপিকে বলেছিলো—এনসিপির তিনটা দোষ। জুলাইকে নিজেদের সম্পদে পরিণত করেছে। মনে করিয়ে দিয়েছে জুলাই কেবল এনসিপির নয়, জুলাই গোটা দেশের।
হাদী এমনকি সেই ভারতের দালাল ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের যারা গণহত্যা করে নি, তাদের সাথেও ইনসাফ করতে চেয়েছিলো।
হাদী ঢাকা-৮ আসনে নিজের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস ও হেলাল উদ্দীনকে ভাই বলে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিল।
হাদী রাজনীতিতে/নির্বাচনের মাঠে হেভিওয়েট কনসেপ্ট ভেঙে দিয়ে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং মাঠ বানানোর কালচার সৃষ্টি করতে চেয়েছিল।
হাদী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছিল যে সততা-ভালবাসা-ত্যাগ-ডেডিকেশন আর জনগণের ভাষা বুঝে চলার রাজনীতি দিয়ে যেকোন প্রার্থীর সাথেই কম্পিটিশন করা যায়।
হাদী হিন্দুদের জন্য একটা আলাদা রাজনৈতিক দল বানাতে চেয়েছিল, যেন একেক দল একেকে সময়ে তাদেরকে ব্যবহার করতে না পারে।
হাদী ভারতীয় আধিপত্যবাদের করাল গ্রাস থেকে এ দেশের মানুষের মুক্তির পথে সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল।
হাদী কালচারাল ফ্যাসিজমের মোকাবেলায় যোগ্য-স্কিলড-দক্ষ জনবল তৈরীতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে চেয়েছিল।
হাদী জুলাই এর শহীদদের খুনীদের বিচার হোক এটা চেয়েছিল।
হাদী চেয়েছিল ৫৭ বিডিআর হত্যার বিচার হোক।
হাদী চেয়েছিল গুম-খুনের সাথে জড়িত ডিজিএফআই এর নরাধম-পশুদের বিচার হোক।
হাদী চেয়েছিল সবাইকে দেখাতে যে কোন কিছুর কাছে বিক্রি হয়ে না গিয়েও রাজনীতিটা করা যায়। মুরি আর বাতাসা খাওয়ায়েও নির্বাচনী জনসংযোগ করা যায়।
হাদী দেখাতে চেয়েছিল—নির্বাচনে কম্পিটিশন করার জন্য কোটি টাকা থাকা লাগে না, জনগন ই টাকা দিয়ে নির্বাচন করাতে দিতে পারে, কেবল যদি জনতার ভরসার প্রতীক হয়ে উঠা যায়।
আহ, হাদীর এই চাওয়াগুলো এত কঠিন হয়ে গেলো??
হাদীকে আপনারা বাঁচতে দিলেন না?
তবে কি এই চাওয়াগুলো হৃদয়ে ধারণ করে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না?
from Asif_mahtib sir
26/11/2025
গতকালকে (সোমবার) ঢাকার একটা কোর্ট ধাক্কা খাওয়ার মতো দুটো আদেশ দিয়েছেন। নেসলে বাংলাদেশের বিদেশী এমডিসহ দুজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন, অভিযোগ নিম্নমানের কিটক্যাট বাজারজাতরকরণ। পাশাপাশি চিনিতে সালফার ডাই অক্সাইডের উপস্থিতি এবং মান অনুযায়ী সুক্রোজের অনুপস্থিতির অভিযোগে মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন একই কোর্ট।
নেসলে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে বিরাট ব্র্যান্ড। সেই নেসলের এমডি ও চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা। কিন্তু আমাদের শীর্ষ কাগজগুলোতে নিউজ নেই। আর মেঘনা গ্রুপ বা ফ্রেশ হচ্ছে দেশীয় নিত্যপণ্যের বাজারের বৃহত্তম সরবরাহকারী। তাদের মহাক্ষমতাধর চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের আদেশ দিল কোর্ট- সেই নিউজও হাপিস।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টারও নিউজটা কাভার করেনি। ব্যাপারটা একেবারে অবিশ্বাস্য!
একাধিক সাংবাদিক বন্ধুর সঙ্গে কথা হল। একজন যুক্তি দিয়েছেন, কোর্ট তো ভুল আদেশ দিতে পারে, ল্যাব রিপোর্ট তো ভুল হতেই পারে। আমার যুক্তি- ভূল হলে সেটা বলাও তো মিডিয়ার দায়। মেঘনার মতো দেশসেরা কোম্পানির বিরুদ্ধে ভুল আদেশ দেয়- সেটাও তো বিগ নিউজ।
প্রথম আলোর জানুয়ারির রিপোর্ট অনুযায়ী মেঘনা গ্রুপ (এমজিআই) এখন দেশের নিতপণ্যের বাজারের সর্ববৃহৎ সরবরাহকারী। চিনির বাজারের বড় শেয়ারও তাদের দখলে। প্রতিদিন কোটিখানেক মানুষ হয়তো তাদের চিনি খায়। সরকারের নথি বলছে তাদের সেই চিনিতে ভেজাল আছে যাতে জনস্বাস্থ্য হুমকিতে পড়তে পারে।
এটা কোন করার মতো নিউজ না?
নেসলের মতো মাল্টিন্যাশনালের বিরুদ্ধে খাবারে নিম্নমানের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশের কোর্ট, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছে। লন্ডনের টেলিগ্রাফ পর্যন্ত সেটা কাভার করেছে। আর আমাদের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলোতে পুরো ব্ল্যাকআউট।
নেসলের লোকেরা বলছেন, বাংলাদেশে ৩২ বছরের যাত্রায় এরকম ঘটনা এটাই প্রথম। নেসলে বাংলাদেশের অন্যতম বিদেশী বিনিয়োগকারী। তাদের সঙ্গে যদি কোন অন্যায় আচরণ হয়ে থাকে সেটাও তো পাবলিশ হওয়া উচিৎ ছিল।
গণমাধ্যমকে ব্যবসা করেই টিকে থাকতে হবে। কর্পোরেট স্বার্থ্যকে প্রাধন্য দিতে হবে, ব্যবসার সম্পর্কগুলো রক্ষা করতে হবে। তাই বলে জনস্বাস্থ্য আর জনস্বার্থ্য নিয়ে এভাবে আপোষ!
ফুটপাথের মিষ্টি ব্যবসায়ী, বেকারির দোকানদাররা ভেজাল দিলে বড় করে নিউজ করবো আর বড়রা ভেজাল করলে আস্তে করে চেপে যাবো। তারপর দোষ দেব সরকারকে? টক শোতে গিয়ে বলব সরকার আমাদের বাক স্বাধীনতা হরণ করে রেখেছে, সব দোষ সরকারের!
আমরা যদি সময়ের ভাবনাটাকে পড়তে না পারি তাহলে আমাদের অবস্থা এফডিসির সাবেক নায়িকাদের চেয়েও খারাপ হবে। আমি তো ট্রাক চালাবো, আপনারা কী করবেন?
এই দেশের মানুষ কখনো ভালো হবে না কোন দিক থেকে।।তার মধ্যে সরকারের আইন থাকলেও না থাকার মত।প্রতিটা জায়গায় যে ভাবে ভেজাল মানুষের এমনিতেই কম হায়াত তার মধ্যে সুস্থ্য ভাবে বেঁচে থাকাটা দায়।।।
আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন।।আমিন আমিন আমিন
#সবাই_বেশি_বেশি_শেয়ার_করুন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the public figure
Website
Address
Amtola Mosjid, Shahjahanpur
Dhaka
1216