Computer Kingdom

Computer Kingdom

Share

14/11/2022

First Mouse in the World!

08/05/2019

গুগল ফটোজে ‘আনলিমিডেট স্টোরেজ’ উপভোগ করবেন যেভাবে।

গুগল ফটোজে ‘আনলিমিডেট স্টোরেজ’ উপভোগ করবেন যেভাবে
স্মার্টফোন স্টোরেজ বর্তমানে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয়। বিশেষত সেসব স্মার্টফোনের রয়েছে বর্তমান সময়ের আধুনিক ও হাই রেজুলেশন ক্যামেরা। সময় ও যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে উন্নয়ন ঘটছে ফোন ক্যামেরার এবং একই সাথে বাড়ছে স্টোরেজ চাহিদার। ছবির পাশাপাশি ফোন স্টোরেজে যুক্ত হচ্ছে হাই ডিফিনিশন ভিডিও ক্লিপস। ফুল এইচ-ডি কিংবা ফোর-কে মানের ভিডিও ধারণ করা সম্ভব বর্তমান সময়ের স্মার্টফোন ক্যামেরায়। ফলে স্মার্টফোনও যে ক্রমাগত একটি চলন্ত আর্কাইভ হয়ে উঠছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

উপরন্তু বিষয়টি নতুন করে ভাবাচ্ছে ছবি পাগল মানুষদের। কারণ গুগল ড্রাইভের দেয়া বিনামূল্যের সীমিত স্টোরেজেও সংকুলান হচ্ছে না এত এত সব ইমেজ ও ক্লিপসের। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে ক্লাউড স্টোরেজের বাড়তি স্পেস নিতে সাবস্ক্রাইব করছে। কিন্তু যাদের সেই সামর্থ্য বা ইচ্ছে নেই, তাদের ক্ষেত্রে সমাধান কি?

গুগল ফটোজে এই সমস্যার কার্যকর একটি সমাধান রয়েছে। কেবল তাই-ই নয়, ছবি প্রতি ১৬ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত আনলিমিটেড হাই-রেজুলেশন ইমেজ ও যেকোন হাই-ডেফিনিশন ক্লিপস গুগল ফটোজের ক্লাউড স্টোরেজে রাখতে পারবেন বিনা খরচে। এমনকি বর্তমান সময়ের ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর তোলা ফুল-এইচডি ভিডিও এবং ছবিও থাকবে সম্পূর্ণ অক্ষত। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে অফুরন্ত এই স্টোরেজ সুবিধা কীভাবে সম্ভব? সেই প্রশ্নের উত্তর হাতে-কলমে দিতেই এই টিপস।

প্রথমে যা করণীয়
ফটোজের ‘আনলিমিটেড’ এই সুবিধা পেতে কোন ছবি বা ভিডিও কনভার্ট করে এর রেজুলেশন কমানোর প্রয়োজন নেই। ফটোজ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপলোডকৃত হাই-রেজুলেশনে ছবি ও ভিডিও কনভার্ট করে নেবে। এমনকি ছবি ও ভিডিওর রেজুলেশন বিন্দুমাত্র ক্ষয়-বৃদ্ধি না করে পরে ফিরে পাওয়া কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার সম্ভব।

যা যা প্রয়োজন:
গুগল ফটোজের সর্বশেষ ভার্সন (4.15 কিংবা আরও পরের)
পর্যাপ্ত ডেটাসহ সচল ইন্টারনেট সংযোগ।
এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-
১. গুগল ফটোজ অ্যাপটি চালু করুন।

২. এবার উপরের দিকে ডান পাশে থাকা তিনটি আড়াআড়ি রেখাঙ্কিত বাটনে ট্যাপ করুন।

৩. Settings অপশনে যান।

৪. সামনে থাকা Back & sync অপশনটি টোগল করে চালু করে নিন।

৫. এবার Backup mode ট্যাপ করে সেখানে থাকা High quality অপশনটি বাছাই করুন।

৬. সবশেষে Back up device folders এ গিয়ে যেসব ফোল্ডার ফটোজে আপলোড করতে চান, সেগুলো বাছাই করে উপভোগ করুন গুগল ফটোজের আনলিমিটেড স্টোরেজ।

Photos from Computer Kingdom's post 06/02/2018

আপনি ভুল হার্ড ড্রাইভটি ব্যবহার করছেন না তো? ডেক্সটপ হার্ড ড্রাইভ কেনার গাইড।

এটা মেনে নিতেই হবে, ডেক্সটপ কম্পিউটারের জন্য হার্ড ড্রাইভ এটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যদিও সকল কম্পিউটিং ডিভাইজেই স্টোরেজ মিডিয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হয়ে থাকে, কিন্তু বিশেষ করে ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব আরো বেশি। হার্ড ড্রাইভ সম্পর্কে কিছু গুরুত্পূর্ণ টার্ম অবশ্যই জানা প্রয়োজনীয়, সেটা হোক নতুন ডেক্সটপ কেনার সময় কিংবা পুরাতন কম্পিউটারে নতুন ড্রাইভ লাগানোর সময়। কয়েকদিন আগে এক্সটার্নাল ড্রাইভ কেনার গাইড লাইন শেয়ার করেছিলাম এবং তখন থেকেই মাথায় ছিল প্রাইমারী হার্ড ডিস্ক কেনার গাইডও বর্ণিত করবো, কেনোনা এটি আরোবেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে সুখবর এটা যে, সঠিক কাজের জন্য সঠিক ডেক্সটপ হার্ড ডিস্ক নির্বাচন করা তেমন কোন কঠিন কাজ নয়। আর কম্পিউটার ড্রাইভ স্পেসিফিকেশন বোঝা অনেক সহজ ব্যাপার। হার্ড ডিস্ক কেনার সময় সাধারণত আপনাকে দুইটি বিষয় মাথায় রাখতে হয়, আর সে দুইটি হচ্ছে আপনার প্রয়োজন অনুসারেঃ ডিস্ক ক্যাপাসিটি এবং স্পীড। হার্ড ড্রাইভের ক্ষেত্রে বহু টাইপের ক্যাপাসিটি অপশন এবং স্পীড রেটিং পেয়ে যাবেন, শত শত চয়েজ আপনার সামনে আসতে পারে, কিন্তু ঠিক কোনটিকে আপনার কাজের জন্য নির্বাচন করবেন? — এই সম্পূর্ণ আর্টিকেলে এই বিষয় গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

হার্ড ড্রাইভের প্রকারভেদ
হার্ড ডিস্ক বলতে কিন্তু এই নয়, আপনি যা ইচ্ছা তা কিনে ফেললেন, ভেবেও দেখলেন না কোন কাজের জন্য কি কিনছেন। যদিও বাজারে এখন আলাদা টাইপের স্টোরেজ সলিউসন রয়েছে, কিন্তু যদি শুধু ম্যাকানিক্যাল ড্রাইভের কথা বলি, সেখানেই রয়েছে অনেক টাইপের ড্রাইভ এবং প্রত্যেকটি টাইপকে বিভিন্ন কাজের জন্য টার্গেট করে বানানো হয়েছে। সাধারণত তিন টাইপের হার্ড ড্রাইভ দেখতে পাওয়া যায়, স্ট্যান্ডার্ড ডেক্সটপ ড্রাইভ, এনএএস/ন্যাস ড্রাইভ, এবং এন্টারপ্রাইজ হার্ডড্রাইভ। যদি আপনি সাধারণ ডেক্সটপ পিসির জন্য ড্রাইভ কেনার কথা চিন্তা করেন, সেক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ডেক্সটপ ড্রাইভই আপনার জন্য যথেষ্ট হবে, এনএএস বা এন্টারপ্রাইজ গ্রেড ড্রাইভ কেনার কোনই প্রয়োজন পরবে না। অনেক সময় সকল প্রকার ড্রাইভ গুলোর মধ্যে পারফর্মেন্স কোন পার্থক্য থাকে না, জাস্ট কিছু আলাদা প্রোটেকশন থাকে। যেমন সাধারণ এনএএস ড্রাইভ এবং ডেক্সটপ ড্রাইভ সম্পূর্ণ একই পারফর্মেন্স দেয়, কিন্তু ডেক্সটপ ড্রাইভ দিনে ৭-৮ ঘণ্টা চালানোর জন্য রেটিং করা থাকে, যেখানে ন্যাস ড্রাইভে বা এন্টারপ্রাইজ ড্রাইভে দিনে ২৪ ঘণ্টা চালানোর রেটিং থাকে। সাথে দামী ড্রাইভ গুলোতে শক ও ভাইব্রেশন প্রোটেকশন থাকে। যদি আপনার কম্পিউটারে একাধিক ড্রাইভ লাগানো থাকে সেক্ষেত্রে ভাইব্রেশন প্রোটেকশন দরকারি হতে পারে।

হার্ড ড্রাইভের প্রকারভেদ
হার্ড ড্রাইভের প্রকারভেদ গুলো নিয়ে আমি আগেই ডেক্সটপ, এনএএস, এন্টারপ্রাইজ | কোনটি কিনবেন? — এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। হার্ড ড্রাইভ প্রকারভেদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এটাই উপসংহার যে, সাধারণ ডেস্কটপ ড্রাইভ কেনার সময় আলাদা টাইপ গুলোর দিকে না দেখলেও চলবে, যদি একাধিক ড্রাইভ বা রেইড সিস্টেম সেটআপ করেন সেক্ষেত্রে সাধারণ ডেক্সটপ ড্রাইভ না কিনে এনএএস ড্রাইভ কেনা বেস্ট হবে। আর সার্ভার বা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকআপ সিস্টেম ছাড়া এন্টারপ্রাইজ গ্রেডের ড্রাইভ আপনার প্রয়োজনীয় হবে না।

আরো পড়ুন: র‍্যাম স্পীড নাকি র‍্যাম টাইমিং, কোনটি পারফর্মেন্সের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

ক্যাপাসিটি
ডেক্সটপ হার্ড ড্রাইভ বা যেকোনো মিডিয়া স্টোরেজ ক্যাপাসিটি রেটিং বুঝতে পারা অনেক সহজ কাজ। হয়তো আপনি এই প্যারাগ্রাফ না পড়েই আগে থেকেই এই ব্যাপারে হাফেজ হয়ে রয়েছেন। হার্ড ডিস্ক থেকে শুরু করে প্রায় যেকোনো কম্পিউটার স্টোরেজ মিডিয়া প্রস্তুতকারী কোম্পানি তাদের স্টোরেজ সলিউশনকে জিবি (GB) (গিগাবাইট) বা টিবি (TB) (টেরাবাইট) হিসেবে ড্রাইভ রেটিং করে থাকে। যদি এককথায় বলি, তো গিগাবাইট বলতে বিলিয়ন বাইট ডাটা এবং টেরাবাইট বলতে ট্রিলিয়ন বাইট ডাটা সংরক্ষিত করতে সক্ষম এই ড্রাইভ গুলো।

আপনার ড্রাইভটি কোন ক্যাপাসিটির সেটা বিশেষ করে ড্রাইভের গায়েই লেখা থাকে। আজকের দিনে স্ট্যান্ডার্ড ডেক্সটপ ড্রাইভ সাইজ ১ টেরাবাইট, যদিও এর চেয়ে ছোট ক্যাপাসিটিতেও সাধারণ কম্পিউটিং চাহিদা পূরণ করা সম্ভব, কিন্তু বর্তমানে ড্রাইভের দাম অনেক কম তাই ১ টেরাবাইট থেকে শুরু করে কতিপয় টেরাবাইট ড্রাইভ কিনে ফেলতে পারেন। যদি আপনি মুভি, আর বড় বড় গেম ডাউনলোড করতে ভালোবাসেন, সেক্ষেত্রে যতোবেশি ক্যাপাসিটি হয় ততোই ভালো। যদি শুধু কাজের জন্য আর প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার রান করানোর জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে কতিপয় গিগাবাইট ক্যাপাসিটিই যথেষ্ট হতে পারে। তবে ক্যাপাসিটির ব্যাপারে একটি বিশেষ টার্ম রয়েছে, যার ফলে আমরা অনেকেই বিভ্রান্তির শিকার হয়ে যাই। হার্ড ড্রাইভের গায়ে হয়তো রেটিং করা থাকে ১ টেরাবাইট, কিন্তু সেটাকে কম্পিউটারে লাগালে ৯৩১ গিগাবাইট প্রদর্শিত হয়। তাহলে বাকী স্পেস গুলো যায় কোথায়? — সমস্যা নেই, এই ব্যাপারটি সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা করে আমি “আপনার হার্ডড্রাইভ এর হারানো স্পেস গুলো যায় কোথায়?“এই আর্টিকেলটি লিখেছি, এখানে সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

পারফর্মেন্স
এবার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ প্যারাগ্রাফে চলে এসেছি, কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ড্রাইভ পারফর্মেন্স বা ড্রাইভ স্পীড অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি টার্ম। স্লো কম্পিউটারের জন্য অনেকে কম্পিউটার র‍্যাম বা প্রসেসরকে দোষারোপ করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় ড্রাইভ পারফর্মেন্স খারাপ হওয়ার কারণে কম্পিউটারের টাস্ক গুলো স্লো হয়ে যায়। ম্যাকানিক্যাল ড্রাইভ পারফর্মেন্স মূলত চারটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীলঃ (১) কানেকশন ইন্টারফেস, (২) ড্রাইভটির মাকানিক্যাল স্পীড, (৩) অ্যাক্সেস টাইম, এবং (৪) বাফার সাইজ।

পিসি বা পার্সোনাল কম্পিউটার ড্রাইভের জন্য বর্তমানে মার্কেটে দুই টাইপের ইন্টারফেস দেখতে পাওয়া যায়ঃ সিরিয়াল এটিএ (Serial ATA) (SATA) এবং আইডিই (IDE) (ATA)। আগের কিছু হাই পারফর্মেন্স ডেক্সটপে এসসিএসআই(SCSI) ইন্টারফেস দেখতে পাওয়া যেতো, কিন্তু এখন মূলত এই দুইটি ইন্টারফেসই দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারে আইডিই ইন্টারফেস সবচাইতে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। আইডিই ইন্টারফেস নাম্বার থেকে কানেকশন স্পীড সম্পর্কে জানতে পারা যায়। ATA/33 থেকে ATA/133 পর্যন্ত স্পীড রেঞ্জিং দেখতে পাওয়া যায়। আজকের বেশিরভাগ ডেস্কট ড্রাইভ ATA/100 হয়ে থাকে, এর মানে এই ইন্টারফেসটি ১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড সমর্থন করবে।

আরো পড়ুন: জিপিইউ (GPU) কি? জিপিইউ কেন জরুরী?

অপরদিকে সিরিয়াল এটিএ বা SATA একটি নতুন ইন্টারফেস এবং এটি আইডিই ইন্টারফেসকে রিপ্লেস করে চলেছে। এই ইন্টারফেসটি একেবারেই সাধারণ এবং একটি ড্রাইভের জন্য কেবল একটিই ক্যাবল ব্যবহৃত হয়। নতুন এই ইন্টারফেসটি ১৫০ মেগাবাইট/সেকেন্ড থেকে ৩০০ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড প্রদান করতে সক্ষম।

এবার যদি কথা বলি হার্ড ড্রাইভ ম্যাকানিক্যাল স্পিনিং স্পীড নিয়ে, সেক্ষেত্রে আপনারা অবশ্যই জানেন, হার্ড ড্রাইভের মধ্যে কতিপয় ডিস্ক থাকে এবং সেগুলো ফিজিক্যাল মুভ করে। এই ডিস্ক গুলো যতোদ্রুত ঘোরে ডাটা স্পীড ততোবেশি পাওয়া সম্ভব। আজকের বেশিরভাগ ডেস্কটপ ড্রাইভ গুলোর স্ট্যান্ডার্ড স্পিনিং রেট হচ্ছে ৭২০০ আরপিএম (রেভলিউশন/মিনিট)। কিছু হাই কোয়ালিটি ডেক্সটপ ড্রাইভ রয়েছে যেগুলো ১০০০০ আরপিএম রেটে ঘুরতে পারে। এখান বাজারে ৫৪০০ আরপিএম ড্রাইভ ও দেখতে পাওয়া যায়, যেটা অবশ্যই ৭২০০ আরপিএম থেকে স্লো। তাই অবশ্যই আপনার ড্রাইভটি যেন কমপক্ষে ৭২০০ আরপিএম হয়, এর কম হওয়া চলবে না।

আবার আপনার হার্ড ড্রাইভটির হেড কতোদ্রুত ডিস্কের উপর পৌঁছে সেখান থেকে ডাটা ক্যাপচার করছে তার রেটিংকে রেস্পন্স টাইম বলা হয়। যতোদ্রুত হেড ডিস্ককে অ্যাক্সেস করতে পাড়বে ততোদ্রুত ডাটা রিড বা রাইট করা সম্ভব হবে। হার্ড ড্রাইভ কিভাবে কাজ করে, এই আর্টিকেল থেকে হার্ড ডিস্কের কাঠামো এবং কাজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

পারফর্মেন্সের ফাইনাল স্টেপটি হচ্ছে ড্রাইভটির বাফার সাইজ। আপনার ড্রাইভের মধ্যে একটি ছোট ক্যাপাসিটির র‍্যাম লাগানো থেকে। এই র‍্যাম বিশেষ করে যে ডাটা গুলো কম্পিউটার হার্ড ড্রাইভ থেকে বারবার অ্যাক্সেস করে, সেগুলোকে হার্ড ডিস্ক ঐ র‍্যামে স্টোর করে রাখে, র‍্যাম সাধারণত অনেক ফাস্ট মেমোরি হয়ে থাকে, তাই অনেক দ্রুত র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস ডাটা গুলো ড্রাইভ কম্পিউটারে ট্র্যান্সফার করতে পারে। যতোবেশি বাফার সাইজ হবে, ড্রাইভটি ততোবেশি ক্যাশ র‍্যামে সেভ করতে পাড়বে এবং ডাটা গুলো অনেক দ্রুত ট্র্যান্সফার করা সম্ভব হবে। কম্পিউটার মেমোরি কিভাবে কাজ করে? — এই আর্টিকেলটি থেকে আরো বিস্তারিত তথ্য গুলো জানতে পারবেন, কিভাবে কম্পিউটারে বিভিন্ন টাইপ মেমোরির অবদান থাকে। যাই হোক, সাধারণ ড্রাইভে ৮ মেগাবাইট বাফার সাইজ থাকে এবং হাই পারফর্মেন্স ড্রাইভে ১৬ মেগাবাইট পর্যন্ত বাফার সাইজ দেখতে পাওয়া যায়।

এসএসডি এবং হাইব্রিড ড্রাইভ
ডেস্কটপ কম্পিউটারে যদি হাই পারফর্মেন্স বা লো বুট টাইম পেতে চান সেক্ষেত্রে সলিড স্টেট ড্রাইভ বেস্ট সাহায্য করতে পারে। আপনি যতো হাই পারফর্মেন্স হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করুন না কেন কেবল সাধারণ একটি সলিড স্টেস্ট ড্রাইভ হাই পারফর্মেন্স ম্যাকানিক্যাল ড্রাইভকে পানিতে ডুবিয়ে দিতে পারে। যদিও এসএসডি নিয়ে পূর্বে অনেক আর্টিকেল লিখেছি, সার্চ বারে গিয়ে “এসএসডি” টাইপ করলেই অনেক আর্টিকেল পেয়ে যাবেন। বিশেষ করে “এইচডিডি বনাম এসএসডি” — আর্টিকেলটি পড়তে ভুলবেন না।

আরো পড়ুন: পিসির পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? যেকোনো উইন্ডোজ (৭, ৮.১, ১০) বা লিনাক্স পিসির পাসওয়ার্ড বাইপাস করে নিন!

এসএসডি এবং হাইব্রিড ড্রাইভ
আরেক টাইপের ড্রাইভ রয়েছে, হাইব্রিড ড্রাইভ — যেটা নিয়েও পূর্বে আর্টিকেল লিখেছি; এখানে এসএসডি এবং হার্ড ড্রাইভ একত্রে যুক্ত থাকে। প্রোগ্রাম এবং অপারেটিং সিস্টেম এসএসডি মডিউল থেকে সার্ভ করা হয় এবং সাধারণ ফাইল গুলোকে হার্ড ড্রাইভ মডিউল থেকে সার্ভ করা হয়। এই ড্রাইভের আসল ফোকাস হচ্ছে কম দামের মধ্যে ভালো পারফর্মেন্স এবং স্টোরেজ ক্যাপাসিটি উভয়ের মধ্যে তালমিল করে রাখা। এসএসডির সবচাইতে বড় অসুবিধা হচ্ছে এর দাম, যদিও আজকের দিনে দাম অনেকটা কমে গেছে, কিন্তু তারপরেও আরেকটি লিমিটেশন হচ্ছে ক্যাপাসিটি। এসএসডি মাত্র কতিপয় টেরাবাইট পর্যন্তই পাওয়া যায় (একটি সিঙ্গেল ড্রাইভে) — যেখানে হার্ড ডিস্ক বিশাল ক্যাপাসিটির পর্যন্ত পাওয়া যায় এবং দাম অনেক কম। যাই হোক, এই আর্টিকেলে এসএসডি বা হাইব্রিড ড্রাইভ নিয়ে আবার নতুন করে আলোচনা করবো না, কেনোনা এখানে বিশেষ করে হার্ড ড্রাইভ নিয়ে আলোচনা করছি।

সিদ্ধান্ত
উপরের প্যারাগ্রাফ গুলোতে যথেষ্ট পরিমানে আলোচনা করে নিয়েছি, এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার পালা। আশা করছি এতোক্ষণে আপনি নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়ে গেছেন, কিন্তু তারপরেও গাইড লাইনকে আরো সহজ করার জন্য আমি কাজ অনুসারে হার্ড ড্রাইভ রেকমেন্ড করছি। যদি আপনার কাজ নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির মধ্যে না পরে, তাহলে অঝথা হাই আরপিএম ড্রাইভ বা বেশি ক্যাপাসিটি কেনার দরকার নেই। নিচের ছকটি দেখুন, আশা করি আপনাকে অনেক বেশি সাহায্য করবে।

ট্যাস্ক ক্যাপাসিটি আরপিএম
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার ২৫০ জিবি (বা আরো) ৫৪০০ আরপিএম
ওয়েব ব্রাউজিং ৩২০ জিবি (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
ডিজিটাল মিউজিক ৭৫০ জিবি (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
গেমিং ১ টেরাবাইট (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
গ্রাফিক্স এডিটিং ১.৫ টেরাবাইট (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
ডিজিটাল ভিডিও ২ টেরাবাইট (বা আরো) ৭২০০ আরপিএম
তো বন্ধু এই ছিল কিছু সাধারণ গাইড লাইন, যেগুলোকে নতুন হার্ড ড্রাইভ কেনার সময় অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। যদি সঠিকভাবে হার্ড ড্রাইভ পছন্দ করতে পারেন, আপনার টাকা এবং পারফর্মেন্স উভয় ক্ষেত্রেই লাভবান হতে পারবেন।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Computer Kingdom, , Hashem Plaza, Dhaka EPZ, Nabinagar/Chandra Rd, Baipayl
Dhaka
1349

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00