JOB PREPARATION

JOB PREPARATION

Share

13/04/2026

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC) ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (SRA) দিয়ে শুরু করে ক্রমানুসারে ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC), দণ্ডবিধি (Penal Code), সাক্ষ্য আইন (Evidence Act), তামাদি আইন এবং বার কাউন্সিল অর্ডার অ্যান্ড রুলস পড়া উচিত [১, ৬, ১০]। এই ৭টি মূল বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বেয়ার অ্যাক্ট (মূল আইন) ভিত্তিক অধ্যায়ভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর [২, ১৪]।
বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির পরামর্শ ও ধারাবাহিকতা:
১. দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC) ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (SRA): ২০+১০=৩০ নম্বর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই শুরুতেই এবং গভীরভাবে পড়ুন [৬, ৯]।
২. ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC): গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যেমন—ধারা ৪, ৬, ১৪৪, ১৪৫-১৪৬, ১৫৪, ১৫৫, ১৬৪, ১৭৩, ১৮২-১৮৫, ১৯০, ৪১৩-৪১৪, ৪১৭, ৪৩৫-৪৩৯, ৪৯৭-৪৯৮, ৫২৬, ৫৬১এ পড়ুন [৬, ১২]।
৩. দণ্ডবিধি (Penal Code): গুরুত্বপূর্ণ অপরাধসমূহ যেমন—ধারা ৩৪, ৯৬-১০৬, ২৯৯-৩০০, ৩৭৮, ৪০৫, ৪২০, ৪৯৯-৫০০, ৫১১-এর ওপর বেশি জোর দিন [৬, ১৫]।
৪. সাক্ষ্য আইন (Evidence Act): গুরুত্বপূর্ণ ধারা: ১৭, ২৪-২৬, ৩২, ৫৯, ৬০, ৬৩, ৭৪, ৯১-৯২, ১০১-১০৪, ১১৫-১১৬, ১৩৭, ১৪৫, ১৬৫ [৬]।
৫. তামাদি আইন ও বার কাউন্সিল অর্ডার অ্যান্ড রুলস: ছোট আইন কিন্তু ভালো নম্বর (১০+১০) পাওয়া সম্ভব [৬]।
৬. বিগত বছরের প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট: সবশেষে, পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন সমাধান করুন এবং Law Onusilon [৩] এর মতো সাইট ব্যবহার করে নিয়মিত মক টেস্ট দিন [৪, ৭, ১৪]।
মূল টিপস:
বেয়ার অ্যাক্ট (Bare Act): যেকোনো বিষয় পড়ার সময় মূল আইন বা বেয়ার অ্যাক্ট থেকে পড়ুন [২, ১৫]।
নেগেটিভ মার্কিং: এমসিকিউতে নেগেটিভ মার্কিং থাকায় নিশ্চিত না হয়ে উত্তর দাগানো থেকে বিরত থাকুন [৪, ১৪]।
ধারাবাহিকতা: প্রিলির প্রস্তুতির সময়ই লিখিত পরীক্ষার জন্য ছোট প্রশ্ন বা নোট তৈরি করে রাখুন [৭, ৯]।

Photos from JOB PREPARATION's post 28/09/2025

English Grammar for everyone

11/08/2025

ই রিটার্ন অডিটের প্রস্ততি নিন, সাবধান হোন

ই-রিটার্ন (E-return) অডিট মূলত ট্যাক্স কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নের সঠিকতা যাচাই করার প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে আয়কর আইন অনুযায়ী, এটি ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউ (NBR) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রক্রিয়াটি সাধারণত এইভাবে চলে—

১. প্রাথমিক বাছাই (Risk-based Selection)
• NBR-এর সিস্টেমে সব ই-রিটার্ন স্ক্যান করা হয়।
• যেসব রিটার্নে সন্দেহজনক বিষয় থাকে (যেমন হঠাৎ বড় আয়ের বৃদ্ধি, খরচ ও আয়ের মধ্যে অসামঞ্জস্য, নির্দিষ্ট সেক্টরের রিটার্ন ইত্যাদি) সেগুলো অডিট লিস্টে চলে যায়।
• বাছাই প্রক্রিয়া এলোমেলো (random) ও ঝুঁকিভিত্তিক (risk-based) — দুইভাবে হতে পারে।

২. নোটিশ প্রদান
• যদি আপনার রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়, তাহলে অডিট নোটিশ (সাধারণত ৬ মাসের মধ্যে) ই-মেইল, ডাক বা NBR-এর e-return পোর্টালে দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা থাকবে:
• কোন বিষয় যাচাই হবে
• কী কী ডকুমেন্ট দিতে হবে
• কোন তারিখে বা কোথায় হাজির হতে হবে।

৩. ডকুমেন্ট যাচাই

NBR ট্যাক্স অফিসার আপনার দেওয়া তথ্যের সাথে নিম্নোক্ত প্রমাণ মিলিয়ে দেখবে—
• ব্যাংক স্টেটমেন্ট
• বেতন বা ব্যবসার আয় সংক্রান্ত কাগজপত্র
• সম্পত্তি ও বিনিয়োগের দলিল
• খরচের প্রমাণ (যেমন মেডিকেল, শিক্ষা, হাউস রেন্ট, ডোনেশন ইত্যাদি)
• পূর্ববর্তী বছরের রিটার্ন।

৪. মৌখিক শুনানি বা সাক্ষাৎকার
• ট্যাক্স অফিসার আপনাকে বা আপনার প্রতিনিধি (CA/Tax Lawyer) কে ডেকে প্রশ্ন করতে পারেন।
• অসামঞ্জস্য ধরা পড়লে আপনাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

৫. অডিট রিপোর্ট ও অ্যাডজাস্টমেন্ট
যদি হিসাব সঠিক হয় — অডিট ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
ভুল বা গোপন তথ্য পাওয়া গেলে:
• বাড়তি কর (additional tax) ধার্য করা হবে
• জরিমানা বা সুদ যোগ হতে পারে
• গুরুতর ক্ষেত্রে কর ফাঁকি মামলা হতে পারে।

৬. আপিলের সুযোগ
• আপনি NBR-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ট্যাক্স আপিল ট্রাইব্যুনাল বা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

💡 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
• ই-রিটার্ন দেওয়ার সময় সঠিক তথ্য ও প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
• কমপক্ষে ৫ বছর যাবত রিটার্নের সাথে সম্পর্কিত সকল ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে হবে।
• কর পরামর্শকের সাহায্য নিলে ভুলের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka
1219