Health Tips

Health Tips

Share

13/03/2018

সহজে পেটের মেদ কমাবে কলা
পেটের মেদ কমাতে কলার জুড়ি মেলা ভার। 'ওয়েট ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম অফ আটলান্টা' তাদের একটি গবেষণাপত্রে এই তথ্যই জানিয়েছে। সেই গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, প্রতিদিন দুটো কলা খেলে পেটের মেদ অবশ্যই কমবে।

১) কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। পটাশিয়াম শরীরে পানি জমতে দেয় না। অনেক সময়ে নানা অসুস্থতার কারণে পেটে পানি জমে, পেট ফুলে যায়। প্রতিদিন পাকাকলা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করে ফেললে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে, আপনাকে অনেকটা রোগাও দেখাবে।

২) কলাতে প্রো-বায়োটিক উপাদানে ভরপুর। ফলে অন্তে উপকারী ব্যাকটিরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই জাতীয় ব্যাকটিরিয়া হজমশক্তি বাড়ায়। আর হজম শক্তি বৃদ্ধি পেলে শরীরে চট করে মেদ জমতে পারে না।

৩) ভিটামিন-বি-তে সমৃদ্ধ এই কলা। ভিটামিন-বি শরীরে মেদ জমতে দেয় না। যেসব জিন মেদ জমার জন্য দায়ী, সেগুলোকে সরাসরি প্রভাবিত করে । ফলে পেটের মেদ অনেকটাই কমে

৪) নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করলে দেখবেন, বেশি তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছে কমে গেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই কমে যাবে মেদ।

12/03/2018

যেসব প্রাকৃতিক খাবারে বাড়ে দৈহিক শক্তি
খাদ্যাভ্যাস ও দৈহিক শক্তির মাঝে একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কখনো এটি শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। আবার এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে হিতে বিপরীত হয়। তাই দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হওয়া জরুরি। কেননা, সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। আর সেক্ষেত্রে বর্তমান যুগে প্রাকৃতিক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখলে এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে দৈহিক দুর্বলতা দূর হয়।

এছাড়া দৈহিক শক্তি বাড়াতে আরও যা খাওয়া দরকার :

রসুন : দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক শক্তি বাড়াতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

ডিম : দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার দুর্বলতার সমাধান হবে।

চকলেট : চকলেটে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি জাতীয় ফল : দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়।

দুধ : যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য দৈহিক শক্তির উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু যদি দৈহিক শক্তির হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

জয়ফল : গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের দৈহিক শক্তি নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে দৈহিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

মধু : দৈহিক দুর্বলতার সমাধানে মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

গরুর মাংস : গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

কফি : কফি দৈহিক শক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা শক্তি বাড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কলা : কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম দৈহিক শক্তি বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে ক্লান্তি আসবে না।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1232