Pally City Development Foundation

Pally City Development Foundation

Share

Photos from Pally City Development Foundation's post 18/09/2017

ওরা চার জন। কিশোর কুমার দাস, নাফিজ চৌধুরী, ফারুক আহমেদ ও শিপরা দাস। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কিছু করার ইচ্ছা তাদের মনে। এ নিয়ে ভাবতে থাকেন দিনের পর দিন। প্রথমেই সিদ্ধান্ত নেন, সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে তাদের নিয়ে গড়বেন স্কুল। দেবেন কাগজে কলমে শিক্ষা। তাদের নিয়ে যাবেন শিক্ষার উচ্চ শিখরে। যেই ভাবনা, সেই কাজ। গড়ে তুলেন বিদ্যানন্দ সংগঠন। পড়বো, খেলবো, শিখবো- এ স্লোগানকে ধারণ করে তাদের পথচলা। দিনটি ২০১৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম কিশোর কুমার দাসের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সাতবীর গ্রামে। সেই গ্রাম থেকেই যাত্রা শুরু। কিশোর তার নিজ বাড়ির একটি ঘরে ২২ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে নিয়ে শুরু করেন কাজ। সেই থেকে স্বপ্নযাত্রা বিদ্যানন্দের। ধীরে ধীরে তাদের চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসতে থাকে। শিক্ষার এ ব্যবস্থাকে নিয়ে যাওয়ার সংকল্প করেন একেবারে পথশিশুদের মধ্যে। যারা একেবারেই সুবিধাবঞ্চিত। এ জন্য তারা টার্গেট করেন রাজধানীর বস্তি, কমলাপুর রেলস্টেশন, বিভিন্ন বাস স্টেশনে বসবাস করা পথশিশুদের। চলে যান তাদের কাছে। প্রথমেই কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে পথশিশুদের নিয়ে বসে যান প্ল্যাটফরমের এক কোণে। তাদের হাতে কলমে শিক্ষা দিতে থাকেন। কিন্তু একদিন, দুইদিন এভাবে এক সপ্তাহ পর দেখতে পান তাদের আগ্রহ নেই। মনোযোগ অন্যদিকে। খতিয়ে দেখেন পেটে ক্ষুধা নিয়ে তারা পড়তে আসেন। এ কারণে তারা পড়ায় মনোযোগী হতে পারছেন না। এরপর উদ্যোক্তারা দ্রুত বৈঠকে বসেন। সিদ্ধান্ত তাদের খাবার দিতে হবে। তবে এর জন্য অর্থের দরকার। বিনা পয়সায় লেখাপড়া করানো যাবে। কিন্তু খাবার কোত্থেকে আসবে? শেষ পর্যন্ত তারা সিদ্ধান্ত নেন তারা খাবার দেবেন তবে তা বিনা পয়সায় নয়। এক টাকার বিনিময়ে খাবার দেবেন। সঙ্গে বিনা খরচায় লেখাপড়া করাবেন। প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম কিশোর কুমার নিজে উদ্যোগী হয়ে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেন। এর মাধ্যমে তাদের সঙ্গে আস্তে আস্তে যোগ দিতে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, চাকরিজীবী, ব্যাংকার, আইনজীবীসহ অনেকেই। যারা ভলান্টিয়ার হিসেবে বিদ্যানন্দের সঙ্গে যুক্ত হন। তারা এখন আর চার জন নন। তাদের সংখ্যা এখন তিন শতাধিক। যারা নিজেরাই অর্থ দেন, নিজেরাই পড়ান। এক টাকার বিনিময়ে খাবার দেন কখনো খিচুড়ি, কখনো ভাত। প্রথমে অবশ্য শুকনো খাবার দেয়া হতো। এরমধ্যে অন্যতম ছিল- বিস্কুট, রুটি, কলা ইত্যাদি। সে সময় মাসে একবার ভাত দেয়া হতো। পরে তা প্রতিদিন করা হয়। তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে শিক্ষা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বেশিরভাগ দিনই সবজি খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়। বিনিময়ে নেয়া হয় এক টাকা। এ প্রসঙ্গে কিশোর কুমার বলেন, এক টাকা নেয়া হয়, এ কারণে যে তারা যেন ভাবতে না পারে- এটা তাদের প্রতি দয়া দেখানো হচ্ছে। তারা যেন বুক ফুলিয়ে বলতে পারে যা খাচ্ছি নিজের টাকায় খাচ্ছি। কোনো অভুক্ত মানুষ যেন এটা না ভাবে যে, তারা কারোর দান গ্রহণ করছেন বা ফ্রিতে খাবার খাচ্ছেন। এই জন্যই তারা এক টাকার বিনিময়ে খাবার বিতরণ শুরু করেন। বিদ্যানন্দ এখন ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রাজবাড়ী, রংপুর, রামু ও ময়মনসিংহে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণত প্রতিদিন তারা কমপক্ষে ৩০০০ প্যাকেট খাবার বিতরণ করেন। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করতে তাদের একটি দল টেকনাফ ও উখিয়ায় অবস্থান করছেন। সেখানে প্রতিদিন ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার খাবার প্যাকেট বিতরণ করছেন তারা। বিদ্যানন্দ সংগঠনের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ মানবজমিনকে জানান, তাদের কোনো নির্দিষ্ট দাতা সংস্থা নেই। প্রায় তিন লাখের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনুগামীবৃন্দের মাধ্যমেই অর্থের যোগান হয়। ইতিমধ্যেই তারা রাজবাড়ী জেলা ও রামুতে বিদ্যা অনাথালয় নামে দুটি শিক্ষাশ্রম খুলেছে। যেখানে প্রায় ১৩০ জন দরিদ্র শিশুদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া ও পড়ালেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক টাকায় খাবার বিতরণ ও পড়ালেখা ছাড়াও তারা দরিদ্র শিশুদের জন্য এক টাকায় চিকিৎসা এবং এক টাকায় আইনি সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। বিদ্যানন্দের প্রধান কার্যালয় মিরপুর সাড়ে এগারোতে। তাদের কাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে অনেকেই নিজের ইচ্ছায় গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

Photos 26/08/2017

"Pallycity Development Foundation"এর
প্রজেক্টে অনলাইন ও অফলাইনে কাজ করতে আগ্রহী পূরুষ/মহিলা আবশ্যক।
পদ:বিভাগীয় উদ্যোক্তা সমন্নয়ক/প্রতিনিধি
সম্মাণী:৩৩০০০/-(আলোচনা সাপেক্ষে)
আগ্রহী প্রার্থীগন। শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা সহ যোগাযোগ করুন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নুন্যতম বিিএ ( বেসিক ইন্টারনেট ব্যবহার জ্ঞান ও একটি এনড্রয়ড মোবাইল থাকতে হবে)
More: www.allseba.com
Send CV@ [email protected] or call:01772-319646

Want your business to be the top-listed Travel Agency in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka
8001