Dimple
26/04/2016
Dimple Magazine...
Concept & Styling : Panna Akter
Editor : Rahul Shumayel
Photographer : Adnan Bhuiyan Romanceabr
House : Deekers
Makeover : Bhubon Howlader
Model : Fariha
Photo Courtesy by : Dimple Media
25/04/2016
Dimple Magazine...
Concept & Styling : Panna Akter
Editor : Rahul Shumayel
Photographer : Adnan Bhuiyan Romanceabr
Designer : Panna Akter
Makeover : Bhubon Howlader
Model : Mousumi Mou
Photo Courtesy by : Dimple Media
20/04/2016
Dimple ক্যারিয়ার
---------------------ফ্যাশন ডিজাইনিং।
লেখা : পান্না আক্তার। (ফ্যাশন ডিজাইনার ও করিওগ্রাফার)
বাংলাদেশের মোট জাতীয় রপ্তানি আয়ের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই আসে পোশাক শিল্প থেকে। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ৪০ লাখ লোক। অর্থাৎ এক কথায় বলতে গেলে এ শিল্পের মাধ্যমে দেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
চলুন দেখি ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে কেমন ক্যারিয়ার।
এটি এমন একটি শিল্প মাধ্যম যার সাহায্যে একজন ডিজাইনার একটি পোশাককে উপজীব্য করে তার মননশীলতার পরিচয় দেন।ফ্যাশন ডিজাইনাররা বিভিন্নভাবে তাদের কাজগুলো করে থাকেন।কেউ কেউ তাদের আইডিয়াগুলো স্কেচের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন,কেউ সরাসরি ডিজাইনটি পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন।
পোশাক শিল্পে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ আয়ের এবং যুগোপযোগী পেশা হলো বায়িং বা গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফ্যাশন ডিজাইনিং প্রভৃতি। গার্মেন্টস পরিচালনার জন্য দক্ষ পেশাদারের প্রয়োজন। আর এসব পেশাদার শ্রেণীর চাহিদা মেটাতে অনেক সময় দেশ ছাড়াও দেশের বাইরে থেকে দক্ষতাসম্পন্নদের আনা হয়। তবে এ জন্য শিক্ষার্থীদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। শুধু চাকরি নয়, এসব ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন। কাজেই কারো যদি এসব বিষয়ে প্রফেশনাল ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণ থাকে তাহলে তিনি শুরুতেই আকর্ষণীয় বেতনে যেকোনো পোশাক শিল্পে চাকরি পাবেন।
> কোর্সসমূহ : ফ্যাশন ডিজাইনে রয়েছে ছয় মাস থেকে এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স; অন্য দিকে উচ্চ ডিগ্রির ক্ষেত্রে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি; অ্যাপারেল ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি; নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজির ওপর অনার্স কোর্স এবং এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং প্রভৃতি । এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের পর যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীরা এসব কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।
> কোথায় পড়বেন : বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ফ্যাশান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউট আছে। তার মধ্যে -
• Bangladesh University of Textiles
• Shanto-mariam University of Creative Technology. (SMUCT)
• BGMEA University Of Fashion and Technology. (BUFT)
• Raffles Design Institute, Dhaka
• National Institute of Fashion Technology (NIFT)
> বৃত্তি বা উচ্চ শিক্ষাঃ ফ্যাশন ডিজাইনিং এ পড়া অবস্থায় যোগ্যতা ভেদে পেতে পারেন বিভিন্ন মানের বৃত্তি। প্রায় সবগুলু প্রতিষ্ঠানের সাথেই আছে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি। যদি আপনার প্রতিভা থাকে তাহলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়া খুব একটা কঠিন না। বাংলাদেশের অনেক ডিজাইনারই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করছে।
> পড়ালেখার খরচ : গতানুগতিক বিষয়ে পড়ালেখা করে চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় নষ্ট হয়। সেদিক দিয়ে শিক্ষার্থীরা সাধারণ ডিগ্রির চেয়ে কম সময়ে সেশনজট ছাড়া ফ্যাশন ও গার্মেন্টস টেকনোলজিতে বিএসসি অনার্স, এমবিএ ডিগ্রিতে ভর্তি হতে পারেন। এসব ডিগ্রি অর্জনকারীরা শিক্ষারত অবস্থায় চাকরি করে আয় করতে পারেন। কাজেই নিজের আয় থেকেই শিক্ষার্থীরা শিক্ষার ব্যয় চালাতে পারেন।
> চাকরির সুযোগ : টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বিশাল বাজার। সরকারি- বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস শিল্প ও ইন্ডাস্ট্রিতে উৎপাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যেতে হয় তাদের। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদেরকে যেকোন ছোট বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রির পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
> ফ্যাশন ট্রেন্ডের জন্য ডিজাইনার : ফ্যাশন হাউসে এবং সংস্থাগুলো একচেটিয়াভাবে পরিকল্পিত পোশাক উত্পাদন এবং সংগ্রহ করে।ফ্যাশন পূর্বাভাস দ্বারা ফ্যাশন ট্রেন্ড সেট করা হয়। বিভিন্ন প্রকার ফ্যাশন শোর আয়োজনের মাধ্যমে এই ডিজাইন বাজারজাত করা হয়
> এছাড়াও ফ্যাশন ডিজাইনার বিভিন্ন বিষয়ে অভিঞ্জ
• মঞ্চ শিল্পী, টিভি বা ফিল্মের জন্য পোশাক ডিজাইন
• ইতিহাস-অনুযায়ী গবেষণা ও নকশায় গবেষণা চালায়
18/04/2016
Dimple রেসিপি
রেসিপি : রাহুল সুমায়েল।
ঠান্ডা ঠান্ডা দই শরবত!
গরমে দইয়ের লাচ্ছি তো আমরা খেয়ে থাকি ই! কিন্তু দইয়ের শরবত? গরমের আরাম দিতে আর শরীরের শীতল আবহাওয়াকে প্রাণ দিতে ঠাণ্ডা ঠান্ডা দই শরবত তো ভাল লাগবেই। এই পানীয় বেশ উপভোগ্য। তাছাড়া অতিথি আপ্যায়নেও এর জুড়ি নেই। প্রচন্ড এই গরমে দই শরবতটি খুবই উপকারি।
আসুন জেনে নেই দই শরবত বানানোর সহজ রেসিপি –
উপকরণঃ
# মিষ্টি দই ১ কাপ
# টক দই ১ কাপ
# ঠাণ্ডা পানি ৩ কাপ
# বরফ কুচি ১ কাপ
# লবণ ১ চিমটি
# বিট লবণ আধা চা-চামচ
# লেবু ১টি
# চিনি পরিমান মত
13/04/2016
Dimple বৈশাখী স্পেশাল,,
নববর্ষে গ্রাম-বাংলা
শহরের পহেলা বৈশাখ মানে একটি দিনের উৎসব। কিন্তু জানো কি বন্ধুরা, গ্রামে এই উৎসব চলে আরও বেশিদিন ধরে। পুরো একটা সপ্তাহ জুড়েই চলে এই বৈশাখী উৎসব। আর এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণই হচ্ছে বৈশাখী মেলা। কী আছে ঐ মেলায়? বলো কী নেই সেই মেলায়! নানা ধরনের গানের আসর বসে সেখানে। সেই সব আসরে গান গাইতে নানান গ্রাম থেকে আসে কতো গায়ক, বাউল আর নাচের দল। আসে যাত্রাপালার অভিনয়শিল্পীরা। গায়কের দল পরিবেশন করে নানান ধরনের গান। যেমন- পালাগান, জারিগান, গম্ভীরা গান, কবি গান, বাউল গান, মুর্শিদী, মারফতি, ভাটিয়ালী আরো কতো ধরনের গান। অভিনয়শিল্পীরা পরিবেশন করেন যাত্রাপালা। লাইলী মজনুর পালা, ইউসুফ জুলেখার পালা, রাধা কৃষ্ণের পালার আসর দেখে গ্রামের মানুষ কেঁদে বুক ভাসিয়ে দেয়। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এ আসর চলে।
সবকিছু ছাড়িয়ে সবার মূল আকর্ষণ ও আগ্রহ থাকে পুতুলনাচ আর নাগরদোলায়। একবার ভাবো, তোমার সামনে কতোগুলো পুতুল যদি সত্যি সত্যিই নাচতে নাচতে তোমাকে একটা পুরো নাটকই দেখিয়ে দেয়, তখন কতো মজা হতে পারে। আর নাগরদোলা তো তোমরা চেনোই। একবার সাঁই করে ঘুরে ঐ আকাশের কাছে চলে যায়, আরেকবার সাঁই করে একেবারে মাটির একেবারে কাছটিতে নেমে আসে। এছাড়াও বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার পিঠাপুলি, মণ্ডা-মিঠাই, বিভিন্ন ধরনের আচার ও হাতে তৈরী চিত্রকর্ম, খেলনা, মাটির পুতুল, জামা কাপড় ইত্যাদি বৈশাখে তো থাকেই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Fayenaz Tower (6-B), 37/2, Purana Paltan (Culvert Road)
Dhaka
1000