Noman Rifat

Noman Rifat

Share

01/10/2021

This is an e-commerce 'Dashboard Design'.
https://dribbble.com/shots/16568677-E-commerce-Dashboard-Design

Hit Like if you think the same. Save it for later. Cool !!!

Email: [email protected]

Have a project idea? I'm available for new projects

See more... check this link : https://dribbble.com/nomanrifat

03/05/2021

আল্লাহতায়ালা গোটা বছরের প্রত্যেক রাতের মধ্যে যে একটি রাতের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, সেটি হলো, ‘লাইলাতুল কদর’ বা মর্যাদার রাত। আল্লাহতায়ালার ভাষায়, ‘নিশ্চয় আমি এটি (কোরআন) নাজিল করেছি বরকতময় ‎রাতে; নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।
‎ ‎সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত ‎অনুমোদিত হয়। ’ আল্লাহতায়ালা আরো বলেন, ‘নিশ্চয় আমি এটি নাজিল করেছি লাইলাতুল ‎কদরে। ‎তোমাকে কিসে জানাবে লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। ‎সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের ‎রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ ‎করে। ‎ শান্তিময় সেই রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত। ’

- হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘লাইলাতুল কদরে যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের নিয়তে কিয়াম করবে, তার পূর্বের সকল পাপ মোচন করা হবে। ’ -সহিহ মুসলিম: হাদিস নং ৭৬০; সহিহ বোখারি: হাদিস নং ২০১৪

তাই এই রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হওয়া চরম দুর্ভাগ্যের বিষয়। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রমজান মাসের আগমন ঘটলে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের উদ্দেশে বললেন, তোমাদের নিকট এই মাস সমাগত হয়েছে, তাতে এমন একটি রাত রয়েছে, যা এক হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল, সে প্রকৃতপক্ষে সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত। একমাত্র (সর্বহারা) দুর্ভাগাই এ রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়। ’ -সুনানে ইবনে মাজা: হাদিস নং ১৬৪৪

তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত, ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আজকার, তাসবিহ-তাহলিল ও অন্যান্য নেক আমলের মাধ্যমে এ রাতের খায়ের-বরকত লাভে সচেষ্ট থাকা।

মাসয়ালা :............................................................................................................................
অনেকের মনে এই ভুল ধারণা রয়েছে যে, সাতাশের রাতই হচ্ছে শবে কদর। এই ধারণা সঠিক নয়। সহিহ হাদিসে এসেছে যে, রাসূলে কারিম (সা.) কে লাইলাতুল কদর কোন রাত তা জানানো হয়েছিল। তিনি তা সাহাবিদেরকে জানানোর জন্য আসছিলেন, কিন্তু ঘটনাক্রমে সেখানে দুই ব্যক্তি ঝগড়া করছিল। তাদের ওই ঝগড়ার কারণে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট থেকে সে রাতের ইলম উঠিয়ে নেওয়া হয়। এ কথাগুলো সাহাবিদেরকে জানানোর পর নবী করিম (সা.) বললেন, হতে পারে, এতেই তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে। এখন তোমরা এ রাত (অর্থাৎ তার বরকত ও ফজিলত) রমজানের শেষ দশকে অন্বেষণ কর। -সহিহ বোখারি: হাদিস নং ২০২০, সহিহ মুসলিম: হাদিস নং ১১৬৫/২০৯

অন্য হাদিসে বিশেষভাবে বেজোড় রাতগুলোতে শবেকদর তালাশ করার আদেশ দেয়া হয়েছে। -সহিহ মুসলিম: হাদিস নং ১১৬৫

**তাই সাতাশের রাতকেই সুনির্দিষ্টভাবে লাইলাতুল কদর বলা উচিত নয়। খুব বেশি হলে এটুকু বলা যায় যে, এ রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার অধিক সম্ভবনা রয়েছে।

শবে কদরের আলামত:..........................................................................................................................
আল্লাহতায়ালা বলেন, যির ইবনে হুবাইশ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি উবাই ইবনে কাবকে বলতে শুনেছি, তাকে বলা হয়েছিল, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেন, যে ব্যক্তি সারা বছর রাত জাগ্রত থাকবে, সে লাইলাতুল কদর লাভ করবে। উবাই বলেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, সন্দেহ নেই লাইলাতুল কদর রমজানে। তিনি নির্দিষ্টভাবে কসম করে বলেন, আল্লাহর শপথ আমি জানি তা কোন রাত, এটা সে রাত, যার কিয়ামের নির্দেশ আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রদান করেছেন, তা হচ্ছে সাতাশের সকালের রাত, তার আলামত হচ্ছে সেদিন সকালে সূর্য উদিত হবে সাদা, তার কোনো কিরণ থাকবে না। ’ -সহিহ মুসলিম

ইবনে হিব্বানের এক বর্ণনায় আছে, ‘তার আলামত হচ্ছে সেদিন সকালে সূর্য উদিত হবে সাদা, তার কোনো কিরণ থাকবে না, যেন তার আলো মুছে দেয়া হয়েছে। ’

- ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় লাইলাতুল কদর হচ্ছে রমজানের শেষ সাতের মাঝখানে, সেদিন সকালে শুভ্রতা নিয়ে সূর্য উদিত হবে, তার মধ্যে কোনো কিরণ থাকবে না। ইবনে মাসউদ বলেন, আমি সূর্যের দিকে তাকিয়ে সেরূপ দেখেছি, যেরূপ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন। ’ -মুসনাদে আহমদ

- হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) লাইলাতুল কদর সম্পর্কে বলেছেন, ‘এটা হচ্ছে সাতাশ অথবা ঊনত্রিশের রাত, সে রাতে কঙ্করের চেয়ে অধিক সংখ্যায় ফেরেশতারা পৃথিবীতে অবস্থান করেন। ’ -মুসনাদে আহমদ

শবে কদরের দোয়া :...........................................................................................................................
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বলেছি, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমি যদি লাইলাতুল কদর জানতে পারি, আমি তাতে কি বলব? তিনি বললেন, তুমি বলবে, (উচ্চারণ) ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন কারিম তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি। ’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল, মহানদাতা-সম্মানিত, ক্ষমা করা ভালোবাস, অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। ’ইমাম তিরমিজি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এ হাদিস হাসান, সহিহ।

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka
1212