Sayedul Bashar

Sayedul Bashar

Share

15/07/2015

প্রত্যেক খুনই নির্মম, প্রত্যেক খুনিই পাষন্ড। তাই বলে কি ১৩ বছরের শিশুকে কেউ এভাবে খুন করতে পারে। একদিকে আর্ত চিৎকার অন্যদিকে বুনো উল্লাস !!
সিলেট সদর উপজেলার কুমারগাঁওয়ে দোকানের খুঁটির সাথে বেঁধে প্রায় দেড় ঘণ্টা নির্যাতন করা হয় ১৩ বছরের কিশোর শেখ সামিউল আলম রাজনকে। খুটিয়ে খুঁটিয়ে অত্যাচার করে মিরতু নিশ্চিত করা হয় খুব ঠান্ডা মাথায় ।
মৃত্যুর আগে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন পানির জন্য হাহাকার করেছে। নির্যাতনকারীরা তাকে উল্টো বলে ‘পানি নাই ঘাম খা“ নির্যাতনের এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে শিশু রাজন। এছাড়াও নির্যাতনের এক পর্যায়ে সামিউলকে বোতলের কর্ক দিয়ে একজন কয়েক ফোটা পানিও দিতে দেখা গেছে।
কয়েক মিনিটের জন্য রাজনকে হাতের বাঁধন খুলে রশি লাগিয়ে হাঁটতে দেওয়া হয়। ‘হাড়গোড় তো দেখি সব ঠিক আছে, আরও মারো...’ বলে রাজনের বাঁ হাত খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে আরেকদফা পেটানো হয়। এসময় রাজনের শরীর ও চোখ-মুখ বেশ ফোলা দেখা গেছে।
যে ভিডিও ধারণ করার কাজটি করছিল, তাকে নির্দেশ করে নির্যাতনকারীরা জানতে চায় ঠিকমতো ভিডিও ধারণ হচ্ছে কি-না। ওপাশ থেকে ‘ফেসবুকে ছাড়ি দিছি, অখন সারা দুনিয়ার মানুষ দেখব...’ বলতে শোনা গেছে।
গত বুধবার নিমর্মভাবে নির্যাতন করে হত্যা করার পর গুম করার সময় উদ্ধার করা হয় কিশোর শেখ সামিউল আলম রাজনের লাশ। এবার তাকে নির্যাতন করার দৃশ্য ভিডিওচিত্রে প্রকাশ পেয়েছে।
রাজনের বাড়ি কুমারগাঁও বাসস্টেশন পার্শ্ববর্তী সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামে। রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান পেশায় একজন মাইক্রোবাসচালক। তাঁর দুই ছেলের মধ্যে রাজন বড়। অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা রাজন সবজি বিক্রি করত।
আজিজুর জানান- তিনি যেদিন ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালাতে পারেন না, সেদিন সংসার খরচ চালাতে সবজি বিক্রি করতে বের হয় রাজন।

16/05/2015

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে এখন চারটি বড় প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বাধাগুলো হচ্ছে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ঘাটতি, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজার (বাংলাদেশি পণ্যের) ও অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া।
এসব কারণে চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হবে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) ‘বাংলাদেশের ত্রৈমাসিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায়’ এমন অভিমত দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের ওপর এই পর্যালোচনা।
এ ক্ষেত্রে এমসিসিআই দাতা সংস্থাগুলোর পূর্বাভাসের তথ্য তুলে ধরে বলেছে, চলতি অর্থবছরের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৫ দশমিক ৬ থেকে ৬ দশমিক ১ শতাংশের মধ্যে হবে। একইভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও বলেছে, প্রবৃদ্ধির এই হার সাড়ে ৬ শতাংশে নেমে যাবে।
প্রসঙ্গত, এই অর্থবছরের মূল বাজেটে ৭ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। সম্প্রতি তা কমিয়ে সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছে।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে এমসিসিআই বলেছে, বাংলাদেশকে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে হলে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। আর ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ৮ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে, সে জন্যও মোট বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির বর্তমান ২৬-২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে চলতি ২০১৫ সালে সাড়ে ৩২ শতাংশে তোলা দরকার।
এমসিসিআই বলছে, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না। এর ওপর হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি, অবকাঠামো দুর্বলতা, বিনিয়োগ ঘাটতি ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় শিল্প স্থাপনে জমি না পাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও রয়েছে।
রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে আলোচ্য জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কৃষি খাতসহ দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবের উল্লেখ করেছে এমসিসিআই। সংগঠনটি বলেছে, উৎপাদন ভালো হলেও কৃষকেরা বাজারে ঠিকমতো পণ্য বিক্রি করতে পারেননি, পাননি ন্যায্য দাম। নির্মাণ খাতের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পরিবহন, হোটেল-রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার ও সামাজিক সেবা, শিক্ষা, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাসহ গোট সেবা খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা থাকায় বিনিয়োগকারীরা আস্থা পাচ্ছেন না।
দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়নের উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, ১৫ এপ্রিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫৭১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও গ্যাসের স্বল্পতা এবং কেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পুরো সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে আরও কয়েকটি খাতে উন্নতি হওয়ার তথ্যও তুলে ধরেছে এমসিসিআই। যেমন, এ সময়ে রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী-আয় আগের বছরের জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় ১ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। আর অর্থবছরের প্রথম নয় মাস হিসাবে রেমিট্যান্স ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২৫ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।

15/05/2015

Sayedul Bashar for more call us

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka