IUT Admission Test Guide:Kernel
02/03/2026
IUT নাকি অন্য বিশ্ববিদ্যালয় , কোন কোচিং বা বই ভালো হবে - এরকম প্রশ্ন অহরহ আমাদের গ্রুপে আসে ।
প্রথম কথা হচ্ছে , অনেক সময় দেখবে আইইউটিয়ান নিজেই বলছে আইইউটিতে না পড়তে । এটা সবজায়গায় দেখা যায় । বুয়েটিয়ান যারা তারা আইইউটির প্রশংসা করে ( তাই বলে বলছি না বুয়েট ছাড়তে বলে ) , যারা কুয়েটে তারা অনেক সময় কুয়েটে পড়তে মানা করে ... এভাবে সব বিশ্ববিদ্যালয় । (পোস্টের শেষ পর্যন্ত পড়লে কথাগুলো বুঝবে ... )
বিশ্ববিদ্যালয়ে আসলে দুইটা জিনিস হয় ।
নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি প্রচণ্ড আবেগ কাজ করে , আবার প্রচুর বিদ্বেষ বা বিরক্তিও কাজ করে । এটা অনেকটা সন্তান – পিতামাতার সম্পর্কের মতো । বাবা-মা যে আমাদের বকে , ‘কেন অমুক জায়গায় তুই চান্স পেলি না , অমুক তো পেলো’ – এই বকা কিন্তু সন্তানের প্রচণ্ড ভালো চাওয়া থেকেই আসে ।
বাবা – মায়ের এই বকা আসে দুইটা সাইড থেকে –
০১ । তারা অন্য অভিভাবক বা কারো সাথে গল্প করতে পারবে । তোমাকে নিয়েই গর্ব করবে , আমার ছেলে অমুক ফলাফল করেছে । ছেলে মেধাবী । বাবা মা কিন্তু এমনভাবে বলে না যে ‘আমি মেধাবী’ । জাস্ট সন্তানকে নিয়ে গর্ব করবে এটাই প্রত্যাশা , এটাই প্রচণ্ড ভালো লাগা ।
০২। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ । জীবনের এতোটা সময় তারা অতিবাহিত করে পৃথিবী যে কতটা কঠিন তা বুঝেছে । চাইছে তুমি সিকিউর একটা ফিউচার করে সে কঠিন পৃথিবী আরো ভালোভাবে ( বাবা-মায়ের থেকেও ) ট্যাকল করো ।
কথাগুলো বললাম এই কারণে , এখানে আইইউটির প্রতি যাদের বিরক্তি দেখো বা স্ব – স্ব ভার্সিটির প্রতি যাদের বিরক্তি দেখো তারাও চায় –
০১। নিজের ভার্সিটি নিয়ে গর্ব করবে ।
০২। নিজের ভার্সিটি ভালো করুক , অন্য সব ভার্সিটির মাঝে নিজের ভার্সিটি ভালো পজিশনে থাকুক , ভালো স্টুডেন্ট হোক , ভালো রিসার্চ হোক , ভালো ফ্যাকাল্টি থাকুক !
যখনই সে কিছুতে ঘাটতি পায় , তখনই চিল্লাপাল্লা করে ।
এর বাইরে আরেকটা ফ্রাস্টেটেশন আসে । নিজের একাডেমিক রেজাল্ট খারাপ হলে ফ্রাস্টেশন ভার্সিটির উপর দেয় । এর একটা বড় কারণ , ভার্সিটি পড়ালেখার সিস্টেম আসলেই খুব ভালো এমন না হয়তো ! অনেকে থ্রি ইডিয়টসের মুভি দেখে ইঞ্জিনিয়ার হতে আসে । ভাবে সব বুঝবে , বিশ্বকে পাল্টে দিবে । এসে দেখে স্লাইডের পর স্লাইড মুখস্থ , কোর্সে স্যারের খামখেয়ালী , স্বেচ্ছাচারী মনোভাব ! বাংলাদেশের এমন কোনো ভার্সিটি নাই ( আবারো বলছি , এমন কোনো ভার্সিটি নাই) যেখানে এই সমস্যা স্টুডেন্ট ফেইস না করে । সব ফ্রাস্টেশন গিয়ে তখন পড়ে ভার্সিটির উপর এবং জেদ থেকে বলে , নিজের ভার্সিটিতে না পড়তে ।
দেখো ঢাবিতে স্টুডেন্টরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয় ল্যাব ফ্যাসিলিটি না পেলে , বুয়েটে যখন রাজনীতি আসতে চায় স্টুডেন্টরা খুবই ক্ষুব্ধ হয় । এই যে রাজশাহী ইউনিভার্সিটির ভিসি স্যার একটা বক্তব্যে বললো কয়েকদিন আগে যে , তিনি একটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়কেন্দ্রিক সেমিনারে গেলেন । সেখানে বুয়েটের ভিসি স্যার শেখ জামাল – কামাল নিয়ে বলা শুরু করলো ! দেখো এগুলো নিয়ে স্টুডেন্টদের মাঝে ফ্রাস্টেশন কাজ করে ।
মূল কথায় আসো , এই যে এতোক্ষণ লম্বা এতোগুলো কথা বললাম , এর পেছনে কারণ হচ্ছে কিছু সিচুয়েশন বুঝানো । কে কোন প্রেক্ষাপটে কোন আবেগ বা জেদের বশে তোমাকে কোথায় পড়তে মানা করলো সেটা কিন্তু বলে না । তাই ফেসবুকে এগুলো না জিজ্ঞাসা করে , না শুনে তোমার পরিচিত – ক্লোজ সার্কেলের কেউ থাকলে তাকে জিজ্ঞাসা করো আসলে কি করা উচিত । আর নাহলে নিজে কিছু পরিস্থিতি ঘেঁটে ডিসিশন নাও , স্পেসিফিক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করো অমুক ফ্যাসিলিটিজ আছে কিনা – তারপর ডিসিশন নাও। আমরা এমনো দেখেছি , সে নিজে পড়ে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে , সে গ্রুপে এনোনিমাসলি কমেন্ট করছে , আইইউটিতে না পড়তে ।
পাবলিকলি অনেকেই তার ভার্সিটির বদনাম করবে না , আবার পাবলিকলি কেউ ফ্রাস্টেশন ঝাড়তে পারে । অনেকে সিনিয়রের কাছে ফার্স্ট ইয়ারে ধমক খেয়ে বলে আইইউটি এতো টক্সিক কেন , সে নিজেই সেকেন্ড ইয়ারে আরেকজনকে হয়তো ধমকাচ্ছে । এরপর তার জুনিয়র চেতে গিয়ে বলে , আইইউটিতে ভর্তি হয়ো না । এই যে বললাম , ধমক খাওয়া নিয়ে , এখন অনেকে শুরু করবে , তবে কি আইইউটিতে র্যাগ আছে ?
একটা ওভারঅল সিচুয়েশন বললাম । ফেসবুক থেকে সব আইডিয়া পাওয়া সম্ভব না । ফেসবুকে ভোটের জরিপ কেউ করে না , ফেসবুক একটা ন্যারেটিভ ক্রিয়েট করে দেয় । বাস্তবে কারো থেকে জানতে চেষ্টা করো! সব বিশ্ববিদ্যালয় ভালো । চাকরির বাজার নিয়ে আহামরি কিছু বলার নাই! সব প্রফেশনেই চ্যালেঞ্জ আছে । ডাক্তাররাও ভালো নাই । ক’দিন আগে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা যিনি ছিলেন , তিনি বলছিলেন একটা কথা , ‘ঢাকা শহরে জুনিয়র ডাক্তারদের বেতন শুনলে আপনারা হাসবেন’। মানে ডাক্তারি – ইঞ্জিনিয়ারিং সব জায়গায় সমস্যা আছে , একইভাবে উপযুক্ত যোগ্য না হতে পারাতেও সমস্যা আছে ।
ওতো দূরদর্শী ভাবনা এখন এনে লাভ নাই , সমাধানও নাই । আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করো , আল্লাহ সঠিক পথ দেখাবেন । আর গোল ফিক্স করে পড়ো । আল্লাহ তোমাকে সম্মানিত করুন , এই দু’আ রইলো ❤️
আইইউটি ভর্তি পরীক্ষা ২৬মে অনুষ্ঠিত হবে ।
10/03/2022
আইইউটির ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতকে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদন শুরু ২১ মার্চ, আবেদন চলবে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত এবং ২৭ ও ২৮ মে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
IUT ভর্তি পরীক্ষায় (২০২০-২০২১ সেশন) অংশগ্রহণ করতে যাওয়া সকল পরীক্ষার্থীর জন্য শুভ কামনা ❤
📖IUT ভর্তি পরীক্ষা (সেশন ২০২০-২০২১)!
✅৩য় অনলাইন ফ্রি মডেল টেস্ট এর ফলাফল!
✍উচ্চতর গণিত ১ম পত্র!
👉 ৩০ নাম্বারের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার উঠেছে ২৮ , পেয়েছে -
🥇Antor
🥇Zihan
🥇Nazmul
🥇Saiful
👉২য় সর্বোচ্চ নাম্বার উঠেছে ২৬, পেয়েছে -
🥈Al Hasib Fahim
🥈Asif Iqbal
🥈Rashedul Islam
👉৩য় সর্বোচ্চ নাম্বার উঠেছে ২৫ / ৩০, পেয়েছে -
🥉Namirah Rasul
🥉Husnat Ara
🥉Abdullah Al Nonam
✅সবার জন্য শুভ কামনা রইলো। ❤
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka