MH Humayra Outfits

MH Humayra Outfits

Share

30/11/2025

আমার সাদা মনে গোলাপি কালারের একটা প্রশ্ন,🙄👉🥰

30/11/2025

সত্যি নাকি....🥰

30/11/2025

৪০ দিনের মধ্যে জীবন পরিবর্তন হয়ে যাবে।একবার চেষ্টা করেই বা দেখুন।আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।আল্লাহু-আকবার❤️

29/11/2025

আমাদের বিয়ে হয়েছে ৭ বছর। লাভ ম্যারেজ। বাচ্চা হচ্ছিলো না আমাদের। এ নিয়ে বিয়ের ২ বছরের মাথা থেকেই অনেকের অনেক কথা শুনেছি।
শ্বশুরবাড়ির মানুষ তো দেখা হলেই খোঁচা মেরে অনেক কিছু বলতো।

এরপর আমি আমার স্বামীকে বললাম—চলো আমরা ডাক্তার দেখাই।
সে যাবেনা। তো যাবেই না।
অনেক জোরাজুরি করার পর ডাক্তার দেখাতে গেলাম। ডাক্তার দুইজনকেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দিলেন। সেটাও সে করবে না।
সেখানেও অনেক হাতে-পায়ে ধরে রাজি করলাম।

শুধু মানুষের মুখের কথার জন্য না—আমি নিজেও মা ডাক শোনার জন্য অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম।

পরীক্ষা করার পর যেদিন রিপোর্ট দেওয়ার দিন, সেদিন আমি সকাল থেকে রোজা রেখেছিলাম।
রিপোর্ট আমার স্বামীর হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসার কথা ছিলো। তারপর একসাথে ডাক্তার দেখাতে যাবো। কিন্তু সেদিন অনেক রাত হয়ে যায়। সে বাসায় আসে না। ফোন দিলে ফোন ধরে না।

আমি চিন্তায় অস্থির হয়ে আমার শ্বাশুড়িকে ফোন দেই। তিনি একই এলাকায় থাকতেন, কিন্তু আলাদা।
যখন জানলেন তার ছেলে এখনো বাসায় ফেরেনি—ফোনেই কান্না শুরু করলেন। আর বলতে লাগলেন, “আমার ছেলেটা কত চিন্তায় থাকে! আল্লাহ মাবুদ জানে, আমার ছেলে এই চিন্তা থেকে না কোন ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছে!”

উনার কথা শুনে আমি আরও ভয় পেয়ে যাই।

তারও এক ঘণ্টা পর সে বাসায় আসে—মলিন মুখে।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কোথায় ছিলা? কত ফোন দিলাম, ধরো নাই কেন?”

সে আমার হাত ধরে বলল, “আচ্ছা, তুমি যদি কোনদিন জানতে পারো আমরা যে বাবা-মা হতে পারছি না, সেই সমস্যাটা আসলে আমার… তাহলে কি করবা?”

আমি বললাম, “আল্লাহর কাছে দোয়া চাইবো।”

আমার স্বামী বলল, “আমাকে ছেড়ে যাবা?”

আমি বললাম, “না, যাবো না।”

সে আমার হাত আরও শক্ত করে ধরে বলল, “সমস্যাটা আমার। তোমার না। রিপোর্ট আমি ডাক্তারকে দেখিয়ে আসছি। এজন্যই দেরি হইছে। তুমি আমাকে ছেড়ে যাইও না।”

আমি শুধু ওকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলাম। কিছুই বলতে পারলাম না আর। কি বলব? বাচ্চার জন্য এতো আদর করা স্বামীকে নিশ্চয়ই তাকে ছেড়ে যাওয়ার মত বিবেক আমার নাই।

আমি আমার পরিবারের কাউকে জানাইনি। সেখানে স্বামীকে ছোট করতে চাইনি।
কেউ জিজ্ঞেস করলে বলতাম—“চেষ্টা করছি, আল্লাহ চাইলে হবে।”

এরপর তার বাবা-মাকে ডেকে সে এই সমস্যার কথা বলল।
আমার শাশুড়ি তো কেঁদেই যাচ্ছেন। আর বলতে লাগলেন—“আমি তাবিজ করছি আমার স্বামীকে! তাই এমন বলতেছে!”

আমার স্বামী উনাদের অনেক বুঝালো। লাভ হলো না।
কৌতূহলে প্রায় প্রতিদিন এ–ও জিজ্ঞেস করে—“আসলেই আমার স্বামীর সমস্যাটা কি?”

এতে আমি আরও ট্রমায় পড়ে যাই।

আমার স্বামী খুব ঠান্ডা প্রকৃতির মানুষ। সে বুঝতে পারছিলো এতে আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি। তাই সে ঢাকার বাইরে একটি চাকরিতে শিফট করল—আমাকে সাথে নিয়ে গেল।
আমরা বাচ্চা ছাড়াও ভালো ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সে খুব ভালো একজন মানুষ। আমার যত্নের ব্যাপারে কখনো কোন অনীহা ছিল না তার।

এরপর আমার ছোট বোন কনসিভ করে।
কিন্তু সেটা আমি অনেক দিন পর জানি—তাও আমার এক ভাবীর মুখে। অবাক হলাম—আমাকে কেন বলল না?

মাকে জিজ্ঞেস করায় মা বললেন—“তোর বাচ্চা হয় না। শুনলে যদি কষ্ট পাস—এই ভয়ে বলি নাই।”

আমি কেন কষ্ট পাবো—জানিনা। আমি বরং খুশিই হয়েছিলাম।

আমি আর আমার বোনকে কিছু বললাম না।
৯ মাসে সে আমাকে একবারও ফোন করেনি। আমি ফোন দিলে কেটে দিতো।

৯ মাস পর তার বাচ্চা হলো—কিন্তু মরা।

এ খবর শুনে আমরা তাকে দেখতে গেলাম।
ভরা মজলিশে এত মানুষ—আর আমার আপন ছোট বোন এই শোকের মুহূর্তে বলে উঠলো—

“তুই জানতি আমার বাচ্চা হবে? তাই না? তোর চোখ লাগছে রে! তোর কারণে আমার বাচ্চাটা দুনিয়ার আলো দেখলো না!”

এক মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল—আল্লাহ, তুমি আমাকে এই দুনিয়া থেকে নিয়ে যাও।

আমার স্বামী আমাকে সেখানে বেশিক্ষণ থাকতে দিল না। আমরা বাড়ি ফিরে এলাম।

বাসায় এসে বোনের বলা কথাগুলো সহ্য করতে পারছিলাম না।
আমাদের বাচ্চা হচ্ছে না—এই দোষ আমার কিভাবে?

বাথরুমে গিয়ে অনেকক্ষণ কান্না করলাম।

এরপর রাতে খেয়ে কখন যেন ঘুমিয়ে গেলাম।
মাঝরাতে ঘুম ভাঙলো—আমার পাশে স্বামী নেই।

উঠে গিয়ে দেখি সে পাশের রুমে নামাজ পড়ছে।
সচরাচর তাকে নামাজ পড়তে দেখি না এই এত বছরে।
অনেকক্ষণ আমি চুপ করে আড়ালে দাঁড়িয়ে রইলাম।

মোনাজাতে সে বারবার চোখ মুছছে।
একদম শেষে একটু আস্তে বলল—

“আল্লাহ… তুমি ওরে আর অপমানিত কইরো না…”

আমার এত কষ্ট হচ্ছিলো—মন চাইছিলো তাকে গিয়ে জড়িয়ে ধরে কাঁদি।
কিন্তু আমি তা না করে রুমে গিয়ে বিছানায় শুয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদলাম।

একটু পর সে রুমে এসে আমার পাশে শুয়ে ঘুমিয়ে গেলো।

তার ঠিক ৩৫ দিন পর আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়লাম। ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিলেন।
এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সবচেয়ে সুন্দর খবরটি জানান—
আমরা বাবা-মা হতে চলেছি।

আমরা সবাইকে জানালাম। কাউকে বাদ রাখলাম না।
আমার স্বামী নিজে সবাইকে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মিষ্টি দিয়ে এল।

৮.৫ মাস পরে আমি একটি সুস্থ মেয়ে সন্তান জন্ম দিলাম। আলহামদুলিল্লাহ। এ সব আমার স্বামীর প্রার্থনার ফল।

আমার বাচ্চার বয়স যেদিন ২৩ দিন—সেদিন ওকে ঘুম পাড়িয়ে আমি কাজের বুয়াকে নিয়ে আলমারির জায়গা করার জন্য স্বামীর পুরান কাপড় গুছাতে শুরু করি।
বেছে বাকিগুলা বুয়াকে দিয়ে দিবো এই নিয়তে।

এক পর্যায়ে আমি তার আলমারিতে একটা খামে ভরা কিছু কাগজ পাই।
সেগুলো ছিল আমার আর তার ৪ বছর আগের রিপোর্ট।

আমি রিপোর্টগুলো পড়তে শুরু করলাম। ডাক্তার না হলেও ওগুলো বুঝা কঠিন ছিল না।

রিপোর্টে দেখলাম—
আমার স্বামীর কোনো সমস্যা ছিলই না।
সমস্যা ছিল আমার রিপোর্টে—যেখানে লেখা ছিল আমার ওভারিতে বাচ্চা ধারণ করার ক্ষমতা নেই।

এতো বছর পরে এসে বুঝলাম—আমার স্বামী কেন আমাকে ডাক্তারের কাছে নিতে চাইত না।
এতদিন পরে জানলাম—কত ভালো একজন মানুষের সাথে আমি সংসার করছি।
যে আমার অক্ষমতাকে নিজের অক্ষমতা বলে সমাজে নিজেকে ছোট করেছে—তবুও আমাকে ছোট হতে দেয়নি।
আমার বোনের করা অপমানে সে আল্লাহর কাছে আমাকে অপমানমুক্ত রাখার দোয়া করেছে।

এতো ভালো মানুষ পাওয়ার মতো যোগ্য আমি ছিলাম?

আমি রিপোর্টগুলো লুকিয়ে আগের জায়গাতেই রেখে দিলাম।

সে বাসায় আসার পর তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম—
“আচ্ছা, আমি যদি মা না হতে পারতাম—তাহলে তুমিও তো আমাকে ছেড়ে যেতা না… তাই না?”

সে অবাক হয়ে বলল—
“অবশ্যই যাইতাম! আরেকটা বিয়ে করতাম! হাহাহাহা!”

আমিও হেসে উড়িয়ে দিলাম।

সে ফ্রেশ হয়ে বাবুর সাথে খেলতে লাগলো।

কি সুন্দর দৃশ্য…
কত ভাগ্যবতী আমি—এমন একজন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি।
সব পুরুষ খারাপ না। অনেক স্বামী আমার স্বামীর মতই সত্যিকারের মানুষ।

29/11/2025

কম জানলে জানার চেষ্টা করেন, আমরা সবাই যে সব জানবো এটা তো সম্ভব না।কিন্তু কম জেনে সব জানার ভান করতে গেলে সমস‍্যা। কম জানাটা আনস্মার্ট না, আনস্মার্ট হলো সব জানার অভিনয় করা! এই অভিনয়ও ঠিক মত হয়না!

29/11/2025

সন্তানদের একটু ভুল করলেই
“তোর কিছু হবে না”,
“জীবনে কিছুই করতে পারবি না”,
“তুই অ-ভিশাপ”—
এমন কথা বলা যেন এখন
অনেক কিছু বাবা-মায়ের ক্ষেত্রে নতুন ট্রেন্ড হয়ে গেছে।

কিন্তু তারা বুঝতে পারে না—
এই কথাগুলো ছু'রি নয়;
এর চেয়েও ধা'রালো।
এগুলো সন্তানকে ভেতর থেকে ভেঙে ফেলে।

একটা গাছও যত্নে বড় হয়,
আর সন্তান তো মানুষ—
ভালোবাসা, দোয়া, সাহচর্য ছাড়া
সে কখনোই নিজের সেরাটা দিতে পারবে না।

কথার অ-ভিশাপ নয়—
কথার দোয়া হওয়া উচিত।
কারণ মা–বাবার মুখের শব্দই
সন্তানের ভাগ্যের প্রথম ইট।

যা বলবেন, দেখে বলবেন—
আপনার রাগের ভাষাই
তার সারা জীবনের ভয় হয়ে যেতে পারে।

সন্তান বদলায় শাসনে নয়,
বদলায় আদরে, বোঝাপড়ায়,
আর বিশ্বাসে।

28/11/2025

পাত্র পক্ষ দেখতে আসবে😌
সেজেগুজে বসলাম 😌
এমন সময় প্রকৃতির ডাক দিয়েছে🥴
আমার রুমের ওয়াশ রুমে নানু থাকায় দৌড়ে ডাইনিং রুমের ওয়াশরুমে গেলাম।
ওমা গিয়ে দেখি পানি নেই🤧
প্রায় ১৫মিনিট অপেক্ষা করে ও যখন দেখলাম পানি আসছে না,
ওয়াশ রুম থেকে চিল্লাইয়া মা'কে ডেকে বললাম "মা মটর দিয়ে আসো তো, বা%*লের বাড়িতে থাকি😤

হা%*গতে,মু%*ততে আসলে পানি যায়গা, এখন মনে হচ্ছে মু%*তে তারপর ছু%*ছু করতে হবে"
এই বলে মুখ বন্ধ করার আগেই ছোটবোন বললো-আপু আস্তে চিল্লা পাত্র পক্ষের সবাই রুমে বসা🙂🙂

28/11/2025

সন্ধ্যায় ভূমিকম্প হওয়ার পর আমি শশুর বাড়ি তে কল দিয়েছি। খুব ভয় এ আছি। আর ঢাকায় থাকতে ইচ্ছা করছেনা। হাসবেন্ড ও গেছে ঢাকার বাইরে। একা আরও বেশি ভয় পাচ্ছি।

কাল থেকে কিছুই খেতে পারছিনা। দুই বাচ্চা (সামির সামিহা) কে একা কোলে নিয়ে সিড়ি দিয়ে হুড়মুড় করে নামতে যেয়ে সেইদিন কেমন জানি আতংক ভিতরে ঢুকে গেছে।

আমার শাশুড়ী মা শুনেই কাঁদছে। খাওয়া দাওয়া করছিনা এতো টেনশন।

এইদিক আমি বাড়ি আসবো সন্ধ্যায় বললাম আর আমার শশুর আব্বা শুনেই তখন ই রেডি হয়ে বাস ধরতে চলে গেলো।

মা তুমি চিন্তা করোনা। আসতে সকাল হবে।
এসেই নিয়ে আসবো জয়পুরহাট।

আমি সত্যিই কল্পনাও করি নি আমি বলার সাথে সাথেই আমার শশুর এখনই বাস ধরবে আসার জন্য।

শশুর শাশুড়ী এতো আপন হয়। এতো ভালো হয়। মনে হয় নিজের সত্যিকারের বাবা মা ❤️

27/11/2025

অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেইঃ

এক রাজা ঘোষনা দিলেনঃ
"যে আমার বড় ছাগলটা একদিন পেট
ভরে খাওয়াতে পারে। তাকে আমি রাজ্যের
অর্ধেক লিখে দেবো এবং আমার কন্যা।

অর্ধেক রাজ্য আর রাজকন্যা পাওয়ার আশায়
দূর দুরান্ত থেকে মানুষজন এসে ছাগলটিকে
সকালে নিয়ে যায়। সারাদিন খুব ভালো ভালো
খাওয়া খাইয়ে, সন্ধ্যায় যখন রাজ দরবারে ফেরৎ
দেয়। রাজা ছাগলটির ক্ষুদা পরীক্ষা করার জন্য
দুটো ঘাস ছাগলের সামনে দেন।
ছাগল সঙ্গে সঙ্গে ঘাস দুটো খেয়ে ফেলে।
রাজা খুব আফসোসের সঙ্গে বলেঃ কি হ্যা,
তুমিতো আমার ছাগলকে পেট ভরে
খাওয়াই নাই। তারতো ক্ষুদা আছে।
তুমি ব্যর্থ।

এভাবে সকলেই চেষ্টা করে পারলো না।
যে যতই পেট ভরে খাওয়াক। রাজার ঘাস
পেলে ছাগল পাগল হয়ে ওটাই খায়। কেউ
আর ছাগলটাকে নিতে আসে না।

রাজা বললেনঃ আমার রাজ্যে এমন মানুষ
নেই আমার ছাগলটাকে পেট পুরে খাওয়াতে
পারে। তূমরা কি এতোটাই দরিদ্র।

এক রাখাল যুবক এসে বললোঃ জাহাপনা
আমি আপনার ছাগলটাকে পেট পুরে খাওয়াতে
পারবো। অর্ধেক রাজ্যের দলিল আর রাজকন্যা
Ready রাখবেন।

মৃদু হেঁসে রাজাঃ সন্ধ্যায় ছাগলটা পেট ভড়িয়ে
নিয়ে আসো। ওমন কথা অনেকেই বলেছিলো।

রাখাল সন্ধ্যায় ছাগলটি নিয়ে হাজির হলো।
রাজা খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে ছাগলটির সামনে
দুটো ঘাস রাখতেই ছাগলটি মুখ ফিরিয়ে নেয়।
বহুবার চেষ্টা করেও ছাগলটি ঘাস মুখে নিচ্ছে না।

এক পর্যায় রাজা সেনাপতির সহায়তায় বল প্রয়োগ
করে ছাগলের মুখ খুলে ঘাস ঢুকিয়ে দিয়ে
বললোঃ এই দেখো, ছাগলটির ক্ষুদা ছিলো।
ঘাস খেয়েছে।

রাজ দরবারের উপস্থিত সকলে হো হো করে
হাসতে লাগলো। রাজা তাকিয়ে দেখে ছাগলটি
বমি করে ঘাসগুলো বের করে দিয়েছে।
রাখাল রাজকন্যাসহ অর্ধেক রাজ্য পেলো।

রাজা একদিন জিজ্ঞাসা করলোঃ বাবা, তুমি কি
খাদ্য দিয়েছিলে আমার ছাগলের ক্ষুদা ছিলো না।

যুবকঃ জাহাপনা, আমি ছাগল চড়াতে চড়াতে
অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি।

রাজাঃ সেটাতো বুঝেছি বাবা জ্বী। কিন্তু......?

যুবকঃ ছাগলটাকে আমার বাড়ীতে নিয়ে
ঘাসের সঙ্গে সব ধরনের গাছের পাতা ওর মুখের
সামনে দিয়েছিলাম। পাতা খেয়ে যখন ঘাসে মুখ
দেয় তখনই ছাগলের পাছায় বেত দিয়ে কষে কয়েকটা
বারি দেই। ম্যা ম্যা করতে থাকে। ঘাস মুখে দিলেই
পাছায় বারি। বারি খাইতে খাইতে ঘাসের প্রতি ওর ঘৃণা
সৃষ্টি করে দিয়েছি। যদি ভুলেও ঘাস খেয়ে ফেলেছে
সঙ্গে সঙ্গে বমি করে দেয়। সে জানে ঘাস মুখে দিলেই
তাকে প্রচন্ড মার খেতে হবে। সেই ভয় আপনার দেওয়া
ঘাস মুখে নেয় নাই।

27/11/2025

অতি সুখ ও সেবার লো/ভে দুই বিয়ে করেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন একসাথে দুই বউয়ের সেবায় তিনি দারুণ ভাবে জীবন কা/টা/বেন।....

কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন!
দুই বউয়ের সেবা তো দূরে থাক, নিত্য দুই বউয়ের কলহ,বিবাদ আর অ-ত্যা-চা-রে তিনি ৩৩ বছর ঘর ছাড়া। নিরুদ্দেশ।....

৩৩ বছর তাকে কেউ খুঁ/জে না পেয়ে পরিবার তাকে মৃ/ত ভেবে তার মৃ/;ত্যু সাটিফিকেট তৈরি করে তার কিছু জমিজায়গাও অভাবের কারণে বি/ক্রি করে খায় তারা।

এত বছর পর হঠাৎ আল্লাহর দয়ায় এক মানবাধিকার কর্মীর ওসীলায় মুরুব্বি পুনরায় তার পরিবারে ফিরে আসে।

কি লাভ হল দুই বিয়ে করে...?
সময় গেল,যৌ-ব-ন গেল,সুখ গেল! সারা জীবন একাকীত্বে
কে/টে গেল।একেই হয়তো বলে— অতি লো/ভে তাতী ন/ষ্ট।🙂

26/11/2025

‼️স্ত্রী হওয়া আর শখের নারী হওয়ার মধ্যে আসলেই বড় পার্থক্য আছে।।
একজন পুরুষ তার শখের নারীর জন্য সবকিছু করতে পারে—নিজের অভ্যাস" আ/চরণ"এমনকি জীবন/যাপনও বদলে ফেলতে পারে।। সে তার প্রিয় মানুষের পছন্দ"অপছ/ন্দ মনে রাখে"ছোট ছোট ইচ্ছে পূরণ করতে চায়" আর তাকে কখনো কাঁ/দতে দিতে চায় না।।
দুনিয়ার সামনে যেই মানুষটা কঠিন" শক্ত" তার সেই মানুষটার সামনে হয়ে যায় নরম" আদুরে।।
তাই শখের নারীরা অনেক লাকি মনে করে নিজেকে" কারণ যত্নশীল একজন মানুষ পাওয়া সত্যিই খুব ভাগ্যের ব্যাপার।।

কিন্তু অন্যদিকে" যারা শুধু স্ত্রী হয়ে থাকে" তারা অনেক সময় এই যত্নটা পায় না।।
স্বামী তাদের অনুভূতি বোঝে না" অসুস্থ হলে দেখভাল করে না" এমনকি প্রায়ই না দেখার ভান করে।।
স্ত্রীর ইচ্ছা"অনি/চ্ছা" ভালো"মন্দ" সবই যেন গুরুত্বহীন হয়ে যায়।।
দুনিয়ার কাছে সে মানুষটা খুব শান্ত" নরম" কিন্তু নিজের স্ত্রীর কাছে হয়ে যায় রাগী" কড়া—একদম বাঘের মতো।।
এই স্ত্রীদের জীবন কা/টে অবহেলায়" অপে/ক্ষায়—একদিন সব ঠিক হবে এই ভাবনায়।। কিন্তু সত্যিই কিছু ঠিক হয় না"সবই শে/ষ পর্যন্ত অভ্যাসে পরি/ণত হয়।।

যে সম্প/র্কে নারীকে শখের নারী হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়" সেই সম্প/র্কই আসলে আরও মজবুত হয়।
এ ধরনের সম্প/র্কই টিকে থাকে আজীবন। । 🖤

26/11/2025

আপনিও নিরব আমিও নিরব কিন্তু ভিতরে জমে আছে হাজারো প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসার আকাঙ্ক্ষা। বলতে যেয়েও হঠাৎ চুপ হয়ে যাওয়া, আসলে কিছু কিছু মানুষের সাথে সম্পর্ক টা হচ্ছে এমন, ফেলে দেওয়া ও যায় না রেখে দেওয়া ও যায় না, শুধু ভেতরে ভেতরে সহ্য করে যেতে হয়....আসলে মানুষ পরিস্থিতির শিকার হয়ে কত কিছুই না সেক্রিফাইস করে।সবার মনের খবর সবাই জানে নাহ।আমরা দূর থেকেই মানুষকে দেখেই অনেক কিছুই বলে ফেলি কিন্তু সে ধারনাটা ভুল।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka