StarBools Foundation

StarBools Foundation

Share

14/10/2025

আমাদের ওয়েবসাইট তৈরির কার্যক্রম চলমান... আপনাদের সহযোগিতায় খুব শীঘ্রই সকল কার্যক্রম ওয়েবসাইট ভিত্তিক দিকনির্দেশনা হবে।

13/10/2025

🌍 StarBools Foundation – পরিচিতি
প্রতিষ্ঠাতা: Shihab Ahmmed Shourov
StarBools Foundation একটি মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান, যা বিশ্বাস করে যে “প্রতিটি মানুষ যদি তার জায়গা থেকে সামান্য আলোর কাজ করে, তাহলে গোটা সমাজ আলোকিত হয়ে উঠবে।”
আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র সাহায্য প্রদান নয়, বরং মানুষের চিন্তা, শিক্ষা ও সমাজবোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আনা। আমরা চাই একটি এমন সমাজ গড়ে তুলতে, যেখানে শিক্ষা, সচেতনতা ও মানবতা মানুষের জীবনকে পরিবর্তন করতে সক্ষম।
আমাদের মূল উদ্দেশ্য
শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধি করা।
সচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরি করে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করা।
দরিদ্র, অসহায়, এতিম, বিধবা এবং দুর্যোগ-প্রবণ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করা।
আমাদের মূল নীতি
সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
ধর্ম, বর্ণ বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সকলের জন্য সাহায্য ও সুযোগ তৈরি করা।
দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সহ সামাজিক উন্নয়নে অবিচল প্রতিশ্রুতি।
নবীন ও যোগ্য স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে কার্যক্রমের দক্ষতা ও প্রভাব সর্বাধিক করা।
আমাদের দর্শন (Vision)
“StarBools Foundation হবে বাংলাদেশের একটি শীর্ষ মানবিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে লাখো তরুণ শিক্ষা, সচেতনতা ও মানবতার আলো ছড়িয়ে দেশের উন্নয়নে অংশ নেবে।” 🌏
আমাদের কাজের ক্ষেত্রসমূহ
শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন – ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, কারিগরি প্রশিক্ষণ।
সচেতনতা ও সামাজিক পরিবর্তন – সামাজিক সচেতনতা ক্যাম্পেইন, অনলাইন ও অফলাইন সেশন, যুব নেতৃত্ব উন্নয়ন।
দান ও মানবতা – খাবার বিতরণ, শীতবস্ত্র ও চিকিৎসা ক্যাম্প, দুর্যোগ ত্রাণ ও স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প।
StarBools Foundation শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি মানবিক আন্দোলন। আমরা বিশ্বাস করি,
“যে আলো নিজের ভেতরে জ্বালাতে পারে, সে পুরো সমাজকে আলোকিত করতে পারে।”
🌍 StarBools Foundation-এর নীতি ও আদর্শ
পবিত্র কুরআন ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শিক্ষা এবং তাঁর জীবনের আদর্শই StarBools Foundation-এর পথনির্দেশ ও অনুপ্রেরণা।

ইসলামের প্রাথমিক যুগের ন্যায়, কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক মধ্যমপন্থা অবলম্বন করে মানবতার সেবায় নিজেকে নিবেদন করাই আমাদের মূলনীতি।

উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা এবং মানবতার প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।

সৎকাজে উৎসাহ দেওয়া, অসৎকাজ থেকে বিরত রাখা এবং সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনা প্রতিষ্ঠা করা StarBools-এর প্রধান লক্ষ্য।

দাওয়াহ ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে উগ্রতা পরিহার করে সহনশীলতা, প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার নীতি অনুসরণ করা।

প্রত্যেক কর্মে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কাজ করা এবং মানুষের সেবাকে ইবাদতের অংশ হিসেবে গণ্য করা।

ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও অবস্থান নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য সেবা ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

জনগণের প্রদত্ত দান, অর্থ ও সম্পদকে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমানত হিসেবে গণ্য করা এবং এর যথাযথ ও স্বচ্ছ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেওয়া।

প্রতিটি আর্থিক লেনদেন ও প্রকল্প ব্যয়ের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা।

পরিচালনা পর্ষদ, সমন্বয়ক ও স্বেচ্ছাসেবক—সকলের কাজের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা।

প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরীক্ষণের ব্যবস্থা রাখা এবং নৈতিক মানদণ্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে বজায় রাখা।

দুর্নীতি, পক্ষপাত, অনিয়ম বা ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা।

শিক্ষা, দাওয়াহ, সচেতনতা ও সেবামূলক প্রতিটি কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মান বজায় রাখা।

StarBools Foundation কোনো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মানবিক সংগঠন — যার উদ্দেশ্য কেবলই সমাজে আলো ছড়ানো।

যোগ্য, নৈতিক ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্য ও কর্মী নিয়োগ করা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

সেবা কার্যক্রমে এতিম, অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও দুর্যোগপীড়িত মানুষকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।

দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা বিস্তার, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে আত্মনির্ভর সমাজ গঠনে কাজ করা।

সাময়িক সাহায্যের চেয়ে স্থায়ী উন্নয়ন ও টেকসই পরিবর্তন নিশ্চিত করাই আমাদের মানবিক নীতি।

🎓 লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (শিক্ষা বিভাগ)
১️⃣ কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক বিশুদ্ধ জ্ঞানের প্রসার
মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর আলো ছড়িয়ে দিয়ে নৈতিক, জ্ঞানী ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গঠন।

২️⃣ আলোকিত দা‘য়ী ও শিক্ষাবিদ তৈরি
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন যোগ্য ইসলামী বক্তা, শিক্ষক ও চিন্তাবিদ তৈরি করা,
যারা আধুনিক বিজ্ঞান, সমাজ ও ইসলামের সমন্বয়ে মানবতার দিকনির্দেশনা দিতে সক্ষম।

৩️⃣ যুগোপযোগী ইসলামিক শিক্ষা গবেষণাকেন্দ্র
কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষা গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন,
যেখানে ধর্মীয় ও আধুনিক জ্ঞান একসাথে বিকশিত হবে— “Deen & Duniya” এর বাস্তব ভারসাম্য তৈরি হবে।

৪️⃣ StarBools Education Network গঠন
বাংলাদেশজুড়ে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা।

৫️⃣ StarBools Skill & Learning Hub
ডিজিটাল যুগের তরুণদের জন্য অনলাইন ও অফলাইন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম—
যেখানে ডিজাইন, মার্কেটিং, আইটি, ভিডিও প্রডাকশনসহ বাস্তব জীবনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা শেখানো হবে।

৬️⃣ দরিদ্র ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা
অসহায়, মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ ও নিয়মিত মানসিক সহায়তা প্রদান।

৭️⃣ নারী ও যুব উন্নয়ন উদ্যোগ
অসহায় ও বেকার নারীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্প ও অনলাইন দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বনির্ভর করা।
নারীদের জন্য “Women Empowerment Center” প্রতিষ্ঠা।

৮️⃣ StarBools Digital School Bus
গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য মোবাইল ডিজিটাল ক্লাস সিস্টেম,
যেখানে প্রযুক্তির মাধ্যমে শহর-গ্রামের শিক্ষাবৈষম্য কমানো হবে।

৯️⃣ শিক্ষা ও প্রতিযোগিতা সংস্কৃতি
শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, ইসলামিক জ্ঞান ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মেধা বিকাশে উৎসাহ দেওয়া।

🔟 গবেষণা ও পাঠক্রম উন্নয়ন
ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা, সমাজবিজ্ঞান, উদ্যোক্তা চিন্তাধারা এবং প্রযুক্তি–
সবকিছুকে একসাথে যুক্ত করে নতুন যুগের শিক্ষাপদ্ধতি গঠন।

১১️⃣ Future Creators Program (Vision 2030)
২০৩০ সালের মধ্যে বছরে অন্তত ২ লক্ষ তরুণকে শিক্ষা, স্কিল ও ক্যারিয়ার গাইডেন্সের মাধ্যমে স্বনির্ভর ও নেতৃত্বে পরিণত করা।

১২️⃣ শিক্ষায় মানবিকতা
শিক্ষাকে কেবল পরীক্ষার জন্য নয়— বরং জীবনের জন্য গড়ে তোলা,
যেখানে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার সংমিশ্রণেই তৈরি হবে “Real Life Educated Generation।”

🕌 লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (দাওয়াহ ও ইসলামী প্রচার বিভাগ)
১️⃣ কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা

মানুষের মধ্যে সঠিক ইসলামী বিশ্বাস ও নৈতিকতা প্রচার।
শিরক, বিদআত ও প্রান্তিক চিন্তা দূরীকরণ।
২️⃣ সৎকাজে উৎসাহ এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখা

সুপরিকল্পিত দাওয়াহ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচেষ্টা।
৩️⃣ আদর্শ মসজিদ নির্মাণ ও পরিচালনা

নবী কারীম (সা.)-এর মসজিদের আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর সমাজ গঠনের সহায়ক।
৪️⃣ সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক আলোচনা ও হালাকাহ

বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও অডিটোরিয়ামে দ্বীনি হালাকাহ, মুক্ত মতবিনিময় ও আলোচনা-সভা আয়োজন।
৫️⃣ ইসলামিক জ্ঞান ও সাহিত্য প্রকাশ

মৌলিক ও প্রামাণ্য বইপত্র প্রকাশ ও প্রচার, যা আকীদা, নৈতিকতা ও সমাজ পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয়।
৬️⃣ ইমাম, খতীব ও দা‘য়ীদের প্রশিক্ষণ

যোগ্য দাওয়াহ কর্মী ও বক্তা তৈরি, যারা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম।
৭️⃣ সেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বিত দাওয়াহ

ফাউন্ডেশনের চলমান মানবিক ও সেবামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে দাওয়াহ প্রদান।
৮️⃣ ডিজিটাল প্রচার ও তথ্যচিত্র

বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও দাওয়াহ কার্যক্রমের তথ্যচিত্র তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার।
৯️⃣ অমুসলিমদের উদ্দেশ্যে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরা

মৌলিক বই, অনুবাদগ্রন্থ প্রকাশ এবং ইন্টারেক্টিভ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ইসলামের মূল্যবোধ ও নৈতিকতা প্রচার।
🔟 ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার প্রতিরোধে জনসচেতনতা

সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সমাজকে জ্ঞানী ও সচেতন করা।
1️⃣1️⃣ ফ্যামিলি কাউন্সেলিং ও দীক্ষা প্রদান

পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সমস্যা সমাধানে কাউন্সেলিং প্রদান।
দ্বীনি জিজ্ঞাসা ও পরামর্শের জন্য ‘কল সেন্টার’ স্থাপন।
1️⃣2️⃣ ইসলামী যুবক ও শিশু-কিশোরদের নৈতিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্যোগ

ইসলামী ইয়ুথ ক্লাব ও সংস্কৃতিকেন্দ্র পরিচালনা।
সশরীরে দ্বীনি জিজ্ঞাসার উত্তর দেয়ার জন্য ‘শরয়ী সমাধান’ বিভাগ।

🤝 লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (সেবা ও মানবিক উদ্যোগ)
১️⃣ দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্তমানবতার সেবা

দরিদ্র, অসচ্ছল ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের সহায়তা প্রদান।
মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থায়ী সমাধান ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
২️⃣ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া ও পুনর্বাসন

বন্যা, ভूकম্প বা অন্যান্য দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ।
দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
৩️⃣ পানি ও পরিকাঠামো উন্নয়ন

সুবিধাবঞ্চিত গ্রামে সুপেয় পানির নলকূপ ও পানি শোধনাগার স্থাপন।
দীর্ঘমেয়াদে কমিউনিটিতে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৪️⃣ পরিবেশ সুরক্ষা ও বৃক্ষরোপণ

সাদাকায়ে জারিয়াহ এবং স্বাবলম্বীকরণের জন্য অধিক ফলনশীল বৃক্ষরোপণ।
বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা।
৫️⃣ রমজান ও ধর্মীয় উৎসবের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা

রমজান মাসে অভাবগ্রস্তদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ।
সচ্ছলদের পক্ষ থেকে কুরবানীর আয়োজন ও অসচ্ছলদের মধ্যে বিতরণ।
৬️⃣ শিক্ষার্থীদের স্বাবলম্বী ও দক্ষ করে তোলা

শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের আত্মনির্ভরশীল করা।
প্রয়োজনীয় দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও সহায়ক উপকরণ প্রদান।
৭️⃣ এতিম ও অসহায় শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা

এতিমদের পরিপূর্ণ শিক্ষাদান ও প্রতিপালনের দায়িত্ব নেওয়া।
শিশুদের সঠিক সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নের জন্য অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করা।
৮️⃣ টেকসই স্বাবলম্বীকরণ কার্যক্রম

উপযোগী উপার্জন উপকরণ প্রদান করে দীর্ঘমেয়াদী স্বাধীনতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
দরিদ্র নারীদের ও পরিবারকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করা।
৯️⃣ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কার্যক্রম

সকল সেবা কার্যক্রম স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত।

💰 আয় ও উৎস (Funding Sources / Revenue Streams)
১️⃣ স্বেচ্ছা অনুদান ও অর্থ সহায়তা

ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানিক দাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত স্বেচ্ছা অনুদান।
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনলাইন ও অফলাইন মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ।
২️⃣ সদস্যতা ও মাসিক/বার্ষিক ফি

সদস্য, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়মিত সাবস্ক্রিপশন।
বিশেষ প্রোগ্রাম বা প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য ফি সংগ্রহ।
৩️⃣ প্রকল্পভিত্তিক তহবিল

নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য দাতা বা প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত অর্থ।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দাওয়াহ, ত্রাণ, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি প্রকল্পের আলাদা তহবিল।
৪️⃣ যাকাত ও ধর্মীয় সহায়তা

সচ্ছল মুসলিমদের যাকাত, ফিতরা, ও কুরবানী অর্থ।
রমজান ও ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাতের অর্থ সংগ্রহ।
৫️⃣ ফাউন্ডেশনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম থেকে আয়

কারিগরি প্রশিক্ষণ, স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, অনলাইন কোর্স বা শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম থেকে আয়।
প্রকাশনা (বই, বইপত্র, ডিজিটাল কনটেন্ট) বিক্রি।
৬️⃣ কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (CSR) পার্টনারশিপ

কোম্পানি, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার CSR তহবিল গ্রহণ।
নির্দিষ্ট সামাজিক ও মানবিক প্রকল্পের জন্য সংস্থার সহযোগিতা।
৭️⃣ অনলাইন ক্রাউডফান্ডিং ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অনুদান সংগ্রহ।
“One Taka Smile” বা মাইক্রো-ডোনেশন ক্যাম্পেইন।
৮️⃣ ইভেন্ট ও ক্যাম্পেইন থেকে আয়

চ্যারিটি ইভেন্ট, গালা, কনসার্ট, স্পোর্টস বা ফান্ডরেইজিং ক্যাম্পেইন।
শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম আয়োজনে অংশগ্রহণ ফি।
৯️⃣ সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপ ফি

স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং ও ক্যারিয়ার গাইডেন্স ওয়ার্কশপ থেকে আয়।
ইন্টারন্যাশনাল সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম ও ট্রেনিং ফি।
🔟 ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য উৎস

আন্তর্জাতিক সংস্থা, ফাউন্ডেশন বা NGO-এর সঙ্গে যৌথ প্রকল্প।
আন্তর্জাতিক অনুদান, гран্ট এবং শিক্ষামূলক গবেষণার তহবিল।
কর্পোরেট ও ব্যক্তিগত স্পন্সরশিপ।
সোশ্যাল ইন্টারপ্রেনারশিপ বা প্রফেশনাল সার্ভিস থেকে আয়।

💸 আয়-ব্যয়ের নীতিমালা ও সেবামূলক ব্যয় (Financial Policy & Service Expenditure)
আয় (Sources of Fund)
১. স্বেচ্ছা অনুদান ও অর্থ সহায়তা

ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত স্বেচ্ছা অনুদান।
অনলাইন ও অফলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুদান সংগ্রহ।
২. সদস্যতা ও নিয়মিত ফি

সদস্য, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাসিক/বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন।
বিশেষ প্রোগ্রাম বা প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য ফি।
৩. প্রকল্পভিত্তিক তহবিল

নির্দিষ্ট প্রকল্প বা কার্যক্রমের জন্য দাতা বা প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত অর্থ।
শিক্ষা, দাওয়াহ, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, ত্রাণ ও সামাজিক প্রকল্পের আলাদা তহবিল।
৪. যাকাত, ফিতরা ও ধর্মীয় সহায়তা

সচ্ছল মুসলিমদের যাকাত ও ফিতরা।
রমজান, কুরবানী ও ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাতের অর্থ।
৫. ফাউন্ডেশনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম থেকে আয়

স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, অনলাইন কোর্স, প্রকাশনা ও অন্যান্য শিক্ষামূলক কার্যক্রম।
৬. CSR পার্টনারশিপ ও আন্তর্জাতিক তহবিল

কর্পোরেট ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা।
নির্দিষ্ট সামাজিক ও মানবিক প্রকল্পের জন্য তহবিল।
৭. অনলাইন ক্রাউডফান্ডিং ও ইভেন্ট আয়

ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সোশ্যাল মিডিয়া, চ্যারিটি ইভেন্ট, ফান্ডরেইজিং ক্যাম্পেইন।

সেবামূলক ব্যয় (Service Expenditure)
১. খাত নির্ধারণের নীতি

দাতাগণ যে খাতের জন্য অর্থ প্রদান করেন, সে খাতেই ব্যয় করা হবে।
এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যয় করা হবে না।
২. যাকাত ও দান

যাকাত তহবিলে সংগৃহীত অর্থের ১০০% হকদারদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
যাকাতের অর্থ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার করা হবে না।
অন্যান্য প্রশাসনিক খাতে সাধারণ তহবিল ব্যবহার করা হবে।
৩. প্রকল্পভিত্তিক ব্যয়

শিক্ষা, দাওয়াহ, স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু ও এতিম সেবা, দুর্যোগ ত্রাণ, পরিবেশ ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে ব্যয়।
প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত বাজেট অনুযায়ী ব্যয় নিশ্চিত করা হবে।
৪. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

প্রতিটি প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর বিস্তারিত আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে হিসাব ও প্রতিবেদন তৈরি।
বছরে একবার চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের মাধ্যমে হিসাব-নিকাশ নিরীক্ষণ।
৫. নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা টিমের তত্ত্বাবধানে সমস্ত আর্থিক কার্যক্রম মনিটরিং।
দানের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত ও জনসাধারণের কাছে প্রতিবেদন প্রকাশ।
৬. দায়িত্ব ও নৈতিক মান

সব স্তরের কর্মী ও পরিচালনা পর্ষদকে আর্থিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা।
কোনো প্রকার দুর্নীতি, অনিয়ম বা অপব্যয়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
দাতাদের প্রতি দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতা সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে।

💡 বিশেষ উল্লেখ:

সেবা কার্যক্রমে দরিদ্র, অসহায়, নারী, শিশু ও দুর্যোগপ্রবণ মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাবলম্বী প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।
সকল কার্যক্রম সার্বজনীন ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালিত হবে, যাতে দাতাদের আস্থা এবং কার্যকরী মানবিক সেবা নিশ্চিত হয়।

💼 আয়-ব্যয়ের নীতিমালা – ব্যবস্থাপনা ব্যয় (Management Expenditure)
১. সরাসরি ব্যবস্থাপনা ব্যয় (Direct Project Management Costs)
কোনো প্রকল্প সফল ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি ব্যবস্থাপনা ব্যয় অপরিহার্য। এই খাতে ব্যয় করা হয় প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সেবা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

পরিবহন ব্যয়: প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মালামাল পরিবহন, কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের যাতায়াত খরচ।
খাবার: প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য কার্যক্রম পরিচালনাকালীন খাবারের ব্যয়।
শ্রমিক পারিশ্রমিক: প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্থানীয় শ্রমিকদের পারিশ্রমিক।
প্যাকেজিং সামগ্রী: উপকরণ সুষ্ঠুভাবে বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্যাকেজিং খরচ।
বিবিধ: অন্যান্য অপ্রত্যাশিত খরচ, যা প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য জরুরি।
মূল নীতি: প্রতিটি অনুদান যেন সরাসরি প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছায়। স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

২. পরোক্ষ ব্যবস্থাপনা ব্যয় (Indirect/Administrative Costs)
প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে একটি সুসংগঠিত অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বডি অপরিহার্য। এই ব্যয় সর্বোচ্চ ৭% সীমার মধ্যে রাখা হয়। অন্তর্ভুক্ত খাতসমূহ:

কর্মীদের বেতন: ব্যবস্থাপনা কর্মী ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মীদের পারিশ্রমিক।
প্রাত্যহিক দাফতরিক খরচ: অফিসের বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেট, টেলিফোন ইত্যাদি।
সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র: কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফার্নিচার, স্টেশনারি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ।
আইনি ও হিসাবরক্ষণ খরচ: অডিট ফি, আইনজীবী ফি, লিগ্যাল পরামর্শ, ট্যাক্স সংক্রান্ত ব্যয়।
পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয়: অফিস স্টাফ বা ম্যানেজমেন্ট টিমের যাতায়াত ও অফিসিয়াল কাজের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ।
ফান্ডরেইজিং ও মার্কেটিং ব্যয়: দাতাদের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহের জন্য প্রচারণা, ওয়েবসাইট রক্ষণাবেক্ষণ, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি।
প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন ব্যয়: কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজন।
নিরাপত্তা ব্যয়: অফিসের নিরাপত্তা, অগ্নি নিরাপত্তা ইত্যাদি।
আইটি ও সফটওয়্যার ব্যয়: অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার, ক্লাউড স্টোরেজ, ইমেইল সার্ভিস ইত্যাদির সাবস্ক্রিপশন ফি।

কেন দাফতরিক ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ?
প্রকল্প ও সেবামূলক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা ও দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর রাখতে এটি অপরিহার্য।
অনুদানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হিসাব সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব হয়।
দক্ষ মানবসম্পদ নিশ্চিত করতে ভালো ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়।
দাতাদের আস্থা অর্জনের জন্য সংস্থার পেশাদারিত্ব বজায় রাখা জরুরি।

Want your organization to be the top-listed Government Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka