iCar

iCar

Share

03/07/2024

▪গাড়িতে স্টিল বাম্পার কতটুকু কার্যকরী❓

▪️বাংলাদেশে শতকরা বেশিরভাগ গাড়িতেই মানুষ স্টিল/এ্যালুমিনিয়ামের বাম্পার লাগিয়ে থাকেন। অনেকেই হয়তো চিন্তা করেন, এই বাম্পার গাড়িকে এক্সিডেন্ট এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। কথাটা কিছুটা সঠিক, তবে পুরোপুরি সঠিক না।

▪️এবার আসি আসল কথায়, স্টিল বাম্পার গাড়ি লাগানো একেবারেই উচিত না। কারণ, প্রত্যেকটা গাড়িতেই সামনে কিছু সেন্সর থাকে, যেইগুলা গাড়িতে কখনো বড় ধাক্কা আসলে এবং সেন্সর ডিটেক্ট করতে পারলে, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য যে এয়ারব্যাগ গাড়িতে থাকে, সেইগুলো ফুলে বেরিয়ে আসে। যেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা সেইফটি ফিচার্স। শুধুমাত্র গাড়ির এয়ার ব্যাগ একটা এক্সিডেন্ট থেকে মানুষকে বড় আঘাত এমনকি মৃত্যু ঝুঁকি থেকেও রক্ষা করতে পারে। কিন্তু, গাড়ির সামনে যদি বাম্পার লাগানো থাকে, তাহলে এক্সিডেন্ট করলে অনেকসময় গাড়ির সেন্সরগুলো বুঝতে পারে না যে গাড়ি বড় কোনও ধাক্কার সম্মুখীন হচ্ছে! যার কারণে অনেকসময় এয়ারব্যাগ বের হয় না। যেইটা অনেক বড় ঝুঁকি। কিছুদিন আগেও একটা প্রিমিও ২০১৬/১৭ মডেলের গাড়ির এক্সিডেন্ট এর ছবি দেখছিলাম, যেটায় বেশ জোরেশোরেই একটা পিলার এর সাথে ধাক্কা খাইছিলো। কিন্তু এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয় নাই। সেই গাড়িতেও সামনে স্টিল বাম্পার ছিলো।

▪️একটা বাম্পার শুধুমাত্র আপনার গাড়িকে ছোটখাটো স্ক্র‍্যাচ, জ্যামের মধ্যে রিকশা/সিএনজির ছোটখাটো খোঁচা থেকে হয়তো রক্ষা করতে পারবে। তবে, বড় এক্সিডেন্ট এ স্টিল বাম্বার বিন্দুমাত্রও আপনার গাড়ির কোনও সুরক্ষার কাজে আসবে না। তবে মনেরাখবেন, সামান্য স্ক্র‍্যাচ থেকে নিরাপদ রাখতে, আপনি এবং আপনার পরিবার গাড়িতে অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছেন না তোহ?

▪️একটা গাড়ি বছরের পর বছর রিসার্চ করে কোম্পানি বাজারে ছাড়ে। সাথে এমনভাবে গাড়িটা বানায়, যাতে গাড়িতে বাড়তি আর কিছুর প্রয়োজন না হয়। বাম্পার যদি এতোই প্রয়োজন হয়ে যেতো, তাহলে কোম্পানিই গাড়ির সাথে স্টিল বাম্বার লাগায় দিতো। বাংলাদেশের মতো হাতেগোনা কয়েকটা দেশ ছাড়া, পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই কেও গাড়ির সাথে স্টিল বাম্বার ব্যবহার করে না। এছাড়াও স্টিল বাম্পার গাড়ির সৌন্দর্য ও নষ্ট করে।

▪️আরেকটা কথা, গাড়ি ড্রাইভ করার সময় অবশ্যই অবশ্যই সিটবেল্ট ব্যাবহার করবেন। সিট বেল্ট বাঁধা না থাকলেও অনেকসময় গাড়ির এয়ারব্যাগ বের হয় না। সিটবেল্ট ও আপনার নিরাপত্তার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গাড়িতে যতজন যাত্রী থাকবে, একদম প্রত্যেকেরই সিট বেল্ট বাঁধা উচিত। গাড়ির ড্রাইভার যদি সিটবেল্ট না বাধে, তাহলে গাড়ি থেকে একটা এলার্ট সিগনাল আসে, অনেক ড্রাইভার গাড়ির সেই এলার্ট সিগনাল বন্ধ করার জন্য অর্থাৎ এককথায় গাড়িকে বোকা বানানোর জন্য, সিটের উপরে শরীরের পেছন দিয়ে সিটবেল্ট লক করে রাখে। যেই কাজ কখনোই করবেন না।

▪️মনে রাখবেন, নিজের এবং নিজ পরিবারের জীবন, নিরাপত্তা সবার আগে. Safe Drive💝

23/06/2024

Used গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন কি কি যাচাই করা দরকার

✅ গাড়ির বনেট তুলে চ্যাসিস মার খাওয়া কিনা সেটা দেখবেন।চেসিস হল গাড়ির মেরুদন্ড
আর মেরুদন্ড শক্ত না হলে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না এটা আপনি নিজেই জানেন।
তাই আগে দেখে নিন চেসিস মাইর খাওয়া আছে কিনা!যদি চেসিস খুব বেশি আঘাত না লাগে তবে পরবর্তী স্তরগুলোতে যেতে পারেন নয়তোবা এই গাড়ি কেনার ডিসিশন এখান থেকে বাদ দিন এবং আরেকটা খোঁজা শুরু করুন।

✅ চেসিস নাম্বার ,ইঞ্জিন নাম্বার মিলিয়ে দেখুন কাগজের সাথে এক কিনা (এগুলো আপনি ফিটনেস পেপারে পাবেন)

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর অয়েল গেজটি তুলুন , এক্সেলেরেটর প্যাডেলে চাপ দিন যদি সাদা ধোঁয়া বের হয় তাহলে ইঞ্জিন বদলাতে হবে এটা ধরে নিতে নিন অন্যথা ভালো ইঞ্জিন।

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করে স্টিয়ারিং সিটে বসুন এরপর হেড লাইট অন করুন। তারপর ব্যাক গিয়ারে দিন যদি ঝাঁকি দেয় তবে ধরে নিবেন গিয়ারবক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে অন্যথায় গিয়ারর্বক্স ভালো আছে। বাকি গিয়ার গুলো পরিবর্তন করে দেখুন , স্মুথলি শিফট হয় কিনা। যদি স্মর্টলি শিফট হয় তবে ভালো নতুবা ধরে নিন গিয়ার বক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে। (অনেক সময় গিয়ার বক্স বস করলে প্রবলেম এর সমাধান হয়ে যায় কিন্তু সমাধান না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাই খরচটা হাতে ধরে নিবেন)

✅ গাড়ির সামনে বা সামনে ডানে বামে মার খাওয়া কিনা তা বোঝার জন্য স্টিয়ারিং ফুল ডানে-বামে কাটুন এবং দেখুন ফেন্ডারের নিচে ঝালাই করা আছে কিনা। যদি ঝালাই থাকে তবে বুঝবেন মাইর খাওয়া।

✅ গাড়ির সামনে পিছে নাম্বার প্লেট একদম স্টেট আছে কিনা সেটা মিলিয়ে নেবেন মাইর খাওয়া হলে একদম বাজে অবস্থায় চলে যাবে নতুবা ঠিক থাকবে।

✅ পুরো গাড়ির অন্য কোথাও কোন মাইর আছে কিনা সেটা দেখেন। ভাড়ায় চালিত গাড়ি হলে অনেকাংশেই পিছনে মাইর খাওয়া থাকে দাম কম পেলে কিনতে পারেন অন্যথায় বাদ দিন।
✅গাড়ির ইন্টেরিয়র দেখুন ভালো কন্ডিশনার খারাপ কন্ডিশন নিজেই বুঝতে পারবেন।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করে এসি অন করে দেখুন আপনাকে পর্যাপ্ত ঠান্ডা করতে পারে কিনা (টোয়োটা সিডান কার গুলোতে এসি এসি মেরামত করতে 2500 টাকা থেকে 30 হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে)।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে দেখুন কোনরকম কালো অথবা সাদা ধোয়া অনবরত বের হয় কিনা যদি হয় তাহলে ইঞ্জিনের কাজ করাতে হবে (যদি vvti ইঞ্জিন হয় তাহলে দাম বেশি না 30 থেকে 35 হাজারে কমপ্লিট করতে পারবেন)

✅ টায়ার গুলো দেখুন নতুন আছে কিনা মধ্যম মানের থাকলেও ভালো অন্য তা আবার বিষ হাজার টাকা খরচ।

✅ সুযোগ পেলে গাড়ি সামনে ড্রাইভ করে দেখুন স্টিয়ারিং ডানে বামে মোড় নেওয়ার সময় বাজে আওয়াজ হয় কি না ।

যদি হয় তবে সিবি জয়েন্ট বদলাতে হবে (খরচ ২৮০০-১০০০০ টাকা)
✅ গাড়ির মালিক আপনাকে সাথেসাথে মালিকানা বদলি করে দিবে কিনা সেটা নিশ্চিত করুন।

✅ সম্ভব হলে পেপারস এর এক কপি brta তে চেক করূন(গাড়ির মালিক দেখে সন্দেহ হলে করতে পারেন)। এবং কোন মামলা আছে কিনা তাও জেনে নিন অন্যথা কেনার পরে অহেতুক ঝামেলায় পড়তে পারেন।

✅ গাড়ির পেপারস কতদিন আপডেট আছে সেটাও দেখে নিন চেষ্টা করবেন অন্তত ছয় মাস আপডেট থাকে এমন গাড়ি কিনতে।

✅ সুযোগ পেলে একটু ভাঙ্গা রাস্তায় চালিয়ে সাসপেনশন এর অবস্থা দেখে নিন ভাঙ্গা রাস্তা চালানোর সময় যদি ঢকঢক আওয়াজ করে তাহলে বুঝবেন সাসপেনশনের কাজ করতে হবে।
✅ যদি উবারে চালান তাহলে ১ নম্বর পয়েন্ট কোন মেজর ইস্যু নয় , দাম কম পেলে নিতে পারেন।
✅ গাড়িতে কোন রংয়ের কাজ আছে কিনা দেখে নিন। ব্যবহৃত গাড়ি হলে রংয়ের কাজ থাকবেই এটাই স্বাভাবিক | ব্যবসায় থেকে কিনেন তাহলে ব্যাপারটা অন্তত ভালো পাবেন।

✅ গাড়িতে সিএনজি করা থাকলে সিলিন্ডারের মেয়াদ কত দিন আছে সেটা দেখে নিন।
✅সিএনজি ভিতি পরিহার করুন এতো দিন যা শুনে আসছেন তা ভুলে যান।একটা vvti ইঞ্জিনের মূল্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা।তাই প্যারা নেওয়ার দরকার নাই।

⚠ সরাসরি মালিকের কাছ থেকে না কিনে একজন ব্যবসায়ী থেকে কিনুন তাতে আপনার 50000 টাকা বেশি খরচ হলেও ভালো জিনিস পাবেন কারণ ব্যবসায়ীরা মাইর খাওয়া গাড়ি কম কিনেন। এবং অন্তত অনেক বিষয় যেগুলো আপনার মাথায় যাবে না সে ব্যাপার গুলো ব্যবসায়ীর আপনাকে বুঝিয়ে দেখেয়ি দিতে পারবেন।

পরবর্তীতে তাদেরকে আপনি ধরতে পারবেন।
সরাসরি মালিক হলে শুধু একটা কথা আপনাকে বলবে ভাই আপনি তো দেখেই কিনছেন যা ব্যবসায়ী রা বলতে পারেনা। কারণ ব্যবসা করে তার পেট চালাতে হবে এবং আপনার মত দশজন কাস্টমারকে খারাপ কি জিনিস দিলে তা ব্যবসার একসময় নষ্ট হয়ে যাবে।

🚫 নোট:মিস্ত্রি বা ডিগ্রি বিহীন লোক গাড়ি চেকিং এর জন্য নিয়ে যাওয়া পরিহার করুন (অধিকাংশ মিস্ত্রি লোক মালিকের সাথে একটা বনাবনি করে ফেলে এবং আপনার ঘাড়ে অনেক কিছু গুছিয়ে দিবেন আপনি টেরও পাবেন না। এটা ব্যক্তিগত মতামত ভালো না লাগলে ইগনোর করুন।)(সব মিস্ত্রি আবার এক না)
কেনা হয়ে গেলে শখের গাড়ির যত্ন নিন।

22/06/2024

ফ্রেশ কন্ডিশন Toyota Axio x মাসিক ভাড়ার জন্য রেডি, যার লাগবে যোগাযোগ করুন।

21/06/2024

ফ্রেশ কন্ডিশন Toyota Allion A15 মাসিক ভাড়ার জন্য রেডি, যার লাগবে যোগাযোগ করুন।

21/06/2024

ফ্রেশ কন্ডিশন Toyota F Premio মাসিক ভাড়ার জন্য রেডি, যার লাগবে যোগাযোগ করুন।

20/06/2024

ফ্রেশ কন্ডিশন Toyota X এবং G Corolla মাসিক ভাড়ার জন্য রেডি, যার লাগবে যোগাযোগ করুন।

Photos from iCar's post 18/06/2024

লালটা নাকি সাদাটা? কোনটা লাগবে ?

মাসিক রেন্ট এর জন্য রেডি ।
প্রিমিয়াম কার সাথে পাবেন প্রফেশনাল ড্রাইভার ।

WhatsApp/Call: 01711-328728
Office: 44/1 College Area, Shop 5, (4TH Floor) New Market, Dhaka 1205

16/06/2024

দৈনিক/মাসিক ভিত্তিতে Allion/Premio /Axio/Corolla গাড়ি ভাড়া নিন।

*প্রফেশনাল ড্রাইভার।
*প্রিমিয়াম কোয়ালিটি গাড়ি।
*মানসম্মত সার্ভিস।
*নিয়মিত সেফটি মেইনটেইন করা গাড়ি।
*আপনার ডিমান্ড অনুযায়ী তেল বা এলপিজি কনভার্সন গাড়ি।

WhatsApp/Call: 01711-328728
Office: 44/1 College Area, Shop 5, (4TH Floor) New Market, Dhaka 1205

06/06/2024

গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন কি কি যাচাই করা দরকার

✅ গাড়ির বনেট তুলে চ্যাসিস মার খাওয়া কিনা সেটা দেখবেন।চেসিস হল গাড়ির মেরুদন্ড
আর মেরুদন্ড শক্ত না হলে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না এটা আপনি নিজেই জানেন।
তাই আগে দেখে নিন চেসিস মাইর খাওয়া আছে কিনা!যদি চেসিস খুব বেশি আঘাত না লাগে তবে পরবর্তী স্তরগুলোতে যেতে পারেন নয়তোবা এই গাড়ি কেনার ডিসিশন এখান থেকে বাদ দিন এবং আরেকটা খোঁজা শুরু করুন।

✅ চেসিস নাম্বার ,ইঞ্জিন নাম্বার মিলিয়ে দেখুন কাগজের সাথে এক কিনা (এগুলো আপনি ফিটনেস পেপারে পাবেন)

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর অয়েল গেজটি তুলুন , এক্সেলেরেটর প্যাডেলে চাপ দিন যদি সাদা ধোঁয়া বের হয় তাহলে ইঞ্জিন বদলাতে হবে এটা ধরে নিতে নিন অন্যথা ভালো ইঞ্জিন।

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করে স্টিয়ারিং সিটে বসুন এরপর হেড লাইট অন করুন। তারপর ব্যাক গিয়ারে দিন যদি ঝাঁকি দেয় তবে ধরে নিবেন গিয়ারবক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে অন্যথায় গিয়ারর্বক্স ভালো আছে। বাকি গিয়ার গুলো পরিবর্তন করে দেখুন , স্মুথলি শিফট হয় কিনা। যদি স্মর্টলি শিফট হয় তবে ভালো নতুবা ধরে নিন গিয়ার বক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে। (অনেক সময় গিয়ার বক্স বস করলে প্রবলেম এর সমাধান হয়ে যায় কিন্তু সমাধান না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাই খরচটা হাতে ধরে নিবেন)

✅ গাড়ির সামনে বা সামনে ডানে বামে মার খাওয়া কিনা তা বোঝার জন্য স্টিয়ারিং ফুল ডানে-বামে কাটুন এবং দেখুন ফেন্ডারের নিচে ঝালাই করা আছে কিনা। যদি ঝালাই থাকে তবে বুঝবেন মাইর খাওয়া।

✅ গাড়ির সামনে পিছে নাম্বার প্লেট একদম স্টেট আছে কিনা সেটা মিলিয়ে নেবেন মাইর খাওয়া হলে একদম বাজে অবস্থায় চলে যাবে নতুবা ঠিক থাকবে।

✅ পুরো গাড়ির অন্য কোথাও কোন মাইর আছে কিনা সেটা দেখেন। ভাড়ায় চালিত গাড়ি হলে অনেকাংশেই পিছনে মাইর খাওয়া থাকে দাম কম পেলে কিনতে পারেন অন্যথায় বাদ দিন।

✅গাড়ির ইন্টেরিয়র দেখুন ভালো কন্ডিশনার খারাপ কন্ডিশন নিজেই বুঝতে পারবেন।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করে এসি অন করে দেখুন আপনাকে পর্যাপ্ত ঠান্ডা করতে পারে কিনা (টোয়োটা সিডান কার গুলোতে এসি এসি মেরামত করতে 2500 টাকা থেকে 30 হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে)।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে দেখুন কোনরকম কালো অথবা সাদা ধোয়া অনবরত বের হয় কিনা যদি হয় তাহলে ইঞ্জিনের কাজ করাতে হবে (যদি vvti ইঞ্জিন হয় তাহলে দাম বেশি না 30 থেকে 35 হাজারে কমপ্লিট করতে পারবেন)

✅ টায়ার গুলো দেখুন নতুন আছে কিনা মধ্যম মানের থাকলেও ভালো অন্য তা আবার বিষ হাজার টাকা খরচ।

✅ সুযোগ পেলে গাড়ি সামনে ড্রাইভ করে দেখুন স্টিয়ারিং ডানে বামে মোড় নেওয়ার সময় বাজে আওয়াজ হয় কি না ।
যদি হয় তবে সিবি জয়েন্ট বদলাতে হবে (খরচ ২৮০০-১০০০০ টাকা)

✅ গাড়ির মালিক আপনাকে সাথেসাথে মালিকানা বদলি করে দিবে কিনা সেটা নিশ্চিত করুন।

✅ সম্ভব হলে পেপারস এর এক কপি brta তে চেক করূন(গাড়ির মালিক দেখে সন্দেহ হলে করতে পারেন)। এবং কোন মামলা আছে কিনা তাও জেনে নিন অন্যথা কেনার পরে অহেতুক ঝামেলায় পড়তে পারেন।

✅ গাড়ির পেপারস কতদিন আপডেট আছে সেটাও দেখে নিন চেষ্টা করবেন অন্তত ছয় মাস আপডেট থাকে এমন গাড়ি কিনতে।

✅ সুযোগ পেলে একটু ভাঙ্গা রাস্তায় চালিয়ে সাসপেনশন এর অবস্থা দেখে নিন ভাঙ্গা রাস্তা চালানোর সময় যদি ঢকঢক আওয়াজ করে তাহলে বুঝবেন সাসপেনশনের কাজ করতে হবে।
✅ যদি উবারে চালান তাহলে ১ নম্বর পয়েন্ট কোন মেজর ইস্যু নয় , দাম কম পেলে নিতে পারেন।

✅ গাড়িতে কোন রংয়ের কাজ আছে কিনা দেখে নিন। ব্যবহৃত গাড়ি হলে রংয়ের কাজ থাকবেই এটাই স্বাভাবিক | ব্যবসায় থেকে কিনেন তাহলে ব্যাপারটা অন্তত ভালো পাবেন।

✅ গাড়িতে সিএনজি করা থাকলে সিলিন্ডারের মেয়াদ কত দিন আছে সেটা দেখে নিন।

✅সিএনজি ভিতি পরিহার করুন এতো দিন যা শুনে আসছেন তা ভুলে যান।একটা vvti ইঞ্জিনের মূল্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা।তাই প্যারা নেওয়ার দরকার নাই।

⚠ সরাসরি মালিকের কাছ থেকে না কিনে একজন ব্যবসায়ী থেকে কিনুন তাতে আপনার 50000 টাকা বেশি খরচ হলেও ভালো জিনিস পাবেন কারণ ব্যবসায়ীরা মাইর খাওয়া গাড়ি কম কিনেন। এবং অন্তত অনেক বিষয় যেগুলো আপনার মাথায় যাবে না সে ব্যাপার গুলো ব্যবসায়ীর আপনাকে বুঝিয়ে দেখেয়ি দিতে পারবেন।
পরবর্তীতে তাদেরকে আপনি ধরতে পারবেন।

সরাসরি মালিক হলে শুধু একটা কথা আপনাকে বলবে ভাই আপনি তো দেখেই কিনছেন যা ব্যবসায়ী রা বলতে পারেনা। কারণ ব্যবসা করে তার পেট চালাতে হবে এবং আপনার মত দশজন কাস্টমারকে খারাপ কি জিনিস দিলে তা ব্যবসার একসময় নষ্ট হয়ে যাবে।

🚫 নোট:মিস্ত্রি বা ডিগ্রি বিহীন লোক গাড়ি চেকিং এর জন্য নিয়ে যাওয়া পরিহার করুন (অধিকাংশ মিস্ত্রি লোক মালিকের সাথে একটা বনাবনি করে ফেলে এবং আপনার ঘাড়ে অনেক কিছু গুছিয়ে দিবেন আপনি টেরও পাবেন না। এটা ব্যক্তিগত মতামত ভালো না লাগলে ইগনোর করুন।)(সব মিস্ত্রি আবার এক না)
কেনা হয়ে গেলে শখের গাড়ির যত্ন নিন।

28/05/2024

Allion/Premio/Axio মাসিক ভিত্তিতে গাড়ি ভাড়া নিন

28/05/2024

গাড়ির যত্নে যে ৬টি টিপস আপনার জানা জরুরী

১ | ইঞ্জিনের তেল নিয়মিত বদলানঃ

ইঞ্জিন সুস্থ থাকে তেলের উপর নির্ভর করে। আর তাই আপনার ইঞ্জিনকে সচল রাখতে প্রতি ৩ মাস অন্তর অথবা ৩০০০ মাইল চালানোর পর গাড়ির তেল বদলাতে হবে।
কিন্তু কখনও কখনও এর বাইরেও কিছু কাজ করতে হয়। ঢাকা শহরের ধুলোবালিতে এবং জ্যামের মধ্যে চলা সব গাড়ির অবস্থায় অনেক নাজেহাল হয়ে যায়, তাই তেল স্বাভাবিক এর থেকে একটু বেশিবার বদলাতে হবে।
তেলের পাশাপাশি এর ফিল্টার, স্পার্ক প্লাগ এবং স্পার্ক প্লাগ ওয়্যার বদলানোর কাজটাও করতে হবে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর।

২ | ব্যাটারি নিয়মিত চেক করুনঃ

গাড়ি চালু করতে যে শক্তির প্রয়োজন তার পুরোটাই আসে এর ব্যাটারি থেকে। তাই গাড়িকে সচল রাখতে এর ব্যাটারিকে সচল রাখার কোনো বিকল্প নেই।
সবসময় খেয়াল রাখতে হবে ব্যাটারিকে পরিষ্কার রাখার দিকে এবং দেখতে হবে যেন এটি না কাঁপে।
ব্যাটারির পানির লেভেলও চেক করতে হবে নিয়মিত এবং একই সাথে সংযোগ স্থানে ঠিকভাবে সবকিছু সংযুক্ত যাচ্ছে কিনা সেদিকেও সতর্ক থাকা উচিত।

৩| এমিশন সিস্টেম এর পরিচর্যা করুনঃ

গাড়ির প্যাসেঞ্জার কেবিন, ইঞ্জিন সহ ভেতরের সবধরণের গ্যাস নিঃসৃত করার কাজটি করে থাকে গাড়ির এমিশন সিস্টেম।
গাড়ির নিচে থাকে এই অংশটি কিন্তু সবচেয়ে বেশি কষ্ট এই অংশটিকেই বহন করতে হয়। তাই প্রতিবছর অন্তত একবার গাড়ির এমিশন সিস্টেমটি এক্সপার্টদের দিয়ে চেক আপ করানো উচিত।

৪ | ব্রেক সিস্টেমে খেয়াল রাখুনঃ

গাড়ি থামানোর কাজ ব্রেকের আর এই ব্রেক আসে ব্রেক প্যাডে হওয়া ঘর্ষণ থেকে। এই ব্রেকে একটু এদিক সেদিক হলেই ঘটে যেতে পারে বিশাল দুর্ঘটনা।

গাড়ির এই অংশটিতে কখন একজন মেকানিকের দৃষ্টি লাগবে তার কিছু লক্ষণ ব্রেক আগে থেকেই বোঝাতে শুরু করে।

যখন দেখবেন আপনার গাড়ির প্যাডেল স্পঞ্জের মতো আচরণ করছে তখনি বুঝে নেবেন আপনার হাইড্রোলিক সিস্টেমে বাতাস ঢুকেছে। এছাড়াও ব্রেকে লাল বাতির ওয়ার্নিং জ্বলা মানে আপনার ব্রেক সিস্টেমে ভারসাম্যহীনতা রয়েছে।

যখনই দেখবেন গাড়ি ব্রেক করলে বিভিন্ন ধরনের আওয়াজ হচ্ছে তখনি বুঝে নেবেন আপনার ব্রেক প্যাড বদল করার সময় হয়ে গেছে।

এসব ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে আপনার গাড়ির সাথে আসা ম্যানুয়াল পড়ে জেনে নিন কিভাবে আপনার ব্রেক সিস্টেমের যত্ন নেবেন এবং কত সময় অন্তর অন্তর তা চেক আপের জন্য এক্সপার্টদের কাছে নিয়ে যাবেন।

তবে বছরে অন্তত একটিবার গাড়ির ব্রেক সিস্টেম এক্সপার্টদের দ্বারা চেক আপ করিয়ে নেওয়াই ভালো।

৫ | গাড়ির এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমের খেয়াল রাখুনঃ

গাড়ি চালানোর এক্সপেরিয়েন্স ভালো কিংবা মন্দ করার একটা বিশাল অংশ নির্ভর করে করে গাড়ির এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমে।
গাড়ির ভেতরের আবহাওয়া ঠান্ডা থাকবে নাকি গরম তার পুরোটারই দায়িত্ব থাকে এই অংশটির উপর।

গাড়ির এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম কাজ করে রেফ্রিজারেটরের মত। তাই যখনি দেখবেন গাড়ির ভেতরের তাপমাত্রা আপনার আশানরুপ থাকছে না, বুঝে নিন যে এর এয়ার কন্ডিশনিং ডিপার্টমেন্টে ঝামেলা হয়েছে। তাই এমতাবস্থায় গাড়ির এক্সপার্টের শরণাপন্ন হওয়াই শ্রেয়।

৬ | গাড়ির কুলিং সিস্টেম চেক আপ করিয়ে নিন :

গাড়ির কুলিং সিস্টেমের কাজ হল গাড়ির ইঞ্জিনকে সুষ্ঠূ তাপমাত্রায় রাখা। তাই এই অংশটিকে নিয়মিত এক্সপার্টের কাছে দেখানো গাড়ির জন্য ভালো।

উপরের প্রত্যেকটি টিপস নিয়মিত অনুসরণ করলেই গাড়িকে সুস্থ রাখা এবং বড় ধরণের খরচের হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

Want your business to be the top-listed Taxi in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


44/1 College Area, Shop 5, (4TH Floor) New Market
Dhaka
1205