Talent University
18/05/2026
মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে ১৬৬৬ সালের ২৭ জানুয়ারি তাঁর পুত্র বুজুর্গ উমেদ খানের নেতৃত্বে মুঘল বাহিনী পর্তুগিজ ও আরাকানদের পরাজিত করে চট্টগ্রাম জয় করে। এরপর মুঘলরা এই অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করে 'ইসলামাবাদ' রাখে।
এই ঐতিহাসিক বিজয়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক :
নেতৃত্ব: বাংলার মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের নির্দেশে তাঁর পুত্র বুজুর্গ উমেদ খান এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
অভিযান: স্থলভাগে মুঘলদের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার সৈন্য এবং নৌপথে ২৮৮টি রণতরী এই যুদ্ধে অংশ নেয়।
ফলাফল: এই বিজয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে পর্তুগিজ জলদস্যুদের দীর্ঘদিনের অত্যাচার ও দাস ব্যবসার অবসান ঘটে এবং মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটে।
13/05/2026
পাল সাম্রাজ্য (আনুমানিক ৭৫০-১১২০ খ্রিষ্টাব্দ) ছিল প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে এক দীর্ঘস্থায়ী ও গৌরবময় অধ্যায়, যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সর্বশেষ প্রধান বৌদ্ধ সাম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত।
পাল বংশের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও অবদানপ্রতিষ্ঠা অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময়ে (প্রায় ৭৫০ খ্রি.) বাংলায় দীর্ঘস্থায়ী অরাজকতা বা মাৎস্যন্যায় (ছোট মাছের ওপর বড় মাছের অত্যাচারের মত পরিস্থিতি) অবসানের লক্ষ্যে গোপাল পাল জনগণের সমর্থনে রাজা নির্বাচিত হন।
স্থিতিশীলতা ও স্বর্ণযুগ পাল রাজারা প্রায় চার শতাব্দী ধরে বাংলা ও বিহারে অত্যন্ত স্থিতিশীল শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের শাসনামলকে প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের স্বর্ণযুগ হিসেবে গণ্য করা হয়।ধর্ম ও সংস্কৃতি পাল রাজারা মহাযান ও তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
তাদের সময়ে বাংলায় বৌদ্ধ শিল্প ও সংস্কৃতির অভূতপূর্ব উন্নতি হয়।শিল্প ও স্থাপত্য ধর্মপাল নওগাঁর বিখ্যাত পাহাড়পুর সোমপুর মহাবিহার তৈরি করেন, যা বৌদ্ধ বিহারের স্থাপত্যের অন্যতম সেরা নিদর্শন। এছাড়াও ওদন্তপুরী ও বিক্রমশীলার মত বিখ্যাত বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পাল শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত ও পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল।ভাষা পাল যুগে আদি-বাংলা ভাষায় চর্যপদ রচিত হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যের ভিত্তি স্থাপন করে।শাসক গোপাল প্রতিষ্ঠাতা হলেও, ধর্মপাল (প্রায় ৭৭০-৮১০ খ্রি.) এবং দেবপাল (প্রায় ৮১০-৮৫০ খ্রি.) সাম্রাজ্যকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যান।
রামপাল ছিলেন এই বংশের শেষ শক্তিশালী সম্রাট।পতন দ্বাদশ শতকের গোড়ার দিকে (১১৬০-এর দশকের পরে) পালদের দুর্বলতার সুযোগে হিন্দু সেন রাজবংশ বাংলায় ক্ষমতা দখল করে এবং পাল রাজত্বের অবসান ঘটে।পাল সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা এই অঞ্চলকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বৌদ্ধ শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে পরিণত করেছিল।
12/05/2026
প্রাচীন বাংলার ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের ভিত্তিই ছিল এই জনপদগুলো।
পুণ্ড্র (Pundra): এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও শক্তিশালী জনপদ। এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন (বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়)।
গৌড় (Gauda): এটি মূলত বর্তমান মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল ।
শশাঙ্কের আমলে এটি একটি শক্তিশালী রাজ্যে পরিণত হয়।
রাঢ় (Radha): ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই জনপদটি প্রাচীনকালে সুহ্ম ও রাঢ়—এই দুই ভাগে বিভক্ত ছিল।
সমতট (Samatata): মেঘনার পূর্ব তীর থেকে শুরু করে আধুনিক কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকা নিয়ে এই জনপদ গঠিত ছিল।
হরিকেল (Harikela): বাংলার পূর্ব প্রান্তের (বর্তমান চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চল) এই জনপদটি সপ্তম শতাব্দী থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে পরিচিত ছিল।
আপনি কি জানেন—পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসলে একটা বিশাল কেটলির মতো কাজ করে?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
4, Probal Housing, Ring Road, Mohammadpur
Dhaka
1207