eTimes24

eTimes24

Share

05/05/2026

ভুঁইফোড় সংগঠন নিয়ে নুরুল আজিম রনির হুঁশিয়ারি: ‘এগুলো সব রাজনৈতিক দোকান’

নিজস্ব প্রতিবেদক | ইটাইমস২৪.কম
ঢাকা:
আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে গজিয়ে ওঠা তথাকথিত 'ভুঁইফোড়' সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল আজিম রনি। তিনি এসব সংগঠনকে ‘রাজনৈতিক দোকান’ হিসেবে অভিহিত করে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা যখন সরকারে ছিলাম, তখনও বারবার বলেছি— তরুণ লীগ, যুবক লীগ, বঙ্গবন্ধু লীগ, সাইবার লীগ, অনলাইন লীগ— এসব সবগুলোই রাজনৈতিক দোকান। এমনকি বর্তমানে শেখ হাসিনা সংগ্রাম পরিষদ বা ঐক্য পরিষদের নামে যা হচ্ছে, সেগুলোও একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

এজেন্সির অর্থায়নে সংগঠন তৈরির অভিযোগ নুরুল আজিম রনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সময়ে যেসব নতুন সংগঠন তৈরি হচ্ছে, সেগুলোর পেছনে সরকারি বিভিন্ন এজেন্সির অর্থায়ন বা প্রলুব্ধ করার বিষয় জড়িত থাকতে পারে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আওয়ামী লীগের এতগুলো শক্তিশালী অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন থাকতে কেন নতুন ভুঁইফোড় সংগঠন তৈরি করতে হবে? যারা এগুলো করছে, তারা কি আওয়ামী লীগের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না?
নেত্রী অবগত নন’ অনেকে দাবি করেন যে, দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশেই তারা এসব সংগঠন পরিচালনা করছেন। এর জবাবে রনি বলেন, “আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি— নেত্রী কখনোই এদের দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত নন। তিনি সৌজন্যবশত সবার ফোন ধরেন এবং উৎসাহ দিতে ‘চালিয়ে যাও’ বলেন। কিন্তু এই কথার সুযোগ নিয়ে অনেকে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করছে এবং দলের তথ্য পাচার করছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, যদি নেত্রী সাংগঠনিকভাবে এসবের সম্মতি দিতেন, তবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হতো। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সম্মেলন সম্ভব না হলেও নেত্রী তাঁর একক ক্ষমতাবলে তা করতে পারতেন। যেহেতু তিনি তা করেননি, তাই এসব সংগঠনের কোনো বৈধতা নেই।
অফিসিয়াল সংগঠনের বাইরে সমর্থন নয় রনি স্পষ্টভাবে জানান, আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে হলে নির্ধারিত মূল ও সহযোগী সংগঠনের মাধ্যমেই করতে হবে। তিনি অফিসিয়াল সংগঠনগুলোর তালিকা তুলে ধরেন:
* বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
* বাংলাদেশ যুবলীগ
* বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ
* বাংলাদেশ কৃষক লীগ
* বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ
* যুব মহিলা লীগ
* বাংলাদেশ শ্রমিক লীগ
* বাংলাদেশ তাঁতী লীগ
* এবং স্বীকৃত কিছু পেশাজীবী সংগঠন।
সতর্কবার্তা,বক্তব্যের শেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা এসব মূল সংগঠনের বাইরে ভুঁইফোড় সংগঠন তৈরি করবে বা সমর্থন দেবে, বুঝতে হবে তাদের বিশেষ কোনো গোপন উদ্দেশ্য আছে অথবা তারা কোনো রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার টোপ গিলেছে। দলের দুঃসময়ে এসব সুবিধাবাদীদের চিহ্নিত করার আহ্বান জানান তিনি।

#ইটাইম #বাংলাদেশআওয়ামীলীগ #রনি

04/05/2026

চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এই জয়’ মদি

​কলকাতা | ৪ মে, ২০২৬

​পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, বাংলার মসনদ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে নবান্নের দখল নিতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

​প্রধানমন্ত্রীর টুইট ও শুভেচ্ছা

​এই ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লিখেছেন:
​"পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে! ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই।

​প্রধানমন্ত্রী আরও আশ্বাস দিয়ে বলেন যে, এই রায় অভূতপূর্ব এবং বিজেপি সরকার বাংলার মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি যোগ করেন, "আমরা এমন একটি সরকার দেব যা সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।

​নির্বাচনের ফলাফল ও পরিসংখ্যান
​নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি ম্যাজিক ফিগার (১৪৮) ছাড়িয়ে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বা জয়লাভ করেছে। অন্য দিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস ১০০-র নিচে নেমে এসেছে। কলকাতা থেকে গ্রামবাংলা—সর্বত্রই বিজেপির জয়জয়কার।
​বিজেপির সাফল্যের প্রধান কারণ
​রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির এই উত্থানের পিছনে বেশ কিছু বড় কারণ রয়েছে:
​দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত: নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে রেশন দুর্নীতি—বিবিধ অভিযোগ সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
​সুশাসনের প্রতিশ্রুতি: কেন্দ্রের ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা এবং বিকাশের রাজনীতি মানুষের মনে ভরসা জুগিয়েছে।
​মহিলা ভোট ব্যাংকে ভাঙন: ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ বা অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের ইস্যুতে মহিলারা বিকল্প শক্তির দিকে ঝুঁকেছেন।

​নবান্নে নতুন সূর্যোদয়?
​বিজেপির রাজ্য দপ্তরে এখন শুধুই জয়ের উল্লাস। আবির খেলায় মেতে উঠেছেন কর্মী-সমর্থকরা। জয়ী প্রার্থীদের মিছিলে মুখরিত গোটা রাজ্য। দলের রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর নির্ধারণ করা হবে কে হবেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।
​বঙ্গ রাজনীতির এই পালাবদল শুধু রাজ্য নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও এক বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

​ইটাইমস২৪ নিউজ ডেস্ক

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


DOHS, Mohakhali
Dhaka
1206