Metaphor Academic Care - MAC

Metaphor Academic Care - MAC

Share

23/01/2020

আমরা যেভাবে ই-পাসপোর্ট পাবোঃ

প্রথমে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রবাড়ী পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ২০২০ সালের মধ্যেই সারাদেশে চালু হবে এই পাসপোর্ট সেবা। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।

নতুন প্রযুক্তির এই পাসপোর্ট কিভাবে পাওয়া যাবে?

ই-পাসপোর্টের আবেদনঃ

অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে নতুন পাসপোর্টের জন্য। সেক্ষেত্রে আগেই ব্যাংকের অনলাইন মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক থেকে সরবরাহ করা রেফারেল নম্বর কোডটি ব্যবহার করতে হবে অনলাইন আবেদন ফরমে। আবার কেউ চাইলে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দিয়েও পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে সাবমিট করার পর প্রিন্ট কপি নিতে হবে। সেই কপি স্ব-শরীরে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমে ছবি ও সত্যায়ন করা না লাগলেও পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে।

অনলাইনে পূরণ না করে PDF ফরম ডাউনলোড করে হাতেও পূরণ করা যাবে। ফরম পূরণের সময় ছবি সত্যায়ন করতে হবে না। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় ই-পাসপোর্টের জন্য ডেমোগ্রাফিক তথ্য, ১০ আঙুলের ছাপ, চোখের কর্নিয়ার ছবি ও ডিজিটাল সই সংগ্রহ করবে পাসপোর্ট অফিস। এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার ও ডিজ্যাস্টার রিকভারি সেন্টারের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পাসপোর্টের আবেদনকারীদের পাসপোর্ট দেওয়ার জন্য পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে পাসপোর্ট প্রিন্টিংয়ের পর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও দূতাবাসগুলোয় পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে। সব তথ্য চিপে যুক্ত থাকবে। ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশেষ যন্ত্রের সামনে পাসপোর্টের পাতাটি ধরতেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।

কত টাকা ও কত দিনে হাতে পাবো ই-পাসপোর্ট?

নিম্নোক্ত হারে পাসপোর্ট ফি প্রযোজ্য হবে (ভ্যাটসহ) :
৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৪০২৫/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৬৩২৫/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ৮৬২৫/- টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৫,৭৫০/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৮,০৫০/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১০,৩৫০/- টাকা

৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৬৩২৫/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৮৬২৫/- টাকা

অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১২০৭৫/- টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৮,০৫০/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ১০,৩৫০/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১৩,৮০০/- টাকা

তবে পুরনো অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতি জরুরি পাসপোর্ট দু’দিনে, জরুরি পাসপোর্ট তিন দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট সাত দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য যে, ছবিতে বর্ণিত টাকার পরিমান ভ্যাট ছাড়া এবং উপরে বর্ণিত টাকার পরিমান ভ্যাটসহ।

তথ্যসূত্রঃ WAB

22/10/2019

বাংলাদেশে চার লাখের বেশি উচ্চশিক্ষিত তরুণ তরুণী এখন বেকার। কাঙ্খিত কর্মসংস্থান হিসেবে এদের প্রায় সবাই চায় সরকারি চাকুরি। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে সবাই চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। যেখানে মোটামুটি সবার প্রথম পছন্দ বিসিএস এবং সরকারি চাকরি।

সর্বশেষ ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষায় মাত্র ২ হাজার ২৪টি পদের বিপরীতে পরীক্ষা দিয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার চাকরিপ্রার্থী। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক, প্রায় চার লাখ আবেদন পড়ে ওই বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য।

সাধারণ শিক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, সমাজ, রাষ্ট্র বিজ্ঞানের মতো বিষয়ে পাশ করা ছাড়াও এখন বিবিএ, আইবিএ, বুয়েট থেকে বেরিয়েও অনেকে সরকারি কর্মকমিশনের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বিসিএস তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকতে অনেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র কাদের মন্ডল প্রথম বর্ষ শেষ করেই বিসিএস প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, "আমাদের মতো সামাজিক বিজ্ঞান বা কলা অনুষদে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিসিএসই পারফেক্ট এবং যুগোপযোগী। বিবিএ ছাত্রদের জন্য বেসরকারি ব্যাংক এবং কর্পোরেট অনেক চাকরির সুযোগ আছে কিন্তু আমাদের সেটা নেই।"

বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করলে তদবির ছাড়াও চাকরি হয় বলে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন। সরকারি চাকুরির সুযোগ সুবিধা এবং নিরাপত্তা এখন অনেক বেশি বলেই সবার বিশ্বাস। নতুন যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে তাদেরও লক্ষ্য জীবনের লক্ষ্য- বিসিএস দিয়ে সরকারি চাকরি করা।

প্রথম বর্ষের ছাত্রী তানজিব ইসলাম বলেন, "বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কিন্তু ততটা নিরাপত্তা নেই। যেকোনো সময় চাকরি থাকতেও পারে, নাও থাকতে পারে। এজন্য আমাদের ফার্স্ট টার্গেটই হলো বিসিএস।"

আরেক ছাত্র তোফায়েল হক বলেন, "সরকারি চাকরিতে একটা সম্মান আছে। আবার বিবাহের ক্ষেত্রেও দেখা যায় সরকারি চাকরি থাকলে বেশি গুরুত্ব পায়।"

কিছুদিন আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষার্থীরা খুব একটা বিসিএস দিত না। কিন্ত এখন অনেকেই ঝুঁকছে সরকারি চাকুরির দিকে। বুয়েট এমনকি আইবিএ'র শিক্ষার্থীরাও এখন সরকারি চাকরির জন্য বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছে এবং সরকারি চাকরিতে যোগ দিচ্ছে।

বাণিজ্য অনুষদের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র জাকারিয়া বলেন, "আমি একজন উদ্যোক্তা হবো। এজন্য বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু সেটা হয়তো আমি সময়মতো পাব না। ব্যবসার পরিবেশও একটা ব্যাপার। এসব কারণে অনেকেই উদ্যোক্তা হতে চায় না। বিসিএসের দিকে মুভ করে।"

মার্কেটিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র শোয়েব বলেন, "আমাদের অনেক বড় ভাইরা বিভিন্ন জায়গায় চাকরি বাকরি করছে। তারা প্রায়ই বলেন যে, প্রাইভেটে এসে কী করবি! এরচেয়ে সরকারিতে চেষ্টা কর, একবার হয়ে গেলে লাইফ সেটেল।"

বোঝা যাচ্ছে, বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসের চাকুরি এখন বেশ লোভনীয়। প্রতিযোগিতাও বেড়ে গেছে মারাত্মক। এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও সরকারি চাকরির পেছনে ছুটছে।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ'র ছাত্র জাহিদ হাসান বলেন, "সবাইতো আর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় না। বাধ্য হয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হচ্ছে। এখানে পড়েও অনেকে চেষ্টা করে বিসিএস দিয়ে সরকারি চাকরি করার। এখনতো সরকারি চাকরিতে সুযোগ সুবিধা অনেক বেশি। এজন্যই সবাই প্রথম চেষ্টা করে বিসিএস দিতে।"

বাংলাদেশে বাস্তবতা হলো উচ্চশিক্ষিত বেকার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কর্মসংস্থানের যে চিত্র তাতে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে মাত্র চার শতাংশের সরকারি চাকুরির সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ বড় অংশেরই কর্মসংস্থান হতে হবে বেসরকারি ব্যক্তিমালিকানা খাতে। বেশিরভাগেরই যে সরকারি চাকরি হবে না এটা নিশ্চিত।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, "তিনটা জিনিস কাজ করে। একটা হলো প্রারম্ভিক বেতন আগে যেটা ভাল ছিল না এখন সেটা খুব ভাল। এখন শুরুতেই ৪০ হাজার টাকার ওপরে বেতন দেয়া হয়। সেই সাথে তাদের আরো অনেক রকম সুবিধা থাকে। বাইরে থাকলে বাড়ী ভাড়াটাড়া সব থাকে। তৃতীয়ত তাদের একটা ক্ষমতা থাকে। আর শেষ যেটা বলবো, ব্যক্তিখাতে গত দু'তিন বছর ধরে শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান খুব কমে গেছে।"

বিবিএ, এমবিএ করা বুয়েট বা আইবিএর শিক্ষার্থীদের নানা সুযোগ থাকা সত্বেও তারা সরকারি চাকরিতে আগ্রহী কেন এ প্রশ্নে মি. মনসুরের বিশ্লেষণ হলো বেসরকারি খাতে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেকে আসছেন লোভে পড়ে।

"তারা কাস্টমস ক্যাডার পছন্দ করে বা ইনকাম ট্যাক্স ক্যাডার পছন্দ করে। এটা শুধু লোভের জন্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। এটা দুঃখজনক। তাদের বিকল্প সুযোগ ছিল। একজন অসৎ অফিসার যতো অর্থ আয় করবে কোনো চাকরিতেই তার চাইতে বেশি বেতন দিতে পারবে না। কাস্টমসে একজন অসৎ অফিসার চাইলে বছরে কোটি আয় করতে পারবে। কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বছরে এক কোটি টাকা দিতে পারবে না।"

চাকরিপ্রার্থীদের অনেকের সঙ্গেই কথা হলো যারা চারবার পাঁচবার বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছেন। তারা বলছেন, দুর্নীতি বা অনিয়মই সবার লক্ষ্য নয়। তরুণ প্রজন্ম চায় দেশের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করতে। আর সেটা করা যায় সরকারি চাকরিতে ঢুকেই।

এদিকে সম্প্রতি কোটা সংস্কারের আন্দোলনের পর সরকারি চাকরিতে সব রকম কোটা বিলোপের ঘোষণা এসেছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন এটি কার্যকর হলে ভবিষ্যতে বিসিএসের জন্য আগ্রহ, সেই সাথে প্রতিযোগিতাও আরো অনেক বাড়বে।

সূত্রঃ বিবিসি

18/09/2019

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না।

#প্রাণীটির_নাম_ঘোড়া..!

সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক "anti venom".

কোন একটি সাপ, ধরুন কিং কোবরা’র anti venom তৈরি করতে হলে যা করতে হয় তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। একটু বেশি পরিমাণ ঢোকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে না। কিছু হবে না বলতে, ঘোড়া মরবে না।

ঘোড়া তিনদিন অসুস্থ থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে যাবে। এই তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের বিষের anti venom তৈরি হয়ে যাবে।
এবার ঘোড়ার শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্ত নিয়ে তার লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি ভেনাম আলাদা করা হয়। এরপর তা প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পাঠানো হয়।

মানুষকে সাপে কামড়ালে সরাসরি ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়।

ভারতে গাদা গাদা অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি আছে। পালের পর পাল ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা থাকতো না।

(সংগৃহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


12/c, 1/13, Mirpur
Dhaka
1216