All Exam Helping Center
এইচএসসির ৫ পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পাঁচ দিনের সময়সূচি পরিবর্তন করেছে সরকার।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।
তিনি জানান, আগামী ১৭ এপ্রিলের পরীক্ষাগুলো ৯ মে বিকালে, ১৮ এপ্রিলের পরীক্ষা ১১ মে বিকালে এবং ২২ এপ্রিলের পরীক্ষা ১২ মে বিকালে নেয়া হবে।
এছাড়া ৪ মে এবং ৬ মের পরীক্ষা একই দিন সকালের পরিবর্তে বিকালে নেয়া হবে বলে জানান জিয়াউল হক।
তিনি বলেন, শবে বরাতের কারণে এক দিনের এবং পরীক্ষাগুলো পাশাপাশি পড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে অন্য চার দিনের পরীক্ষা সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।
এবার শবে বরাত পালিত হবে ২১ এপ্রিল রাতে, আর সরকারি ছুটি থাকবে ২২ এপ্রিল।
২০১৯ সালের বর্ষপঞ্জিতে ২১ এপ্রিল শবে বরাতের ছুটি নির্ধারিত ছিল, সেই হিসেবে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করা হয়েছিল।
গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।
এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫৮০টি।
আগামী ১১ মে এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা ১২ মে শেষ হবে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
জিপিএ-৫ পাওয়ার সহজ ক্যালকুলেশন:
দেখতে দেখতে পরীক্ষা এসেই গেলো।আল্লাহ চাহেন তো আর মাত্র ১৩ দিন পরেই ২ বছরের হিসেব-নিকেশ কষতে পরীক্ষার হলে বসতে হবে।এই পরীক্ষার মাধ্যমেই তোমাদের জীবনের মোড় ঘুরে যাবে,তুমি ভবিষ্যতে কি হতে চলছো সেটা নির্ধারন হয়ে যাবে।তো এডমিশনে ভালো জায়গায় চান্স পেতে এইচএসসিতে এ+ পাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।কথা হলো এ+ পাওয়াটা কি খুব বেশি কঠিন??চলো তাহলে দেখে নেই সহজ একটি ক্যালকুলেশন।
তোমরা অবশ্যই জানো কীভাবে জিপিএ-৫ কাউন্ট করা হয়। রাইট? তোমাদের টোটাল সাতটা সাবজেক্ট। এর মধ্যে মাত্র চারটা সাবজেক্টে ৫.০০ করে থাকলেই জিপিএ-৫ হয়ে যায়। বাকি তিনটাতে ৪.০০ করে থাকলেই হবে।
আমি সব সময়ই বলি পড়াশুনাটা টেকনিক্যালি পড়তে হয়। ঠিক তেমনি জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও একটু টেকনিক্যালি ভাবতে হবে।
এবার বলি কীভাবে জিপিএ-৫ পাওয়া সহজ?
সায়েন্সের ক্ষেত্রে:
যারা সায়েন্সের,যাদের প্রিপারেশন খারাপ কিন্তু স্বপ্ন মেডিকেল বা ঢাবি(ক) তাদের ক্ষেত্রে শুধু জিপিএ-৫ ই দরকার। গোল্ডেনের চিন্তা বাদ দিলেও চলবে। কজ এডমিশনে শুধু জিপিএ-৫ কাউন্ট করা হবে। গোল্ডেন কাউন্ট করা হয় না। সুতরাং কোন সাবজেক্টে কি পয়েন্ট আসলো সেটা ভাবার দরকার নেই। জিপিএ-৫ হলেই তোমাদের সাক্সেসের পথ এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
তোমাদের বাংলা,ইংরেজি,আইসিটি এই তিন সাবজেক্টের মধ্যে দুইটাতে ৫.০০ পয়েন্ট পেলেই হবে। ধরো,তোমাদের ইংরেজি কঠিন লাগে। তাহলে তোমারা বাংলা আর আইসিটিতে এ+ ধরে নাও। আইসিটিতে এ+ পাওয়া সব থেকে সহজ। এই তিনটার যেকোনো দুইটাতে এ+ পেলেই ধরে রাখো তুমি জিপিএ-৫ পেয়ে গেছো। এখন অনেকে চিন্তা করছো সায়েন্সের সাবজেক্ট গুলায় কি হবে? শুনো,সায়েন্সের সাবজেক্ট গুলায় এ+ পাওয়া সব থেকে সহজ। তুমি সায়েন্সের চারটার মধ্যে যেকোনো দুইটাতে এ+ পেলেই তোমার জিপিএ-৫ হয়ে যাচ্ছে।
সায়েন্সের সাবজেক্ট গুলায় এ+ কীভাবে সহজ?
ব্যাবহারিক-২৩(২৫)
রিটেন-৩৯(৫০)
মচক-১৮(২৫)
এই নাম্বারটুকু পাবা না?
এই নাম্বারটুকু পাওয়াটা কিন্তু খুব বেশি কঠিন না। দেখা যাবে তোমরা রিটেনে আরও বেশি মার্ক্সস পেয়ে গেছো। অথবা মচকে পেয়ে গেছো।
ব্যাবহারিকে অনেকে ২৫ এ ২৫ ও পাবে।
সুতরাং টেনশন করার কিছুই নাই।
সায়েন্সের যাদের ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং তাদের জিপিএ-৫ থেকেও ভাবতে হবে ফিজিক্স,কেমেস্ট্রি,ম্যাথ আর ইংরেজি নিয়ে। তোমাদের ক্ষেত্রে রেজাল্ট থেকেও এই চারটা সাবজেক্ট ইম্পরট্যান্ট। তোমাদের মূল টার্গেটই রাখতে হবে এই চারটায় যেনো কোনোভাবেই প্লাস মিস না যায়।
সুতরাং তোমারা এই চারটা সাবজেক্টে বেশি বেশি সময় দাও। বাকিগুলায় এম্নিতেই প্লাস হয়ে যাবে। আর যাদের মেডিকেল আর ভার্সিটি ড্রিম তাদের সাবজেক্ট জিপিএ নিয়ে একদম ভাবতে হবে না। তারা শুধু জিপিএ-৫ নিয়ে ভাবলেই হবে।
ব্যাবসা আর মানবিকের জন্য:
তোমাদের ক্ষেত্রেও জিপিএ-৫ পাওয়া সহজ। তোমরা ইংরেজিকে বেশি ভয় পাও। তাহলে তোমরা বাংলা আর আইসিটিতে এ+ ধরে রাখো।
আর গ্রুপিং সাবজেক্ট চারটার মধ্যে দুইটাতে তুলতে পারবা না? তোমাদের শুধু জিপিএ-৫ ই দরকার। কোন সাবজেক্টে কি পয়েন্ট আসছে সেটা ভাবার সময় একদম নেই। তোমাদের কাছে সাতটা সাবজেক্টের মধ্যে যেই চারটা সাবজেক্ট তুলনামূলক সহজ লাগে সেই চারটাতে বেশি বেশি সময় দাও। দেখবে খুব সহজে জিপিএ-৫ পেয়ে যাচ্ছো।
সবার উদ্দেশ্য বলি,তোমরা ভাবো জিপিএ-৫ মানে আকাশের চাঁদ।
কিন্তু না! তোমরা খুব বেশি ভয় পাও।
এত্ত ভয় পাবার কিছু নেই।
সাতটা সাবজেক্টের মধ্যে চারটাতে এ+ রাখতে পারবা না?
তোমার কাছে যেই চারটা সাবজেক্ট সহজ লাগে সেগুলাতে বেশি বেশি সময় দাও।
নিশ্চিত করো আমি এই চারটাতে মাস্ট পাবোই।
তোমরা ভয় পেয়ে পড়াশুনা করতে চাও না। এটাই সমস্যা!
যেই সাবজেক্টটা একটু বেশি কঠিন লাগে সেটা নিয়ে হতাশায় পড়ে থাকলে হবে?
তুমি ধরে নাও তুমি সেটাতে পাবে না।
সমস্যা তো নেই। তাই না?
বাকি সাবজেক্টগুলা আছে না?
প্লিজ! এখনো এই ২০/২২ দিন মন দিয়ে পড়ো।
যথেষ্ট সময়।
গ্রুপে প্রায় সব বিষয়ের ইম্পরট্যান্ট টপিকস দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুন্দর করে রুটিন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাও তোমরা পড়তেছো না!
কিন্তু কেন?
রেজাল্ট খারাপ হলে দেখবা কতটা খারাপ লাগে।
চারপাশে সবাই জিপিএ-৫ পাওয়ার উল্লাস করবে আর তুমি করতে পারবে না।
সেই সময়টার কথা একটাবার কল্পনা কর।
এম্নিতেই পড়তে ইচ্ছে হবে।
হতাশায় না থেকে যেই রটিন আর ইম্পরট্যান্ট টপিকস দিয়েছি সেগুলা ফলো করো।
খুব বেশি পড়া না কিন্তু!"
মন দিয়ে ওই রুটিনটা ফলো করে স্বাভাবিক পড়া পড়লেই পড়াটা শেষ হয়ে যাবে।
সুতরাং প্লিজ হতাশা বাদ দিয়ে আজ থেকেই শুরু করে দাও।।
নামাজ পড়ো,দোয়া কর।
এক্সাম ভালো হবে।
জিপিএ-৫ ও আসবে।
জিপিএ-৫ খুব কঠিন কিছু না।
হতাশায় পড়ে থাকলে জিপিএ-৫ আসবে না।
জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য চেষ্টা আর ইচ্ছা থাকতে হবে।
চেষ্টা আর ইচ্ছা থাকলে সব হয় সব।
সুতরাং টেনশন না করে এই সময়টুকু কাজে লাগাও।
সবার জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো।
দেখা হবে পরবর্তী পোষ্টে,সাথেই থাকো।
ধন্যবাদ♥
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka