Tech Mart
বাবা মানেই সব,বাবার আদর-স্নেহ-ভালোবাসা
17/02/2022
There are so many people who want to manage Their cable
So this video maybe useful for them
24/12/2021
ই-সিম কার্ড কি (E-SIM CARD)
ই-সিম কার্ড এর পূর্ণরুপ হচ্ছে এম্বেডেড সিম কার্ড
(Embedded SIM Card)। ই-সিম হচ্ছে ডিজিটাল এম্বেডেড
সিম কার্ড (Embedded SIM Card)। আপনার ফোনে থাকা
ট্রাডিশােনাল সিম কার্ডটি যেভাবে যে প্রযুক্তিতে কাজ করে
আপনার ফোনকে সেল নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট করে থাকে।
ঠিক একইভাবে ই-সিম কার্ড ও একই স্টাইলে কাজ করে
থাকে। ই-সিম (E-SIM CARD) গুলাে সাধারণ যেকোন সিম
কার্ডের থেকে ১০ গুণ ছােট হয়ে থাকে।
এই সিম কার্ড গুলাে অন্যান্য সিম কার্ডের মতাে করে ফোনে।
ভরানাে হয় না বরং যেখানে স্মার্ট ফোনগুলাে তৈরি করা হয়।
সেখানে মাদারবাের্ডের সাথে এক সঙ্গে সংযুক্ত করে লাগানাে
হয়ে থাকে। তাই জন্য এই সিম কার্ডকে স্মার্ট ফোনের
হার্ডওয়্যারের মধ্যে ধরা হয়। আর হ্যাঁ এই ফোনটির সিম কার্ড
কে বাহির করা যায় না সম্ভব না।
আইফোন এক্সএস এবংআইফোন এক্সেএস মাক্স এ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এবং আইফোন ১১ এবং আইফোন ১১ প্রােতে এই ই-সিম কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। পিক্সেল, পিক্সেল এক্সএল এবং নতুন পিক্সেল এবং পিক্সেল এক্সএল ৪ স্মার্টফোনে এই ই-সিম সাপাের্ট করে।
এই সিম কার্ড টি খােলা ও লাগানাের প্রয়ােজন পরে না।
অর্থাৎ এই সিম কার্ড এর নাম্বার আপনি পরিবর্তন করতে
পারবেন না বা এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে মুভ
করতে পারবেন না। এই পদ্ধতি ভার্চুয়াল রি-রাইটেবল এর
মানে এটি ইচ্ছা মতাে আলাদা আলাদা সিম রাইট করতে
পারবেন এবং আগের সিম আপনি আনইন্সটল করতে
পারবেন। অর্থাৎ ই-সিম কার্ড (E-SIM CARD) লাগানাে
আরও বেশি সহজ।
এর জন্য আপনাকে অপারেটর কাস্টমার কেয়ারে যেতে হবে না এবং আপনাকে নতুন কোন ফিজিক্যাল সিম কার্ড কিনে আনতেহবে না। আপনি শুধু কল করে বা অপেরাটরে কোন অ্যাপডাউনলােড করে নতুন সিম রেজিস্টার করতে পারবেন
এমনকি ফোনের সাথে সেট করে নিতে পারবেন। এই ই-সিম
কে সাধারণত বিশেষ করে ফোন ডুয়েল সিম ফিচার চালু
করার জন্য ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ এই সিম কে ট্র্যাডিশনালসিম কার্ডের রিপ্লেস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
আইফোন, পিক্সেল, স্যামসাং ফ্লাগশিপ প্রিমিয়াম ফোন গুলােতে সাধারণত একটি করে ফিজিক্যাল সিম কার্ড সাপাের্ট থাকে।
এজন্য এই ফোন গুলােতে ই-সিম (E-SIM) ব্যবহার করে
ডুয়েল সিম এর সুবিধা গ্রহন করা যায়। বর্তমানে বিশ্বে প্রায়
সকল মােবাইল কোম্পানি গুলা ই-সিম সাপাের্ট করে থাকে।
আমাদের পাশের দেশ ভারতে ক্যারিয়ার ই-সিম ব্যবহার
করে। তবে আপনার যদি আইফোন ১১, পিক্সেল, স্যামসাং
ফ্লাগশিপ ফোন গুলাে থাকে আর যদি আপনার মােবাইল
অপেরাটর সাপাের্ট করে করে তাহলে আপনি ই-সিম (E-SIM)কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
#ই-সিম (E-SIM) কিভাবে কাজ করে?-
ই-সিম কার্ড স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যারের একটি অংশ। আর
আপনি অপেরাটর প্রােফাইল ডাউনলােড না করা পর্যন্ত এটি
অ্যাক্টিভেট হবে না। এত দিন পর্যন্ত আইফোনে স্মার্টওয়াচ
কানেক্ট করার জন্য ব্লুটুথ ব্যবহার করা হতাে, কিন্ত ই-সিম (E-
SIM) এর কারণে স্মার্টওয়াচ, ফিটনেস ব্যান্ড, বা যেকোন
ওয়্যারয়েবল ডিভাইস সরাসরি মােবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার
করে আপনি আপনার ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ
যে নাম্বার আইফোনে দেয়া আছে সেই একই নাম্বার আপনি
অ্যাপল ওয়াচ ব্যবহার করতে পারবেন।
#ই-সিম(E-SIM) এর সুবিধা-
আইফোন এক্সএস এবং এক্সএস মাক্স ফোন দুটি অ্যাপলের
প্রথম দুটি ডুয়েল স্মার্টফোন। এই দুটি সিমে এক সাথে দুটি
কোম্পানির দুটি আলাদা নাম্বার ব্যবহার করা যাবে। স্মার্টফোন
দুটি সিম স্ট্যান্ডবাই মােডে থাকবে এর ফলে এক সাথে ফোন
দুটি কল চলে আসলে তা রিসিভ করা এবং ডায়াল করা
যাবে। আইফোন এক্সএস এবং এক্সএস মাক্স এ দুটি সিম
এর সুবিধা থাকবে ঠিকই কিন্তু ফোন শুধু একটি সিম কার্ড
ভরতে হবে আর একটি সিম ভরতে হবে না। কারন ফোনে।
আগে থেকে একটি সিম কার্ড ভরা থাকবে।
ই-সিম (E-SIM) এর প্রথম সুবিধা হলাে এটি অনেক ছােট
সাইজের, আমরা জানি ন্যানাে সিম কার্ড খুব ছােট কিন্ত এই
ই-সিম কার্ড তার থেকে ৩ গুণ ছােট। অর্থাৎ ন্যানাে সিম কার্ড
এর থেকে ই-সিম কার্ড ৩ গুণ ছােট এবার আপনি কিছুক্ষণ
চিন্তা করুন যে তাহলে এই ই-সিম E-SIM কার্ড কত ছােট।
ই-সিম E-SIM কার্ড ফোনের মাদারবাের্ডের সাথে লাগানাে
থাকে বিধায় ফোনটিতে অনেক যায়গা ফাকা হয় বা স্পেস
বাচানাে সম্ভব হয়। যার ফলে ফোন ব্যাটারি আরও বড়
লাগানাে সম্ভব হয় এবং আলাদা অনেক যন্ত্রপাতি লাগাতে
সুবিধা হয়।
#ই-সিম (E-SIM) কার্ড এর অসুবিধা-
ই-সিম কার্ড এর বড় অসুবিধা হচ্ছে আপনি ফোন পরিবর্তন
করলে ফিজিক্যাল সিমের মত জাস্ট এক ফোন থেকে অন্য
ফোন সিম পরিবর্তন করতে পারবেন না। যদি আপনার স্মার্ট
ফোনটি নষ্ট হয়ে যায় কিন্ত আপনি চাচ্ছেন যে এই সিমটি
খুলে অন্য আরেকটি ফোন লাগাবেন কিন্ত আপনি এই কাজটি করতে পারবেন না।আপনি যদি চান সিম খুলে আপনি আপনার মডেমে লাগাবেন বা অন্য কোন ডিভাইসে লাগাবেন কিন্ত আপনি সেই কাজটি ই-সিম কার্ডের দারা করতে পারবেন না। ভবিষ্যৎ এ যদি ই-সিম বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করে সেক্ষেত্রে আর নতুন টেকনােলজি আসতে পারে তখন ই-সিম কে এক ফোন থেকে অন্য ফোনে ট্রান্সফার করা যাবে। তখন হয়তাে জাস্ট কিউআর কোড স্কান করে সিম অন্য ফোনে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। তবে এই ক্ষেত্রে আরেক সিকিউরিটি দেখা যাবে।
বিদ্র:ই সীম চালাতে ই সীম সাপোর্টেড ফোন লাগবে।
Techmart Support Team
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Address
21, Kazi Alauddin Road
Dhaka
1100