Taslima Tanni
19/04/2026
মন খারাপ হলে শরীর কেন ভেঙে পড়ে?
একটা প্রশ্ন করি।
কখনো হয়েছে —
মন খুব খারাপ।
আর সেদিন
শরীরও কাজ করছে না।
উঠতে ইচ্ছে করছে না।
খেতে ইচ্ছে করছে না।
সহজ কাজেও
অদ্ভুত ক্লান্তি।
মনে হয় — শরীরে কি হলো?
কিছু তো হয়নি।
তাহলে এই দুর্বলতা কোথা থেকে?
এটা আকস্মিক না।
এটা বিজ্ঞান।
মস্তিষ্ক যখন কষ্ট পায়
সে একটা সংকেত পাঠায়।
সেই সংকেত যায়
হাইপোথ্যালামাসে।
সে কর্টিসল ছাড়ে।
কিন্তু এটা সকালের কর্টিসল না।
এটা দীর্ঘ চাপের কর্টিসল।
এই কর্টিসল শরীরকে বলে —
"বিপদ আছে।
সব এনার্জি বাঁচাও।"
শরীর তখন
পেশি শিথিল করে।
ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে।
হজম কমিয়ে দেয়।
ঘুম এলোমেলো করে।
বাইরে কিছু হয়নি।
কিন্তু ভেতরে
যুদ্ধ চলছে।
মন খারাপের সময়
ডোপামিন কমে।
ডোপামিন মানে শুধু আনন্দ না।
ডোপামিন মানে —
"কাজ করার ইচ্ছা।"
"উঠে দাঁড়ানোর শক্তি।"
"এগিয়ে যাওয়ার কারণ।"
ডোপামিন কম হলে
কোনো কাজেই টান লাগে না।
সব ফ্যাকাশে।
সব ভারী।
সব অর্থহীন।
শরীরের এনার্জি কমে যায়
কারণ মস্তিষ্ক
কোনো লক্ষ্য দেখছে না।
শরীরে একটা নার্ভ আছে।
নাম ভেগাস নার্ভ।
এটা মস্তিষ্ক থেকে
সরাসরি হৃদয়, ফুসফুস, পেটে যায়।
মন খারাপ হলে
এই নার্ভ দুর্বল হয়।
হার্টবিট অনিয়মিত হয়।
পেট অস্বস্তি করে।
শ্বাস ভারী লাগে।
তাই মন খারাপ হলে
বুকে চাপ লাগে।
পেট গুলায়।
শরীর ভারী হয়।
এটা কল্পনা না।
এটা শরীরের বাস্তব প্রতিক্রিয়া।
মন খারাপ হলে
শরীর ভেঙে পড়া
স্বাভাবিক।
বিজ্ঞানসম্মত।
আপনার দোষ না।
এটা দুর্বলতা না।
এটা শরীরের ডাক।
সে বলছে —
"একটু থামো।
নিজের যত্ন নাও।"
কিন্তু শুয়ে থাকলে
কর্টিসল বাড়তেই থাকে।
শরীর আরো ভারী হয়।
তাই শরীর থেকে শুরু করুন।
মন থেকে না।
ঠান্ডা পানিতে মুখ দিন।
এক মিনিট হাঁটুন।
চার সেকেন্ড শ্বাস নিন।
ছয় সেকেন্ড ছাড়ুন।
এটুকুই শরীরকে বলে —
"বিপদ নেই।
শান্ত হও।"
কর্টিসল কমে।
ভেগাস নার্ভ সক্রিয় হয়।
একটু হালকা লাগে।
ছোট্ট একটা পদক্ষেপ —
এটুকুই যথেষ্ট
শুরু করতে।
আপনি যখন মন খারাপে থাকেন
কী করেন?
কমেন্টে বলুন।
হয়তো আপনার কথা
অন্য কারো কাজে আসবে।
(Collect)
কাজের মাঝে আমার বৈশাখ....☺️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Mirpur 12
Dhaka