Apache Network
WhatsApp মার্কেটিং কেন করবো?
হোয়্যাটসএপ মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর মতই এক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। আমরা মোটামুটি সবাই WhatsApp ব্যবহার করি কিন্তু বিশ্বাস করুন, প্রচুর টার্গেটিং কাষ্টমার পাওয়া যায় এর থেকে। শুধু আপনার ব্রেইনকে কাজে লাগিয়ে এর মাধ্যমে কিভাবে টার্গেটেড কাষ্টমার খুজে পাবেন সেটি চিন্তা করুন এবং এর ফলাফল নিজেই বুঝতে পারবেন। হোয়্যাটস এপ মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং থেকে ব্যতিক্রম কিছুনা ,আমরা প্রত্যেকেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর ব্যবহার করে আসছি কিন্তু এখন সামান্য একটু আলাদাভাবে এর ব্যবহার করতে হবে।
- আপনাদের পরিচিত অনেকেই হোয়্যাটসএপ ব্যবহার করে।ব্যক্তি হিসেবে তারা আপনাকে অবশ্যই বিশ্বাস করে যেটা যেকোন ব্যবসায়ীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- হোয়্যাটস এপ এর রয়েছে অবিশ্বাস্য এনগেজমেন্ট হার,হোয়্যাটসএপ এ মোট ম্যাসেজের ৯০% ম্যাসেজ ওপেন করা হয় এবং পড়া হয়, এর মধ্যে ৬০% ম্যাসেজ রিসিভের মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ভিতরেই ওপেন করা হয়।
- এর মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি টেক্সট করা যায় যেটা উভয়ের মধ্যে খুব ভাল সম্পর্ক তৈরি করে।
- ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়স্ক তরুন তরুনীদের মধ্যে ৪২% ম্যাসেজ করার জন্য হোয়্যাটস এপ ব্যবহার করেন।বুঝতেই পারতেছেন যাদের ব্যবসা এসব তরুন-তরুনীদের নিয়ে তারা কেমন ফল পাবেন
- বর্তমানে মানুষ কথা বলা অপেক্ষা চ্যাট এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে বেশি। Nielson”s Facebook Massaging Survey অনুযায়ী ৬৭% মোবাইল ম্যাসেজিং এপ ব্যবহারকারী আগামী দুই বছরের মধ্যে আশা করেন যে তারা চ্যাট করার মাধ্যমে ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ করতে পছন্দ করবেন। এদের মধ্যে ৫৩% বলেন যে তারা যেকোন কিছু কিনতে ডিরেক্ট চ্যাট এ খুব বেশি আগ্রহী।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন হোয়্যাটস এপ ব্যবহার করতেছে এবং প্রতিনিয়ত টেক্সট করা হচ্ছে। যদি আপনার ব্যবসা আরো বাড়াতে চান কিংবা নিজের ব্যবসাকে ক্রেতার জন্য সহজ,সাচ্ছন্দ্যময় করতে চান তাহলে এখন থেকেই হোয়্যাটস এপ কে ব্যবসার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করুন
16/03/2015
https://www.youtube.com/watch?v=0OF97uUPad4&feature=youtu.be
Bangladesh cricket team inspirational video world cup 2015 #riseofthetigers via YouTube Capture
চিন্তাশক্তি কমায় স্মার্টফোন?
স্মার্টফোন ব্যবহার করে অভ্যস্ত যাঁরা, তাঁদের চিন্তাভাবনায় একধরনের আলসেমি তৈরি হয়। বিশ্লেষণমূলক চিন্তার সামর্থ্য ধীরে ধীরে কমে যায়। কারণ, আঙুলের স্পর্শেই অনেক জটিল কাজকর্ম সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় নিজে নিজে চিন্তা করার ব্যাপারটা অজান্তেই এড়িয়ে যান তাঁরা। আর এভাবেই স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নিজের মস্তিষ্কের চেয়ে যন্ত্রের ওপরই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। কানাডার একদল গবেষক এসব কথা জানিয়েছেন। এ গবেষণা প্রতিবেদন কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী গর্ডন পেনিকুক বলেন, যেসব তথ্য সহজেই পাওয়া যায় এবং শেখা যায়, সেগুলো নিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা চিন্তাভাবনা করতে সাধারণত অনিচ্ছুক হয়ে থাকেন। আইএএনএস।
দুই ক্লিকেও যখন ড্রাইভ খোলে না...
অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটারে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে পার্টিশন করা ড্রাইভগুলোতে দুই ক্লিক করলেও তা খুলছে না। উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে এটি হরহামেশাই হয়ে থাকে। কোনো কাজে D:\/ ড্রাইভে দুই ক্লিক করে খুলতে গেলেন, কিন্তু সেটি না খুলে অটো রানের কিছু তালিকা দেখিয়ে সেটি খুলতে বলতে পারে। আবার This drive does not open কিংবা Restriction with administrator বার্তা দেখিয়ে থামিয়ে দিতে পারে।
কিছু ভাইরাস আপনাকে বিভ্রান্তিতে ফেলার জন্য এ কাজটা করে। ভাইরাস কিছু খারাপ রেজিস্ট্রি তৈরি করে, ফলে কাজে এমন বাধা আসে। এ জন্য স্টার্ট মেনু থেকে রান প্রোগ্রাম চালু করুন। এখানে regedit লিখে এন্টার করুন। রেজিস্ট্রি এডিটর খুললে বাঁ দিকের তালিকা থেকে HKEY_CURRENT_USER-এ ক্লিক করে Software-এ গিয়ে Microsoft-এ ক্লিক করুন। এখানে আবার Windows-এ ক্লিক করে CurrentVersion-এ ক্লিক করুন। এরপর Explorer-এ ক্লিক করে MountPoints2 খুঁজে নিয়ে মুছে (ডিলিট) ফেলুন।
মনে রাখবেন ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই শুধু এই রেজিস্ট্রি মুছতে হবে। অযথা মুছে ফেললে উইন্ডোজের সিস্টেম ফাইলে ঝামেলা হবে। তাই জেনে-বুঝে কাজটি করতে হবে।
যদি নির্দিষ্ট কোনো ড্রাইভ দুই ক্লিকে না খোলে তবে কি-বোর্ড থেকে Shift চেপে ধরে সেই ড্রাইভের ওপর মাউসের ডান বোতাম চাপুন। ধরুন আপনার কম্পিউটারের D:\/ ড্রাইভ দুই ক্লিক করলে সেটি খুলছে না। তাহলে কি-বোর্ড থেকে Shift কি চেপে ধরে ড্রাইভের ওপর মাউসের ডান বোতাম চাপুন। তালিকা থেকে Open command window here-এ ক্লিক করুন। তাহলে D:\/ ড্রাইভের ওপর কমান্ড প্রম্পটের কাজ করার জন্য নতুন উইন্ডো খুলে যাবে। এবার এখানে cd\/ লিখে এন্টার করুন। পরের লাইনে attrib -r -h -s autorun.inf হুবহু লিখে আবার এন্টার করুন। পরের লাইনে আবার del autorun.inf লিখে এন্টার চাপুন। অটোরান প্রোগ্রাম মুছে যাবে। এবার কম্পিউটার একবার রিস্টার্ট করে নিলেই দুই ক্লিকে ড্রাইভার খুলবে।
যেভাবে বাড়াবেন ক্রোম ব্রাউজারের গতি..
আপনার কম্পিউটারে গুগল ক্রোম কি খুব ধীরে কাজ করছে? গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই ব্রাউজারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের দেওয়া এই পরামর্শ মানলে খুব সহজেই বাড়িয়ে নিতে পারবেন আপনার ব্রাউজারের গতি।
প্রথম ধাপ: গুগল ক্রোমের মেনু বাটনে ক্লিক করুন। ব্রাউজারের ডান কোনায় ক্রস বাটনের নিচে এটি পাবেন। এখান থেকে সেটিংসে যান।
দ্বিতীয় ধাপ: স্ক্রল করে নিচের দিকে এসে শো অ্যাডভান্সড সেটিংসে ক্লিক করুন এবং স্ক্রল করে নিচের দিকে নামুন। এখানে আপনি সিস্টেম নামে একটি সেকশন পাবেন।
তৃতীয় ধাপ: ‘ইউজ হার্ডওয়্যার অ্যাকসেলেরেশন হোয়েন অ্যাভেইলেবল’-এর পাশে থাকা টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিন।
চতুর্থ ধাপ: ক্রোম ব্রাউজারটি পুরোপুরি বন্ধ করে আবার নতুন করে চালু করুন।
এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ কিংবা অন্য অপারেটিং সিস্টেমে ক্রোম ব্রাউজারের গতিতে ইতিবাচক ফল পেয়েছেন বলে অনেকেই সিনেটের প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক পরামর্শক রিক ব্রোডা বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন এবং ইতিবাচক ফল পাওয়ার দাবি করেছেন।
রোগীর মনের অবস্থা জানাবে যন্ত্র...
হাসপাতালে জেগে উঠে দেখলেন, নড়াচড়ার শক্তি নেই। চেষ্টা করেও কথা বলতে পারছেন না, এমনকি চোখের পাতা পর্যন্ত খুলতে পারছেন না। কেবল শুনতে পাচ্ছেন ডাক্তারের সঙ্গে আপনার আত্মীয়-পরিজনের কথাবার্তা। আপনি নিজের অবস্থা সম্পর্কে কাউকে জানানোর সামর্থ্য হারিয়েছেন। এমন পরিস্থিতি কাম্য না হলেও কারও কারও জীবনে তা আসতেও পারে।
তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনার শরীরে একটি যন্ত্র যুক্ত করা হলে অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। এটি ব্যবহার করে মস্তিষ্কতরঙ্গের সাহায্যে আপনি আবার অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে শুধু ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ছাড়া আর কিছু বলার উপায় নেই। তবু, অল্প হলেও এটুকু সামর্থ্যই অনেক ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। পরিচর্যাকারীকে অন্তত জানানো যাবে আপনার পিপাসা, উঠে বসার ইচ্ছা, টিভি দেখার চাহিদা ইত্যাদির কথা।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মনের ইচ্ছা জানার প্রযুক্তির বেশ উন্নতি হয়েছে। তাই বিছানায় আটক রোগী এবং কোমা অবস্থায় পৌঁছে যাওয়া মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের প্রচেষ্টায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ব্যাপারটা হয়তো খুব তাড়াতাড়িই বাস্তবে রূপ নেবে। গবেষকেরা এবার বহনযোগ্য এমন এক যন্ত্র তৈরি করছেন, যা ব্যবহার করে রোগীরা দৈনন্দিন যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন। আর কারও রোগনির্ণয়ে ভুল হয়েছে কি না, তা-ও শনাক্ত করতে পারবে যন্ত্রটি।
কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যাড্রিয়ান ওয়েন ও তাঁর সহযোগীরা কোমায় থাকা রোগীদের কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তবে ওই রোগীরা যদি মরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তার জবাব কী হবে—সে ব্যাপারে নীতিশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনাও করা হচ্ছে। সাধারণত কোমার পরবর্তী পর্যায়ে জীবন্মৃত দশা শুরু হয়। তখন পূর্ণ সজাগ থাকার পরিবর্তে সজ্ঞান ও অজ্ঞান অবস্থার মাঝামাঝি থাকেন রোগীরা। মাঝে মাঝে চোখ খুললেও তাঁরা কিছু দেখতে পাচ্ছেন বলে মনে হয় না। এমনকি তাঁরা কারও কথার জবাবে সাড়াও দেন না।
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর ১২ বছর ধরে জীবন্মৃত অবস্থায় কাটানো এক রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে ওয়েন ও তাঁর সহকর্মীরা দেখতে পান, তিনি নিজের নাম ও আশপাশের লোকজন সম্পর্কে ঠিক ঠিক জবাব দিতে পারছেন। তিনি যন্ত্রণা পাচ্ছেন না এবং টিভিতে হকি খেলা দেখতে পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন।
এফএমআরআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগে এ ধরনের রোগীদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ অনুসরণের চেষ্টা করা হতো। তবে ব্যাপারটা বেশ পরিশ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল। প্রক্রিয়াটাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করছেন ওয়েন ও তাঁর সহযোগীরা। তাঁদের তৈরি প্রযুক্তিটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক তরঙ্গের (ইইজি) তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিদ্যুৎবাহী যন্ত্রাংশ (ইলেকট্রোড ক্যাপ) ব্যবহার করে। কিন্তু ইইজি দেখে মস্তিষ্কের কেবল উপরিতলের কার্যক্রম জানা যায়। তাই প্রযুক্তিটি আরও আধুনিকায়নের প্রয়োজন পড়ে। যন্ত্রটির নতুন সংস্করণে রোগীর হাতে একাধিক কম্পনশীল যন্ত্র সংযোজন করতে হয়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত বার্টস নিউরোসায়েন্স সিম্পোজিয়ামে এই প্রযুক্তির ব্যাপারে কিছু তথ্য তুলে ধরেন ওয়েন। তিনি বলেন, কম্পনের মাধ্যমে স্নায়ুর পরিবর্তনবিষয়ক তথ্য ইইজি থেকে জানার প্রযুক্তিটি আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। আগের প্রযুক্তিতে অনেকটা আন্দাজের ওপর ভর করে কাজ করতে হতো। নতুন প্রযুক্তিটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হচ্ছে। অবশ্য তাঁদের গবেষণাকাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।
সূত্র: নিউসায়েন্টিস্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
16 Azam Road
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 20:00 |
| Tuesday | 09:00 - 20:00 |
| Wednesday | 09:00 - 20:00 |
| Thursday | 09:00 - 20:00 |
| Friday | 09:00 - 20:00 |
| Saturday | 09:00 - 20:00 |
| Sunday | 09:00 - 20:00 |