BASHA BARI Engineering
12/01/2025
আমাদের ফার্মে এসে গেলো স্ল্যাম্প টেষ্ট ইক্যুইপমেন্ট
ফ্রিতে কাজের গুনগত মান পরিক্ষা করুন আমাদের ফার্ম থেকে।
কংক্রিট-স্ল্যাম্প-পরীক্ষা(Slump Test)
✪ স্ল্যাম্প টেস্ট বা নতি পরীক্ষা কি? কিভাবে করতে হয় বর্ণনা :
▣ কংক্রিট স্লাম্প পরীক্ষা: কংক্রিট এর মধ্য ধারাবাহিকতা বা সমসত্ত্বতা যাচাই এর জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয় যে, কংক্রিট এর কার্যউপযোগীতা কতটুকু। স্ল্যাম্প এর পরিমান অবশ্যই নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকবে।
▣ স্ল্যাম্প পরীক্ষায় ব্যবহুত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:
• স্ল্যাম্প কৌণ (উপরের ব্যাস ১০০ মি:মি: x নিচের ব্যাস ২০০ মি:মি: x উচ্চতা ৩০০ মি:মি: )
• ছোট কুর্ণী
• গুলি-মুখ রড ( ৬০০ মি:মি: লম্বা x ১৬ মি:মি: সাইজ)
• স্কেল
• স্ল্যাম্প প্লেট (৫০০ মি:মি: x ৫০০মি:মি:)
▣ স্ল্যাম্প পরীক্ষার ধাপগুলি:
১. কৌণটি পরিস্কার করতে হবে। পানি দিয়ে ভালভাবে মুছে স্ল্যাম্প প্লেট এর উপর রাখতে হবে। স্ল্যাম্প প্লেট অবশ্যই পরিস্কার, শক্ত , সমতল এবং অ-শোষণীয় হতে হবে।
২. পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমান কংক্রিট নিতে হবে (যেই কংক্রিট পরীক্ষা করতে হবে তা থেকে)
৩. পাদানির উপর শক্তভাবে দাড়াতে হবে এবং তিন ভাগের একভাগ কংক্রিট দিয়ে ভরাট করতে হবে। ২৫ বার রড দিয়ে ভালভাবে গুতা দিতে হবে। গুতা সবসময় একই ভাবে দিতে হবে এবং তা হতে হবে বাইরের দিক থেকে মাঝার দিকে।
৪. আবার দ্বিতীয় ভাগ ভরাট করতে হবে এবং ৩ নং ধাপের মত করে রড দিয়ে গুতা দিতে হবে। বে খেয়াল রাখতে হবে যে এবার রড প্রথম ভাগের উপর পর্যন্ত যাবে, এর নিচে না।
৫. এবার বাকি অংশ ভরাট করতে হবে উবু-উবু করে এবং আগের মত রড দিয়ে গুতা দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে এবার রড দ্বিতীয় ভাগের উপর পর্যন্ত যাবে, এর নিচে না। উবু অংশ ফেলে দিয়ে মাথা কৌণ এর সমান করে দিতে হবে।
৬. গড়ানো পদ্ধতিতে রড দিয়ে উপরিতল সমান করতে হবে। স্ল্যাম্প প্লেট এর উপর কোন ময়লা থাকলে তা পরিস্কার করতে হবে। হাতল চাপদিয়ে ধরে পাদানি থেকে নেমে পড়তে হবে।
৭. সাবধানে কৌণটি সোজা উপরে ওঠাতে হবে যাতে করে এর ভেতরের কংক্রিট নড়ে না যায়।
৮. কৌণটি উল্টে ফেলে কংক্রিট এর পাথে রাখতে হবে। রডটি কৌণ এর উপ কংক্রিট এর দিকে মুখ করে বসাতে হবে।
৯. কংক্রিটটির সর্বোচ্চ তলা থেকে রড এর তলা পর্যন্ত মাপ নিতে হবে। কয়েকটি মাপের গড় নিতে হবে। এই গড় মাপটিই নতির মান।
বিভিন্ন কংক্রিট মিশ্রণের জন্য অনুমোদিত নতির মানঃ
ক্রমিক নং নির্মানকাজের ধারা অনুমোদিত নতির মান (মিমি)
০১। রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট ২০-৩০ মিমি
০২। আরসিসি স্লাব, বীম এবং দেওয়াল৫০-১০০মিমি
০৩। কলাম, রিটেইনিং ওয়াল ৭৫-১৫০ মিমি
০৪। পানিরোধী নির্মাণ কাজ ৭৫-১২০ মিমি
০৫। ভাইব্রেটেড কংক্রিট ১২-২৫ মিমি
০৬। পুরু কংক্রিট ২৫-৫০ মিমি
০৭। সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং
উপরি কাঠামো ২৫-৭৫ মিমি
০৮। আরসিসি বুনিয়াদ এবং ফুটিং ৫০-১০০ মিমি
০৯। ব্রিজ ডেক ২৫-৭৫ মিমি
কংক্রিটের Slump Test সাধারণত ৪ ধরণের হয়ে থাকে।নিচে ছবিতে দেখানো হলোঃ
True Slump: কংক্রিট মিক্সের High consistency রয়েছে। একটি সঠিক স্লাম্প পরীক্ষায় কংক্রিট খুব শীঘ্রই হ্রাস পায় এবং কমবেশি ছাঁচের আকৃতি বজায় রাখে। এই ধরনের স্লাম সবচেয়ে কাম্য।
Zero Slump: যদি কংক্রিট ছাঁচের প্রকৃত আকৃতি বজায় রাখে, তবে এটিকে শূন্য স্লাম্প বলা হয় যা কঠোর, সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রায় কোন কার্যক্ষমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে না।
Collapse Slump: এই ক্ষেত্রে, সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে। কংক্রিট মিক্স খুব নরম বা উচ্চ কার্যকারিতা মিশ্রণ, স্লাম্প পরীক্ষায় এই ধরনের মিশ্রণ উপযুক্ত নয়।
Shear Slump: কোণ অর্ধেক যদি একটি খাড়া ঝুঁকে পড়ে প্লেনে নিচে স্লাইড হয়, তাকে শিয়ার স্লাম্প বলা হয়। এটি মিশ্রণের সমন্বয়ের অভাবের ইঙ্গিত। শিয়ার স্লাম্প এড়াতে আবার পরীক্ষা করুন।
11/04/2019
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকির বিষয়ে অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, ভূমিকম্প ‘প্লেট টেকটোনিকসের’ ব্যাপার। প্লেটের নড়াচড়ার কারণে প্রচুর শক্তি জমে। পরে একসময় রিলিজ হয়ে যায়। এই শক্তি মুক্ত (রিলিজ) হওয়ার সময় যে ঝাঁকুনি হয়, সেখান থেকে ভূমিকম্প হতে পারে। বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি মধ্যম পর্যায়ের। জাপানের মতো এত ব্যাপক না, তবে ঝুঁকি আছে। এটা মূলত প্রাকৃতিক ভূকাঠামো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।
ভূমিকম্প সচেতনতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম এম সফিউল্লাহ প্রথম আলোকে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ভূমিকম্প নিয়ে তিন পর্যায়ে কাজ করার আছে। ভূমিকম্প হওয়ার আগে, ভূমিকম্প হওয়ার সময় এবং ভূমিকম্প–পরবর্তী সময়ে।
অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, ইটের তৈরি বাড়িতে (ব্রিক বিল্ডিং) ভূমিকম্পের সময় ঝাঁকুনি বেশি হয়। তাই ঝুঁকি বেশি। তবে এগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো যেতে পারে। এতে বাড়িগুলো ভূমিকম্পের সময় ভেঙে গেলেও পুরোপুরি ধসে পড়বে না। তিনি বলেন, জলাশয় ভরাট করে বাড়ি করা হলে লিকুইফ্যাকশন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ঝাঁকুনি হলে বাড়ি দেবে যাবে। কারণ, যখন ভূমিকম্পের সময় ঝাঁকুনি হয়, তখন মাটির ভেতর পানির চাপ থাকায় মাটির শক্তি কমে যায়। এখন জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে মূলত ভিটি বালু দিয়ে। এ কারণে জায়গাগুলো আলগা বা ঢিলে অবস্থায় থাকে। এভাবে বালু দিয়ে জায়গা ভরাট করলে বাড়ি মজবুত হলেও ধসে পড়তে পারে। এটা থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো মাটি ভরাটের সময় ঘনত্ব বাড়িয়ে পরিপূর্ণভাবে জায়গা ভরাট করা।
অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, বহুতল ভবন নির্মাণের প্রবণতা বাড়ছে। তবে এতে কোনো সমস্যা নেই, যদি নকশা ঠিকমতো করে নিয়মনীতি অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণ করা হয়। তিনি বলেন, বাড়ি তৈরির জন্য ব্যবহার করা রড কত সাইকেল লোড নিতে পারবে, তা পরীক্ষা করে নিতে হবে। সাইক্লিং লোডিং ছাড়াও বাড়িতে আগুন লাগলে রডের প্লাস্টার সরে যায়। রডের কম্পোজিশন ও ফায়ার রেসিসট্যান্স জানা থাকতে হবে। রডের ওপরের প্রলেপ পুরু কি না দেখতে হবে।
সফিউল্লাহ স্যার বলেন, বিদ্যমান জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে জানতে হবে ভূমিকম্প কতটা ব্যাপক হতে পারে, কীভাবে বাড়ি তৈরি করতে হবে ও কোন জায়গায় ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা বেশি, সেখানকার তথ্য সরবরাহ করে রাখতে হবে। আগে এ বিষয় সম্পর্কে সরকারি–বেসরকারিভাবে জানানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার আরও বলেন, ভূমিকম্পের সময় মাটির নিচের অংশ (বেজমেন্ট) থাকে সবচেয়ে নিরাপদ। বরং ওপরেই ঝুঁকি বেশি। এ কারণে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মাটির নিচে রেললাইন করছে। ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজে পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা থাকতে হবে। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। প্রস্তুতি ঠিক থাকলে জীবন বাঁচানো ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।
26/11/2018
'দূষণ কমাতে পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের পরামর্শ' তিনি বলছেন, ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে এই সামগ্রী ব্যবহারে আগ্রহী করা হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। এরই মধ্যে এসব সামগ্রী ব্যবহ...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Road-30, House-422, New DOHS, Mohakhali
Dhaka