Screen Kotha

Screen Kotha

Share

25/05/2026

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে আলোচনা হলেই প্রথমে আসে মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, শরিফুল রাজ, সাবিলা নূর কিংবা শ্যামল মাওলার নাম। কিন্তু এই ভিড়ের মাঝেও ছোট্ট এক যাত্রী চুপচাপ আলাদা করে নজর কাড়ে। তার নাম নিতু।

টিনটিন কমিক্সে ডুবে থাকা, অদ্ভুত স্মার্ট আর মুখের উপর কথা বলে ফেলা মেয়েটা পর্দায় আসলেই এক অন্যরকম প্রাণ এনে দেয়। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছে শিশুশিল্পী Tridha Paul Maan । বয়সে ছোট হলেও পর্দায় তার উপস্থিতি ছিল দারুণ আত্মবিশ্বাসী। কোথাও অতিরিক্ত অভিনয় নেই, কোথাও জোর করে কিউট হওয়ার চেষ্টা নেই। খুব স্বাভাবিক, খুব সহজ।

বিশেষ করে তার এক্সপ্রেশন আর ডায়লগ ডেলিভারি আলাদা করে মনে থাকে। ছোট ছোট সংলাপেও মেয়েটা এমন একটা টাইমিং দেখিয়েছে, যেটা দর্শককে হাসায়, মুগ্ধ করে, আবার চরিত্রটার প্রতি আলাদা টানও তৈরি করে।

“আমি আমার বাবার কথাই শুনি না, আর আপনার কথা শুনবো?”
বা,
“সুন্দর ছেলে দেখলেই এভাবে তাকায় থাকতে হবে?”
এরকম সংলাপগুলো তার মুখে এতটাই ন্যাচারাল লেগেছে যে দৃশ্য শেষ হওয়ার পরও মনে থেকে যায়।

জানা গেছে, Tridha Paul এর আগেও কিছু নাটক আর বিজ্ঞাপনে কাজ করেছে। তবে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এ সুযোগটা পেয়েছিল অডিশনের মাধ্যমে। বলা যায়, এই সিনেমাই তার ছোট্ট ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় দৃশ্যমান স্টেশন হয়ে থাকলো।

অনেক সময় বড় চরিত্র না, ছোট্ট উপস্থিতিই দর্শকের মনে সবচেয়ে বেশি জায়গা করে নেয়। নিতু চরিত্রটা ঠিক সেটাই প্রমাণ করেছে। সোয়া রইলো মন থেকে।

25/05/2026

শাহজাহান ইসলাম নূর চরিত্রটি যে রিয়েল লাইফ মানুষটা থেকে ইন্সপায়ার্ড, ওই মানুষটার প্রতি আমার বেশ কিছু কারণে শ্রদ্ধা, সম্মান এসে গেছে।

​সব বাদ দিয়ে একটা দিক নিয়েই আলাপ করছি।
​নূর বিয়ে করে ঘরে বউ আনেন।
একদিন বউ রানী সহ খাটে বসে গল্প করছেন। এমন সময় বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির কয়েক ফোঁটা নামে নূর আর রানীর গায়েও। দুজনে মিলে বৃষ্টি সামলাতে মশারি টানিয়ে তার উপর পলি বিছিয়ে দেন।
এটা সাময়িক সমাধান। স্থায়ী সমাধান হবে যদি নতুন করে ঘর বানানো হয়।

​রানী রাতের গোসল সারবেন। গিয়েছেন কল পাড়ে। নূর রানীর পাশেই, বউকে কোনো অবস্থাতেই একা ছাড়তে রাজি নন নূর।
রানীর গা ভেজা। এমন সময় সেখানে একজন প্রৌঢ় উপস্থিত হন। খুব স্বাভাবিক। কলপাড়টি নূরদের একার নয়।
নূর গায়ের চাদর খুলে তা দিয়ে বউকে ঢাকতে ব্যস্ত। আর রানী ভেজা শরীর নিয়ে ভীষণ বিব্রত।

​নূর সিদ্ধান্তে আসে একটা নতুন সেমিপাকা ঘর আর একটা একান্ত নিজেদের নলকূপ তাঁকে যেভাবেই হোক বানাতে হবে।
বউয়ের কষ্ট নূর আর মানতে পারছে না।
দেশে স্বল্প বেতনে সম্ভব নয় তাই নূর চাচ্ছে বিদেশ যাবে। একটা সুযোগ এসেছে বাইরে যাওয়ার, নূর সেটা হাতছাড়া করতে চায় না।
​রানী শুরুর দিকে একদমই রাজি হয় না। যুদ্ধকবলিত একটা দেশে স্বামীকে কিছুতেই পাঠাবে না। মশারির উপর পলি বিছিয়েই বৃষ্টি সামলে নেবে।

নূর রানীকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বৈদেশ পাড়ি জমায়।
এরপরের ঘটনা এখানে আর আলাপ করছি না।
​আমাদের দেশের অনেক পুরুষের মাঝে এই দায়িত্বজ্ঞান অনুপস্থিত। একটা মেয়ের দায়িত্ব যখন নেয়া হয় তখন তার ভালমন্দ সব দেখার দায়িত্বও স্বামীটির। এবং এ দায়িত্ব পালনে সবার আগে আসে একটা মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করা। এবং এটা একজন নারীর দায়িত্ব নেয়ার আগেই করা উচিত।

নূর-এর তাও বিয়ের পর বউয়ের ভোগান্তি দেখে উপলব্ধি এসেছে, আমাদের দেশের অনেক পুরুষের তাও আসে না।
তারা উল্টো বউকে বলে, অ্যাডজাস্ট করো।
​সিনেমা দেখে শিক্ষা শিক্ষা করেন যারা তারা শাহজাহান ইসলাম নূর থেকে আসলে কতটা শিখেছেন, আমার খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে।
© লীলাবতী লিলু See less

25/05/2026

শহর তখনও জেগে ছিল। ট্রাম চলছিল নিজের চেনা রাস্তায়, নিজের নিয়মে। সেই শহরের ভিড়ের মাঝেই একদিন আনমনে হাঁটছিলেন একজন মানুষ। হয়তো ভাবছিলেন কোনো কবিতা, কোনো হারিয়ে যাওয়া মুখ, কিংবা শুধু জীবনকেই। তারপর হঠাৎ এক ধাক্কা। ট্রামের নিচে থেমে গেল এক কবির পথচলা।

কয়েকদিন হাসপাতালের নীরব কেবিনে মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছিলেন তিনি। তারপর একসময় নিভে যায় বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বিষণ্ন অথচ সুন্দর আলোগুলোর একটি। তিনি জীবনানন্দ দাশ।

মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’-এর প্রথম গান ‘এখানে কেউ নেই’-এর ভিজ্যুয়ালে সেই ট্রাম, সেই নিঃসঙ্গতা আর জীবনানন্দের শেষ সময়ের অনুরণন ধরা পড়ে এক অদ্ভুত মায়ায়। সিনেমাটি সরাসরি বায়োপিক নয়, কিন্তু এর অনুভবজুড়ে ছড়িয়ে আছে জীবনানন্দের কবিতা, নিঃসঙ্গতা আর ‘বনলতা সেন’-এর আবেশ।

এই ঈদে আসছে ‘বনলতা সেন’। কিছু গল্প শুধু দেখা হয় না, অনুভবও করা লাগে।

24/05/2026

না মানে ,তাহলে কি এখন রামিসার হত্যাকারীর বিচার না চেয়ে তার বাপের বিচার চাইতে হবে? এই লোকটা তার মেয়েকে হারানোর পর একটা মিনিট পেয়েছে শোকের জন্য? শত শত ক্যামেরা সে জীবনে ফেস করেনি, তার উপর ভাংতি সেন্টের আশায় মোবাইল সাংবাদিক , টিকটকার , ইউটিউবার ও ভ্লগার পর্যন্ত উনার পিছু ছাড়ছেনা। একজন ঠেলে নিয়ে বললেন, এই যে উনারা সবাই আপনার রামিসা। আর উনিও আপ্লুত হয়ে ছোট মেয়েটার গালে আদর করে বসলেন,আরেকটা মেয়ের গালে গাল লাগালেন,এরপর বুঝা গেলো আসলে সবাই রামিসা না। উনার লিমিট ক্রস করা ঠিক হয়নি কিন্তু আপনি কি বুঝতে পারছেন এই লোকটা তার আদরের মেয়ের দ্বিখণ্ডিত দেহ দেখেছে যার মাথা আরেকজনের হাতে ছিলো। আপনারা তো তাকে কোন স্পেস ই দেন নাই গ্রীফের জন্য। সে তো এসব দেখে অভ্যস্ত না।

গ্রিফ স্বাভাবিক মানবিক প্রতিক্রিয়া। সবাই একইভাবে এটি অনুভব করে না, আর এর নির্দিষ্ট সময়সীমাও নেই।

মনোবিজ্ঞানে গ্রিফের কয়েকটি সাধারণ ধাপ নিয়ে কথা বলা হয়:

1. অস্বীকার (Denial)
2. রাগ (Anger)
3. দরকষাকষি/মনে মনে সমঝোতা খোঁজা (Bargaining)
4. বিষণ্ণতা (Depression)
5. মেনে নেওয়া (Acceptance)

কেউ কেউ তো এটুক দেখে বলে ফেলছেন, উনার বাবা জড়িত থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন উনার কোন কৃতকর্মের ফল নয় তো রামিসা হত্যা!!

মানে কোন লেভেলের ইতর আপনারা। মূল পয়েন্ট কে ফোকাস না করে ভিন্ন পয়েন্টে চলে যাচ্ছেন,আপনার আলোচনার বিষয় কিন্তু এটা না এখন।

কেউ কেউ বলছেন, টাকা পেয়ে উনি হাসছেন।আচ্ছা ,উনার কি টাকা পেয়ে রেগে যাওয়া উচিত ছিলো? ফেসবুকে এসি রুমে বসে বসে লিখা সহজ, সত্যিকার অর্থে উনার এখন টাকা প্রয়োজন। টাকা ছাড়া কেউ কাজ করেনা ক্যামেরার আড়ালে। দুদিন পর এমনিতেও তাদের আর কেউ ডাকবেনা,কিন্তু এটা লম্বা জার্ণি। সো বিপদের দিনে কেউ যদি টাকা দেয় ও সে তো একটা কৃতজ্ঞতার হাসি দিতেই পারে তাইনা? সে তো বলেনাই যে বিচার লাগবেনা,সে বার বার ই বলছে শুধু রামিসার না দেশে যেন এটার আর পুনরাবৃত্তি না হয়।

কেউ কেউ বলছেন সে কাদছেনা কেন। ভাই সে এখনো denial phase এ। আমার ছোট বোনের বাচ্চা মারা যাওয়ার পর আমি দেখেছি সে নিজে কিভাবে জোরে জোরে কালিমা পড়েছে, বাচ্চাকে গোসল করিয়েছে চোখে এক ফোটা পানি ফেলা ছাড়া অথচ আমি এত জোড়ে কাদছি যে আমার কান্না শুনে আশেপাশের দূর দূরান্তের মানুষ বাড়ি চলে এসেছিলো , তার মানে কি মায়ের চেয়ে আমার শোক বেশি ছিলো?

আমার আব্বা লাইফ সাপোর্টে আমার সামনে যখন কোমায় চলে যায় , সিপিয়ার , ডিফিব্রিলেশন , ভেন্টিলেশন সব দেখে বের হয়ে অনেক কেঁদে লোক জড়ো করে ফেলেছি কিন্তু মারা যাওয়ার পর আমার এক ফোটা পানি চোখে আসেনি। একদম মাথা এমন লাগছিলো মনে হচ্ছিলো যেন আমি অন্য এক জগতে। আমি শুধু খেতে চেয়েছি, আমার চোয়াল লেগে যাচ্ছিলো , শক্ত হয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু আমি কাঁদতে পারিনাই। আমার ছোট মামা আর মামী আমাকে জড়ায় ধরতেছিলো বলতেছিলো অনেক কিছু যাতে আমি কাঁদি। কিন্তু আমার কোন কান্না আসেনি।

আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আমি আমার ফুপুকে পাগলের মত জড়ায় ধরে রাখছি কারন আমার আব্বার সাথে ফুপুর চেহারার অনেক মিল।

তার মানে কি আমার শোক নেই? কান্না এসেছিলো পরে, এবং সবাই চলে যাওয়ার পর প্রসেস করতে পেরেছিলাম যে আব্বা মারা গেছে ,এরপর সেই উইকে ৩ বার হসপিটালাইজড হই। এরপর থেকে এমন কোন দিন নাই আমি আব্বার জন্য কাঁদিনি। ৮ মাস হয়ে গেছে আব্বা নাই, এখন আমি acceptance phase এ।

আব্বা মারা যাওয়ার পর প্রথম ঈদ ছিলো গত রোযার ঈদ। আব্বার জন্য প্রতি ঈদে পাঞ্জাবি কিনতাম,সেবার ও কিনেছি। আব্বার এক বন্ধুর কাছে পাঞ্জাবি নিয়ে গিয়েছি, অনেকটা আব্বার মতই কথাবার্তা উনার। উনার কাছে যতক্ষণ বসেছি ট্রাস্ট মী আমার এত ইচ্ছা করছিলো উনি যদি আমাকে একটু জড়ায় ধরতো, উঠব উঠব করেও উঠতেছিলাম না এই আশায়, উনি যদি আমাকে একটু বুকে নিতো। আমাদের একজন কাকা বেচে আছেন , আব্বার চাচাতো ভাই। উনাকেও আমি একটি পাঞ্জাবি গিফট করি, শুধু এটা ভেবে যে , কাকা পড়বেন, আব্বার মত লাগবে। সেখানেও দিয়ে আমি অসহায়ের মত তাকিয়ে ছিলাম ,ইশ যদি আমার মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিতো কিংবা যদি একটু বুকে টেনে নিতো। ইয়াতিমের শোক অন্যরকম। এজন্যই বোধ হয় তাদের মাথায় হাত বুলালে এত সওয়াব। রামিসার বাবা এখন ইয়াতিমের মত। সে হয়তবা রামিসার স্পর্শ খুঁজছে। কিন্তু সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারেনাই। উনাকে এটা বুঝার মতো স্পেস ই দেয়া হয়নি।

অতিরিক্ত ক্যামেরা, সারাদেশে আলোচনা , এত এত মহড়ায় উনি এখনো বুঝতেই পারছেন না হয়তো তিনি কি হারিয়েছেন। জাস্ট ১ টা উইক সময় দিন উনাকে , আমি ভয় পাচ্ছি না জানি উনি পাগল হয়ে যায়।

একবার ভাবুন তো আপনার আদরের সন্তান যাকে সকালেও প্রফুল্ল দেখলেন তার মাথা একজন ধরে আছে ,আর নগ্ন বডি নিচে পরে আছে! মানে লিটারেলি কুরবানীর গরুর চাইতেও বেশি ছিলো বিষয়টা। কুরবানীর গরুর ও মাথা এভাবে বিচ্ছিন্ন হতে দেখিনি আমি।উনি সেই বাবা , উনাকে বিষয়গুলো প্রসেস করতে দিন। সব কিছু এত দ্রুত জাজ করিয়েন না। এই সিচুয়েশনে কোন নরাধমের ও ব্যাড টাচ মাথায় আসার কথা না।

উনাকে কয়টা দিন রেহাই দেন। ক্যামেরাটা বন্ধ করেন দয়া করে।

এ পর্যন্ত উনার ব্যক্তিগত পরিচিত যত জনের সাথে কথা বলেছি সবাই বললেন উনি আগাগোড়া নিপাট ভদ্রলোক। উপর ওয়ালা ভালো জানেন বাট এই মূহুর্তে উনাকে একটু একা থাকতে দেন।

- pure promise by noor

23/05/2026

Maharaja শুধু একটা রিভেঞ্জ থ্রিলার না। এই সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, এটা ধর্ষণকে “শক ভ্যালু” হিসেবে ব্যবহার করেনি। বরং দেখিয়েছে, একটা জঘন্য অপরাধ কিভাবে একটা পরিবারকে ভিতর থেকে ভেঙে দেয়, আর একজন সাধারণ মানুষকে অমানুষিক রাগের জায়গায় নিয়ে যায়।

পুরো সিনেমায় বিজয় সেতুপতির চরিত্রটা খুব চুপচাপ। সে চিৎকার করে না, হিরোগিরি দেখায় না, বড় বড় ডায়লগও দেয় না। কিন্তু তার চোখের ভিতরের ক্ষোভ, অপরাধবোধ আর অসহায়ত্বই আসল ভয়ংকর জিনিস। এই সংযত অভিনয়ের কারণেই ক্লাইম্যাক্স এত বেশি আঘাত করে।

মুভিটার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো, “ন্যায়বিচার” আর “প্রতিশোধ”-এর মাঝের লাইনটা ইচ্ছা করে ব্লার করে দেওয়া। দর্শক হিসেবে আপনি বুঝবেন আইন হয়তো সবসময় ভিক্টিমের ট্রমা বুঝতে পারে না। আর সেই জায়গা থেকেই মহারাজা এমন এক প্রতিশোধ দেখায়, যেটা শুধু রাগ না, একটা বাবার ভেঙে পড়া মানসিক অবস্থার বহিঃপ্রকাশ।

ধর্ষকের শাস্তির অংশটা এত satisfying লাগে কারণ সিনেমা আগে আপনাকে ভিক্টিমের কষ্ট অনুভব করায়। তাই শেষে যখন শাস্তি আসে, সেটা শুধু “ভিলেন মারা গেল” টাইপ মুহূর্ত থাকে না, বরং মনে হয় একটা জমে থাকা দমবন্ধ যন্ত্রণা বিস্ফোরিত হলো।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, সিনেমাটা কোনো মুহূর্তে ধর্ষণকে sensationalize করেনি। ক্যামেরা খুব হিসেব করে কাজ করেছে। unnecessary exploitation বা cheap emotion create করার চেষ্টা করেনি। এই maturity টা এখনকার অনেক থ্রিলারে দেখা যায় না।

অনুরাগ কাশ্যপের চরিত্রটাও interesting। সে একেবারে typical villain না। তার ভিতরে একটা twisted humanity আছে, যেটা শেষের revelation-কে আরও disturbing বানায়। কারণ তখন শাস্তিটা শুধু অপরাধীর জন্য না, তার নিজের পাপের মুখোমুখি হওয়ার জন্যও হয়ে দাঁড়ায়।

সব মিলিয়ে, Maharaja এমন একটা সিনেমা যেটা violence দেখিয়ে হাততালি নিতে চায় না। এটা trauma, guilt আর revenge-এর emotional weight অনুভব করায়। আর সেই কারণেই এর punishment arc এত powerful লাগে।

Photos from Screen Kotha's post 23/05/2026

Aishwarya Rai at 52. Preity Zinta at 51.

কি ভাবছেন? এতো বৈষম্য কিভাবে? যাস্ট ফিটনেস ধরে রাখাটাই কঠিন। অনেকেই বলছেন Ash মা হবার পরই এতো মুটিয়ে গিয়েছেন, কিন্তু বিষয়টা কতটুকু যৌক্তিক?

বলিউডে এমন অনেক নায়িকা আছেন, যারা মা হবার পর ও নিজেদের ফিটনেস ধরে রেখেছেন। দরকার প্রবল ইচ্ছেশক্তি। অনেকদিন আগে একটা লিখা পড়েছিলাম, যে ঐশ্বরিয়ার নাকি হরমোনাল সমস্যা আছে, তার মেয়ের এমন গ্রোথ তাই সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছেন না।

যাই হোক Cannes এর লাল গালিচায় Ash হাঁটলেন ঠিকই কিন্তু আগের জৌলুস কি আছে? দর্শক ই ভালো জানেন।

22/05/2026

Absolute banger from zayed khan ❣️

22/05/2026

স্ত্রী লাবন্য দাশকে ছেড়ে 'বনলতা সেন' সহ একাধিক নারী, সৌন্দর্যে আসক্ত কিনা জীবনানন্দ তা জানা যাবে এই ঈদে মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের 'বনলতা সেন' থেকে।

22/05/2026

ভালোবাসার গল্প মানেই সবসময় বড় বড় ডায়লগ বা চকমকে সিনেমা না। কিছু সিনেমা আছে, যেগুলো একদম চুপচাপ হৃদয়ে ঢুকে যায়। শেষ হওয়ার পরও অনেকক্ষণ মাথার ভেতর ঘুরতে থাকে কিছু দৃশ্য, কিছু অনুভূতি, কিছু না বলা কথা... 🎬

Underrated Love Story Movies You Should Watch ❤️

1. 96 | ⭐ IMDb 8.5 | 🌐 Tamil | 💔 নস্টালজিক রোমান্স

স্কুল জীবনের দুই মানুষ, বহু বছর পর আবার মুখোমুখি। সময় বদলে গেছে, জীবন বদলে গেছে, কিন্তু কিছু অনুভূতি কখনো পুরোনো হয় না।এই সিনেমা শুধু প্রেম না, এটা অপূর্ণতার সৌন্দর্য শেখায়।

2. Bombay | ⭐ IMDb 8.1 | 🌐 Tamil / Hindi | 🌆 ক্লাসিক ইমোশনাল রোমান্স

ধর্ম, সমাজ আর দাঙ্গার আগুনের মাঝেও দুইজন মানুষ শুধু একসাথে বাঁচতে চেয়েছিল। ভালোবাসা কতটা শক্তিশালী হতে পারে, Bombay সেটা খুব নির্মম অথচ সুন্দরভাবে দেখায়।

3. Premalu | ⭐ IMDb 7.8 | 🌐 Malayalam | 😊 Feel-Good Rom-Com

জীবন নিয়ে কনফিউজড এক ছেলের হঠাৎ করেই প্রেমে পড়ে যাওয়ার গল্প।
Simple, funny, relatable... কিন্তু শেষ পর্যন্ত গিয়ে মনটা অদ্ভুত ভালো লাগায় ভরে দেয়।

4. Hridayam | ⭐ IMDb 8.1 | 🌐 Malayalam | 🎓 Coming-of-Age Romance

কলেজ লাইফ, বন্ধুত্ব, প্রথম প্রেম, হারিয়ে ফেলা মানুষ আর বড় হয়ে ওঠার গল্প।Hridayam এমন একটা সিনেমা, যেটা দেখলে নিজের জীবনের কিছু মুহূর্ত হঠাৎ মনে পড়ে যায়।

কিছু সিনেমা শুধু দেখা হয় না... অনুভব করা হয়। আর এই চারটা সিনেমা ঠিক সেরকমই। ❤️✨

22/05/2026

রকস্টার এ এই মেয়েটিই সুনিধি নায়েক, অর্ণব এর স্ত্রী। দুুুর্দান্ত রবীন্দ্র সংগীত গায়। পশ্চিমভঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীতে স্নাতকোত্তর পড়েছেন। সুনিধি একজন পেশাদার এসরাজ বাদক, দখল আছে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতে; মডেলিংও করেন।

সুনিধি আসামের মেয়ে। শান্তিনিকেতনে পড়তে এসেই রবীন্দ্র প্রেম, আর রবীন্দ্রপ্রেম থেকেই অর্ণবের সাথে প্রেম। শান্তিনিকেতনে (বিশ্বভারতী) আয়োজিত ‘রবি অ্যান্ড র‌্যাবি’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে সুনিধির কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন অর্ণব; সেই থেকে পরিচয়।

সৃজিত মুখার্জী প্রথম অর্ণব ও সুনিধির বিয়ের খবর দিয়েছিলেন- সৃজিত অর্ণব-সুনিধি ও মিথিলার সঙ্গে একটি ছবি দিয়ে লিখেছিলেন, ‘হারিয়ে গিয়েছো, এইতো জরুরি খবর। এরপর জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে অর্ণবের বিয়ের রেজিস্ট্রি হয়েছে।

সুনিধিকে একবার দুর্বৃত্তরা ‘হায়দরাবাদের সিবিআই’ পরিচয় দিয়ে ভিডিও কলের মাধ্যমে তাকে হুমকি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন, হত্যার হুমকীও দিয়েছিল। ২০২৪ সালে ১২ সেপ্টেম্বর বাধ্য হয়ে দুর্বৃত্তদের কাছে ৫ লাখ টাকা পাঠিয়ে দেন সুনিধি। টাকা পেয়েই দুষ্কৃতিরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পারার সাথে সাথেই গভীর রাতে স্থানীয় বন্ধুদের মাধ্যমে থানায় অভিযোগ করেন সুনিধি।

২০২৫ এর জুলাই যুক্তরাষ্ট্র এর ১২ টি কনসার্টের ট্যুর শেষ করে প্রথম আলোকে সুনিধ জানিয়েছিল সম্প্রতি 'পালাবে কোথায়' শিরোনামে একটি নতুন গান প্রকাশ করেছেন। ছয় বছর আগে তিনি নিজে তীব্র ডিপ্রেশন ও অ্যাংজাইটি তে ভুগেছিলেন এবং পরবর্তীতে মাকে হারিয়ে তাঁর এই সমস্যা আরও বাড়ে। সেই কঠিন সময়কে জয় করার অভিজ্ঞতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই মূলত তিনি এই গানটি তৈরি করেছেন। সুনিধি জানান, বর্তমান প্রজন্মের (জেন-জি) শ্রোতারা ইলেকট্রনিক মিউজিক পছন্দ করে। তিনি নিজেও এটি পছন্দ করেন এবং তাঁর লক্ষ্য থাকে রবীন্দ্রসংগীতও যেন এমনভাবে উপস্থাপন করা যায় যা নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের ভালো লাগবে। কমেন্টে তার গানে একটি ভিডিও ‍দিলাম।

এই গুণী শিল্পী শাকিবের সিনেমায় - চেনাজানা মহলে বেশ বড় একটা ধাক্কা দিয়েছে বৈকি। তার এই পথচলা সফল ও আনন্দের হোক।

- মীর তকি

22/05/2026

Mithila কে “Rockstar” এ কাস্ট করা নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে, সেটা পুরোপুরি অযৌক্তিকও না, আবার একেবারে unfair-ও না। কারণ Shakib Khan এর commercial image আর Mithila’র screen personality একেবারেই দুই ধরনের।

Shakib Khan এখন যে phase এ আছে, সেখানে audience তাকে larger than life hero হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত। তার সিনেমায় glamour, intensity, mass appeal এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে Mithila বরাবরই more controlled, intellectual আর realistic অভিনয়ের জন্য পরিচিত। তাই প্রথমে এই pairing অনেকের কাছে “odd choice” লাগাটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু এখানে একটা interesting দিক আছে। বাংলা সিনেমায় অনেক সময় একই ধরনের heroine repeat হতে হতে audience ক্লান্ত হয়ে যায়। সেই জায়গা থেকে Mithila নতুন flavour আনতে পারে। তার dialogue delivery খুব natural, facial expression subtle, আর camera সামনে খুব composed লাগে। যদি “Rockstar” শুধু typical action-romance না হয়ে emotional layered কিছু হতে চায়, তাহলে Mithila smart casting হতে পারে।
তবে criticism এর জায়গাটাও valid। বড় পর্দার commercial chemistry খুব আলাদা জিনিস। Mithila’র মধ্যে classy elegance আছে, কিন্তু mainstream commercial heroine-এর যে explosive screen energy audience expect করে, সেটা তার persona’র সাথে পুরোপুরি যায় না। অনেকেই মনে করছে Shakib এর intense mass aura’র পাশে তিনি একটু too soft বা understated লাগতে পারেন।

আরেকটা ব্যাপার হলো, বাংলাদেশের audience এখনও heroine casting নিয়ে খুব appearance-driven mindset থেকে পুরো বের হতে পারেনি। তাই teaser বা still দেখে অনেকে acting analysis এর চেয়ে “looks match করছে কিনা” এটা নিয়েই বেশি কথা বলে। Social media criticism এর বড় অংশ সেখান থেকেই আসছে।

কিন্তু honestly, risky casting সবসময় খারাপ না। অনেক iconic pairing প্রথম announcement এ troll হয়েছিল। পরে chemistry আর performance দিয়েই audienceকে convince করেছে। এখন আসল ব্যাপার হবে director Mithila কে কীভাবে present করেন। Strong writing আর proper character arc থাকলে তিনি surprise package হতে পারেন।

সব মিলিয়ে, এটা safe commercial casting না, but potentially refreshing casting। সফল হলে মানুষ বলবে Shakib Khan নিজেকে repeat না করে নতুন কিছু try করেছে। আর ব্যর্থ হলে criticism পুরোটা গিয়ে পড়বে Mithila’র উপর, যদিও responsibility আসলে screenplay আর direction-এরও থাকে।

Want your business to be the top-listed Home Improvement Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka