BForBiswas

BForBiswas

Share

24/06/2025

পার’মা’ণবিক অ’স্ত্রে’র ভয়াবহতা বুঝতে গেলে ৮০ বছর পেছনে তাকাতে হয়। ইতিহাসে মাত্র দু'বার যু’দ্ধের জন্য এই অ’স্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে—হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে। মাত্র দু’টি বোমায় ২ লাখের বেশি মানুষের মৃ’ত্যু হয়েছিল। বেঁচে যাওয়া হাজারো মানুষ আজীবন শরীর ও মনের ক্ষত নিয়ে বেঁচেছেন।

২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে এখনো পৃথিবীতে ১২ হাজারেরও বেশি পা’র’মা’ণ’বিক ওয়ারহেড রয়েছে। অর্থাৎ, এর ব্যবহারের সম্ভাবনা থেকেই যায়। সুতরাং, যদি কখনো সত্যি এমন কিছু ঘটে, তাহলে কী হতে পারে—তা জানা জরুরি।

ধরা যাক, একটি ১ মেগাটন ক্ষমতার বো’মা বি’স্ফোরিত হলো। হিরোশিমার লিটল বয় এর তুলনায় এটা প্রায় ৮০ গুণ বেশি শক্তিশালী। আবার আধুনিক কিছু বো’মার তুলনায় এটা মাঝারি মাত্রার।

বি’স্ফোরণ হতেই যেটা প্রথম ধাক্কা দেবে তা হলো তাপ আর আলো। আলো ও তাপ এতটাই তীব্র হবে যে, যারা বি’স্ফোরণের ২০ কিমি দূরেও থাকবে, তারা কয়েক মিনিটের জন্য চোখে অন্ধকার দেখতে পাবে। আর যদি রাত হয়, তবে সেই দূরত্ব বেড়ে ৮৫ কিমি পর্যন্তও যেতে পারে।

১১ কিমি পর্যন্ত হালকা পোড়া, ৮ কিমির মধ্যে ত্বক গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হতে পারে। তবে এসব নির্ভর করে আবহাওয়া কেমন, আপনি কী রঙের কাপড় পরেছেন, এমনকি আশপাশে কী ধরণের ভবন বা গাছপালা রয়েছে। যদিও যারা বিস্ফো’রণের একেবারে কাছাকাছি, তাদের জন্য এসব কিছুই কাজে আসবে না।

কারণ বিস্ফো’রণের কেন্দ্রে তাপমাত্রা এতটাই ভয়াবহ—প্রায় ১০ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপ সূর্যের কেন্দ্র থেকেও ৫ গুণ বেশি। এতো তাপ একজন মানুষকে এক নিমিষে গলিয়ে দিয়ে কার্বন বা মৌলিক কণায় পরিণত করে দিতে পারে।

তাপের পরে আসে দ্বিতীয় ধাক্কা—ব্লাস্ট ওয়েভ। এই বিস্ফো’রণ বাতাসকে চারদিক থেকে ধাক্কা দিয়ে ছড়িয়ে দেয়। হঠাৎ চাপের এই পরিবর্তনে ৬ কিমির মধ্যে ভবন ভেঙে পড়বে, বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ২৫৫ কিমি।

যদি কেউ এসব কিছু পেরিয়েও বেঁচে যায়, তখন সামনে আসে তেজস্ক্রিয়তার বিপদ। হিরোশিমা আর নাগাসাকির বো’মাগুলো ভূমির উপর ফাটানো হয়েছিল, ফলে তেমন ফলআউট হয়নি। কিন্তু যদি বি’স্ফোরণ ভূমিতে হয়, তার ফলাফল হবে আরো ভয়াবহ। বিকিরণে দূষিত ধূলিকণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়বে। শরীরে ঢুকলে ক্যা’ন্সার, শারীরিক ক্ষতি, এমনকি প্রজন্মগত সমস্যা হতে হবে।

২০১৯ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়—যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ পা’রমা’ণবিক যুদ্ধ হলে পৃথিবী ঢুকে যাবে ‘নিউ’ক্লিয়ার উইন্টার’ এ। ধোঁয়া ও ছাই বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ায় সূর্যের আলো আটকে যাবে, খাদ্য সংকট হবে, শুরু হবে বৈশ্বিক দুর্ভিক্ষ। সম্প্রতি আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিউ’ক্লিয়ার টেস্ট থেকে সৃষ্ট রেডিওঅ্যাকটিভ কার্বনের চিহ্ন পাওয়া গেছে পৃথিবীর গভীরতম খাদ মারিয়ানা ট্রেঞ্চে।

এখন পর্যন্ত যা বললাম, তা কোনো সাই-ফাই গল্প নয়—এটাই নির্মম বাস্তবতা। আমরা সৌভাগ্যবান, কারণ এখনো পর্যন্ত পৃথিবী এমন কোনো সর্বনাশা পা’রমা’ণবিক যু’দ্ধের মুখোমুখি হয়নি। ভবিষ্যতে কি হবে জানি না। (Bigganneshi - বিজ্ঞান্বেষী)

তথ্যসূত্র: সায়েন্স এলার্ট

19/06/2025

পৃথিবীর সকল দেশে পারমাণবিক বোমা নিষিদ্ধ হোক,,
কি ঘটতে যাচ্ছে, কোন ধারণা নেই আমাদের,তবে ভালো কিছু হচ্ছে না।

পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের প্রথম ৬০ সেকেন্ডের টাইমটেবিল
প্রথম সেকেন্ড (০-১ সেকেন্ড):

বোমা ফাটলে একটি তীব্র ঝলক (flash of light) দেখা যায় - এতটাই তীব্র যে চোখ সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে যেতে পারে (permanent blindness)।
তাপমাত্রা ১০ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত - সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়েও বেশি গরম।
বিস্ফোরণ কেন্দ্রে (Ground Zero) যা কিছু থাকে সব বাষ্পীভূত (vaporized) হয়ে যায় - মানুষ, দালান, গাড়ি, সবকিছু।
২-৩ সেকেন্ড:

একটি বিশাল আগুনের গোলা (fireball) তৈরি হয়, যা দ্রুত আকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
১-২ কিলোমিটারের মধ্যে যা কিছু থাকে, তা সম্পূর্ণ পুড়ে যায় - তৃতীয়-মাত্রার পোড়া (third-degree burns) প্রায় তাৎক্ষণিক।
৫-১০ সেকেন্ড:

শকওয়েভ (shockwave) নির্গত হয় - বাতাসের শক্তিতে বিল্ডিং ভেঙে পড়ে, দেয়াল ভেঙে যায়, মানুষ অনেক দূরে ছিটকে যায়।
৩-৪ কিলোমিটারের মধ্যে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে, শ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।
১০-৩০ সেকেন্ড:

সব দিকে সুপারসোনিক ব্লাস্ট ওয়েভ (supersonic blast wave) ছড়িয়ে পড়ে - ১৫০০+ কিমি/ঘণ্টা বেগে বাতাসের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে।
কাঁচের টুকরা, ধ্বংসাবশেষ এবং আগুনের শিখা মানুষকে আহত করতে থাকে।
৩০-৬০ সেকেন্ড:

বিকিরণ (Initial nuclear radiation) নির্গত হয় - যারা ১-১.৫ কিলোমিটারের মধ্যে আছেন, তাদের তীব্র বিকিরণ থেকে মারাত্মক বিকিরণ অসুস্থতা (radiation sickness) হতে পারে।
আগুন এবং ফায়ারস্টর্ম (firestorm) শুরু হয় - বহু বর্গ কিলোমিটার জুড়ে।
এবং এর পরে?
কয়েক মিনিটের মধ্যেই গুরুতর বিকিরণ ছড়াতে শুরু করে - বাতাস থেকে, ধুলো থেকে, বৃষ্টি থেকে।
ব্ল্যাক রেইন (Black Rain): বিষাক্ত ছাই এবং তেজস্ক্রিয় কণা ভরা বৃষ্টি শুরু হতে পারে।
হাজার হাজার নয়, লক্ষ লক্ষ প্রাণ এক দিনেই চলে যেতে পারে - এবং এর প্রভাব বছরের পর বছর ধরে থাকবে।

Photos from BForBiswas's post 19/06/2025

Newborn 🎆❤️

13/06/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে। পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি

বিঃদ্রঃ
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

09/06/2025

সর্বসাধারনের জন্য সতর্ক বার্তা।।
COVID-Omicron XBB অতীতের থেকে আলাদা কারণ এটি মারাত্মক এবং সনাক্ত করা সহজ নয়, তাই সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১। নতুন COVID-Omicron XBB এর লক্ষণগুলি হল:

i). কাশি নেই।
ii). জ্বর নেই।
বেশিরভাগ লক্ষণগুলি নিম্নরূপ।

iii). জয়েন্টে ব্যথা।
iv). মাথাব্যথা।

v). গলা ব্যথা।
vi). পিঠে ব্যথা।

vii). নিউমোনিয়া।
viii). ক্নাটকীয়ভাবে ক্ষুধা হ্রাস পেয়েছে।

২। এছাড়াও, COVID-Omicron XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৫ গুণবেশি বিষাক্ত এবং এর মৃত্যুর হারও বেশি।

৩। অতি অল্প সময়ের মধ্যে লক্ষণগুলি অত্যন্ত তীব্র হয়ে উঠবে এবং স্পষ্ট লক্ষণগুলির অনুপস্থিতিতেও পরিবর্তন ঘটবে।

৪। তাই আপনাকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

* এই রূপটি তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে এটি সরাসরি ফুসফুসের "জানালা" প্রভাবিত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখাতে শুরু করে।

৫। COVID-Omicron XBB-তে সংক্রামিত অল্প সংখ্যক রোগীকে জ্বর-মুক্ত এবং ব্যথা-মুক্ত হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, তবে এক্স-রে তে হালকা নিউমোনিয়া দেখা যায়।
এছাড়াও, নাকের গহ্বরের মধ্য দিয়ে তুলার সোয়াব পরীক্ষা করে COVID-Omicron XBB নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল পরীক্ষার সময় মিথ্যা নেতিবাচক পরীক্ষার উদাহরণ বাড়ছে।
তাই এই ভাইরাসটি খুবই ধূর্ত। এর ফলে, ভাইরাসটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। সরাসরি মানুষের ফুসফুসকে সংক্রামিত করে, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করে।
এটি ব্যাখ্যা করে যেকোন COVID -Omicron XBB এত সংক্রামক এবং মারাত্মক হয়ে উঠেছে*

৬। যতটা সম্ভব জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গায় এমনকি ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্কের উপযুক্ত স্তর পরুন এবং লক্ষণ ছাড়া কাশি বা হাঁচি না দিলে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন।

এই COVID-Omicron XBB "WAVE" প্রথম COVID-19 মহামারীর চেয়েও মারাত্মক।

* অতএব, বিচক্ষণ, বৈচিত্র্যময় এবং নিবিড় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।

অনুগ্রহ করে আপনার আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের যতটা সম্ভব বলুন।

নিরাপদ থাকার জন্য বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরতে ভুলবেন না।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka