Medical Tips & Tricks
05/05/2017
বিয়ের পর নব দম্পতিদের যে কথাগুলো মেনে চলা উচিত :
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
তরুণ দম্পতিরা বয়সের কারণেই অনেক বেশি উচ্ছল হয়ে থাকেন, জীবনটাকে উপভোগও করতে পারেন বেশি। কেননা পরস্পরের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারেন তারা।আবার বয়স কম হবার কারণে জীবনের অনেক কিছুই খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে নিতে পারেন। তবে হ্যাঁ, কমবয়সী দম্পতিদের ক্ষেত্রে কিছু ব্যাপার মনে রাখা খুবই জরুরি। কিছু ভুল করার কারণে জীবনের নানান পর্যায়ে সম্পর্ক নিয়ে চলে টানাপোড়ন।
জেনে নিন কোন ১০টি কাজ করলে জীবনটা হবে অনেকটাই সহজ-
১) বিয়ে করেছেন বলেই হুট করে বাচ্চা নিতে যাবেন না। হ্যাঁ, পরিবার থেকে চাপ দেবে। কিন্তু বুঝেশুনে পরিবার পরিকল্পনা করুন। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, নিজেদের আর্থিক বিষয়টিও মাথায় রাখুন। সব মিলিয়ে সন্তান তখনই নিন যখন আপনারা তৈরি।
২) কম বয়সে আবেগ বেশি থাকে, ফলে দেখা যায় একটু মনোমালিন্য থেকেই বিশাল ঝগড়া হয়ে যায়। এই ব্যাপারটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নিজেদেরই। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বারবার ঝগড়া করতে থাকলে সম্পর্কে তৈরি হবে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা।
৩) ঝগড়া হতেই পারে, কিন্তু সেটা নিজেদের মাঝেই রাখবেন। অল্প জিনিসে অস্থির হয়ে পরিবার ও বন্ধুদের ডেকে বিশাল একটা কাহিনী করে ফেলবেন না। কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়া বা ডিভোর্স দেয়ার হুমকিও দেবেন না।
৪) নিজেদের আর্থিক পরিকল্পনা করুন খুব বুঝেশুনে। কতটা খরচ করতে পারবেন আপনারা, আপনাদের উপার্জন কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় ইত্যাদি সমস্ত ব্যাপারই দুজনে আলোচনা করা সিদ্ধান্ত নিন। জীবন তো পড়েই আছেন এমন চিন্তাভাবনা করবেন না।
৫) সঞ্চয় শুরু করুন এখনই। এতে কোনোভাবেই দেরি করবেন না।
৬) বিয়ে করেছেন বলেই শিক্ষা জীবনে ঢিলেমি দেবেন না। উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের পর্বটি অবশ্যই সমাধা করুন।
৭) যারা বিদেশে সেটেল হতে চান, তারা বিয়ের পর থেকেই চেষ্টা করুন। এবং সন্তান নেয়াসহ জীবনের অন্য সব বড় পরিকল্পনাও সেভাবেই করুন।
৮) আপনারা তরুণ দম্পতি বিধায় মুরুব্বি অনেকেই আপনাদের সম্পর্কে নাক গলাতে আসবেন, যা হতে দেবেন না।
৯) কম বয়সে মন অন্যদিকে চলে যেতেই পারে। অন্য কাউকে আকর্ষণীয় মনে হওয়া, ফেসবুকে বা অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় দেয়া, বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুদের সাথে অধিক মেলামেশা। এই সমস্তই কঠোর হাতে দমন করুন।
১০) অস্থির অবস্থায় বা আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। হুট করে অনেক বেশি খরচও কখনো করে ফেলবেন না।
05/05/2017
মাসিক হবার পর, সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে? :
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
মেয়েদের মাসিকের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকাই ভালো। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে জানা যায় মাসিক হওয়ার ৭ দিন আগে ও পরের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা কম থাকে এবং এর মাঝামাঝি সময়গুলোতে গর্ভ ধারণের সমূহ সম্ভাবনা থাকে।
05/05/2017
সেক্স বা যৌন মিলনে নারীর কিছু কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান:
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
আমাদের দেশের মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক লাজুক। তাদের ছোট ছোট সমস্যাই শেয়ার করতে পারে না আর যৌন সমস্যা হলে তো কথাই নেই। মেয়েদের এমন কিছু কষ্টের কথা নিয়েই আজকের ছোট প্রবন্ধ। বিবাহিত মহিলা ও যারা বিয়ের পায়তারা করছেন তাদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী হবে বলেই মনে করছি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার ব্যাপারে আলোকপাত করা হয়েছে, সমস্যা গুলোকে হালকা দৃষ্টিতে না দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়াই সমীচীন হবে।
০১. যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ
কারণঃ
অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যৌন স্থান ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ( কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ।
চিকিৎসাঃ
পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে, পানি জাতীয় ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত পিচ্ছিল কারক ব্যবহার করে তখন এটি কনডমের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দিতে পারে। রঙ দেয়া, সেন্ট দেয়া ও ফ্লেভার জাতীয় লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তা ইস্ট ইনফেকশন করে শুকনা ভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকের প্রশ্ন হতে পারে, ইস্ট ইনফেকশন কি তার পুরুষ সঙ্গীর শরীরেও ইনফেকশন করতে পারে? উত্তর হবে হ্যাঁ । এটি অনেক কমই হয়, কিন্তু হয়। একই রকম লক্ষণ যেমন- লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, যৌনমিলনের পর অস্বাভাবিক নিঃসরণ হতে পারে। কোন পুরুষের যদি ডায়াবেটিস থাকে, এন্টিবায়োটিক নিতে থাকে অথবা সে তার যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোন কারণে কমে যায় তখন তার আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। খৎনা করা না থাকলেও এর ঝুকি বেড়ে যায়। কারণ এর উপরের চামড়া ভেজা ভেজা অবস্থার সৃষ্টি করে যা ইস্ট বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।
০২. মিশনারি (পুরুষ উপরে থাকা ) পজিশনে যৌন মিলনে সমস্যা হওয়াঃ
শতকরা ২০ ভাগ মহিলার জরায়ু নরমালের উল্টো দিকে থাকতে পারে অর্থাৎ পেটের দিকে না থকে শিরদাঁড়ার দিকে থাকেতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেম্পুন বা ডায়াফ্রাম ব্যবহার করা কষ্টকর হয় কারণ তা জরায়ুর ভেতর পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই নারী উপরে থেকে মিলনে কষ্ট লাঘব হবে। আর মা হতে চাইলে যৌন মিলনের পর পেটের উপর অর্থাৎ উপুড় হয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে তা স্পার্ম কে সাঁতরে জরায়ুমুখে যেতে সাহায্য করবে।
০৩. যৌন চাহিদা কমে যাওয়াঃ
মেনোপজের কাছাকাছি বয়সের মহিলাদের এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা। মেনোপজের আগে ইস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল কমে যায়। লুব্রিকেশনের অভাবে ব্যথা ও ব্যথা থেকে আগ্রহ কমে যাওয়া এর প্রধান কারণ।
চিকিৎসাঃ
এমনটা হলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবেন।
০৪. যৌন মিলনের পর প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াঃ
কারণঃ
চাপে ঘষা লেগে মূত্রনালিতে ইরিটেশন হলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মিলন আর যৌন স্থানের শুষ্ক ভাবও এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ। প্রস্রাব নালীতে ইনফেকশন হলেও এই সমস্যা হতে পারে। যদি প্রস্রাব যৌন স্থানে লাগার পর জ্বালাপোড়া হয় তবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মুত্রথলি খালি হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা বাড়তে থাকলে মুত্রথলি ইনফেকশনের ব্যাপারেই সন্দেহ বেড়ে যায়।
চিকিৎসাঃ
যৌন মিলনের পর বাথ টাব ভর্তি কুসুম গরম পানিতে বসে থাকলে ব্যথা কমতে পারে। তাছাড়া পিচ্ছিল কারক ব্যবহারেও মাঝে মাঝে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যদি এসব কিছুতেই লাভ না হয় তাহলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন কারণ তখন কারণটা ইনফেকশনের দিকেই বেশি ইঙ্গিত করে। পানি বেশি পান করলে পিচ্ছিলতা ও ইনফেকশন থেকে মুক্তি দুইটা জিনিসেই উপকার পাওয়া যায়।
০৫. যৌনমিলনের পর তীব্র দুর্গন্ধ ও চুলকানিঃ
কারণঃ
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এমন হতে পারে। নতুন বা একাধিক মিলন সঙ্গীর কারণে এমন হতে পারে। যৌন স্থানের ভেতরে কিছু দেয়া থাকলে ( যেমন চিকিৎসার জন্যে বা রোগ নির্ণয়ে কোন কিছু ব্যবহার করা হলে ) তা থেকেও হতে পারে। এর পাশাপাশি ইনফেকশনের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন অস্বাভাবিক নিঃসরণ, জ্বালাপোড়া। চিকিৎসা না করা হলে ডেট এর আগেই ডেলিভারি হওয়া, স্বল্প ওজনের বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।
চিকিৎসাঃ
আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবেন।
শেষ করার আগে একটা ছোট্ট টিপস দিতে চাই। অনেকেই মনে করেন পিল খেলে মোটা হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। দীর্ঘ দিন ব্যবহারের জন্যে পিলের উপরে কিছু নেই। আর নতুন বাজারে আসা পিল গুলোর সাইড ইফেক্ট-ও কম। কনডম ছিড়ে গিয়ে লিক করতে পারে। সেইফ পিরিয়ড মেনে যৌন মিলন শুধু রেগুলার পিরিয়ড হওয়া মেয়েদের জন্যেই কার্যকরী। তাও সেইফ থেকে ঠিক আনসেইফ পিরিয়ড হওয়ার সময়-ও ভুলবশত গর্ভধারণ হয়ে যেতে পারে কারণ এতটা হিসেব মেনে সেইফ আনসেইফ বের করা সম্ভব হয় না আর জরায়ুর ভেতরে জন্মনিয়ন্ত্রক ডিভাইস রেখে দিলে তার সাইড ইফেক্ট এর তো শেষ নেই। তাই সিদ্ধান্ত আপনার। নিরাপদ থাকুন।
05/05/2017
খাওয়ার সময় প্রচুর পানি নয়:
""""""""""""""""""""""""""""""
খেতে বসে বেশি পরিমাণ পানি না পান করাই ভালো। যদি খেতেই হয়, তবে ছোট ছোট চুমুক দিন গ্লাসে। এতে অল্প অল্প পানি খাদ্যানালিতে খাবারের চলমানতা বজায় রাখবে। কিন্তু অতিরিক্ত পানি পার করার পর অস্বস্তি ও বদহজমের সমস্যা হতে পারে। খাওয়ার পর পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নির্গত হয়। হজমের জন্য এই এসিড অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিন্তু খুব বেশি পানি খেলে এই এসিডের ঘনত্ব কমে যায়। এতে হজমের সমস্যা হয়। এ জন্য সম্ভব হলে খাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে ও ঘণ্টাখানেক পর পানি পান করুন।
আজকে আমি আপনাদের ২০ টি সুপার ফুড এবংতাদের সবচে ভাল গুন তুলে ধরব । আসুন জেনে নেই এসব জাদুকরী খাবারের নাম এবংতাদের গুণ
১. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি-----ব্লুবেরি
২. ত্বক রক্ষাকারী-----আঙ্গুর
৩. ভুঁড়ি কমানো------বার্লি
৪. ক্যান্সার ফাইটার----কালো শিম
৫. কোলেস্টেরল কমানো----তিল বীজ
৬. হাড় রক্ষাকারী-----পনির
৭. ক্যান্সার ফাইটার----ব্রকলি
৮. খাদ্য আঁশে ভরপুর----আপেল
৯. ব্যায়ামের শক্তি যোগায়----ওটস/ কর্ণ ফ্লেক্স
১০. ব্যায়ামের পরের খাদ্য----পিনাট বাটার
১১. ব্যাথা দূরীকরণে-----আদা
১২. ক্লান্তি নিবারক----চকলেট মিল্ক শেক
১৩. ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই----চিকেন সুপ
১৪. ঘুম আসে না??????-----চেরি ফলের জুস
১৫. আলসার কমাতে----পেঁয়াজ
১৬. আয়রনের ঘাটতি কমাতে-----শিমের বিচি/কলা
১৭. বয়স এর ছাপ কমাতে-----পেয়ারা
১৮. মাংসপেশী বানাতে---পুঁইশাক
১৯. মুখের দুর্গন্ধ দূর-----লেটুস
২০. রক্তবান্ধব----- কেল(রঙ্গিন বাধাকপি)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Dhaka
1208