Dhakar Crime.com
ঢাকা -চট্টগ্রাম ও ঢাকা -সিলেট মহাসড়কে রাতের বাসে যাত্রীদের ডাকাত আতঙ্ক !
রাতের বাসে ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। যাত্রীবেশে বাসে উঠে চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারসহ সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সর্বস্ব ছিনতাই করে নেয় ডাকাত দল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দিনে ডাকাত দলের সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন পেশায় জড়িত থাকে। কেউ গার্মেন্টসে খন্ডকালীন কাজ করে। আবার কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসা করে কেউ অটোরিকশা চালায়। এরাই রাতের বেলা হয়ে ওঠে ভয়ংকর।
বিপদের কথা হলো, ডাকাতির সময় এখন শুধু যাত্রীদের টাকা পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় না তারা। ছুরিকাঘাত এমনকি গুলি করতেও দ্বিধা করছে না। ঘটনার শিকার হয়েও থানা-পুলিশে জড়াতে চায় না অনেক ভুক্তভোগী। অন্যদিকে অনেক সময় মামলা নিতেও গড়িমসি করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
সূত্র মতে, জেলা পুলিশের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের সমন্বয়হীনতার কারণে ভুক্তভোগীরা কোনো ধরনের প্রতিকার পাচ্ছে না। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ক্যাম্প না থাকা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের স্বল্পতার কারণেই বেশিরভাগ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের মতে, মহাসড়কে ডাকাতি রুখতে পুলিশকে আরো দায়িত্বের সঙ্গে তৎপরতা বাড়াতে হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট সড়কটি রাত হলেই মনে হয় ভূতুরে এলাকা। এই সড়কটি বাসে চলাচল করা নারীদের জন্য হয়ে উঠেছে একটি আতঙ্কের সড়ক। পর্যাপ্ত পুলিশি টহল ও অনেক জায়গায় সড়ক বাতি না থাকায় অপরাধীরা এই কাচপুর ব্রিজের সড়কটিই বেছে নিয়েছেন।
সড়ক সংগঠন থেকে জোর নির্দেশনা দেওয়া আছে যে যারা রাস্তা থেকে যাত্রী তোলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর এটি তদারকির দায়িত্ব হাইওয়ে পুলিশের। রাস্তা থেকে যারা যাত্রী উঠায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থায় যেতে হবে। হাইওয়ে পুলিশের চেকপোষ্ট বাড়াতে হবে
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার বলেন, ডাকাতি কিংবা ছিনতাইয়ের পর অনেকেই মনে করে জানে বেঁচে গেছি, শুকরিয়া। এ নিয়ে আর কোনো অভিযোগ করবেন না। আমরা বলতে চাই, ছিনতাই কিংবা ডাকাতির শিকার হওয়ার পর কাছের থানায় অভিযোগ করবেন।
রাতে বাসে ডাকাতির বিষয়ে জানতে চাইলে র্যাব-১১ৱ
( সি ও) বলেন, আমরা সমসময় যেকোন অপরাধ প্রতিরোধে কাজ কৱে আসছি । বিশেষ করে আমাদের কাছে যখন কোন অভিযোগ আসে বা সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারি তাত্ক্ষণিক সেটার বিরুদ্বে ব্যবস্থা নিতে কাজ করি। তিনি আৱও বলেন, ডাকাতি বন্ধেও র্যাব সবসময় তৎপর।
জব্বার নামের এক বাসচালক জানান, রাতের বেলা এই মহাসড়ক দিয়ে বাস চালাতে ভয় করে। কারণ মাঝে মধ্যে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গত ১৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে তিনটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাদানীনগর এলাকায় আল আমিন গার্মেন্টসের সামনে ডাকাতির কবলে পড়েন একজন বিদেশ ফেরত যাত্রী। অপরদিকে গত ২৫ শে সেপ্টেম্বর ভোররাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর এলাকায় ইতালি প্রবাসীর গাড়ি বেরিকেট দিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে'!
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ডাকাতদের সঙ্গে মহাসড়কে চলাচলরত কতিপয় পণ্যবাহী গাড়িচালক ও সহকারীর যোগসাজশ রয়েছে। ওইসব পরিবহনকর্মী পণ্য নিয়ে রওনা দেওয়ার আগেই মোবাইল ফোনে ডাকাতদের তথ্য জানিয়ে দেয়।
হাইওয়ে পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতিতে নতুন কয়েকটি চক্র সক্রিয়। কাচঁপুর সানারপাড় মেঘনা সোনাখালি এলাকায় ডাকাতি বেশি হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে !
পুলিশ সূত্রে কাচঁপুরের ডাকাত বাবুলের নেতৃত্বে তার ভাইগ্মা নুর ইসলাম , আকাশ , নাদিম সেণ্টু সৌরব . কাচপুরের ডাকাত জামান . সাহা. চনপাড়ার মামুন সহ ১০/১২ জনের গ্রুপটি সোনারগাঁও মেঘনা কাচঁপুর ও তার আশপাশ এলাকায় মোটরবাইক দিয়ে রোড ডাকাতি করে এ তথ্য জানা যায় তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে বিভিন্ন থানায় # #
13/09/2024
#কাঁচপুর মাসে আদায় কয়েক কোটি টাকা
#পুলিশের সঙ্গে সখ্য গড়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজ চক্র
#অবৈধ দোকানপাট ও পরিবহণ থেকে তোলা হয় টাকা * # #প্রশাসনের ‘উদাসীনতায়’ দিন দিন আরও নিয়ন্ত্রণহীন এই চক্র
রিপোর্ট :
সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর পুলিশ ও চাঁদাবাজদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে-অভিযোগ এলাকাবাসীসহ ভুক্তভোগীদের। আর নিয়ন্ত্রণহীন ওই সিন্ডিকেট শত শত অবৈধ দোকান ও পরিবহণ খাত থেকে চাঁদাবাজি করে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে কয়েক কোটি টাকা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা সিলেট মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও অভ্যন্তরীণ প্রধান সড়ক গুলোর দুপাশে অবৈধ স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে চলছে এসব চাঁদাবাজি। প্রশাসনের উদাসীনতায় এই অপরাধ দিন দিন বাড়ছে। ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ ও হাইওয়ের পুলিশ ফাঁড়িতে চাঁদাবাজদের অবাধ চলাচলসহ পুলিশের সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ে উঠেছে। ট্রাফিক ও থানা পুলিশের সঙ্গে চাঁদাবাজদের সখ্য থাকার কারণেই তারা আরও বেপেরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
ঢাকা চট্টগ্রাম ঢাকা সিলেট মহাসড়কের মোড় কাচপুর স্ট্যান্ডের বিভিন্ন পরিবহন থেকে সড়কে চিহ্নিত চাঁদাবাজ ,, বাবুল ওরফে ডাকাত বাবুলের নির্দেশে সুজন, রাসেল, রাব্বি আলমগীর, হোসেন জহরা মেম্বারনী, জিয়াউর রহমান জিয়া, জনি,কামরুলের চাঁদাবাজি চলছে প্রকাশ্যে।
এ বিষয়ে কাঁচপুর ইউনিয়নের বিএনপি'র নেতা হাজী সেলিম হক বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ড সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি চলছে। আমরা অতি শীঘ্রই এই চাঁদাবাজ ও মাদক ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবো
তবে এখন সিন্ডিকেট আকারে চলছে নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে। আমরাও চাই এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি শেষ হোক। এমপি, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের ও স্থানীয় প্রবাবশালী নেতাদের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি চলছে যা আমাদের জন্য বিব্রতকর। এক্ষেত্রে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
সরেজমিন দেখা গেছে, কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডের সড়কের দু’পাশ দখল করে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক স্থায়ী-অস্থায়ী দোকান। রয়েছে বাস-লেগুনা, মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং, সিএনজি স্টেশন ও বাজার। এখানে পুলিশের সামনেই হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা ও মিশুক চলছে।
স্থানীয় ডাকাত বাবুল , আকমল খান,সোলেমান,জাফর, মনির হোসেন, সহ কয়েকজন এসব দোকান থেকে চাঁদা তোলেন বলে অভিযোগ। কাচপুর বাসস্টান্ডের মোরের সকল পরিবহন ও ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজির নেতৃত্বে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবুল, তাদের নেতৃত্বে বিভিন্ন শিফটে সড়কে চাঁদা তোলা হচ্ছে। কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ডের সড়কের দু’পাশ ও ওভারপাসের নিচেসহ বসানো হয়েছে শতাধিক দোকানপাটসহ বাজার।
এ বিষয়ে সাবেক কাঁচপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন , আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই বহু বছর ধরে কাঁচপুর বাসস্টান্ড চাঁদাবাজি চলছে যা নিয়ন্ত্রণহীন। স্থানীয় চোর ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট সদস্যরা চেইন আকারে চাঁদাবাজি করছে যা প্রশাসনিক ভাবে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বন্ধ করা সম্ভব।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, কাঁচপুর এলাকায় সড়কের দু’পাশের দোকান থেকে প্রতিদিন পুলিশ ২শ থেকে ৪শ টাকা আদায় করে। অস্থায়ী দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে দৈনিক ৫০ থেকে ১৫০ টাকা, ফলের দোকান থেকে দেড়শ টাকা আদায় করা হয়। স্ট্যান্ড থেকে পুলিশ বক্স থেকে হাইওয়ে পুলিশ থানা পর্যন্ত ৪ শতাধিক দোকান রয়েছে সড়কের দু’পাশে। এখানে চা, পান-সিগারেটের দোকান থেকে মাসিক টাকা আদায় করে পুলিশ। সড়কের ফুটপাত গুলো সারা বছরই থাকে অবৈধ দখলে।
এসব দোকানপাট থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার টাকা আদায় হচ্ছে। এখানে চাঁদাবাজি করছেন হাইওয়ের ডাম্পিং এর ইনচার্জ আনিস ও মনির হোসেন ।
অভিযোগ রয়েছে, হাইওয়ের ফাঁড়িতে প্রতি সপ্তাহে ২০ হাজার টাকা মাসোহারা দিতে হয়। থানা পুলিশকে মাসে এক লক্ষ টাকা দিতে হয় ! পরিবহন ও ফুটপাতের চিহ্নিত চাঁদাবাজ ডাকাত বাবুল বলেন সকলকে ম্যানেজ করেই চাঁদাবাজি চলছে !
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবৈধ ভাবে বসানো প্রাইভেটকার স্ট্যান্ডটিও মাসোহারার ভিত্তিতে সরাসরি পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ বলেন, চাঁদাবাজরা আমার নাম নিয়ে দায় এড়াতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ডের ১৭ টি রুটের যাত্রীবাহী বাস থেকে প্রতিদিন ১৪০ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। তবে পরিবহণ সেক্টরের লোকজন বলছে, এ বিষয়ে মুখ খুললে এখানে বাস চালানো যাবে না। ওই রুটে শতাধিক হাইস ও নোয়া গাড়ি চলাচল করে প্রতিদিন চাঁদার বিনিময়ে। মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং থেকেও প্রতিদিন ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেওয়া হয়। এখানে নারায়ণগঞ্জের নম্বর প্লেটে বিভিন্ন রুটে ৩ শতাধিক সিএনজি চলাচল করছে প্রতিদিন ৫০ টাকা চাঁদার বিনিময়ে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, সড়কের দু’পাশ দখল করে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়ে থানা পুলিশের জড়িত থাকার বিষয়টি মিথ্যা। দায় এড়াতে চাঁদাবাজরা অপকৌশল অবলম্বন করে। এসব অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করতে থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করেছে বারবার যা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁয়ের বি এনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, আমার নাম ভাঙিয়ে
যদি কেউ কোনো চাঁদাবাজি করে তাহলে তাকে পুলিশে দেওয়ার নির্দেশ রইল। তবে এলাকায় চাঁদাবাজি চলছে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। এক্ষেত্রে পুলিশের সামনে এসব দৃশ্যমান অপরাধ হওয়াটা ঠিক নয়। তাই এসব সামাজিক অবক্ষয় দূর করতে প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। # #
13/09/2024
কাঁচপুরের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল বাহিনীর যত অপরাধ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাচঁপুরের চিহ্নিত দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল ওরফে ডাকাত বাবুল বাহিনী দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। রীতিমত কাঁচপুর চিটাগাং রোড জুড়ে অপরাধের রাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছে। ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মের হোতা বাবুল বাহিনী। এই বাহিনী কাঁচপুর ও চিটাগাং রোডের সিমরাইল বাসীর কাছে এক আতংকের নাম। । স্থানীয় প্রশাসনের রহস্যজনক নিরবতার সুযোগে বাবুল বাহিনী ভয়ংকর থেকে আরো হিংস্র হয়ে উঠছে। নিরীহ এলাকাবাসী ভয়ংকর ডাকাত বাবুল বাহিনীর কবল থেকে মুক্তি পেতে জেলা পুলিশ সুপার, র্যাব-১১’র অধিনায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
12/09/2024
#কাঁচপুর মাসে আদায় কয়েক কোটি টাকা
#পুলিশের সঙ্গে সখ্য গড়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজ চক্র
#অবৈধ দোকানপাট ও পরিবহণ থেকে তোলা হয় টাকা * # #প্রশাসনের ‘উদাসীনতায়’ দিন দিন আরও নিয়ন্ত্রণহীন এই চক্র
রিপোর্ট :
সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর পুলিশ ও চাঁদাবাজদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে-অভিযোগ এলাকাবাসীসহ ভুক্তভোগীদের। আর নিয়ন্ত্রণহীন ওই সিন্ডিকেট শত শত অবৈধ দোকান ও পরিবহণ খাত থেকে চাঁদাবাজি করে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে কয়েক কোটি টাকা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা সিলেট মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও অভ্যন্তরীণ প্রধান সড়ক গুলোর দুপাশে অবৈধ স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে চলছে এসব চাঁদাবাজি। প্রশাসনের উদাসীনতায় এই অপরাধ দিন দিন বাড়ছে। ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ ও হাইওয়ের পুলিশ ফাঁড়িতে চাঁদাবাজদের অবাধ চলাচলসহ পুলিশের সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ে উঠেছে। ট্রাফিক ও থানা পুলিশের সঙ্গে চাঁদাবাজদের সখ্য থাকার কারণেই তারা আরও বেপেরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
ঢাকা চট্টগ্রাম ঢাকা সিলেট মহাসড়কের মোড় কাচপুর স্ট্যান্ডের বিভিন্ন পরিবহন থেকে সড়কে চিহ্নিত চাঁদাবাজ ,সোর্স তৌহিদ,মতিউর,ও বাবুল ওরফে ডাকাত বাবুলের নির্দেশে সুজন, রাসেল, রাব্বি আলমগীর, হোসন. জহরা মেম্বারনী, জিয়াউর রহমান জিয়া, জনি,কামরুলের চাঁদাবাজি চলছে প্রকাশ্যে।
এ বিষয়ে কাঁচপুর ইউনিয়নের বিএনপি'র নেতা হাজী সেলিম হক বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ড সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি চলছে।
তবে এখন সিন্ডিকেট আকারে চলছে নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে। আমরাও চাই এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি শেষ হোক। এমপি, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের ও স্থানীয় প্রবাবশালী নেতাদের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি চলছে যা আমাদের জন্য বিব্রতকর। এক্ষেত্রে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
সরেজমিন দেখা গেছে, কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডের সড়কের দু’পাশ দখল করে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক স্থায়ী-অস্থায়ী দোকান। রয়েছে বাস-লেগুনা, মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং, সিএনজি স্টেশন ও বাজার। এখানে পুলিশের সামনেই হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা ও মিশুক চলছে।
স্থানীয় ডাকাত বাবুল , শামীম, আকমল খান,সোলেমান,জাফর, মনির হোসেন, সহ কয়েকজন এসব দোকান থেকে চাঁদা তোলেন বলে অভিযোগ। কাচপুর বাসস্টান্ডের মোরের সকল পরিবহন ও ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজির নেতৃত্বে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবুল, ছাত্রলীগ নেতা শামীম,। তাদের নেতৃত্বে বিভিন্ন শিফটে সড়কে চাঁদা তোলা হচ্ছে। কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ডের সড়কের দু’পাশ ও ওভারপাসের নিচেসহ বসানো হয়েছে শতাধিক দোকানপাটসহ বাজার।
এ বিষয়ে সাবেক কাঁচপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন , আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই বহু বছর ধরে কাঁচপুর বাসস্টান্ড চাঁদাবাজি চলছে যা নিয়ন্ত্রণহীন। স্থানীয় চোর ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট সদস্যরা চেইন আকারে চাঁদাবাজি করছে যা প্রশাসনিক ভাবে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বন্ধ করা সম্ভব।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, কাঁচপুর এলাকায় সড়কের দু’পাশের দোকান থেকে প্রতিদিন পুলিশ ২শ থেকে ৪শ টাকা আদায় করে। অস্থায়ী দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে দৈনিক ৫০ থেকে ১৫০ টাকা, ফলের দোকান থেকে দেড়শ টাকা আদায় করা হয়। স্ট্যান্ড থেকে পুলিশ বক্স থেকে হাইওয়ে পুলিশ থানা পর্যন্ত ৪ শতাধিক দোকান রয়েছে সড়কের দু’পাশে। এখানে চা, পান-সিগারেটের দোকান থেকে মাসিক টাকা আদায় করে পুলিশ। সড়কের ফুটপাত গুলো সারা বছরই থাকে অবৈধ দখলে।
এসব দোকানপাট থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার টাকা আদায় হচ্ছে। এখানে চাঁদাবাজি করছেন হাইওয়ের ডাম্পিং এর ইনচার্জ আনিস ও মনির হোসেন ।
অভিযোগ রয়েছে, হাইওয়ের ফাঁড়িতে প্রতি সপ্তাহে ২০ হাজার টাকা মাসোহারা দিতে হয়। থানা পুলিশকে মাসে এক লক্ষ টাকা দিতে হয় ! পরিবহন ও ফুটপাতের চিহ্নিত চাঁদাবাজ তৌহিদ বলেন সকলকে ম্যানেজ করেই চাঁদাবাজি চলছে !
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবৈধ ভাবে বসানো প্রাইভেটকার স্ট্যান্ডটিও মাসোহারার ভিত্তিতে সরাসরি পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ বলেন, চাঁদাবাজরা আমার নাম নিয়ে দায় এড়াতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কাঁচপুর বাস স্ট্যান্ডের ১৭ টি রুটের যাত্রীবাহী বাস থেকে প্রতিদিন ১৪০ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। তবে পরিবহণ সেক্টরের লোকজন বলছে, এ বিষয়ে মুখ খুললে এখানে বাস চালানো যাবে না। ওই রুটে শতাধিক হাইস ও নোয়া গাড়ি চলাচল করে প্রতিদিন চাঁদার বিনিময়ে। মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং থেকেও প্রতিদিন ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেওয়া হয়। এখানে নারায়ণগঞ্জের নম্বর প্লেটে বিভিন্ন রুটে ৩ শতাধিক সিএনজি চলাচল করছে প্রতিদিন ৫০ টাকা চাঁদার বিনিময়ে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, সড়কের দু’পাশ দখল করে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়ে থানা পুলিশের জড়িত থাকার বিষয়টি মিথ্যা। দায় এড়াতে চাঁদাবাজরা অপকৌশল অবলম্বন করে। এসব অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করতে থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করেছে বারবার যা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁয়ের বি এনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, আমার নাম ভাঙিয়ে
যদি কেউ কোনো চাঁদাবাজি করে তাহলে তাকে পুলিশে দেওয়ার নির্দেশ রইল। তবে এলাকায় চাঁদাবাজি চলছে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। এক্ষেত্রে পুলিশের সামনে এসব দৃশ্যমান অপরাধ হওয়াটা ঠিক নয়। তাই এসব সামাজিক অবক্ষয় দূর করতে প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। # #
12/09/2024
ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য
কাচঁপুর এলাকা.......
নারায়ণগঞ্জ জেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাচঁপুর ব্রিজের পশ্চিমপাড় ও পূর্বপাড় এলাকা ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। তাদের উৎপাতে ঘর থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে উঠেছে সেখানে।
ঢাকা -সিলেট মহাসড়কের কাচঁপুর মোড় থেকে এসস্কোয়ার গার্মেন্টস পর্যন্ত ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় থেকে কিউট ফ্যাক্টরি পর্যন্ত সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চিহ্নিত এই ছিনতাইকারী (১)দেলোয়ার হোসেন ৩৯ ( ২) নুরুল ইসলাম ৩৪ (৩) আরিফ হোসেন ৩৭ (৪) আনোয়ার মিয়া (৪৭ )ডাকাত জামান (৪৯ )ডাকাত আকাশ (৩৩ )ডাকাত বকুল (৪৮ )ডাকাত নাদিম (৩৫ )ডাকাত সেন্টু (৪৮ ) সহ
এই ছিনতাইকারীরা অস্ত্রের মুখে সব কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।
ফাহিমা বেগম পরিবার নিয়ে থাকেন কাচপুরের সোনাপুর এলাকায়। তার গাড়িচালক স্বামী মোতালেব হোসেনের কাছে থেকে দুই দিন আগে কাজ শেষে ফেরার পথে সব কেড়ে নেয় ছিনতাইকারীরা।
শুধু তাই নয় তাদের অস্ত্রের আঘাতে আহত হন তিনি। ফাহিমা বেগম জানান, কাজ থেকে ফেরার সময় তার স্বামীর কাছে থাকা চাল কেনার টাকাটাও ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। টাকা না দিতে চাইলে তারা অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায়।
মোটরবাইকে রাইড শেয়ার করেন মকবুল মিয়া । তাকেও কাচপুর ব্রিজের উপরে আটকিয়ে সব নিয়ে যেতে চায় ছিনতাইকারীরা। তবে লোকজন চলে আসায় বেঁচে যান সে যাত্রায়। তবে সবার ভাগ্য তার মতো না। ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকে। এলাকাবাসী বলছেন আতংকে সন্ধ্যার পরে রাস্তায় নামতে ভয় পান তারা।
স্থানীয়রা জানান, মাঝে মাঝেই এখানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পথরোধ করে চাপাতি গলায় ধরে ভয় দেখিয়ে সব নিয়ে যায়। আবার সেসব অস্ত্র দিয়ে তারা হামলাও করে বসে। টাকা, মোবাইলসহ যা থাকে সবই তারা নিয়ে যায়।
একটু অন্ধকার হলেই এই এলাকার ছোট বড় সবাই ভয়ে থাকে, কোন গলির মধ্যে দিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
এখান কার সাধারণ শ্রমিক ও পথচারীরা স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন # #
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka