Expert Job Preparation
🔥ব্রেকিং নিউজ 🔥
প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ এর রেজাল্ট প্রকাশিত, পাশের হার ৩১ শতাংশ।
19/04/2026
#১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করেছে। এবার ৭৭ হাজার ৭৯৯ টি শূন্য পদ পাওয়া গেছে।
✅ যে কোন মূহুর্তেই আসতে পারে সার্কুলার।
30/03/2026
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রশ্নোত্তর:
ইরানের আইআরজিসি (IRGC): সাম্প্রতিক মহাগুরুত্বপূর্ণ 💥 প্রয়োজনে নোট করে, শেয়ার করে রেখে দিন।
আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির রাজনীতিতে এক প্রভাবশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তি
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর এই বাহিনী গঠন করা হয় মূলত ইসলামী বিপ্লব এবং শাসনব্যবস্থাকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে। সময়ের সাথে সাথে এটি শুধু সামরিক বাহিনীই নয়, বরং রাজনীতি, অর্থনীতি, গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক কৌশলগত নেটওয়ার্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
🟣 প্রতিষ্ঠা ও মূল উদ্দেশ্য
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর নতুন শাসনব্যবস্থা আশঙ্কা করেছিল যে পুরনো সামরিক বাহিনী হয়তো বিপ্লবের প্রতি পুরোপুরি অনুগত থাকবে না। তাই বিপ্লব রক্ষার জন্য আলাদা একটি শক্তিশালী বাহিনী গঠন করা হয়- IRGC। এই বাহিনী সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader)-এর অধীনে পরিচালিত হয় এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর (Artesh) থেকে আলাদা কাঠামোতে কাজ করে।
বর্তমানে এতে আনুমানিক ১.২৫ লক্ষ সক্রিয় সদস্য রয়েছে এবং এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে আধা-সামরিক সংগঠন বাসিজ (Basij), যার কয়েক লক্ষ সদস্য রয়েছে।
🟣IRGC-এর প্রধান কাঠামো
IRGC কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বিভক্ত-
১. কুদস ফোর্স (Quds Force)
এটি IRGC-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপারেশন ইউনিট। এর কাজ হলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মিত্র সংগঠনকে সহায়তা করা, যেমন- লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া, ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন
এই ইউনিটের মাধ্যমে ইরান পুরো অঞ্চলে তার প্রভাব বিস্তার করে।
২. গ্রাউন্ড, নৌ ও এয়ারোস্পেস ফোর্স
IRGC-এর নিজস্ব স্থল, নৌ এবং ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী রয়েছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম এই বাহিনীর অধীনে পরিচালিত হয়, যা ইরানের সামরিক প্রতিরোধ কৌশলের অন্যতম ভিত্তি।
৩. বাসিজ মিলিশিয়া
বাসিজ একটি স্বেচ্ছাসেবী আধা-সামরিক বাহিনী।
এর প্রধান কাজ-
🔹অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা
🔹বিক্ষোভ দমন
🔹সামাজিক ও ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণ
🔹ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই বাহিনী বড় ভূমিকা রাখে।
🟣অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনীতিতে প্রভাব
IRGC শুধু সামরিক বাহিনী নয়; এটি ইরানের অর্থনীতিরও একটি বড় শক্তি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, ইরানের নির্মাণ, জ্বালানি, টেলিকম এবং অবকাঠামো খাতের বড় অংশ IRGC-নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হয়। এছাড়া অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশেষ ইউনিট যেমন ইমাম আলি সিকিউরিটি হেডকোয়ার্টার ও থার-আল্লাহ কমান্ড গঠন করা হয়েছে, যেগুলো বিক্ষোভ দমনে ব্যবহৃত হয়েছে।
🟣 মিসাইল ও ড্রোন শক্তি
IRGC-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হলো এর মিসাইল ও ড্রোন প্রোগ্রাম। বিশেষ করে তাদের এয়ারোস্পেস ফোর্স ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি ও পরিচালনা করে, যা ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে এই মিসাইল সক্ষমতাকে ইরান একটি “ডিটারেন্স স্ট্র্যাটেজি” হিসেবে ব্যবহার করে।
🟣 ২০২৫-২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় IRGC আবারও বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
১. ইরান-ইসরাইল সংঘাত
২০২৫ সালে ইসরাইলের হামলায় IRGC-এর বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার নিহত হন, যা সংঘাতকে আরও তীব্র করে তোলে। পরবর্তীতে ইরান তাদের সামরিক কৌশল পুনর্বিন্যাস করে এবং IRGC-এর ভূমিকা আরও বাড়ানো হয়।
২. নতুন কমান্ডার নিয়োগ
২০২৬ সালে ইরান আহমাদ বাহিদি (Ahmad Vahidi)-কে IRGC-এর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়, যিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৩. নেতৃত্ব পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাব
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা পরিবর্তনের ঘটনায়ও IRGC গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাদের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ইরানের রাজনীতিতে সামরিক ও কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়েছে।
⚫ আন্তর্জাতিক বিতর্ক ও নিষেধাজ্ঞা
IRGC নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে এটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে।
২০২৫-২০২৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া ও আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
এর প্রধান কারণ-
🔹আঞ্চলিক মিলিশিয়া সমর্থন
🔹বিদেশে গোপন অপারেশন
🔹মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
🔹কৌশলগত গুরুত্ব
IRGC আজ শুধু একটি সামরিক বাহিনী নয়, বরং ইরানের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রীয় স্তম্ভ। এর মাধ্যমে ইরান তিনটি বড় লক্ষ্য পূরণ করার চেষ্টা করে-
🔸ইসলামী বিপ্লব ও শাসনব্যবস্থা রক্ষা
🔸মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধি
🔸যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা
IRGC শুধু একটি সামরিক বাহিনী নয়; এটি ইরানের আঞ্চলিক কৌশল, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
© collected
16/03/2026
অস্কার পুরস্কার ২০২৬ 🔥
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1215