Chef Saif

Chef Saif

Share

15/11/2025

”*ব্রিটিশ শাসনের সময় এক ব্রিটিশ অফিসার এক ভারতীয় যুবকের মুখে থাপ্পড় দেন। সাথে সাথে যুবকটিও তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে বৃটিশ অফিসারকে এতো জোরে থাপ্পড় মারে অফিসার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এই অপমানে হতবাক হয়ে যাওয়া অফিসার ভাবলেন সামান্য এক ভারতীয় যুবক কীভাবে এমন এক সাম্রাজ্যের সেনা অফিসারকে থাপ্পড় মারল যে সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।*”...........


*”তিনি দ্রুত তার পোস্টে গিয়ে ওই ভারতীয়কে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য দাবী করলেন। কিন্তু উচ্চপদস্থ কমান্ডার তাকে শান্ত করে বললেন ভারতীয় লোকটিকে শাস্তি না দিয়ে বরং তাকে পুরষ্কৃত করতে। আর পুরষ্কার হিসাবে তাকে দশ হাজার রুপি উপহার দিতে। অফিসার ঘৃণায় চিৎকার করে বললেন এটা শুধু আমার, আপনার অপমান না। বরং এটা বৃটিশ মহারাণীরও অপমান। আর আপনি বলছেন তাকে শাস্তি না দিয়ে আরো পুরষ্কৃত করতে।*”............


*”কমাণ্ডার এবার বললেন- এটা একটি সামরিক আদেশ আর তুমি দেরি না করে এ আদেশ পালন করবে। জুনিয়র অফিসার তার কমান্ডারের আদেশ মেনে দশ হাজার রুপি সাথে নিয়ে ওই ভারতীয়ের কাছে গিয়ে বললেন- অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এই দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করুন।”*........


*”ভারতীয় যুবক উপহার গ্রহণ করলেন এবং ভুলে গেলেন যে তাকে তার দেশের মাটিতে এক ঔপনিবেশ সেনা অফিসার দ্বারা থাপ্পড় মারা হয়েছে।

সেই সময়ে দশ হাজার রুপি অনেক বড় অর্থ। তিনি এই অর্থ যথাযথ ভাবে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জীবনের মান উন্নত করে বেশ বিত্তশালী হয়ে ওঠলেন। আগে ছিলেন একজন সাধারণ যুবক। এখন সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত।*”.............


অনেক বছর পর সেই ইংরেজ কমান্ডার তার জুনিয়র অফিসারকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন- তুমি কি সেই ভারতীয়কে মনে রেখেছো- যে তোমাকে থাপ্পড় মেরেছিলো? অফিসার বলল: সেই অপমান আমি ভুলি কেমন করে? কমান্ডার বললেন: এখন সময় এসেছে।তুমি তাকে খুঁজে বের করো এবং জনসম্মুখে তাকে জোরে থাপ্পড় মেরে এসো।

অফিসার বলল: সেটা কিভাবে সম্ভব। যে গরীব থাকা অবস্থায় আঘাতের পাল্টা জবাব দিয়েছিলো। আর এখন সে বেশ বিত্তবান। সেতো আমাকে মেরেই ফেলবে।*”.........


*”কমান্ডার বললেন: আমি যা বলছি তাই করো। এটাও তোমার উপর আদেশ। জুনিয়র অফিসারকে আদেশ মানতে হয়। তিনি সেই ভারতীর কাছে গেলেন এবং খুর জোরে তাকে থাপ্পড় মারলেন। কিন্তু এবার ঘটলো সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা। ভারতীয় যুবক এবার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। এমনকি সাহস করে অফিসারের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না।

অফিসার হতবাক হয়ে ফিরে এসে তার কমান্ডারের কাছে গেলেন।

কমান্ডার বললেন: আমি তোমার মুখে বিস্ময়ের ছাপ দেখছি। তুমি এতো বিস্মিত কেন?............


*”অফিসার বলল: যখন সে দরিদ্র ছিলো। তখন সে পাল্টা আঘাত করেছিলো। কিন্তু আজ যখন তার বিত্ত রয়েছে তখন সে চোখ তুলে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। এটা কেমন করে সম্ভব। ইংরেজ কমান্ডার ধীরভাবে বললেন: প্রথমবার তার কাছে তার সম্মান ছাড়া আর কিছু ছিল না। সে সেটাকেই সবচেয়ে মূল্যবান মনে করেছিল এবং তা রক্ষার করার জন্য সে মৃত্যু ঝুকি নিয়েও লড়েছিলো। আর এখন সে আর সেটা রক্ষার চেষ্টা করে নি। কারণ তার কাছে এখন তার সম্মানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বিত্ত। যেদিন সে দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করেছে সেদিনই সে তার মর্যাদা, আত্ম সম্মানবোধ রুপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। আর বিত্তের কাছে মানুষের আত্ম সম্মানবোধ যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন যে কোন মানুষের মেরুদণ্ডও বাঁকা হয়ে যায়।*”..............


*”আসুন আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখি। পদ , উপহার কিংবা কোনো কিছুর লোভে নিজেকে বিক্রি না করে নিজের মেরুদণ্ড শক্ত রাখি।*”....

Collected POst.......

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1207