Engineer Nazrul
05/09/2025
এই সেই ডক্টর মির্জা গালিব—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে ৯৮% মার্ক নিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করেছিলেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে শিক্ষক হিসেবে নেয়নি।
সেদিন তিনি আক্ষেপ করে বলেছিলেন—
"ঢাকা ভার্সিটি আমাকে শিক্ষক হিসেবে নেয়নি, এটা তাদের ব্যর্থতা। আমি ঢাকা ভার্সিটির চাইতে বড় ভার্সিটির শিক্ষক হবো।"
আজ সেই জিদই তাকে পৌঁছে দিয়েছে স্বপ্নের চূড়ায়। তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের Harvard University-এর রসায়ন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক!
কাউকে তোমার স্বপ্নকে ছোট করতে দিও না। ব্যর্থতা নয়, জিদই তোমাকে সফলতার দরজায় পৌঁছে দেবে।
05/09/2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিতে একটা নাম বারবার আলোচনায় আসছে—এস এম ফরহাদ। আলোচনায় আছেন সাদিক কায়েমও।
ঢাবি শিবিরের সভাপতি, তুখোড় বিতার্কিক, এমন একজন ছাত্রনেতা যাকে তর্কে হারানো যায় না তিনি ফরহাদ।
পয়েন্ট বাই পয়েন্ট সাজানো কথা, পরিস্কার যুক্তি, শান্ত হাসি—এই তার রাজনৈতিক শক্তি।
সে রাজনীতির সংস্কার নিয়ে কথা বলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার নিয়ে কথা বলে, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলে।
কিন্তু ফরহাদ কখনো গায়ের জোর দেখায় না। প্রতিপক্ষ তাকে গালি দিলে বা ঘৃণা প্রকাশ করলেও সে শুধু মুচকি হাসে।
ভেবেছেন তো—এমন একজন নন-ভায়োলেন্ট, মেধাবী, যুক্তিবাদী ছাত্রনেতাকে যদি ক্যাম্পাসে একদিন হঠাৎ করেই পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়?
ভাবতে পারেন?
অবিশ্বাস্য লাগে, তাই না?
কিন্তু বাস্তবতা হলো—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এমনটা আগেও ঘটেছে।
ফরহাদের মতোই একসময় এখানে ছিলেন আরেকজন ছাত্রনেতা—আবদুল মালেক।
তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন। ক্ষুরধার বক্তা, চৌকস বিতার্কিক, ভায়োলেন্সে বিশ্বাস করতেন না।
তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো—যুক্তি দিয়েও রাজনীতি করা যায়।
১৯৬৯ সালে নূর খান শিক্ষা কমিশনের প্রস্তাব নিয়ে টিএসসিতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। প্রস্তাব ছিল—আরবি ও ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। আবদুল মালেক পক্ষে দাঁড়ান, আর বিপক্ষে ছিল ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন।
বক্তব্য শুরু হতেই আবদুল মালেক তাঁর যুক্তি দিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে থাকেন।
আর তখনই ঘটে সেই ভয়ঙ্কর ইতিহাস—যুক্তির বক্তব্যে হারতে না পেরে ছাত্রলীগ-ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীরা মঞ্চ ছেড়ে গিয়ে মালেকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
তাকে নির্মমভাবে পেটাতে পেটাতে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
মাথা থেতলে দিয়ে ফেলে রাখা হয়।
হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি।
শহীদ হন তিনি—শহীদ আবদুল মালেক।
এখন ভেবে দেখুন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, অনুষ্ঠানের মঞ্চে, একজন মেধাবী ছাত্রনেতাকে শুধু তার চিন্তা ও আদর্শের কারণে পিটিয়ে হত্যা করা হয়!
এটা কি কল্পনা করা যায়?
কিন্তু ইতিহাস এটাই বলে।
আজ যখন ছাত্র ইউনিয়নের কোনো নেতা প্রকাশ্যে বলে—“আমি ফরহাদকে ঘৃণা করি”, তখন আমি অবাক হই না।
কারণ আমি জানি, ঘৃণার পরের ধাপ হলো সহিংসতা।
ফরহাদকে যদি তারা একদিন সত্যিই মেরে ফেলে—তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।
কারণ এটাই তাদের চরিত্র, এটাই তাদের ইতিহাস, এটাই তাদের কথিত “প্রগতিশীলতা”।
আবদুল মালেককে হত্যার পর আজও ছাত্র ইউনিয়নের কেউ লজ্জিত নয়।
বরং তাদের নেতারা গর্ব নিয়ে বলে—“হ্যাঁ, আমরা আবদুল মালেককে মেরেছি।”
তখনও তো কোনো মুক্তিযুদ্ধ ছিলো না, কোনো রাজাকার-ট্যাগ ছিলো না।
শুধু ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পক্ষে যুক্তি দেওয়ার জন্যই তাকে হত্যা করা হয়।
তাহলে বলুন—আজ যদি ফরহাদকে কিংবা সাদিক কায়েমকে হত্যা করা হয়, তাতে আশ্চর্যের কী?
ইতিহাস প্রমাণ করেছে, এদের কাছে যুক্তির মূল্য নেই, মানুষের জীবনেরও মূল্য নেই।
তাদের একটাই ধর্ম—ঘৃণা। আর সেই ঘৃণার আগুনেই একের পর এক মেধাবী ছাত্রনেতা পুড়ে যায়।
20/07/2025
সমাবেশ ২০২৫
ড্রোন ফুটেজ স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা
আগামীকাল জামায়াতের ঐতিহাসিক জাতীয় সমাবেশে যোগ দিন।
নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডসহ ৭ দফা দাবি আদায়ের সমাবেশে যোগ দিন।
18/07/2025
আলহামদুলিল্লাহ,
মঞ্চ প্রস্তুত, মাঠও প্রস্তুত।
নতুন নির্দেশনা পাবে পরিবর্তিত বাংলাদেশ।।
11/07/2025
অতীত থেকে শিক্ষা নেননি। ওরা পালিয়ে বেঁচেছে, আপনারা পালানোর জায়গাও পাবেন না।
29/06/2025
শুনেছি ৪৪টা যুদ্ধবিমান আমাদের !
এটাই বাংলাদেশ।
কিন্তু যুদ্ধ বিমানে কোন অ*স্ত্র নেই !
যা আছে তাও পুরোনো, জং ধরা,বাতিল মাল। আধুনিকতার ধারে কাছে না!
আমাদের নেই ভালো মানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম।
আমরা কি দিয়ে শত্রুকে মোকাবেলা করব?
ভারত ৫০০টা নিয়ে একসাথে ৫টা ফ্রন্ট সামলাতে পারে,
পাকিস্তান ৪৪৫টা নিয়ে যুদ্ধের জন্য রেডি।
চীন সম্প্রতি তাদের ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার জেট উন্মোচন করেছে।
ভারত হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্ত্র টেস্ট করল।
পাকিস্তান বানাচ্ছে ICBM
আর আমরা?
দলবাজিতে মাস্টার!
পথে পথে সহ-সভাপতি,চাঁদাবাজি, বড় বড় কমিটি আর বড় বড় পোস্টার!
আমাদের দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর হেডলাইন হয়, ধর্ষণ, ছিনতাই,চাঁদাবাজি,গুম,খু*ন। আর এগুলো কারা করে?
চেতনার ধারক বাহকরা।
আমাদের একটাই স্পেশাল স্কোয়াড—
“Keyboard Battalion”!
পোস্ট দিবে, শেয়ার করবে, “দেশপ্রেম” জাহির করবে—
আর বাস্তবে, একটা গোলা উড়লে পাত্তা নাই!
আসল শত্রু বাইরের না—আমরা নিজেরাই শত্রু নিজেদের।
কারণ আমরা যুদ্ধের জন্য না,
তর্কের জন্য জন্মেছি। আমরা দলবাজির জন্য জন্মেছি। আমাদের দেশপ্রেম নেই আছে দল প্রেম। কারণ দল বাজিতে পকেটে কিছু টাকা আসে।
ডাক্তার জীবন বাঁচায় না, দল বাঁচায়!
ইঞ্জিনিয়ার বিল্ডিং বানায় না, বরাদ্দ চিবায়!
পুলিশ আর্মি অফিসারও রাজনীতির ব্যানারে ঝুঁকে পড়ে!
কোন দল সমর্থন করলে বড় চেয়ারটা পাওয়া যাবে?
এই তো আমরা—মেধাহীন, পরিকল্পনাহীন, দায়িত্বহীন!
নেতাদের গাড়ি বুলেটপ্রুফ।
অথচ দেশের সীমানা অরক্ষিত।
একটা ড্রোন আসলেও ধরার কেউ নাই!
একদিন হুট করে আকাশ কালো হবে,
বোমা পড়বে মাথার উপর—
তখন আর পোস্ট দেওয়ার সময় থাকবে না,
তখন বুঝব—"দেশটা ফেসবুক দিয়ে রক্ষা হয় না!"
তখন বুঝব—“বন্ধুদেশ” বলে কিছু নেই,
যার অস্ত্র আছে, তারই দাপট চলে!
এই ঘুম, এই ঢোল-বাজানো দেশপ্রেম,
সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে একটুখানি আগুনে।
আর তখন?
আমরা কাঁদব... কিন্তু কেউ শুনবে না।
সময় থাকতে দেশটা নিয়ে একটু ভাবুন। দলবাজ নেতাদের কলার চেপে ধরে বলুন,
অনেক হয়েছে দলবাজি
এবার আমরা দেশের জন্য
জীবন দিতে রাজি।
20/06/2025
ই স রা ই ল কে উপহার দেয়া ইরানের
একটি মি সা ই ল শিল্পের সুন্দর দৃশ্য 😌🚀
আমরা কোন না কোন ভাবে নামাজে অমনোযোগী হয়েই যাই!!!
গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলোচনা।
নোমান আলী খান।
01/06/2025
প্রথম সারির নেতাগণ আল্লাহর জিম্মায় চলে গেলেন।
দ্বিতীয় সারির নেতাগণ দায়িত্বরত।
আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাাহ প্রিয় রাহবারদের কবুল করুন 🤲🤲
31/05/2025
আমি কোথায়?
উত্তর: বাংলাদেশে।
বাংলাদেশ কোথায়?
উত্তর: এশিয়াতে।
এশিয়া কোথায়?
উত্তর: পৃথিবীতে, যার ব্যাস প্রায় ১২,৭৪২ কিলোমিটার (৭,৯২৬ মাইল)।
পৃথিবী কোথায়?
উত্তর: ৪.৬ বিলিয়ন বছর পুরনো সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহ।
সৌরজগত কোথায়?
উত্তর: এটি অবস্থিত মিল্কিওয়ে (Milky Way) গ্যালাক্সির এক প্রান্তে, 'Orion Arm' নামক অঞ্চলে। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আনুমানিক ১০০ থেকে ৪০০ বিলিয়ন তারা রয়েছে।
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কোথায়?
উত্তর: এটি "লোকাল গ্রুপ" নামে পরিচিত একটি গ্যালাক্সি গুচ্ছে (galaxy group) অবস্থিত, যেখানে আরও ৫০টির মতো গ্যালাক্সি আছে।
লোকাল গ্রুপ কোথায়?
উত্তর: এটি অবস্থিত "ভিরগো সুপারক্লাস্টার"-এর একটি অংশ হিসেবে, যা হাজার হাজার গ্যালাক্সির সমন্বয়ে গঠিত।
ভিরগো সুপারক্লাস্টার কোথায়?
উত্তর: এটি "লেনিয়া কিয়া সুপারক্লাস্টার" (Laniakea Supercluster)-এর একটি শাখা, যার ব্যাস প্রায় ৫২০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ!
তাহলে এই সুবিশাল গ্যালাক্সি, ক্লাস্টার, সুপারক্লাস্টার—সবই কি মহাবিশ্ব?
উত্তর: মোটেই না। এগুলো মহাবিশ্বের খুবই ক্ষুদ্র একটি অংশ। আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, আমরা পুরো মহাবিশ্বের মাত্র ৪-৫% বুঝতে পেরেছি। বাকি ৯৫% হলো ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি—যা এখনো রহস্যের অন্ধকারে আচ্ছন্ন।
ভাবুন তো!
আমি, একটি মানুষ, একটি দেশ, একটি মহাদেশ, একটি গ্রহ, একটি তারামণ্ডল, একটি গ্যালাক্সি, একটি ক্লাস্টার, একটি সুপারক্লাস্টার... এভাবে একের পর এক মহাবিশ্বের স্তরের মধ্যে এক বিন্দু!
এই অসীম বিস্তারের মাঝে আমার অস্তিত্ব কতটুকু ক্ষুদ্র, আর সেই ক্ষুদ্র আমি যদি চিন্তা করি কে এই সব কিছুর স্রষ্টা—তবে বলা চলে:
> “যিনি এই অনন্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি কতই না মহান!” 🌌✨
ফলো করুনঃ রসে কষে বিজ্ঞান
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Uttara City
Dhaka