Shimu's Rajya
25/04/2026
আচ্ছা বড় বাচ্চাদের বিছানা ভিজিয়ে ফেলার ব্যাপারটা আপনারা কিভাবে ছাড়িয়েছেন?অনেক বাচ্চারা ছোটবেলা থেকেই বিছানায় হিসু করেনা নিজে থেকেই।আবার অনেক বাচ্চা বড় হয়েও বিছানা ভিজিয়ে ফেলে।এটাতো কেউ ইচ্ছে করে করেনা।কিন্তু এটাকে ছাড়িয়েছেন কিভাবে?
এটার জন্য কি আলাদা কোন রুলস ফ লো করতে হবে নাকি??😜
আজান এখনো বিছানা ভিজিয়ে ফেলে।আমরা যদি রাতে শিষ করিয়ে শোয়াই আর সকালে উঠে যায় তাহলে করেনা।কিন্তু যেদিন দেরিতে ঘুম থেকে উঠে অথবা সকালে আমাদের উঠাতে মনে থাকেনা সেদিন করে দেয়।এটা নিয়ে তো খুবই প্যারায় আছি।মাঝেমধ্যে রাতে ভুলে শিস না করেই শুয়ে যায় ওইদিনও করে দেয়।এতবড় ছেলেকে টানাটানি করে উঠাতেও ভালো লাগে না।৫ বছর হয়ে গেছে। কবে নিজে থেকে টের পাবে?
এটা কি বংশগত হয় নাকি?বলেন তো কি উপায় আছে এটার সমাধানের? আমার তো রা গ উঠে যায়।এরজন্য ব*কা*ঝ*কা করে ফেলি।কিন্তু তার বাপের কোন হেলদোল নেই।সে উলটা আরও আমাকে ব কা দেয়।কেন আমি ছেলের সাথে রুড হই এটা তো হতেই পারে এগুলো বলে
25/04/2026
আরশের জন্য প্রেশারকুকারে খিচুড়ি বসিয়েছিলাম।ঢাকনা খোলার পরে দেখি অনেকটা পানি রয়ে গেছে।
সেই পানি টানানোর সময় চামিচ দিয়ে নাড়া দিতে গিয়ে দেখি এই রাবারটা ভিতরে।
বুঝলাম না এই রাবার কি নিজে থেকেই খুলে ভিতরে পরে যায় নাকি?তাহলে শিষ দিলো কেমনে???
এই রাবার আমি কতক্ষণ জ্বাল দিছি এখন এটা কেমনে খাওয়াই।আমি প্রেশারকুকারে খিচুড়ি বসাই ঠিকই কিন্তু পানি আন্দাজ করতে পারিনা। পরে সেই পানি টানাতে গিয়ে যেই সময় লাগে সেই সময়ে আরেকবার চুলায় খিচুড়ি রান্নাই করা যেতো প্রেশারকুকার লাগতোনা।😜
25/04/2026
আজকে সকালে শামিরে বলতেছিলাম তুমি ওইদিন চায়ের মগ কিনে দাওনাই।আজকে দিতেই হবে। তাই সকাল সকাল ওরে ডেকে উঠাইলাম।বললাম চলো বাজার করে আসি।মাছ নাই মাছ কিনে আনি।
পরে মার্কেটে গিয়ে ও বলে আচ্ছা মগ না কিনবা আগে মগ কিনো পরে বাজার।আমি বলছি আচ্ছা মগ লাগবোনা আমারে পর্দা কিনে দাও।সে তো ত্যাড়া করে আমার দিকে তাকাইয়া রইছে😜😁আমি কইলাম দুইটা মগের দামের মধ্যেই পর্দা কিনবো একেবারে কম দামের🫢
কিছু বলেনা তাই বলছি আচ্ছা থাক লাগবেনা আমি মগ কিনবোনা।পরে বলে আচ্ছা আর কিন্তু মগের কথা বলতে পারবানা।আমি কইলাম আইচ্ছা আর বলবোনা।
এরপর পর্দা কিনতে গিয়ে দেখি পর্দার দাম অনেক অনেক বেড়ে গেছে।একেকটা পর্দায় ২০০ টাকার মতো বাড়ছে। বলে তেলের দাম বাড়াতে নাকি পর্দার দামও বেড়ে।মানুষ কই যাবে?যেখানেই যাই বলে দাম বেড়ে গেছে। এক তেলের জন্য নাকি কাপড়েরও দাম বেড়ে যায়!তেল দিয়ে কি পর্দার কাপড় বানায়?
এই নরমাল পর্দাগুলো একেকটা ৬৫০ করে চাইলো।এটা কোন কথা?কিন্তু কোনটা নিবো পছন্দ ই করতে পারলাম না।জামাইরে কিছু জিজ্ঞেস করলেই খালি বলে নাও তোমার যেটা মন চায় কিন্তু আমি একা আর কিছু পছন্দ করতে পারিনা।এই বেটারে নিয়ে গিয়ে আমার এই জ্বালা। কিছুই পছন্দ করতে চায়না।খালি আমারে নিতে বলে আর আমিও কনফিউজড হয়ে যাই।
আচ্ছা এখানের কোন পর্দাটা নেয়া যায়?এইজন্য ছবি তুলে আনছি কারণ আমি কনফিউজড। আর একটা দোকানেই গেছি।সে নাকি কয়টা পর্দা কিনার জন্য দোকানে দোকানে ঘুরতে পারবেনা।একটা থেকেই কিনতে হবে।
(মগ কিন্তু কিনে আনছি বলছি পর্দা পছন্দ হয়না কিনবোনা।তারপর বাইরে খাওয়ায়ে আনছে জোর করে।আরেকদিন আবার ঠিকই পর্দার জন্য ধরবো 😜😁)
24/04/2026
আজকে সারাটাদিন ছিলাম আমার শশুড় মশাইয়ের গ্রামের বাড়িতে।আমার শশুড় আর উনার ভাইস্তা ভাইগ্না সবাই মিলে এক বিশাল আয়োজন করেছিলেন।আমার শশুড়ই সবার ছোট এবং উনিই একমাত্র আছেন সব ভাইদের মধ্যে আলহামদুলিল্লাহ।আর একজন ফুফু আছেন।এত বড় গোষ্ঠীর লতাপাতা কত জায়গায় ছড়িয়ে গেছে। কেউ কাউকে চিনেনা।তাই সব্বাইকে দাওয়াত করে একসাথে করেছিলেন যেনো সবার সাথে সবার দেখা হয়।আলাপ পরিচয় হয়। নিসন্দেহে এটা একটা অনেক ভালো উদ্যোগ এবং আমাদের অনেক ভালো লেগেছে।
কথা সেটা না কথা হচ্ছে আমরা তিন চারবার টেবিলে গিয়েও ঘুরে এসেছি খাবার খেতে পারিনি। বারেবারে টেবিল ভরে যায়।কাড়াকাড়ি করে টেবিলে বসে যায়।
লাস্টে গিয়ে খাবার ই পাইনি।শর্ট পরে গেছে পরে আবার নতুন করে রান্না করেছে ভাত।আমরা খেতে বসেছি সন্ধার আগে আগে।কারণ হচ্ছে পাশ্ববর্তী পাড়া থেকে দলভেদে মহিলারা এসে খেয়ে চলে গেছে।তাদের কেউ চিনেনা।তারা আমাদের দাওয়াতী মেহমানও না😜😁
কোন আত্মীয়ও না।বুঝেন কি অবস্থা 😁😁
আচ্ছা মহিলা মানুষদের এত বুদ্ধি কোথা থেকে আসে?আমার এমন একটু বুদ্ধি থাকলে কি হইতো?🤭তাহলে মাঝেমাঝে রান্না না করে ভালো ভালো খাওন খেতে পারতাম😏
আমরা যেখানে বসে ছিলাম বা ঘরে তেমন মানুষ নেই কিন্তু খাওয়ার টেবিলে এত এত মানুষ আর মানুষ।চুপেচাপে এসে কি সুন্দর খেয়ে চলে গেলো কেউ ধরতেও পারলোনা কারণ এখানে অর্ধেকের বেশি মানুষ ই কেউ কাউকে চিনেনা।
যখন বিষয়টা বুঝতে পেরেছে চিনতে পেরেছে ততক্ষণে কাজ সারা🤭
আমরা শুনে হাসতে হাসতে শেষ। কিন্তু মানুষ এমন আজব কিসিমের কেমনে হয়?
23/04/2026
সকালে গ্রামের বাড়িতে যাবো সারাদিনের জন্য।শহরেই কারেন্টে যে লিলা দেখাচ্ছে এবার জানিনা গ্রামে কি অবস্থা।সন্ধার পর থেকে একটু পর পর কারেন্ট যাচ্ছে।ঘন্টা দেড়েকের আগে আসেইনা।
যাইহোক বাচ্চাদের নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি ওইখানে গিয়ে কি করবো?এত এত মানুষ আসবে হয়তো পা ফেলারও জায়গা থাকবেনা। আরশকে কিভাবে রাখবো কি খাওয়াবো সেগুলো নিয়ে খুব টেনশন হচ্ছে।মনে হচ্ছে গরমে মানুষ দেখে চিল্লাপাল্লায় শুরু করে কিনা কে জানে।
একটু যে ঘুম পারাবো বা ব্রেস্ট ফিডিং করাবো সেই জায়গাটাও পাবো কিনা কে জানে।কারণ ওইখানে তো কত বাচ্চাওয়ালা মা ই থাকবে হয়তো।আমাদের নিজেদের ঘরে এখন অন্যজন থাকে তাদের নতুন ঘর করতেছে সেজন্য।
তাই শোয়া বসার জায়গা কি পাবো কিনা কে জানে।নিজের জন্য তো আর চিন্তা নেই বড়টাকে নিয়েও ভাবিনা সে বাইরে বাইরে থাকতে পারবে কিন্তু ছোটটা তো শোয়ার জন্য একটু পরে পরে বিরক্ত করবে।
আচ্ছা আরশের জন্য কি খাবার নিয়ে যেতে পারি?যাবো তো সকাল সকাল। ওইখানে গিয়েও তো আর কোথাও রান্না করে খাওয়াতে পারবোনা।এখান থেকে নিয়ে যেতে হবে। কি নেয়া যায় দুপুরে খাবারের জন্য.?
বাচ্চার মায়েদের কোথাও যেতে গেলে কত কি চিন্তা করতে হয়।ওকে নিয়ে সারাদিনের জন্য এর আগে কোথাও যাইনি।
ছোট একটা ফ্যান কিনবো কিনবো করে আর কিনা হয়নি।কাল আবার শুক্রবার।দোকানপাট বন্ধ থাকবে।জানিনা ওইখানে আবার কি করে গরমে
23/04/2026
ওভেনের একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এখন আমার ওই পোস্ট এবং ইনবক্স ভরে গেছে মেসেজে যে এটা কিনতে চায়।আমি কত টাকায় বিক্রি করবো।
এখন সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,,,,
আমি ওভেনটা বিক্রি করবোনা।আসলে ওই পোস্ট টা আমি ফান করেই দিয়েছিলাম।
ওটা সেল পোস্ট ছিলোনা।আমি ওভেন টা কিনেছি বিক্রির জন্য নয়।
আমার ওইটা এখন বেশি কাজে লাগছেনা।যেহেতু আমি বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে অনেক ব্যস্ত আর দিনেরটা দিনেই রান্না করে খেতে পছন্দ করি আর সাথে সাথে খাওয়াও হয়ে যায় তাই এই গরমের মধ্যে গরম করাও হয়না কিছু।
এইজন্য আমি ফান করে পোস্ট টা দিয়েছিলাম। আমিতো প্রতিদিন আমার ঘর সংসার নিয়েই পোস্ট দেই আর এটাও তো আমার সংসারেরই একটা জিনিস।
আমি আবোল তাবোল পোস্ট ই দেই। কোনকিছুর যে গভীর অর্থই থাকতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
আমি ইনবক্সে বলেছি আমি এটা বিক্রি করবোনা এখন কতগুলো বলে কেন বিক্রি করবেননা?বিক্রি করবেননা তাহলে সেল পোস্ট দিছেন কেন?ও বেশি কমেন্ট পাবার জন্য??
আপনারা বুঝেনই তাহলে জিজ্ঞেস করেন কেন?আমি তো বেশি কমেন্ট পাবার জন্যই পোস্ট দিবো তাইনা?আর কোন দিক দিয়ে এটা সেল পোস্ট ছিলো?আমি কি উপরে লিখে দিসিলাম যে এটা সেল পোস্ট???
আমি বিক্রি করবোনা আমার জিনিস এটা যেকোন কারণেই হতে পারে তাই বলে আরেকজনের কাছে আমাকে কৈফিয়ত দিতে হবে? বিক্রি করবোনা তাহলে কেন পোস্ট দিলাম?আমি বিক্রি করবো ২০ হাজার টাকা দিয়ে কিন্তু কেউ এত টাকা দিয়ে কিনবেনা তাই আমি বিক্রি করবোনা ডিসিশন নিয়েছি এটাও বলেছি।তাও তাদের এত কাহিনি।
একটা একটা করে মেসেজের উত্তর দেয়া আর তাদের সাথে তর্ক বির্তক করতে পারবোনা তাই আজকে পোস্ট দিলাম।আমার ওভেনটা বিক্রি করবোনা আপুরা।সরি আমি বলেছিলাম কেউ নিলে বইলেন সাথে কিন্তু একটা ফানি ইমোজিও ছিলো।সেটা তো কেউ দেখলেন না
23/04/2026
যারা সিলিন্ডারের দাম বাড়ায় কারেন্টের চুলা নিছিলেন তাদের জন্য এক বালতি সমবেদনা 😜😁(আমার নিজেকেও)।কি অবস্থা এখন সবার???
কারেন্ট কেমন যাচ্ছে আপনাদের এলাকায়?
আমাদের এখানে যেপরিমাণ কারেন্ট যাচ্ছে আমি আর কোন বছরই এমন দেখিনাই।একবার গেলে এক দেড় ঘন্টা। বাচ্চাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক হয়ে যাচ্ছে।
বাচ্চাদের জন্য কিছুই করতে পারছিনা এতটা হেল্পলেস লাগছে😥😥
কারেন্টের চুলা দিয়ে এখন চড়ুইভাতি খেলি চলুন সবাই মিলে।কারেন্টের চুলা দিয়ে স্টীলের হাড়িপাতিল দিয়ে কি করবো যাদি কারেন্টই না থাকে
23/04/2026
কালকে বাচ্চাদের নিয়ে মার্কেটে গেছি জুতা কিনবো ওদের।আমারও টুকিটাকি কেনাকাটা আছে।দুপুরের রোদের মধ্যে বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে মার্কেটে যাওয়া কি যে একটা কস্টের কাজ যে গেছে সে জানে।সবসময় সন্ধার পরে শপিং করতে যাওয়ার অভ্যাস আমাদের সেখানে এখন সন্ধার পরে দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যায়। এটা কোন কথা?
শামিরা তো সন্ধার পরেই সময় পায়।সারাদিন তো অফিসেই থাকে।এখন কোন কিছু লাগলে কেনাকাটা খুব ঝামেলার হয়ে গেছে। তাই কালকে আমিই বাচ্চাদের নিয়ে গেছি সকালে খাওয়া দাওয়ার পরে।
যখন সিড়ি দিয়ে উপরে দু তলায় যাচ্ছি তখন আমার ফোনে একটা কল আসে।রিসিভ করতে ই একটা ছেলে বলতেছে খুবই ভদ্রভাবে আপু আপনার ফোনে বিকাশে ভুলে আমার ৪০০ টাকা চলে গেছে। আমি বলছি কখন বলে একটু আগেই।আমি বলছি আচ্ছা চেক করে জানাচ্ছি। এরপর আমার ছোট ছেলে কান্না শুরু করছে গরমে আর বড়টার জুতা ট্রায়াল দিচ্ছে আরেকজনে।এরমধ্যেই আমি তাড়াতাড়ি করে মেসেজ চেক করে দেখি ৪০০ টাকা আসছে।
তখন ছেলেটা আবার কল দিছে।আমি বলছি টাকা আসছে।কিন্তু আমার বাচ্চা কান্নাকাটি করছে তো।আমি বাইরে আছি।একটু পরে টাকাটা দেই বাসায় গিয়ে ?সে বলে আচ্ছা। তখন আমার ছোট ছেলেরে একটা রুমে নিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করতেছি যেহেতু অনেক কানতেছে।আর বড়টাকে বসায়ে রাখছি।।আর ওই ছেলে ৫ মিনিট পরে থেকেই অনবরত কল দিয়ে যাচ্ছে।আমি যে একটু সময় চেয়েছিলাম তা আর দেয়নি।
আমিও আর কোনকিছু না ভেবে তাড়াতাড়ি করে টাকা সেন্ড করে দেই।ব্যালেন্স চেক করার দরকার মনে করিনাই।আর আমার এখানে কত আছে সেটা মনেও নাই।
পরে বাসায় এসে ফ্রি হয়ে শুয়ে শুয়ে এর আগের রাতের মেসেজ চেক করছিলাম।কারণ এর আগের রাতেই আজানের আব্বু আমার বিকাশে ৩০০০ টাকা সেন্ড মানি করেছিলো তাই আমার সঠিক ব্যালেন্স টা ওই মেসেজেই পাবো।গিয়ে দেখি রাতে যা ছিলো দুপুরে সেখান থেকেই ওই ছেলেকে টাকা পাঠাইছি।আমার ব্যালেন্স বাড়েনি মানে ওই ছেলে কোন টাকায় পাঠায়নি।কিন্তু আমিতো একটা মেসেজ দেখেছিলাম।
এখন বুঝেন অবস্থা.... দুনিয়াতে ভালো মানুষির কোন দামই নেই।এখন যদি আরও বেশি একাউন্ট হতো তাহলে আজকে আমার কি অবস্থা টা হতো?কমের উপর দিয়ে গেছে বলে এখনো আনোয়ার হোসেন না হয়ে পোস্ট দিতাছি😜😁না হলে কাইন্দা কুল পাইতাম না.....
তাই সাবধান কেউ কখনো ভালো করে যাচাই-বাছাই না করে কেউ ফোন করে বললেই টাকা দিয়ে দিবেননা।আমি ঝামেলায় ছিলাম বলে এতকিছু চেক করতে পারিনাই।আপনারা এই ভুল করবেননা কখনো।
22/04/2026
খালারে বলছিলাম আলু দিয়ে মাংস রান্না করবো আপনি আলু কেটে রাইখেন।বেশি ছোটও করবেন না আবার বেশি বড়ও করবেন না।ওইদিন লতার জন্য আলু কেটে রাখছে একেবারে ভাজির মতো চিকন। তাই আজকে ভালো করে বলে দিছি।
তারপর উঠে গিয়ে দেখি আলু কুচি করে রাখছে। বললাম খালা এগুলো কি করলেন?বলে আপনি না বলছেন বেশি ছোটও না আবার বেশি বড়ওনা।তাইতো এভাবে কা*টলাম😜
বলছি আরও আলু কাটেন এগুলো তো মাংসতে দেয়া যাবেনা।বলে তাহলে এগুলো কি করবেন?আমি বলছি আজানের জন্য ভাজি করে নিবো।এরপর সে অন্য কাজ করছিলো আমারও আর মনে নেই।সে কাজ করে যাওয়ার পরে রান্নাঘরে গিয়ে দেখি সে আমারে আলু কেটে দিয়ে গেছে🙄
প্রথমটা সে ঢেরশ ভাজিতে দেয়ার জন্য কাটছে আর বাটিরটা মাংসতে দেয়ার জন্য। ঢেড়শ কম ছিলো বলে আগের দিন বলেছিলাম সাথে একটু আলুও দিয়েন যেহেতু ঢেরশ অনেক কম।পরে সে এটা কেটে রেখে গেছে।ফ্রিজে রেখে দিছিলাম আর আমি নিজেই ঢেরশে ছোট করে কে*টে দিছিলাম।
আমার ফ্রিজে আলুর ছড়াছড়ি। প্রতিদিন সে এক গাদা করে আলু কাটে বিচিত্র সব ডিজাইনের।
এখন তার এই ইউনিক ডিজাইনের আলু দিয়ে কি মাংস রান্না করা যাবে?
আবার ফ্রিজে রেখে আলু কাটতে গেছি দেখি আলু নাই🤭কেমনডা লাগে......আলু ছাড়া আবার চলেওনা আমার ঘরে
22/04/2026
শুক্রবারে আমার শশুড়ের গ্রামের বাড়িতে এক মহামিলনের আয়োজন করা হয়েছে।সেখানে আমার শশুড়, চাচাশ্বশুর আর ফুপুশাশুড়ি যতজন আছেন সবার ছেলেমেয়ে নাতি পুতিদের নিয়ে মিলনমেলার আয়োজন করেছেন বড়রা।৪০০/৫০০ জন মানুষ হবে সেখানে।
তো আমি ওইখানে পরে যাওয়ার জন্য একটা নামি-দামি জামদানী শাড়ির পেইজে নক দিলাম। কয়েকদিন ধরে সময় নিয়ে দেখে ৬০ হাজার টাকা দামের একটা শাড়ির দরদামও করলাম।লাস্টে দরাদরি করে ৫০ হাজার টাকাতে এসে হাল ছেড়ে দিলাম।ওরা ফিক্সড ৫২ হাজার দিবে বলছে।আমি আর কিছু বলিনাই।
পরে মেসেজ দিয়ে বলতেছে আপু মাত্র ২ হাজার টাকার জন্য এত সুন্দর শাড়িটা হাতছাড়া করে ফেলবেন?
আমি বললাম আপনারাও তো মাত্র ২ হাজার টাকার জন্য একটা রিয়েল কাস্টমার হাতছাড়া করে ফেলতেছেন।যে পরবর্তীতে আপনাদের রিপিট কাস্টমার হতে পারতো।আরো কয়েকটা কাস্টমার নিয়েও আসতে পারতো।
এরপর থেকে ওইখান থেকে সমানে মেসেজ আসতেছে।আমি আর সিন করিনা😜😁আমার কাছে ২০০০ টাকা ছিলো সেটা থেকে ১৫০০ টাকা দিয়ে এই ব্যাগটা কিনেছি আর ৪০০ টাকা দিয়ে হিজাবটা কিনেছি।বাকি ১০০ টাকা দিয়ে এই হেয়ার ক্লিপগুলো কিনেছি।।
টাকাগুলো শেষ করে মনটা খুব খারাপ লাগতেছিলো এখন ওই পেইজওয়ালাদের আফসোস বাড়িয়ে দিয়ে কিছুটা শান্তি লাগতেছে😜😁🫣
22/04/2026
মাত্রই চা টা খেয়ে কাপটা বিছানায় রেখে রান্নাঘরে গেছি পানি আনতে।শামির কাছে বলে গেছি ছেলেরে দেইখো।সে টিভি দেখতেছিলো।রান্নাঘর থেকেই শুনতেছি বলতেছে এটা এখানে রেখে গেছো কেন ভেংগে ফেলবে তো।আমি বলছি তুমি দেখে রাখো।
একটু পরেই শুনি ঠাস......ছেলে কাপটা ঢিল দিয়ে ফ্লোরে ফেলে দিছে।আমি গিয়ে দেখি বেটা যেভাবে চিত হয়ে শুয়ে টিভি দেখতেছিলো সেভাবেই শুয়ে রইছে একটু হেলদোলও নাই।
আমি তো রা গে বলতেছিলাম প্রতিদিন ওরে নিয়ে আমি চা খাই কোনদিন তো.....সাথে সাথে শামি ইশারা দিয়ে বলে চুপ একদম চুপ।একটা গেছে দুইটা দিবো।একটা কথাও বলবানা।কোন সাউন্ড হবেনা।
আমিতো হেসে দিছি😁দুইটার লো ভ কি আর ছাড়তে পারি?কিন্তু আমার মুখটা নিশপিশ করতেছে।ইশ কিচ্ছু বলতে পারলাম না।এখন রান্নাঘরে আইসা একলা একলাই যা মন চায় তাই বলতেছি😜
ও আজকে বাড়ি যাবে কারণ আমার চাচি শাশুড়ী মা/*রা গেছে।নাহলে এক্ষুণি চায়ের মগ কিনতে চলে যেতাম😁তবে খুব বেশি দেরি করবোনা।আমার আবার কোন কিছু কিনার ক্ষেত্রে দেরি সয়না।
মগের সাথে দেখি আরও কি হাতানো যায়।মাঝেমধ্যে পোলারা কিছু ভাংলেই পারে তবে তার বাপের সামনে। নাহলে আবার আমি মানতে পারতাম না
21/04/2026
অনেক অনেক গুলো আপু আমার এই কানের দুলটার ছবি দিতে বলেছিলেন। ইনবক্সে এত জন আপুকে ছবি দেয়াটা ঝামেলার।তাই আজকে ছবিটা চোখে পরার সাথে সাথেই দিয়ে দিলাম।
আপনারা ছবি চেয়েছিলেন আরও আগে কিন্তু আমি ছবি খুঁজে পাচ্ছিলাম না।দুলটাও আমার কাছে এখন নেই যে ছবি তুলে দিবো।
তাই দেরি হয়ে গেলো। আপনারা আবার মনে কইরেননা আমার ভাব বেশি😜😁এখন যারা যারা চেয়েছিলেন তাদের চোখে পরলেই হয়।
এখানে ৭ আনা আছে।আর এটা অনেক আগের দুল না। ২৫ সালেরই বানানো। আমার ঝুমকা ভালো লাগে। এগুলো রেগুলারও ইউজ করা যায় তবে আমি কোথাও গেলেই ব্যবহার করি।একটানা অনেকদিন পরে থাকি তারপর খুলে ফেলি।
আমি ডিজাইন টা বুঝানোর জন্য অরজিনাল ছবিটাই দিছি।এডিট করিনাই
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the establishment
Telephone
Website
Address
33/8 Kewatkhali, Powerhouse Road, Sadar, Mymensingh
Dhaka