May I Help U

May I Help U

Share

13/10/2018

কয়েকটা সুন্দরী মেয়ে লাইন ধরে উলঙ্গ হয়ে দাড়িয়ে, শুধু বিশেষ তিনটি অংশে রং করা আছে শরীরের বাকি অংশে কোন কাপড় নেই !
পশ্চিমাদের কাছে এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা!
কিন্তু আজকে মেয়েগুলোকে অনেক মানুষ ঘিরে রেখেছে, বলতে পারেন একাত্মতা প্রকাশ করছে!

আমেরিকার আইনুযায়ী একজন নারীকে শুধু তার স্তনের কালো অংশটুকু এবং লজ্জা স্থানটা ঢেকে রাখতেই হবে । কিন্তু এটাকে তারা তাদের স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে বলে মনে করে! তাই পূর্ণ স্বাধীণতা পেতে তারা ঐ জায়গাগুলোও খোলা রাখার বৈধতা চায়!

কয়েক মাস আগে ম্যানহাট্টানে রাত দুটার দিকে আমি এক ট্রাফিক সিগনালে দাড়ানো, রাস্তা ক্রস করার সময় ঠিক আমার গাড়ির সামনে এসে এক মহিলা রাস্তায় ঢলে পড়লো!

৭০/৮০ বছরের বৃদ্ধা মহিলাটাকে দেখে মায়াও লাগছিলো আবার পড়নে, হাফপ্যান্ট, উচু হিল জুতা, লাল লিপস্টিক আর ব্লাউজের মতো ছোট একটা জামা দেখে আমার কিছুটা নাক শিটকানিও হলো, যদিও শেষে নেমে গিয়ে মহিলাকে তোলার চেষ্টা করলাম।

ততক্ষনে আমার দুদিকের গাড়িগুলো যাওয়া শুরু করেছে! মহিলা রিকুয়েষ্ট করলো দুই ব্লক পর তার বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসতে। আমি রাজি হলাম কিন্তু এরই মধ্যে এ্যাম্বুলেন্স আর পুলিশের গাড়ি হাজির,

পুলিশ এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলো, আমি কল করেছিলাম কি না। আমি 'না' উত্তর দিয়ে ঘটনা বলার পর পুলিশ আমাকে চলে যেতে বলে মহিলাকে এ্যাম্বুলেন্সে নিতে যায়। মহিলা কি একটা কার্ড বের করে পুলিশকে দেখিয়ে এ্যাম্বুলেন্সে না উঠে আমার গাড়িতেই উঠতে চাইলো।

পুলিশ আমাকে সাবধানে যেতে বলে বিদায় নেয়।
মহিলার বাসায় যাবার পথে আমি কোন দেশের, কতদিন ধরে আসছি, কে কে থাকি, আরও নানা প্রশ্ন করে তার কথাও বলা শুরু করলো। এরই মধ্যে তার বাসায় পৌঁছে গিয়েছি।

আমাকে বললো, "তোমার গাড়িতে আরেকটু থাকি? আমি এক্সট্রা পে করবো।" আমি বললাম ok, no prblm. আধা ঘন্টা গল্পের পর আমাকে ১০০ ডলার ভাড়া দিয়েছিলো।

এই সময়ে জানলাম, তার মোট ছয়টা বয়ফ্রেন্ড ছিলো, এর মধ্যে তার দুই নম্বর বয়ফ্রেন্ডের সাথেই শুধু লম্বা সময় লিভ-টুগেদার করেছে, মহিলার একমাত্র মেয়েটাও ঐ বয়ফ্রেন্ডের। এর পরের বয়ফ্রেন্ডগুলো আসা যাওয়ার মাঝে থাকলেও মেয়েটা তার সাথে সব সময় থেকেছে।

কিন্তু মহিলার শেষ বয়ফ্রেন্ডটাই এখন তার মেয়ের বয়ফ্রেন্ড! এই ঘটনাটাই তার জীবনের সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। তবে এখনও তার ইচ্ছে শেষ জীবনে মনের মতো একজনকে খুঁজে পাওয়া! কিন্তু এখন অনেক সাজুগুজুর পরেও কাউকে আকর্ষণ করে না!

পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাধীণ দেশের প্রায় সব বৃদ্ধা মহিলাদের জীবনই কাটে এভাবে! পুরুষের টাকা আছে,৮০ বছর বয়সেও ২০ বছরের স্পানিশ, রাশিয়ান মেয়েদের নিয়ে ফূর্তি করছে কিন্তু অঢেল পয়সাওয়ালা ৮০ বছরের বৃদ্ধা মহিলাদের জীবনের শেষ সময়টা কাটে নিঃসঙ্গ, একাকী!
অথচ এমন স্বাধীনতার জন্যেই হয়তো একসময় তসলিমা, খুশী কবির কিংবা সুলতানা কামালের মতো অতিস্মার্টরা নারী মুক্তির নামে নারীদেরকে একাকীত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছিলো!

আজকে বাংলার মেয়েদের পায়জামা উঠতে থাকা আর তসলীমা, খুশী কবীরদের হাতা কাটা জামা দেখেও ৫০ বছর পরের বাংলাদেশটা আমার চোখে ভাসে, যেদিন শাহবাগে দাড়িয়ে আমাদের মেয়েরাও দাবি তুলবে সব কিছু খুলে ফেলার!

আমার ছেলে, নাতি-পুতিরাও পশ্চিমাদের মতো বিয়ের বদলে লিভ টুগেদারে উৎসাহী হবে! আমাদের দেশেও আইন হবে লিভ টুগেদার বৈধ! আমাদের মেয়েরাও সেই আত্মঘাতী স্বাধীনতার লোভে আন্দোলনে দাড়িয়ে যাবে! সেই দিন হয়তো বেশি দূরে নয়!!!

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka