LAW CIRCLE
নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজতে।
পর্ব - ৩
সিভিল মামলার আরজির পাদদেশে সাধারণত অবশ্যই একটি সত্যপাঠ (Verification) প্রদান করতে হয়। তবে ফ্যামিলি কোর্টস অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫-এর ধারা ৩ ও ২০ এর বিধান অনুযায়ী পারিবারিক মামলার আরজিতে আলাদাভাবে সত্যপাঠ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ, এখানে সিপিসি’র অর্ডার ৬ প্রযোজ্য নয়।
একইভাবে, অভিভাবক হিসেবে কাজ করার কোনো পৃথক অঙ্গীকারনামা দাখিল করারও বাধ্যবাধকতা নেই। তবে উক্ত আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী, আরজির পাদদেশে সাক্ষীদের তালিকা তফসিল আকারে (schedule আকারে) অবশ্যই দাখিল করতে হবে।
#অভিভাবকত্ব
#নাবালক
#পারিবারিক_আদালত
ানুন
#বাংলাদেশের_আইন
িকার
18/05/2026
নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত।
পর্ব - ২
নাবালক সন্তানের অভিভাবক কিভাবে নিযুক্ত হবে?
আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক সন্তানের শরীর, সম্পত্তি অথবা উভয়ের দেখভাল ও তত্ত্বাবধান করার আইনগত ক্ষমতাকে বলা হয় “অভিভাবকত্ব” (Guardianship)।
বাংলাদেশের আইনে সাধারণত অভিভাবকত্ব ৩ প্রকারঃ
১️⃣ স্বাভাবিক অভিভাবক (Natural Guardian)
সাধারণভাবে নাবালক সন্তানের স্বাভাবিক অভিভাবক হলেন পিতা।
পিতা জীবিত, সুস্থ ও সক্ষম থাকলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে অভিভাবক নিয়োগ করার সুযোগ সাধারণত আইনে নেই।
২️⃣ ঘোষিত বা দলিলমূলে নিযুক্ত অভিভাবক (Declared/Testamentary Guardian)
পিতা বা দাদা লিখিতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তিকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে মনোনীত করতে পারেন।
তবে শুধু দলিল করলেই হবে না—আইনগতভাবে কার্যকর হতে পারিবারিক আদালত থেকে অভিভাবকত্বের ঘোষণা নিতে হয়।
৩️⃣ আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক
দ্য গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট, ১৮৯০ অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন হলে কোনো নিকট আত্মীয়, আগ্রহী ব্যক্তি বা উপযুক্ত কাউকে নাবালকের অভিভাবক নিযুক্ত করতে পারে।
সব ক্ষেত্রে আদালতের প্রধান বিবেচনা থাকে—
“নাবালকের সর্বোত্তম কল্যাণ” (Welfare of the Minor)।
#অভিভাবকত্ব
#নাবালক
#পারিবারিক_আদালত
ানুন
#বাংলাদেশের_আইন
িকার
18/05/2026
নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত : পর্ব ১
সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় আইন।
নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব (Guardianship) নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে বা কেউ অভিভাবক নিযুক্ত হতে চাইলে মামলা করতে হবে পারিবারিক আদালতে, যা পরিচালিত হবে দ্য ফ্যামিলি কোর্টস অ্যাক্ট, ২০২৩ (পূর্বে ১৯৮৫) অনুযায়ী।
অভিভাবক নিয়োগ বা ঘোষণা করার ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনা করবে—
১. নাবালকের ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় আইন (Personal Law), যেমন মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান বা অন্যান্য ধর্মীয় আইন; এবং
২. দ্য গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট, ১৮৯০।
অর্থাৎ, কে অভিভাবক হতে পারবেন, কোন পরিস্থিতিতে অভিভাবকত্ব পাওয়া যাবে বা পাওয়া যাবে না—এসব নির্ধারণ হবে ধর্মীয় আইন ও Guardians and Wards Act-এর আলোকে,
আর মামলার বিচার হবে পারিবারিক আদালতে।
#অভিভাবকত্ব
#নাবালক
#পারিবারিক_আদালত
ানুন
#বাংলাদেশের_আইন
িকার
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
2/2-C Culvert Road( 4th Floor) Purana Paltan , Dhaka 1205
Dhaka
DHAKA-1100