Easy Click
বাংলাদেশের যত শিক্ষা বোর্ড রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে অব্যবস্থাপনায় ভরা যদি কোনো বোর্ডের নাম বলতে হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-এর নামই সামনে আসে।
এই বোর্ড যেন শিক্ষার্থীদের “শিক্ষার্থী” হিসেবেই বিবেচনা করতে চায় না। তাদের সিদ্ধান্ত, মূল্যায়ন—সবকিছুতেই রয়েছে এক ধরনের অস্বচ্ছতা এবং অবহেলা। বিশেষ করে “রেফার্ড” বা “ড্রপআউট” বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট কারণ আছে।
প্রথমত, এই অস্বাভাবিক হারে রেফার্ড হওয়ার পেছনে বোর্ডের মূল্যায়ন পদ্ধতিই সবচেয়ে বেশি দায়ী। খাতা কীভাবে দেখা হয়, কীভাবে নম্বর দেওয়া হয়—এসব নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী যদি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারে যে সে পাশ করবে, তাহলে ফলাফল এমন বিপরীত হয় কীভাবে?
একটা বড় প্রশ্ন—কীভাবে মাত্র ১০-১৫% শিক্ষার্থী পাশ করে, আর বাকি ৮৫% ফেল করে? তাহলে কি ধরে নিতে হবে যে এত বড় সংখ্যক শিক্ষার্থী একসাথে পড়াশোনা করে না? নাকি সমস্যাটা অন্য কোথাও?
দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার নিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় ঠিকই, কিন্তু ফলাফলে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন বা স্বচ্ছতা দেখা যায় না। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—আসলে কি খাতা পুনরায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়?
এই অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী হতাশায় ভুগছে, কেউ কেউ মাঝপথেই ডিপ্লোমা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। একটি ভুল বা অস্পষ্ট মূল্যায়ন একটি শিক্ষার্থীর পুরো ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিতে পারে—এই বিষয়টি বোর্ডের বুঝা উচিত।
আমাদের দাবি খুব সাধারণ—
✔️ সঠিক ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন
✔️ খাতা দেখার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি
✔️ বোর্ড চ্যালেঞ্জের কার্যকর ফলাফল
✔️ শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ
আমরা চাই না কোনো অন্যায় সুবিধা, চাই শুধু ন্যায্য বিচার।
বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র আন্দোলন-এর প্রতি আহ্বান—এই সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখুন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেন আর কোনো ধরনের অবহেলা না হয়।
30/04/2026
📛নিউজ📛
সম্প্রতি প্রকাশিত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন পর্বের ফলাফলে সারা দেশে বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে। ৪৯টি সরকারি ও প্রায় ২০০টি বেসরকারি পলিটেকনিকের ২,১৮,৬২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৮৭,৬৪৩ জন, যার হার ৪০.১ শতাংশ। তবে জুনিয়র পর্বগুলোতে পাশের হার উদ্বেগজনক হলেও ৮ম পর্বে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী সফল হয়েছেন।
ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্বাভাবিক হারে ফেল এবং ফলাফলে গড়মিলের অভিযোগ তুলেছেন। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকা, শিক্ষক সংকট ও সিলেবাস শেষ না হওয়ার মতো সমস্যাগুলোকে এই গণফেলের কারণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী রেফার্ড হওয়ায় ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।
©️ Polytechnic Notice
আলহামদুলিল্লাহ ❤️
পবিএ জ্বিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে ।আগামী ৭.৬.২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে পবিএ ঈদুল আজহা ॥🌙🌙
আল্লাহ সবাইকে সুষ্ঠ সুন্দরভাবে কোরবানির করার তৌফিক দান করুক॥
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Dhaka