Hitech Multicare Hospital Limited
13/02/2021
ভিটামিন ‘ডি’র অভাবই করোনায় মৃত্যুর বড় কারণ!
করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুহারের সঙ্গে ভিটামিন ‘ডি’র যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন গবেষকরা। ১০টি দেশ থেকে করোনা রোগীদের বিশদ তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণের পর ওই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে গবেষকরা দাবি করেছেন, ভিটামিন ‘ডি’ শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সূর্যালোকে আমাদের ত্বকে ভিটামিন ‘ডি’ সংশ্লেষিত হয়। কিন্তু ত্বক বাঁচাতে অনেকেই গায়ে রোদ লাগাতে চান না। ফলে শরীরে স্বাভাবিক মাত্রায় যে ভিটামিন ‘ডি’ থাকা জরুরি তা থাকে না। এই ঘাটতিই করোনায় মৃত্যু ডেকে আনছে। এ দাবির পেছনে গবেষকদের যুক্তিও রয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ইতালি ও স্পেনের লোকজনের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র মাত্রা খুবই কম। এ কারণে করোনায় দুইটি দেশে মৃত্যুহারও বেশি গবেষকদের কথা অনুযায়ী, কড়া রোদ এড়িয়ে চলায় এই দেশগুলোতে ত্বকের পিগমেন্টটেশন কমেছে। ফলে ভিটামিন ‘ডি’র সংশ্লেষ আশানুরূপ হচ্ছে না। শরীরে ভিটামিন ‘ডি’ পর্যাপ্ত মাত্রায় থাকলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় জড়িতদের অন্যতম ব্রিটেনের অ্যাংলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের লি স্মিথ বলেছেন, গড় ভিটামিন ‘ডি’র মাত্রার সঙ্গে কোভিড-১৯ কেসের একটা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমরা খুঁজে পেয়েছি। বিশেষত করোনায় মৃত্যুহারের সঙ্গে। তিনি বলেন, উত্তর ইউরোপের দেশগুলোতে লোকজনের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র গড়মাত্রা ইতালি ও স্পেনের থেকে বেশি। কারণ সেখানকার লোকজন রোদে বেরোতে দ্বিধা করেন না। আবার তারা কড লিভার ওয়েল, ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট নেন। করোনায় মৃত্যুহারের ওপর ভিটামিন ‘ডি’র প্রভাব ইস্যুতে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর প্রসঙ্গও আসে। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের হার কম। এক্ষেত্রে গবেষকদের ব্যাখ্যা হলো, প্রবীণদের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই অনেক কম। ফলে করোনায় তাদের মৃত্যুহার বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আগের একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করে লি স্মিথ বলেন, হাসপাতাল, কেয়ার হোমের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ভিটামিন ‘ডি’র মারাত্মক ঘাটতিতে ভুগছেন। তবে ভিটামিন ‘ডি’র ঘাটতিই করোনার মৃত্যুহার বাড়ার কারণ এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে এ বিষয়ে আরও বিশদ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে তা বলতে ভুলেননি এ গবেষক।
কি সাংঘাতিক কসাই!
একটা ভয়ংকর অপরাধ দৃশ্যের বর্ণনা দেই। দুর্বল চিত্তের লোকজনের জন্য প্রবেশ নিষেধঃ
'প্রথমেই তাকে একটা রুমে ঢুকিয়ে ফেলা হলো রুম আটকে দেয়া হলো।যাকে ভিতরে ঢুকানো হলো রুমের বাহিরে তাদের অনেক আত্ত্বীস্বজনের চিৎকার শোনা যাচ্ছে; অনেকে চিৎকার করে দোয়া পড়ছে। অনেকে চোখের জল ফেলে উপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করছে। কেউ জানে না কি হবে? কেউ জানে না ভিতরে কি হতে যাচ্ছে? ভিতরে ঢুকিয়েই তাকে একটা কাপড়ে শরীরের অনেকটুক অংশ ঢেকে ফেলা হলো। দলনেতা গোছের একজন এবং সাথে আএকজন তাদের চেহারা কাপড়ে ঢেকে ফেললো তাদের না চেনা যায়। এই অপকর্মে সহযোগিতা করার জন্য আরো বেশ কয়েকজন রুমে উপস্থিত আছে। বৃদ্ধ টাইপের একজন লোক ইশারা করতেই পেটে ছুড়ি বসিয়ে দিলো। রক্ত বের হতে লাগলো ফিনকি দিয়ে। সাথের জন কাপড় দিয়ে চেপে ধরলো যেন রক্ত বেশি বের না হয়। একজনের মনে হলো যথেষ্ট শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। গরম তাতাল টাইপের একটা জিনিস নিয়ে পেটে রক্ত বের হওয়া জায়গাটাতে চেপে ধরা হলো। রুমে মাংস পোড়া গন্ধ-এ ভরে গেল। এদিকে যার উপর এই অপকর্ম চালানো হচ্ছে সে সম্ভবত ভয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। একজন দেখতে বললো - কি অবস্থা? জানানো হলো এখনো বেচে আছে। এভাবে কিছুক্ষন চললো এই নারকীয় অপকর্ম। ফ্লোরে টপটপ করে রক্ত পড়ছে। গা ভেসে আচ্ছে রক্তে। সে এক বীভৎস দৃশ্য। অনেকক্ষন এই অপকর্ম চালানোর পর যেন কিছুও হয় নি এমনভাব করে রুম থেকে বের হয়ে গেলো অপকর্মের হোতা। যাবার আগে বললো রুম ভালো করে পরিস্কার করতে যেন রক্ত বা অন্যান্য কিছুই ফ্লোরে না লেগে থাকে। বাহিরে কি অবস্থা জানি না।'
উপরে যেই বীভৎস দৃশ্যের বর্ণনা পেলেন তা আর কিছুই না একটা সিজারের অথবা পেটে অপারেশনের খুব স্বাভাবিক একটা দৃশ্য। একজন ডাক্তার বা মেডিকেল স্টুডেন্ট-এর জন্য এগুলো খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু এই বর্ণনা যদি আমাদের সাংবাদিক নামের সাংঘাতিকদের দিতে দেয়া হয় তারা বর্ণনা এমনভাবেই দিবে। তারা ডাক্তারদের এমনভাবেই সাধারন মানুষের কাছে উপস্থাপন করে তাদের পত্রিকার কাটতি বাড়ায়।
(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Website
Address
164 East Kafrul
Dhaka
1206