Law Lab

Law Lab

Share

10/06/2026

তারিণী কান্ত সিংহ ছিলেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও এলাকার একজন ভূমির মালিক ও দলিল লেখক। তার সঙ্গে অভিযুক্ত আব্দুল আলী, আব্দুল বারী ও অন্যান্যদের জমি ও বসতভিটা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। অভিযুক্তরা তার জমি দখল ও জাল দলিল তৈরির মাধ্যমে সম্পত্তি আত্মসাৎ করার ষড়যন্ত্র করছিল। মৃত ব্যক্তি এ বিষয়ে থানায় জিডি ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগও করেছিলেন। ৪ মার্চ ১৯৭৯ রাতে কিছু ব্যক্তি তারিণী কান্ত সিংহকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কয়েকদিন পর ব্রহ্মপুত্র নদের একটি ডোবা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং বস্তাভর্তি বালু ও ইট দিয়ে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল।
প্রথমে গফরগাঁও থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। পুলিশ ও পরে সিআইডি তদন্ত পরিচালনা করে। মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অতিরিক্ত দায়রা জজ, ময়মনসিংহ তিনজন অভিযুক্ত আব্দুল আলী, আব্দুল বারী ও আব্দুস সোবহানকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এবং বাকি অভিযুক্তদের খালাস দেন। দণ্ডিত আসামিরা হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করেন।
হাইকোর্ট বিভাগ আপিল খারিজ করে ট্রায়াল কোর্টের দণ্ড বহাল রাখে। আদালত বলেন যে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। একই সঙ্গে আদালত কিছু খালাসপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে suo motu রুল জারি করেন, কারণ আদালতের মতে তাদের বিরুদ্ধেও এমন প্রমাণ ছিল যা আপিলকারী দণ্ডিত আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত প্রমাণের সমমানের। অথচ ট্রায়াল কোর্ট তাদের খালাস দিয়েছিল। হাইকোর্ট বিভাগের যুক্তি ছিল ট্রায়াল কোর্ট একই ধরনের সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তিনজন আসামিকে দণ্ড দিয়েছে। কিন্তু একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং একই approver সাক্ষ্য দ্বারা অভিযুক্ত অন্য কয়েকজনকে খালাস দিয়েছে। আদালতের মতে এই খালাস prima facie সঠিক ছিল না। বিশেষত PW-2 এর সাক্ষ্যে আব্দুল জব্বার, আব্দুল আজিজ, আলম @ শামসুল আলম, কামাল ও লাল মিয়ার সক্রিয় অংশগ্রহণের বর্ণনা ছিল। আদালত মনে করেন যে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান প্রমাণও দন্ড দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। তাই হাইকোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারার ক্ষমতা ব্যবহার করে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (suo motu) কারন দর্শানোর জন্যে রুল জারি করেন যে, কেন খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের খালাসের আদেশ বাতিল করা হবে না, এবং কেন তাদেরও আপিলকারীদের মতো দোষী সাব্যস্ত করা হবে না।

Photos from Law Lab's post 18/05/2026

দেওয়ানি দাবি আদায়ে ফৌজদারি প্রক্রিয়া
(Criminalisation of Civil Wrong)

17/05/2026

নরওয়েজিয়ান এম্বাসি এবং Dhaka Tribune কর্তৃক আয়োজিত "The Importance of a Fully Independent Judiciary in Bangladesh" শীর্ষক সেমিনারে আগামীকাল (১৮ মে) প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং ল' ল্যাবের হেড অব চেম্বার্স জনাব মোহাম্মদ শিশির মনির।

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Flat No. A-4, House No. 95, Road No. 9/A, Dhanmondi
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00