Mahfuz Mahbub Virtual Classroom
05/12/2024
সফল হতে চান?
২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি,তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে।
প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা-
যারা আপনার চাইতে এগিয়ে,তারা আপনার চাইতে
বেশি পরিশ্রমী।এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না।
শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের রাজা।শুধু পরিশ্রম করা নয়,এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা।
only your results are rewarded,not your efforts!!!!
আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে?সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়।আমার বন্ধুকে দেখেছি,অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে।ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!
আপনি বাড়তি কী করলেন,সেটাই ঠিক করে দেবে,আপনি বাড়তি কী পাবেন।আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে ভিন্ন কিছু পাবেন না।বিল গেটস রাতারাতি বিল গেটস হননি।শুধু ইউনিভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।
আউটলায়ার্স বইটি পড়ে দেখুন।বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে।
নজরুলের প্রবন্ধ গুলো পড়লে বুঝতে পারবেন,উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন।শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হওয়া যায় না।কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাওয়া যাবে না।সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না,বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।
স্টুডেন্ট লাইফে কে কী বলল,সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না,সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক।যাকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি,সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়।কেরিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না,সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে।সব পরীক্ষায় মহা উৎসাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না,এটা অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।
সরকারী ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? সবাই বলছে,আপনার লাইফটা শেষ?আমি বলি,আরে!আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি।আপনি কতদূর যাবেন,এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে?লাইফটা কি ওদের নাকি?
আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন,আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর।
শুধু 'ওহ শিট','সরি বেবি','চ্যাটিং ডেটিং' দিয়ে জীবন চলবেন না।আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট,তাকে বাদ দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন।যে গাড়িটা করে ইউনিভার্সিটিতে আসেন,ঘোরাঘুরি করেন,সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?
একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।তখন আপনাকে যা যা করতে হবে,সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়,কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়,কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়,কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়,কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,কিছু ভাল কাজ করতে হয়।জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়।একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে,তখন দেখবেন,পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে,মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।"আপনার মত করে লিখতে হলে
আমাকে কী করতে হবে?আমি আপনার মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?"এটা আমি প্রায়ই শুনি।আমি
বলি,"অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে।নো শর্টকাটস্।সরি!"
রিপ্লাই আসে,"কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না। কী করা যায়?"এর উত্তরটা একটু ভিন্ন ভাবে দিই।
আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন,তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত,সে সময়ে আপনি তাকে দেখে হাসতেন।এখন সময় এসেছে, আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন।
জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলেন,যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না,এটাই স্বাভাবিক।এটা মেনে নিন।
মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান।এখনই সময়!
কষ্ট করুন,লক্ষ্য ঠিক রাখুন,ব্যর্থ হবেন
কিন্তু থামবেন না,এগিয়ে যান--
১০০০ বার ব্যর্থ হলে তা থেকে ১০০০টা
শিক্ষা নিন,তারপর সফলতা পান।
03/12/2024
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত উক্তি সমূহঃ
১.যাহা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!
২.সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।
৩.দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।
৪.বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।
৫. দু:খ কখনও একা আসে যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।
৬.আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এ দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।
৭.অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।
৮.কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।
৯.যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।
১০.আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।
১১.সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!
১২.তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।
১৩.তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।
১৪.শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।
১৫.প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।
১৬.মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।
১৭.জীবন জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।
১৮.আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।
১৯.ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে|
03/12/2024
https://youtu.be/NwrEbDPLMv8?si=LfoPP9Th8SKO5efv
ব্যবহারিক ক্লাস, অধ্যায়-৭, জীববিজ্ঞান ২য় (ফিমার অস্থি পর্যবেক্ষণ) ব্যবহারিক ক্লাস, অধ্যায়-৭, জীববিজ্ঞান ২য় (ফিমার অস্থি পর্যবেক্ষণ)
CO (কার্বন মনোক্সাইড), যেটাকে নিরব ঘাতক বলা হয়। এটা বাতাসের চেয়ে ওজনে ভারী হওয়ায়, এটা বাতাসে না থেকে সহজেই বিভিন্ন গর্ত, সেপটিক ট্যাংক, কুয়ায় গিয়ে জমা হয় (যেগুলো সাধারণত অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে, বা দীর্ঘদিন যাবৎ নাড়াচাড়া করা হয় নি এমন)। এই গ্যাসটা বর্নহীন ও গন্ধহীন গ্যাস, তাই নিশ্বাসের মাধ্যমে কারো শরীরে প্রবেশ করলেও সে নিজে বুঝতে পারে না।
আমাদের শরীরে যখন অক্সিজেন প্রবেশ করে, সেটা রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে ❛অক্সি-হিমোগ্লোবিন❜ নামক একটা যৌগ তৈরি হয়, যেটার মাধ্যমে সারাদেহে অক্সিজেন পরিবাহিত হয়।
সমস্যা হলো....
নিঃশ্বাসের সাথে CO যখন প্রবেশ করে, তখন এটা অক্সিজেনের বদলে নিজে হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বোক্সি-হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যেটা একটা বিষাক্ত যৌগ এবং যেটা আমাদের দেহে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি করে ফেলে। কিন্তু, আমাদের নাক এটা ধরতে পারে না, যেহেতু এই গ্যাসের কোনো গন্ধ নেই।
এভাবে, জাস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ শূন্যের কোটায় নেমে আসে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যায়। আর, যারা এসব না জেনে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরকে উদ্ধার করতে যায়, তারাও একই ভাবে মারা যায়।
এখন এটা থেকে বাঁচার উপায় বলি :--
দমকল বাহিনী সবসময় এ ধরনের পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে ❛অক্সিজেন ডিটেক্টর❜ যন্ত্র ব্যবহার করে থাকে।
তবে সহজ কিছু উপায়ে সেপটিক ট্যাংক, কুয়ো বা গভীর কোনো গর্ত কতটা নিরাপদ সেটা বোঝা সম্ভব।
১। একটা হারিকেন বা কুপি জ্বালিয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে তা সেপটিক ট্যাংক বা কূপের ভেতর নামিয়ে দিলে সেটি যদি দপ করে নিভে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেখানে অক্সিজেনের স্বল্পতা রয়েছে।
২। অথবা, ছোটো একটা মুরগির বাচ্চার পায়ে দড়ি ঝুলিয়ে গর্তের মধ্যে নামিয়ে দিলে যদি সেটি মারা যায় বা মরণাপন্ন অবস্থা তৈরি হয়, তাহলেও সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। তবে, এটা অনৈতিক কাজ বলে মনে করি। জীব হত্যা মহাপাপ।
৩। বদ্ধ যেকোনো কূপ বা গর্তে ঢোকার সময় অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। নেহাতই যদি অক্সিজেন মাস্ক না থাকে, তাহলে পাতাসহ গাছের ডাল কেটে তা দড়িতে বেঁধে গর্তের ভেতরে অনেকবার ওঠানামা করালে বিষাক্ত গ্যাস কিছুটা বের হয়ে আসবে এবং ভিতরে কিছুটা অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাস ঢুকবে।
তবে, পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গেলে অক্সিজেন মাস্কের বিকল্প নেই। (C)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka
1000