Students platform Bd
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত উক্তি সমূহঃ
১.যাহা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!
২.সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।
৩.দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।
৪.বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।
৫. দু:খ কখনও একা আসে যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।
৬.আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এ দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।
৭.অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।
৮.কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।
৯.যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।
১০.আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।
১১.সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!
১২.তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।
১৩.তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।
১৪.শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।
১৫.প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।
১৬.মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।
১৭.জীবন জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।
১৮.আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।
১৯.ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে|
#সংগৃহীত ゚viralシ
27/11/2024
পুরুষ হওয়া অত সোজা নয়, একটু বড় হওয়ার পর হঠাৎ করেই বুঝে যায় খুব তাড়াতাড়ি বড় হতে হবে, পুরো সংসারের দায়িত্ব নিতে হবে ।
ঘর বানানোর জন্য পুরুষকে ঘর ছেড়ে বাইরে যেতে হয় বছরের পর বছর, মৃত্যুর আগে অব্দি হয়তো কখনো পাকাপাকিভাবে বাড়ি ফেরা হয় না ।
নির্বাক সৈনিকের মত লড়ে যায় বহুরূপীর মতো বিভিন্ন রূপে কখনো দাদা, কখনো ভাই, কখনো বা স্বামী , কখনো বাবা ।
পুরুষকে কখনো কাঁদতে দেখবেন না, কারণ সে জানে কাঁদলে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কাউকে পাশে পাওয়া যায় না । বিভিন্ন কারণে যদি স্ত্রীর সাথে ঝগড়াও হয়ে যায় সে সে হয়তো চুপ করে থাকে বা এক বেলা না খেয়ে থাকে তবু তার কোন বাপের বাড়ি হয় না যেখানে গিয়ে সে তার অভিমানটা প্রকাশ করতে পারবে ।
যতই শিক্ষার ডিগ্রী থাকুক পুরুষের সম্মানটা তার উপার্জন এবং মূলধনের উপরে নির্ভর করে ।
পুরুষরা সমাজ, পরিবার ও সম্পর্কের ভিত গড়ে তোলে, অথচ তাদের আবেগ, সংগ্রাম ও স্বাস্থ্যের কথা অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়। আজকের দিনে তাদের ত্যাগ, দায়িত্ব ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাই।
আপনারা আমাদের জীবনে আলো হয়ে থাকুন। নিজের যত্ন নিন, আপনার অনুভূতিগুলোকে সম্মান দিন।
টাইম ম্যানেজমেন্ট এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জীবনে। সময়ের চেয়ে দামি আসলেই কিছু নেই। আমরা কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ নিই। আসলে দিনের কাজ কোনটা কখন করবেন, কোনটা আগে বা পরে—এসবই আসে সময় ব্যবস্থাপনার মধ্যে। যদি এই বিষয়টি সঠিক না হয়, তবে সারা দিন কাজ করেও ভালো ফল মেলে না।
আর আসলে প্রথমে জানতে হবে সময় বলতেই–বা আমরা কী বুঝি। সময় তো ঘড়ির কাঁটায় চলে। একে ক্লক টাইম বলা হয়, যার কোনো হেরফের হয় না। কিন্তু সময় আসলে আপেক্ষিক। কাজ থেকে ১০ মিনিটের বিরতি নিয়ে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে নিজের অজান্তে ঘণ্টা কাবার হয়ে যায়। আবার ল্যাপটপে প্রাত্যহিক একঘেয়ে কাজ করতে করতে যেন লাঞ্চ টাইম আর আসে না। তাই সব মিলিয়ে দিনের ২৪ ঘণ্টাকে বুদ্ধি করে সাজিয়ে সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করতে পারলে জীবনে মিলবে সফলতা।
মাত্র তিনভাবে সময় কাটানো যায়। চিন্তা করা, কথা বলা ও কাজ করা। আমরা সারা দিন যা–ই করি না কেন, তাকে এই তিন শ্রেণির একটিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। আর জীবনে সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে এই তিন ধরনের কাজই রাখতে হবে দিনের করণীয় কাজের তালিকায়। এবারে টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনার কিছু কার্যকর উপায় দেখে নেওয়া যাক।
১. সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন সময় রেকর্ড করা
কর্মক্ষেত্রে কথোপকথন, প্রজেক্ট আর বিভিন্ন কার্যক্রমে কতটুকু সময় লাগে, সেটা খেয়াল করে রেকর্ড করতে হবে প্রথমে সপ্তাহভর। আর তা যে শুধু কাজের হিসাব, তা নয়। যতভাবে সময় ব্যয় হয়, তার সবই আমলে আনতে হবে। এভাবে এক সপ্তাহের উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করলেই বোঝা যাবে সময় কোথায় যাচ্ছে।
২. নিজের কাজের জন্য আলাদা সময় রাখা
আলাদা করে সময় না রাখলে কোনো কাজই করা হয় না ভালোভাবে। দিনের প্রাত্যহিক করণীয় কাজের ভিড়ে নিজের কোন বিশেষ কাজ হারিয়ে যায়। করা হয় না অথবা মানের ক্ষেত্রে আপস করা হয়।
৩. চিন্তা করার জন্য সময় বরাদ্দ
কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেতে হলে যত কাজ করতে হয়, যার প্রতিটি হওয়া উচিত সুচিন্তিত। এই ব্রেনস্টর্মিংয়ের জন্য আলাদ্য সময় অবশ্যই রাখতে হবে।
৪. কাজের বিঘ্ন ও বিরতিগুলোকে গোনায় ধরা
শুধু কাজ নয়, অকাজগুলোকেও গোনায় ধরতে হবে। কেউই টানা কাজ করতে পারে না। আবার আগে থেকে ঠিক করে রাখা শিডিউল অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে বিরতি নেওয়া বা বিভিন্ন কারণে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এই সময়গুলোকে খেয়াল করে হিসাবের মধ্যে ধরতে হবে।
৫. দিনের প্রথম ৩০ মিনিট পরিকল্পনার জন্য রাখা
কাজ শুরু করার আগে প্রথমে আধা ঘণ্টা দিনের পরিকল্পনা করার জন্য রাখা উচিত। এতে উল্টাপাল্টা সময় ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পরিকল্পনা ছাড়া দিন শুরু করলে কাজের শৃঙ্খলা থাকে না। তাই এই ৩০ মিনিটই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।
৬. লক্ষ্য স্থির করা
লক্ষ্যবিহীনভাবে কাজ করে কিছুই অর্জন করা যায় না। প্রতিটি কাজ, মিটিং বা ফোনালাপের আগে এর মূল লক্ষ্য বা এর থেকে কী ও কতটুকু পাওয়া যাবে, তা ঠিক করে নিতে হবে।
৭. সবাইকে জানান দিন যে আপনি ব্যস্ত
‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন সব সময় লাগানো না গেলেও কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার আগে সবাইকে জানিয়ে দিলে ভালো। এতে এ সময় কেউ অযথা বিরক্ত করবে না। যেকোনো মেসেঞ্জার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিরক্ত না করার সিগন্যাল সেট করা যায়।
৮. সারাক্ষণ অন্যদের মনোযোগ না দেওয়া
আপনাকে সব সময় চাইলেই পাওয়া যাবে, এ ধারণা থেকে সবাইকে বের করে আনুন। নয়তো কোনো কাজই ঠিকভাবে করা হবে না ফোন বাজলেই ধরতে হবে, ই–মেইল এলেই খুলে দেখতে হবে তা নয়। মেসেঞ্জারগুলোতেও আপনার সক্রিয় উপস্থিতির বেলায় একই কথা প্রযোজ্য।
🌼
17/10/2024
শৈশব..... ❤️.......
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka