Roena's Blog

Roena's Blog

Share

05/08/2025

নারী কখনো ঘোষণা দিয়ে বদলায় না, নারী বদলায় নীরবে গোপনে | নারী বদলায় প্রিয়জনের অবহেলায় অপমানে | নারী কখনো এমনি এমনি বদলায় না | নারী বদলায় প্রিয় মানুষের বদলে, নারী বদলায় তাকে বুঝতে না পারার কারণে | নারী বদলায় অভিমানে, নারী বদলায় অসম্মানে |

না'রী কখনো হুটহাট ব'দলায় না, না'রী ব'দলায় ধৈয্যের বাধঁ ভেঙে গেলে | না'রী ব'দলায় মানিয়ে নেওয়ার রাস্তা ফুরালে | না'রী ব'দলায় আত্মসম্মানে আ'ঘাত আনলে | নারী কখনো শখ করে বদলায় না, নারী বদলায় বদলাতে হয় বলে | নারী বদলায় কান্নার নোনা জলে, নারী বদলায় অসহ্য কষ্ট পেলে, নারী বদলায় হৃদয়ের র!ক্ত ক্ষ' রণের ক্ষতে💔

#সংগৃহীত

11/07/2025
21/06/2025

🧒 একটি সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিতে পারে তার বাবার কিছু কিছু ভুল অভ্যাস:

1.✅️শুধু টাকা রোজগার করা কি দায়িত্ব ভাবা ।
বেশিরভাগ বাবারাই মনে করেন, পরিবারের জন্য অর্থ জোগাড় করলেই বাবার দায়িত্ব শেষ। কিন্তু সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো ভালোবাসা, পরামর্শ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়া - এসবও খুব জরুরি ।

2.✅️সন্তান পালন শুধু মায়ের দায়িত্ব বলে ভেবে নেওয়া।
যদি বাবা সন্তান বড় করার কোনও দায়িত্ব না নেন ,
তাহলে সন্তান বাবাকে দূরে-দূরে ভাবতে শেখে । এতে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়।

3.✅️সন্তানকে সময় না দিয়ে, সব সময় কাজে ব্যস্ত থাকা।
ব্যবসা বা অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে ফোন নিয়ে টিভি দেখতে বসে গেলে, সন্তান বাবার সাথে কথা বলতে সাহস পায় না বা অভ্যস্ত হয় না । এতে করে সম্পর্ক ভীষণ দুর্বল হয়।

4.✅ সন্তানের সাথে বন্ধুর মতো না মেশা ।
সন্তান যেন বাবার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে পারে এমন পরিবেশ অত্যন্ত দরকার। না হলে তারা বাইরের ভুল সঙ্গ বা ইন্টারনেটে ভুল পথে যেতে পারে।

5.✅️ স্ত্রীকে সন্তানের সামনে অপমান করা ।
সন্তানের সামনে তার মাকে মারধর ,গালিগালাজ , আপমানজনক কথাবার্তা,বা অবহেলা করলে সন্তান মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে । তারা অশ্রদ্ধাশীল ও আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারে।

️6.✅ ️সন্তানের সামনে ধূমপান করা।
সন্তান যা দেখে, তাই শেখে। বাবা ধূমপান করলে সন্তান সেটাকেই স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়, ভবিষ্যতের তারাও ধূমপানের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে।

️*** তাই সাবধান ,আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুন্দর গড়তে চাইলে এই বিষয়গুলো একটু নজর দিন 🙏

সংগৃহীত....

01/06/2025

আজ ১৭ নম্বর আদালতের এজলাসে এক অদ্ভুত মামলা উঠেছে।

এক নারী, বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই, হঠাৎ করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর সংসার করতে চান না। তিনি চুপচাপ নিজের মত বাঁচতে চান। সব সম্পর্ক থেকে নিঃশর্ত মুক্তি চান। কিন্তু বিপরীতে, তার স্বামী এই বিচ্ছেদ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। তার যুক্তি—মেয়ে বড় হয়েছে, সংসার অনেকটাই গুছেছে, এখন সময় শুধু দু’জন মিলে একসাথে কাটানোর। তবু অনুপমা, সেই নারীর নাম, তাঁর নিজের মত করে বাঁচতে চাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল।

শঙ্খনীল আর অনুপমা—এই দম্পতির গল্প অনেকেই জানে। সমাজে তারা ‘সুখী দম্পতি’র উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। পঁচিশ বছরের সংসার, একটি মেয়ে—সব মিলিয়ে বাইরের চোখে নিখুঁত পরিবার। অথচ, আজ অনুপমা দাঁড়িয়েছেন বিচ্ছেদের জন্য, কোর্টের রায় চেয়ে।

বিচারক প্রশ্ন করেন, “আপনার স্বামী কি অন্য কোনো সম্পর্কে জড়িত?”

অনুপমার হাসি মিশ্রিত উত্তর, “আজও ওর জীবনে আমি ছাড়া কেউ নেই। আমিই ওর সবচেয়ে প্রিয়।”

“তাহলে কি কোনো নির্যাতন? গায়ে হাত তোলেন?”

“না। ওরকম কিছু না। আমি নিজেও আয় করি, একজন কর্মজীবী নারী—আমার ওপরে অত্যাচার করার সাহস হয়তো ওর হতো না,” বললেন অনুপমা।

“তাহলে কেন?” — বিচারকের এই প্রশ্নে যেন জমে থাকা এক নদীর জল একসাথে বয়ে গেল।

“আজকের ভালোটা দেখেই আপনি বিচার করতে চাইছেন, বিচারক মহাশয়। কিন্তু কেউ দেখেছে আমার গত পঁচিশ বছরের ক্লান্তি, প্রতিটি দিনের অভিমান, প্রতিটি রাতে চুপচাপ কাঁদা? আমার স্বামী একজন ভালো মানুষ, ভালো বাবা, ভালো অফিসার। কিন্তু ভালো প্রেমিক? না, সে কোনোদিন হতে পারেনি।

আমরা প্রেম করে বিয়ে করেছিলাম। বিশ্বাস ছিল, এই সম্পর্কটা হবে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, যত্নে মোড়া। কিন্তু বিয়ের পর সেই প্রেমিক হারিয়ে গেল। বউ হওয়া মানে রান্না শেখা, কাজের ভার নেওয়া, শাশুড়ির অপমান সহ্য করা—এসবই যেন ‘স্বাভাবিক’ হয়ে গেল। আমি তখনও আয় করতাম, তবু সংসারের প্রতিটি দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছিলাম এই আশায়—প্রেম ফিরে পাবো। কিন্তু তেমন কিছুই হলো না। শাশুড়ির গঞ্জনা, শারীরিক কষ্ট, অফিস আর ঘরের চাপ—সবকিছুর মাঝেও আমি চাইতাম, আমার স্বামী একটিবার পাশে এসে বলুক, ‘চলো, আজ দুজন মিলে কাজ করি।’ কিন্তু সে চুপ থেকেছে।

সন্তান হওয়ার পর শরীরে কিছু বদল এল, চোখে ঘুমের অভাবে কালি, গায়ে ক্লান্তি—তখন আমি বুঝলাম, তার দৃষ্টিতে আমি কেমন যেন অচেনা। অফিসের চটকদার সহকর্মী তার কাছে হয়ে উঠলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুধু এক সংসার সামলানো মানুষ, প্রেমিকা নই।

একবার নয়, বহুবার বলেছি, আমি আবার প্রেম পেতে চাই, তোমার প্রেমিকা হয়ে থাকতে চাই। সে শোনেনি। আমি তবুও থেকেছি। কারণ, মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে। বাবার স্নেহ থেকে তাকে বঞ্চিত করতে চাইনি। কিন্তু আমার স্বামী? সে কি একবারও আমার অভিমান বুঝতে চেয়েছে?

সে আমাকে দিয়েছে “সবচেয়ে ভালো বউ”র খেতাব, বন্ধুদের সামনে আমার ‘সহ্যশক্তি’র প্রশংসা করেছে। কিন্তু নিজের ভালোবাসাটা কোনোদিন তুলে দেয়নি।

আমি তার একটিবার পাশে থাকাও পাইনি, একটিবার জিজ্ঞেস করাও পাইনি—‘তুমি কেমন আছো?’

সে নিজের মতো জীবনের স্বাদ নিয়েছে—বন্ধুদের সাথে ঘোরা, রাত জেগে আড্ডা, নিজের সময়কে নিজের মতো করে কাটানো। কিন্তু আমার সময়?

আমি পঁচিশ বছর সংসার করেছি, তেইশ বছর মায়ের দায়িত্ব পালন করেছি, নিজের জীবনকে ফুরিয়ে দিয়েছি যেন। বিনিময়ে আমি পেয়েছি—শূন্যতা।

তবে আজ আর না। আজ আমি শুধু একজন ‘বউ’ হয়ে বাঁচতে চাই না। আমি স্বাধীন মানুষ হয়ে বাঁচতে চাই। আমি সকালে সূর্য দেখার সময় চাই, রাতে ডায়েরির পাতায় নিজের অনুভব লেখার সময় চাই। আমি চাই না, ভোরে উঠে কারো জন্য চা বানাতে গিয়ে আমার ঘুম কেটে যাক।

আমি একটু সুখ চাই, নিজের মতো করে। একটু শান্তি চাই, যেটা কাউকে বোঝাতে হয় না। একটু ভালোবাসা চাই—নিজের জন্য।

বেশি কিছু চেয়েছি কি আমি?

নারী হয়ে জন্মেছি বলে সারাজীবন দিয়ে যাব, আর কিছুই ফিরবে না? মনুষ্যজন্ম পেয়েছি বলেই না এই পৃথিবীর স্বাদ নিতে চাই।

তাই, আমি নিজেকে মুক্ত করতে চাই। সম্পর্কের মেকি দায় থেকে নয়, জীবনের প্রতি নতুন ভালোবাসার খোঁজে।”

অনুপমার কথা শুনে পুরো আদালত স্তব্ধ। এমন সৎ, এমন গভীর হৃদয়ের কথা শুনে কিছু বলার থাকে না কারোরই। বিচারকের চোখেও যেন জল।

এই দাবি কি অনুপমার একার? না কি, এই গল্পটা পৃথিবীর অনেক অনুপমার?

কারও জানা নেই।

তবে এটুকু বোঝা যায়—জীবনের প্রতিটি সম্পর্কেই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ভালোবাসা না থাকলে, তা শুধু দায়িত্ব হয়ে পড়ে। আর দায়িত্বে মন তুষ্ট হলেও, আত্মা হয়তো চুপিচুপি কাঁদে...

সংগৃহীত

25/04/2025

প্রকৃতি 💚🌿💚

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka