EBoost Consulting Service
25/01/2021
✅ফেসবুকের অ্যাডের খরচ কিভাবে নির্ধারণ হয়, বুঝে নিন বিস্তারিতঃ
যারাই ফেসবুক অ্যাড নিয়ে কাজ করে সে ফেসবুকে বিজনেস করুক অথবা ফেসবুকে অ্যাড বুস্ট করুক সবারই একটা কমন প্রশ্ন থাকে যে ফেসবুক কত টাকা কেটে নিবে তার অ্যাড থেকে।
উত্তরটা খুব সন্তুষ্ট করতে পারবে না কাউকে কারন উত্তরটা হচ্ছে " এটা নির্ভর করে"
সত্যি কথা বলতে কি আপনার ফেসবুক অ্যাডের খরচ অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে, মাস, দিন, ঘন্টা এবং লোকেশন ইত্যাদি।
বিখ্যাত কোম্পানি AdEspresso ৬৩৬ মিলিয়ন ডলার ফেসবুক অ্যাড এ খরচ করেছে। তার উপর ভিত্তি করেই এখানে কিছু তথ্য দেয়ার চেস্টা করা হচ্ছে।
তবে এটা বলে নেয়া হচ্ছে এখানে একদম নির্দিষ্ট করে বলা হচ্ছে না যে আপনার অ্যাডে কত খরচ হবে, তবে আপনি একটা ভালো আইডিয়া পাবেন সেটা বলাই যায়।
কিভাবে ফেসবুক বিডিং প্রসেস কাজ করে
------------------------
ফেসবুক অ্যাডের খরচে যাওয়ার আগে এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা একটু সময় নিয়ে ফেসবুকের বিড প্রসেসটা বুঝে নি।
কারন ফেসবুকের অ্যাড অনেকটা অকশন অথবা নিলামের মত এখানে আপনার খরচ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হতে পারে যেটা আপনি কন্ট্রোল করতে পারেন না। কিন্তু আপনার সুবিধা অনুযায়ী এটা আপনি smart bidding strategies এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।
আপনি যখন ক্যাম্পেইন তৈরি করেন এটা আপনি pricing and bidding section এ পাবেন। আর আপনি যদি ম্যানুয়ালি এটা করেন তাহলে ফেসবুক অটোমেটিকলি আপনার বাজেট এবং আপনার অ্যাড ডিউরেশনের উপর ভিত্তি করে একটা বিড হিসাব করবে।
যেটা আগেও বলা হয়েছে যে এটা একটা নিলামের মত ব্যাপার এবং আপনি অন্য advertiser এর বিরুদ্ধে বিড করছেন এটার মানে হচ্ছে এখানে শতশত advertiser বিভিন্ন বিড স্ট্রেটেজি নিয়ে কাজ করছে এবং সবার দৃষ্টি ফেসবুক ইউজারের উপর যেমনটি আপনারও।
তাই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি একটা ভালো বিডিং স্ট্রেটেজি নিয়ে কাজ করছেন যেখানে আপনি কম্পিটিশনে টিকে থাকতে পারেন এবং আপনার অ্যাড কে ভালো একটা রেজাল্ট এনে দিতে পারেন।
যেমন ধরেন একটা নিউজ পেপার অ্যাড আপনি প্রথম পেজে দিলে এক রকম খরচ আবার ভিতরের পেজে দিলে আরেকরকম খরচ, এখন প্রথম পেজের এক ই যায়গায় অ্যাড দেয়ার জন্য দুইটা কোম্পানি আসলো তাহলে সেই নিউজ পেপার কোম্পানি কি করবে? যার বাজেট বেশি তার অ্যাডটা ই ছাপাবে। ঠিক এভাবেই কাজ করে ফেসবুক বিডিং।
আপনার ফেসবুক অ্যাডের কত খরচ হবে এটা বিভিন্ন কারনে নির্ভর করে আর বিড হচ্ছে সেগুলার মধ্যে অন্যতম একটি।
আরো যে ব্যাপারে ফেসবুকের অ্যাডের খরচ নির্ভর করেঃ
সময়
-----
বছরের একটি মাস,সপ্তাহের একটি দিন এবং আরো নির্দিষ্ট করে বলতে হলে একটি দিনের নিদিষ্ট একটি ঘন্টাও অ্যাড খরচের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, কিছু পিক টাইম আছে যেখানে কম্পিটিশন অনেক বেশি থাকে আর যার ফলে অ্যাড এর খরচ বেড়ে যায়।
আপনার বিড স্ট্রাটেজি
--------------
আপনি যখন কম খরচ নির্বাচন করবেন অথবা কোন specific bid cap নির্বাচন করবেন এটার উপর ও আপনার অ্যাড ডেলিভারি খরচ নির্ভর করবে।
আপনি যে সব প্লেসমেন্ট নির্বাচন করেছেন
--------------------------
বিভিন্ন ধরনের অ্যাড প্লেসমেন্টের খরচ একেকরকম যেই প্লেসমেন্টের কম্পিটিশন বেশি সেখানে খরচ বেশিই হবে সেটাই স্বাভাবিক, একটা নিউজ পেপারে অ্যাডের কথাই চিন্তা করেন আপনি যদি প্রথম পেজে আপনার অ্যাড দিতে চান তাহলে কত খরচ হবে আর যদি অ্যাড দিতে চান ভিতরের পেজে একটা কোনায় তাহলে কত খরচ হবে।
প্রাসঙ্গিক মেট্রিক্স
----------
ফেসবুকের ৩টা আলাদা আলাদা মেট্রিক্স আছে অ্যাডের মান নির্ধারণ করার জন্য Engagement Ranking, Quality Ranking এবং Conversion Ranking এখানে কোন একটা সেকশনে যদি আপনার অ্যাড লো স্কোরে থাকে তাহলে আপনার অ্যাডের খরচ বেড়ে যাবে।
যে দর্শক আপনি টার্গেট করেছেন
---------------------
যদি আরেকজন advertisers আপনার মত অডিয়েন্স মেম্বার নির্বাচন করতে চায় আপনার খরচ বেড়ে যাবে কারন নিউজফিডের স্পেস আন লিমিটেড না, কিছুক্ষণ আগেই আমি নিউজ পেপার নিয়ে এরকম একটা উদাহারন দিয়েছি।
ফেসবুক অ্যাডের খরচ AdEspresso 2018 and 2019
এখন বলা যায় আপনি মোটামুটি একটা পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন যে কিভাবে বিডিং সিস্টেম কাজ করে এবং কোন কোন কারনে ফেসবুক অ্যাডের খরচ বাড়ে কিংবা কমে। এখন আমরা কিছু ডাটা দেখে নেই।
এই ডাটাগুলা AdEspresso এর সব ইউজারদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিলো ২০১৮ সালের৩ মাস পর পর এবং ২০১৯ সালের প্রথম ৩ মাসে।
নিচে একটা সামারির মত করে প্রকাশ করা হলোঃ
✅কনভারশন অ্যাড এ CPC পর পর ৪টি quarters কমেছে, এখানে "Optimizing for conversions with Conversion objective campaigns is recommended" রিকমান্ড করা হচ্ছে।
✅সার্বিক ভাবে Cost per click অ্যাডের খরচ কিছুটা ইফেক্ট ফেলেছে সপ্তাহের একটি দিনে।
রাতের সময়ে CPC রেট কম দেখা গেছে, ট্র্যাফিক কম ছিলো।
✅প্রতিটা লাইকের জন্য খরচ প্রতি মাসে বাড়তে দেখা গেছে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত।
সপ্তাহের দিন হিসেবে প্রতিটি পেজ লাইকের খরচ পরিবর্তন হতে দেখা গেছে, যেমন শনিবারে একরকম আবার রবিবারে আরেক রকম।
যদিও ২০১৯ শুরু হয়েছে এপ্স ইন্সটল এর ক্ষেত্রে কম খরচ দিয়ে, যেটা ২০১৮ সালের শেষ ভাগে বেশি ছিলো, ২০১৯ এ মাসের ভিত্তিতে খরচ বেড়েছে।
20/01/2021
বেশ কিছুদিন ধরেই হয়ত লক্ষ্য করছেন, আপনার ফেসবুক পেজটির রিচ আগেরমতো নেই।
বুষ্ট করলেও আগেরমতো সেল আসছে না। হয়ত আপনার কাছে অভিযোগও এসেছে, যে আপনার ক্লায়েন্টরা আপনার পেজের পোস্ট তাদের হোমপেজে পাচ্ছে না। অথচ আপনি কিন্তু পেজ থেকে প্রতিনিয়তই নিত্যনতুন পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
চলুন ফেসবুক এর সমস্যাগুলোর এর খুঁটিনাটি জেনে নিই আজ!
গত আপডেটে ফেসবুক তাদের অ্যালগরিদমে বেশ বড়সড় পরিবর্তন আনে। এর কারণে আপনার পেজের কোন পোস্ট আপনি যদি টাকা খরচ করে প্রমোট না করে থাকেন, তবে আপনার ভক্তদের প্রতি ১০০ জনে মাত্র ১৬ জন আপনার পোস্ট দেখবে। কষ্টের ব্যাপার হল বিগত কয়েকদিনে এর হার আরও কমে এখন মাত্র ৬.৪ শতাংশে এসে ঠেকেছে।
হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। ফেসবুক তাদের অ্যাডের ব্যবসা লাভজনক করতে উঠেপড়ে লেগেছে। টাকা দিয়ে অ্যাড না কিনলে এখন পোস্টের প্রচার প্রসার হয়ে গেছে দুঃসাধ্য। কিন্তু এখানেও রয়েছে একটা সমস্যা। ফেসবুকের নতুন এলগরিদম এবং এড ইউনিক এড কনটেন্ট প্রমোটিং এর সিস্টেমে টাকা খরচ করলেও আশানুরুপ ফলাফল আসছে না।
ফেসবুকের নতুন সিস্টেমে তারা ইউনিক আর মোস্ট এংগেজিং পোস্টগুলোকে প্রমোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপনার পোস্ট যদি তাদের এড পলিসির সাথে কনফ্লিক্ট হয় তবে রেজাল্ট আশানুরুপ আসবে না এটাই স্বাভাবিক। ফেসবুকের এড পলিসি নিয়ে আমার সম্পুর্ণ বাংলায় করা একটি ফ্রি পিডিএফ আছে যা কালেক্ট করতে পড়তে পারেন।
ফেসবুকের এই সমস্যার জন্য যেসব বড় প্রতিষ্ঠানের ফ্যানবেজ অনেক বড়, তাদের জন্য ব্যাপারটি সুবিধাজনক হলেও, স্বল্পসংখ্যক ফ্যানবেজ সমৃদ্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ফেসবুকের এই অ্যাড কতটা লাভজনক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
তাই এখানে বেশ কিছু পদ্ধতি ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ফলো করে আগাতে হবে। চলুন জেনে নিই একটি এডকে এফেক্টিভ করে তুলতে কি ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়।
১) সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা।
এডভার্টাইজিং এর ক্ষেত্রে এফেক্টিভ রেজাল্ট চাইলে প্রথমেই আপনাকে এফেক্টিভ অডিয়েন্স সিলেক্ট করতে হবে। ধরুন আপনি বাচ্চাদের খেলনাসামগ্রী নিয়ে কাজ করছেন। এক্ষেত্রে আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স কারা? নিশ্চয় বাচ্চাদের বাবা-মা। আপনি যদি গড়পড়তা সবাইকে টার্গেট করে দেন তবে ছেলেবুড়ো, অবিবাহিত, ছাত্রছাত্রী কুমারী থেকে শুরু করে করে সবাই দেখবে। এতে করে আপনার সেল আসার আগেই বড় ধরনের একটি বাজেট কনজিউম হয়ে গেলো। বুষ্ট পলিসিতে বিষয়টি বুঝা যাক, ধরুন আপনার প্রোডাক্টস এর মার্কেটিং এর জন্য বাজেট ১০০ ডলার। এই ১০০ ডলারে আপনি প্রায় ৩০ হাজার (কমবেশী হতে পারে) মানুষের কাছে আপনার প্রোডাক্টস এর এড রিচ করতে পারছেন। এখন এই ৩০ হাজার মানুষ যদি রেন্ডমলী সিলেক্ট করেন তবে এখানে প্রকৃত আগ্রহী পাবেন সর্বোচ্চ ২০০০ জন। এর মধ্যে আপনার প্রোডাক্টস কিনবে শতকরা ৫% বা র্তাও কম। এখানে প্রায় বিশাল সংখ্যক অডিয়েন্স হারাচ্ছেন একমাত্র প্রোপার টার্গেটিং করতে না পারায়। ফলাফল? অতিরিক্ত মার্কেটিং খরচ আর দিনশেষে বিজনেসে লস।
২) ফাস্ট এবং প্রপারলী রেসপন্স
শুধু টাকা খরচ করে বুষ্ট করলেই আপনার সেল চলে আসবে এরকমটা ভাবলে আপনি ভুলের সাগরে বাস করছেন। একজন সম্ভাব্য ক্রেতা যদি আপনার পেইজে একবার নক করে ইন্সট্যান্ট সাপোর্ট না পায় তবে আপনার পেইজে তার একটি নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট কাজ করে। আমাদের ডোমেইন এবং হোষ্টিং প্রতিষ্ঠান সুবাহোষ্ট এ আমরা একটি এক্সপেরিমেন্ট চালিয়েছিলাম, ২৪ ঘন্টাই ইন্সট্যান্ট সাপোর্ট থাকায় ৭ দিনের দৈনিক সেলের প্রায় ৬০% সেলের মূল কারণ ছিলো ফার্স্ট রেসপন্স। আমরা ফাস্ট রেসপন্স এবং এর কার্যকরিতা বুঝলাম কিন্তু প্রোপারলী রেসপন্সটা আসলে কি। ধরুন আপনি এই আর্টিকেল পড়ে ফার্স্ট রেসপন্সের উপকারিতার জন্য আপনার পেইজে দুজন লোক রাখলেন যারা শুধু রিপ্লাই করবে। এখন কাস্টোমার যদি কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে প্রপার উত্তর না পায় এবং আপনার রাখা লোকগুলো যথেষ্ট এডুকেটেড না হয় তবে হীতে বিপরীত হতে পারে। ভুলভাল রেসপন্সের কারনে আপনার অডিয়েন্সেরে কাছে আপনার পেইজ সম্পর্কে একটি খারাপ অভিজ্ঞতা তৈরী হবে যা কখনোই কাম্য নয়।
৩) এড রিভিউ, কিওয়ার্ডস সিলেকশন
একটি এড পাবলিশ করার পর যদি সেটি যাচাই করে রেজাল্টের উপর বেইস করে কিওয়ার্ড, লোকেশন এবং স্পিøস্ট টেস্ট এর মাধ্যমে যাচাই করেন তবে আপনার এড পারফরম্যান্স ডে বাই ডে গ্রো করা সম্ভব এবং আপনিও আপনার অডিয়েন্স এবং যাবতীয় বিষয়ে সম্যক একটি ধারনা পাবেন। শুধু এড বুষ্ট করলেই বাজেট অপটিমাইজশেন করা সম্ভব হয় না, নিজেই অপটিমাইজেশন না করে ভাগ্য আর ফেসবুককে দোষ দিয়ে কোন লাভ নেই, দিনশেষে আপনারই লস। তবে আপনি যদি একজন প্রফেশনাল মার্কেটিং দিয়ে পেইজের কাজ করান তবে এই বিষয়টি নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই, তিনিই সবকিছু যাচাই করে কোষ্ট কমিয়ে আনার কাজ করবে।
এছাড়াও আপনার নিজের বাজেট ঠিকভাবে বণ্টন করা লাগবে। আপনি যতটুকু প্রচার প্রসারের আশায় ফেসবুকে বিনিয়োগ করছেন সেটার আশানুরূপ ফলাফল নাই আসতে পারে। তাহলে কি ফেসবুক মার্কেটিং থেকে ভালো কিছু সম্ভব নয়?
না, সেটা ভাবাটা আসলে ভুল। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ ফেসবুকে মার্কেটিং থেকেও আপনাকে এনে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য! চলুন জেনে নিই এমন কিছু কৌশল সম্পর্কে।
কনটেন্ট নিয়ে কাজ করা:
আপনার পোস্ট কতটুকু ভাইরাল হবে বা রিচ করবে, তার অনেকটাই নির্ভর করবে পোস্টের গুণাগুণের ওপর। মানুষকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো জ্ঞানসমৃদ্ধ কিন্তু সহজ পোস্টের বিকল্প নেই। তবে একটা ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে-কোনভাবেই যেন পোস্ট দেখে মনে না হয় যে এটা বিজ্ঞাপন। কনটেন্ট তৈরির সময়ে এ দুটো বিষয় খেয়াল রাখলেই আপনার পোস্ট হয়ে যেতে পারে জনপ্রিয়!
আপডেট নেবার জন্য ফলোয়ারদের উৎসাহ দেওয়াঃ
যখনই আপনার পেজের পোস্টগুলো মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে যাবে, কিংবা আপনার বিক্রি করা পণ্যটি হয়ত মানুষের বেশ পছন্দের, তখন আপনি তাকে চাইলে সাবস্ক্রাইব করার প্রস্তাব দিয়ে দেখতে পারেন। বা কিছু ফ্রি রিসোর্স শেয়ার করতে পারেন। যেমন আমি আপনাদের জন্য রাতজেগে কষ্ট করে দুটো মার্কেটিং বই লিখেছি এবং সেগুলো সম্পুর্ণ ফ্রিতে বিলাচ্ছি। এতে করে যখন আপনি আমার বইগুলো পড়ছেন, নতুন কিছু শেখার পাশাপাশি আমাকেও চিনলেন- জানলেন। ঠিক একইভাবে আপনার প্রোডাক্টসগুলোও মানুষকে চেনাতে হবে।
এক জায়গায় নির্ভরশীল হয়ে না থাকাঃ
আপনি যদি শুধুমাত্র ফেসবুকের উপরই আপনার বিজনেস পরিচালনা করেন তবে ফেসবুক এড কোষ্টিং বাড়ালেও আপনাকে সেই বাড়তি কোষ্ট দিয়েই মার্কেটিং করতে হবে। নানান সময় এড একাউন্ট ডিজেবল বা পেইজ রেস্ট্রিটেড হলে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হবে। এজন্য শুধুমাত্র একটি ফেসবুক পেইজের উপর নির্ভরশীল না হয়ে ওয়েবসাইট, গুগল বিজনেস এর মাধ্যমেও প্রচার করতে পারেন। ফেসবুকের এড কোষ্টিং এর কারণে আমরা এখন গুগলে এড রান করি, অনেক বেশী এফেক্টভি রেজাল্ট পাচ্ছি যা শুধুমাত্র ফেসবুককেন্দ্রিক বিজনেস হলে হতো না।
পোস্টের ধরণ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাঃ
ধরুন আপনি সবসময় আপনার পেজে থেকে ভিডিও পোস্ট করে থাকেন। মাঝেমাঝে তাহলে ছবি শেয়ার করেই দেখুন কী হয়! কখন পোস্ট করছেন, কতজন দেখছে বা দেখবে এই হিসাবটা রাখাও জরুরি। আর কোন ছবি ভালো রিচ পেলো সেই ছবিটির সাইজ, ছবির কন্টেন্ট ও মাথায় রাখতে পারেন পরবর্তী যেকোন পোস্ট দেওয়ার সময়।
ফেসবুক পেইজে আপনার অনলাইন স্টোরের লিংক দিয়ে দেওয়াঃ
ফেইসবুক পেইজে আপনি চাইলে আপনার অনলাইন স্টোরের লিংক দিয়ে দিতে পারেন। আপনার পেইজে লোকজন যখন আপনার প্রোডাক্ট খুঁজতে থাকে অনেক সময়ই তারা হারিয়ে যান। তাদের জন্য এই কাজটি সহজতর করতে আপনি চাইলে এই রকম নিচের ছবির মত অনলাইন স্টোর ট্যাব অ্যাড করে দিতে পারেন আপনার ফেসবুক পেইজ এ।
ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে প্রচারঃ
আজকালকার দিনে ফেসবুক গ্রুপ একটি অন্যতম আড্ডাস্থল। আপনি চাইলেই বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে আপনার পণ্য সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে আরও মানুষকে সচেতন করে তোলে। সবচেয়ে ভালো হয়, আপনার পণ্য যে ধরনের, সে ধরনের পণ্যের গ্রুপে আপনার পণ্যের প্রচার চালানো। ভালো হয় যদি কোন প্রশ্ন করে অথবা সাধারণ কোন প্রোডাক্ট সম্বন্ধীয় আলোচনা দিয়ে ব্যবহারকারীদের কে এনগেজ করতে পারেন।
মোবাইলের উপর অত্যাধিক গুরুত্ব দেওয়াঃ
প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ ফেসবুক মোবাইলে চালায়। তাই যেসব কনটেন্ট বা লিঙ্ক মোবাইলের জন্য বেশি উপযোগী সেগুলো নিঃসন্দেহে ভালো প্রচার পাবে। তাই পোস্ট প্রমোশনের সময় দেখে নিন সেটি ডেস্কটপ, মোবাইল বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কেমন দেখাবে।
তবে এসবকিছুর কোনটাই যদি আশানুরূপ ফল আপনাকে এনে দিতে না পারে তাহলে অন্য কোন প্ল্যাটফর্মে চেষ্টা করাটাই ভালো। গুগল+, পিন্টারেস্ট কিংবা ইনস্টাগ্রাম। আর নিতান্তই যদি ফেসবুকে করতে হয়, তবে খরচের প্রস্তুতি নিয়ে তবেই মাঠে নামা উচিৎ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Gulshan 1
Dhaka
1212