Hello Folks
17/02/2026
কোটি টাকার গান?...
সময়টা ২০০১, সদ্য রিলিজ পাওয়া ব্রান্ড নিউ ক্যাসেট ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।
গানটা রিলিজের পরপরই সারাদেশের মানুষের মনে জায়গা করতে থাকে, কিন্তু আসল জাদুটা দেখানো শুরু হয় যখন পরের বছরই এই গানের টাইটেলেই সিনেমা বানানো হয়, এবং প্রিয়া’র ভূমিকায় বাংলা চলচ্চিত্রের ঢাকা টকিজে টাকা উড়ানো নায়িকা শাবনূর, বিপরীতে তখনকার হার্টথ্রব রিয়াজ এবং আলোচিত তারকা শাকিব খান। আসিফকে যখন বলা হয় গানটা সিনেমার এই সিকোয়েন্সে আসবে, তখন আসিফ গানটার পরিপূর্ণতা খুঁজে পেলো। বিভিন্ন সময়ে আসিফ আকবর তার ইন্টারভিউতে বলেছেন, ‘শাবনূরই আমার প্রিয়া, ও ছাড়া আর কাউকে ভাবতেই পারছিলাম না এই গানে। আমার খুব আদরের ছোট বোন, আমি মেয়েটার পাগলা ফ্যান, আমি তাকে অসম্ভব স্নেহ করি।’
গানটা পরবর্তীতে সিনেমায় রিলিজের পর দেশের আনাচে কানাচে প্রতিটা মানুষের মগজে গেঁথে গেছে। বাংলা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এই এক গানের ক্যাসেট বিক্রি করেছে কোটি কোটি টাকায়, এমন কোনো নব্বই দশকে জন্ম নেয়া মানুষ পাবেন না যে, এই গান শোনেনি। এমনকি তখনকার সময়ে কেউ প্রেমে ব্যর্থ হলেও বন্ধুরা এই গান বলেই খেপাতো।
সিনেমায় ব্যর্থ প্রেমিক রিয়াজ, প্রিয়া হারানোর বেদনায় সাদা চাদর গায়ে ভবঘুরে ঘুরছে আর যন্ত্রণা বয়ে এই গান গাইতেছে, অন্যদিকে প্রিয়া শাকিব খানের ফুলসজ্জায়, সবমিলিয়ে গানটা সিনেমার ক্লাইমেক্স কেমিস্ট্রিতেই পুলআপ করা হয়েছিলো। রিয়াজ, শাকিব এবং শাবনূর এই সিনেমা দিয়ে এতোটাই তাদের ত্রিভুজ প্রেমকে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়, যে ব্যাক টু ব্যাক এই ধরনের অনেকগুলো ব্যবসা সফল সিনেমা তৈরী হয়। আর অন্যদিকে বাংলা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি পেলো গানের যুবরাজ আসিফ আকবর কে।
বাংলা সংগীতে অনেক পুরুষ শিল্পী রয়েছেন, তবে আসিফের মতো এতো ভরাট, ম্যানলি টাফ টোনের ভয়েস একদমই রেয়ার। তিনি যখন প্লেব্যাকে কন্ঠ দেন তখন রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খানের মতো রোমান্টিক নায়কের কন্ঠেও যেমন ব্লেন্ড হয়ে যায়, তেমনি মান্নার মতো এ্যাকশন হিরোর কন্ঠেও।
আসিফের ক্যারিয়ারটা আরও ঝলমলে, আরও মডার্ন ক্ল্যাসিক সব গানে সমৃদ্ধ হতে পারতো, বাংলা সংগীত ও সিনেমাকে তার দেয়ার মতো অনেক কিছুই ছিলো, কিন্তু তখনকার সময়ে বিএনপির রাজনীতি করার কারনে মামলা, কোট কাসারি করতে করতেই ক্যারিয়ারে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এরপরে একটা সময় তো হাসিনা সরকার তখনকার সব বিএনপি বেসড বড় বড় তারকাদের ব্ল্যাকলিস্ট করেই রাখলো।
আসিফের মতো যুবরাজরা, ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে এসে আরেকবার স্টেজে উঠুক, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ও পাষানী বলে যাও কেনো ভালবাসোনি’,‘এই বুকে এতো জ্বালা ভেঙ্গে গেছে মন’, অথবা ‘বাঁচবো না মরে যাব, ওপারে চলে যাব, পৃথিবীকে জানিয়ে বিদায়’ বলে গানে গানে আমাদের নষ্টালজিক সময়গুলোকে আরেকবার রিকল করিয়ে দিক।
হোপফুললি, এইসব তুখোড় মেধাবী তারকাদের আরেকবার তাদের রাজনৈতিক ডেমো ছেড়ে, নিয়মিত সংস্কৃতি অঙ্গনে গান নিয়ে মহড়া দিবেন, আর আমরা আসিফের ভক্তরাও সেই অপেক্ষায় রইলাম।
Weekend Hangout!
16/10/2025
‘দাইয়া দাইয়া’ গানে ঐশ্বরিয়া রায়।
নব্বই দশকে বেড়ে ওঠা কিশোর ও যুবকরা যখন হিন্দি গান বুঝতে, শুনতে শুরু করে, তখনকার সময়ের অন্যতম ফার্স্ট চয়েজ ছিলো দাইয়া দাইয়া নামের এই গান। ভিসিডি, ডিবিডির যুগের আকাশছোঁয়া সাফল্য পাওয়া গান। এই গানে ঐশ্বরিয়া রায়কে অনেকগুলো কস্টিউমসে দেখা গেছে, একইসাথে বিভিন্ন প্যাটার্নের ডান্সে এবং তিনি তার ফ্লোলেস পারফরম্যান্স দিয়ে গানটিকে নিয়ে গিয়েছিলো অন্য এক নেক্সট লেভেলে।
এই গান দেখে ঐশ্বরিয়ার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়নি এমন যুবক থেকে কিশোর খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka