Rubi Collocation
22/11/2021
আসসালামু আলাইকুম
দোয়া করলে আল্লাহ খুশি হন
বান্দা আল্লাহকে ডাকলে আল্লাহ তাআলা সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেন। যারা তার কাছে দুআ করে, তাদের প্রতি তিনি খুশি হন। যারা আল্লাহর কাছে দুআ করে না, আল্লাহ তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন।
মহান আল্লাহ বলেছেন, আর আমার বান্দা যখন আপনার কাছে আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে; আমি তো কাছেই আছি। আমি দুআ কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দুআ করে। (সূরা বাকারাহ:১৮৬)
অন্যত্র আল্লাহ বলেন, আর তোমরা তোমাদের রবকে ডাকো বিনীতভাবে ও নীরবে। নিশ্চয়ই তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। (সূরা আরাফ:৫৫)
আল্লাহর চেয়ে উত্তম দাতা ও সাহায্যকারী আর কেউ নেই। একমাত্র তিনিই বান্দার সব অভাব-অভিযোগ পূরণ করতে পারেন।
রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা আল্লাহ তায়ালার কাছে তাঁর দয়া ও রহমত চাও। কেননা আল্লাহ তায়ালা চাইলে তিনি খুশি হন। (তিরমিজি:৩৫৭১)
আল্লাহ তাআলার রহমত সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী। তিনিই অসহায়ের একমাত্র সহায়। সব বিপদাপদ থেকে রক্ষাকারী।
আল্লাহ বলেছেন, কে আছে অসহায় ও বিপন্নের ডাকে সাড়া দেয়, যখন সে ডাকে এবং কষ্ট ও বিপদ দূরীভূত করে দেয়? (সূরা নমল:৬২)
অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, তোমরা ভয় এবং আশা নিয়ে আল্লাহকে ডাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী। (সূরা আরাফ:৫৬)
রাসুল (সা.) বলেছেন, দুআ মূমিনের হাতিয়ার, দ্বীনের স্তম্ভ এবং আসমান এবং জমিনের নূর। (মুসলিম:৪৬৫)
যারা আল্লাহকে ডাকে কিংবা আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ তাদের হাতকে কখনও খালি ফেরত দেন না।
রাসূল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলার অনেক লজ্জা ও আত্মমর্যাদা আছে। সুতরাং যখন মানুষ চাওয়ার জন্য তাঁর কাছে দুই হাত উত্তোলন করে, তখন তিনি সেই হাত দুটিকে ব্যর্থ ও খালি ফেরত দিতে লজ্জা বোধ করেন। (মুসলিম:৩২১)
দুআর মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া অপেক্ষা কোনো জিনিসই অধিক ফজিলত ও সম্মানের নেই। (তিরমিজি:৩৩৭)
মানুষের যা কিছু প্রয়োজন, তা আল্লাহর কাছেই চাইতে হবে। তবে একে অপরের কাছে দুআ চাইতে কোনো নিষেধ নেই।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমি আমার বান্দার সঙ্গে তেমন ব্যবহার করি, আমার প্রতি সে যেমন ধারণা রাখে আর সে যখন আমাকে ডাকে, তখন আমি তার সঙ্গেই থাকি। (মুসলিম:৬৮২৯)
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সর্বদা দুআ করার তাওফিক দিন।
12/11/2021
Assalamuallaykum 🤝
Jar jeta pocndo inbox me
07/10/2021
রাসূল সাঃ ছিলেন ভীষণ রোমান্টিক একজন স্বামী। স্ত্রীদেরকে ভালোবাসার কথা অকপটে জানাতেন। রাতের বেলা আয়েশা রাঃ-কে নিয়ে ঘুরতে বের হতেন। হালকা গল্প করতেন। দু’জন একসাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন। হেরে গেলে পরেরবার আয়েশা রাঃ-কে হারিয়ে তার প্রতিশোধ নিতেন।
আয়েশা রাঃ পাত্রের যে দিক থেকে পান করতেন উনিও সেখান থেকে পান করতেন। আয়েশা রাঃ হাড্ডির যে স্থান থেকে কামড় দিয়ে খেতেন, উনি সেই স্থানেই কামড় দিয়ে খেতেন। একবার হাবশিরা যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে খেলছিল। রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ-কে চাদর দিয়ে ঢেকে দিলেন। তারপর আয়েশা রাঃ সে খেলা দেখতে থাকেন রাসূল সাঃ-এর কাঁধ ও কানের মধ্যে দিয়ে। আয়েশা রাঃ যে খেলা দেখা খুব উপভোগ করছিলেন, তা কিন্তু না। তিনি দেখতে চাইলেন রাসূল সাঃ কতক্ষণ তার জন্য এভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন। একসময় আয়েশা রাঃ-ই ধৈর্য হারিয়ে চলে গেলেন।
আরেকবার আয়েশা রাঃ তাঁকে বিশাল এক গল্প বলা শুরু করলেন। উনি ধৈর্য ধরে পুরো গল্পটা শুনে গেলেন। শুধু তাই না, গল্প নিয়ে সুন্দর মন্তব্যও করলেন। মৃত্যুর ঠিক আগে আয়েশা রাঃ-এর ব্যবহার করা মিসওয়াক তিনি ব্যবহার করেছিলেন। দু'জনের লালা এক হয়ে গিয়েছিল। আর আয়েশা রাঃ-এর কোলে মাথা রেখেই তিনি আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করেন।স্ত্রীদের আদর করে ছোট ছোট নামে ডাকতেন তিনি। কখনো ভালোবেসে আলাদা একটা নামই দিয়ে দিতেন।
আয়েশা রাঃ-কে আদর করে ডাকতেন ‘হুমাইয়ারা’ (লাল-সুন্দরী) নামে।আয়েশা রাঃ কখনোই মা হতে পারেননি। তাই যখন তার বোন একটি ছেলে জন্ম দিয়েছিলেন, তখন রাসূল সাঃ বললেন, “ছেলেটার নাম হবে ‘আব্দুল্লাহ’। আর আজ থেকে তুমি হচ্ছো ‘উম্মে আব্দুল্লাহ’ (আব্দুল্লাহর মা)।" সবাই এরপর থেকে আয়েশা রাঃ-কে ‘উম্মে আব্দুল্লাহ’ নামেই ডাকত। অনেকেই তাদের স্ত্রীকে আদর করে ‘ময়না-পাখি’, ‘জানু’- এসব নামে ডেকে থাকেন। তারা হয়তো জানেনও না যে, নিজের অজান্তেই তারা রাসূল সাঃ-এর একটি সুন্নাহ অনুসরণ করছেন।
সাফিয়া রাঃ ছিলেন খাটো গড়নের। তাই যখন তিনি বাহনে আরোহণ করতেন তখন রাসূল সাঃ তাকে ঢেকে দিতেন। তারপর হাঁটু বিছিয়ে দিতেন। সাফিয়া রাঃ সেই হাঁটুতে পা দিয়ে বাহনে আরোহণ করতেন। প্রত্যেক স্ত্রীই তাঁর কাছে ছিলেন রাণীর মতো। একজন রাণী রাজার কাছ থেকে যতোটা মর্যাদা পান, তাঁর স্ত্রীরা তার চেয়েও বেশি সম্মান পেতেন। প্রিয়তমাদের অনুভূতির দিকেও রাসূল সাঃ সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখতেন। নিজের জীবনে দুঃখ-কষ্টের কোন শেষ ছিল না,
তারপরেও স্ত্রীদের কষ্ট তাঁর চোখ এড়িয়ে যেত না। একবার আয়েশা রাঃ-কে বললেন, “আয়েশা! তুমি কখন আমার উপর সন্তুষ্ট হও, আর কখন রাগ করো, আমি কিন্তু ঠিকই বুঝতে পারি।” আয়েশা রাঃ অবাক হয়ে জানতে চাইলেন, “কীভাবে আপনি তা বোঝেন?” রাসূল সাঃ বললেন, “যখন আমার উপরে সন্তুষ্ট থাকো, তখন তুমি বলো, ‘এমন নয়; মুহাম্মাদের রবের কসম।' আর যখন কোন কারণে রাগ করো, তখন বলো, ‘এমন হয়; ইব্রাহীমের রবের কসম।’
একবার সব স্ত্রীদের নিয়ে রাসূল সাঃ ভ্রমণে বের হলেন। হঠাৎ করেই সাফিয়া রাঃ-এর উটটি অসুস্থ হয়ে বসে পড়ল। সাফিয়া রাঃ এ অবস্থা দেখে কেঁদে ফেললেন। তখন রাসূল সাঃ এসে তার চোখের পানি নিজ হাত দিয়ে মুছে দিলেন। বিদায় হজ্জের সময় তিনি লক্ষ্য করলেন যে আয়েশা রাঃ কাঁদছেন। তিনি বুঝতে পারলেন, আয়েশা রা-এর মাসিকের সময় শুরু হয়েছে। তাঁকে সান্তনা দিয়ে বললেন, “সকল নারীদের জন্যই আল্লাহ্ এটা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। হজ্জ করতে যা করা প্রয়োজন তুমি তার সবই করো, শুধু তাওয়াফটা করো না।” অনেক স্বামীই স্ত্রীদের মাসিক শুরু হলে তাদের অছ্যুৎ মনে করে দূরে দূরে থাকেন। রাসূল সাঃ মোটেও এমন করতেন না। আয়েশা রাঃ-এর মাসিকের সময়েও তিনি তাঁর কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতেন। সে অবস্থাতেই তিনি রাসূল সাঃ-এর চুল আঁচড়ে দিতেন। একরাতে তিনি মায়মুনা রাঃ-এর সাথে একই চাদরের নিচে শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ মায়মুনা রাঃ-এর মাসিক শুরু হলে তিনি দ্রুত উঠে পড়েন যাতে রাসূল সাঃ-এর পবিত্র দেহে রক্ত না লাগে। রাসূল সাঃ সব বুঝতে পেরে তাঁকে ডেকে কাছে নিয়ে আসেন। দুজন আবার একই চাদরের নিচে শুয়ে থাকেন।
স্ত্রীরা অসুস্থ হলে তিনি নিজে তাঁদের রুকিয়া করে দিতেন। জীবনসঙ্গিনীদের কাজের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে কষ্ট দিতেন না। নিজের কাজ নিজেই করতেন। নিজের জুতো নিজ হাতেই ঠিক করতেন। নিজের কাপড় নিজেই সেলাই করতেন, নিজেই নিজের কাপড় ধুতেন। ছাগলের দুধ দোয়াতেন। স্ত্রীদেরকে ঘরের কাজে সাহায্য করতেন। ঘন ঘন মিসওয়াক করতেন। সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। শরীরে যাতে কোন দুর্গন্ধ না থাকে সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখতেন। কখনোই কোন নারীকে তিনি প্রহার করেননি। মানুষদেরকে স্ত্রীদের প্রতি সদয় হবার নির্দেশ দিতেন। বলতেন, “নারীদের সৃষ্টি করা হয়েছে পাজরের বাঁকা হাড় থেকে। যদি একেবারে সোজা করতে চাও, তাহলে কিন্তু ভেঙ্গে ফেলবে।”
বিদায় হজ্জের ভাষণে তিনি পুরুষদেরকে নারীদের প্রতি সদাচারণের নির্দেশ দিয়ে গেছেন। মক্কার কুরাইশ নারীরা ছিল স্বামীর প্রতি অনুগত। অপরদিকে, মদিনার নারীরা ছিল কিছুটা বিপ্লবী মনোভাবের। হিজরতের পর কুরাইশ নারীরা আনসার নারীদের সাথে মেলা-মেশা করেন। ফলে তাঁদের মধ্যেও প্রবল আত্নসম্মানবোধের উদয় হয়। এ অবস্থা দেখে রাসূল সাঃ তাঁর স্ত্রীদের সাথে কুরাইশ পুরুষদের মতো আচরণ করেননি, বরং একজন আনসার যেভাবে তার স্ত্রীদের সাথে আচরণ করতেন, তিনিও সেরকম আচরণ করতেন। সর্বোচ্চ সহনশীলতা দেখিয়েছেন তিনি। একবার তিনি আয়েশা রাঃ-এর ঘরে থাকাকালে সাফিয়া রাঃ খাবার পাঠালেন। আয়েশা রাঃ ঈর্ষাকাতর হয়ে সে পাত্র ভেঙ্গে ফেললেন। অনেক পুরুষই এ ক্ষেত্রে ক্ষেপে যেতেন। কিন্তু রাসূল সাঃ রাগ করলেন না। নিজ হাতে ভাঙ্গা পাত্রের টুকরো কুড়াতে কুড়াতে ভৃত্যকে বললেন, “তোমাদের মায়ের (আয়েশার) ঈর্ষা এসে গেছে।”.
আবার, রূপকথায় যেমন ‘অতঃপর রাজা-রাণী একত্রে সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিল’- এমন দেখা যায়, তাঁর জীবন তেমনও ছিল না। তাঁর স্ত্রীরা কখনো কখনো রাগ করে তাঁর সাথে সারাদিন কথা বলতেন না। তিনি সহ্য করতেন। একবার তিনিই রাগ করে এক মাস তাঁর স্ত্রীদের সাথে দেখা করেননি। কারো কোন আচরণে কষ্ট পেলে কখনোই উগ্রপন্থা অবলম্বন করতেন না। যে স্ত্রীর প্রতি মনঃক্ষুণ্ণ হতেন, তাঁর সাথে কথা বলা কমিয়ে দিতেন। হাসি-ঠাট্টা করা কমিয়ে দিতেন। এক সময় সেই স্ত্রীই নিজের ভুল বুঝতে পারতেন। তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতেন। স্ত্রীদের প্রতি আচরণে কখনো পক্ষপাতিত্ব করতেন না।
একবার আয়েশা রাঃ সওদা রাঃ-এর গালে খাবার মাখিয়ে দিয়েছিলেন। রাসূল সাঃ হাসতে হাসতে সওদা রাঃ-কে বললেন, তিনি যাতে আয়েশা রাঃ-এর গালে খাবার মাখিয়ে দেন। দুই সতীনের গালে খাবার মাখামাখি হয়ে একাকার হলো। যয়নাব রাঃ একবার আয়েশা রাঃ-কে কড়া কথা শোনালে আয়েশা রাঃ তার যথাযথ জবাব দেন। রাসূল সাঃ তখন আয়েশা রাঃ-এর পক্ষ নেন। আবার আয়েশা রা যখন সাফিয়া রাঃ-এর খাটো অবয়ব নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছিলেন, তখন তিনি ঠিকই সাফিয়া রাঃ-এর পক্ষ নিয়েছিলেন। আয়েশা রাঃ-কে সাবধান করে বলেছিলেন, “তুমি এমন কথা বলেছো, যেটা সমুদ্রে নিক্ষেপ করলে গোটা সমুদ্রের পানি দূষিত হয়ে যেতো।”
একদিন ঘরে এসে দেখলেন সাফিয়া রাঃ কাঁদছেন। কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন, হাফসা রাঃ সাফিয়া রাঃ-কে ‘ইহুদীর মেয়ে’ বলেছেন। তিনি সাফিয়া রাঃ-কে সান্তনা দিয়ে বললেন, “তুমি একজন নবীর (হারুন আঃ) কন্যা, একজন নবী (মূসা আঃ) তোমার চাচা, আরেক জন নবী তোমার স্বামী। কীভাবে সে (হাফসা রাঃ) তোমার থেকে উত্তম হয়?” স্ত্রীদের হাতে কলমে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। রমজানের শেষ দশকে রাতে সব স্ত্রীদের ঘুম থেকে জাগিয়ে দিতেন। আল্লাহর ইবাদত করতে বলতেন। আয়েশা রাঃ-কে বলতেন, “একটি খেজুর দিয়ে হলেও আগুন থেকে বাঁচো।” আয়েশা রাঃ-কে ছোট ছোট গুনাহের ব্যাপারে সাবধান করে দিতেন। আবার তাঁর স্ত্রীরা যাতে ইবাদতে উগ্রপন্থায় চলে না যান, সেদিকেও খেয়াল করতেন। সুযোগ পেলেই স্ত্রীদের সাথে হাসি-তামাশা করতেন।
ছোটবেলায় আয়েশা রাঃ পুতুল নিয়ে খেলতেন। রাসূল সাহ তাঁর একটি পুতুল দেখিয়ে বললেন, ‘এটা কী?’ আয়েশা রাঃ জবাব দিলেন, ‘ঘোড়া।’ রাসূল সাঃ আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘ঘোড়ার মধ্যে এ দুটি কী?’ আয়েশা রাঃ বললেন, ‘এটা হচ্ছে ঘোড়ার ডানা।’ রাসূল সাঃ কৌতুক করে বললেন, ‘ঘোড়ার আবার দুইটা ডানাও রয়েছে?’ আয়েশা রাঃ কম যান কীসে? সেই বয়সেই তিনি জবাব দিলেন, ‘বারে! আপনি কি জানেন না যে, সুলাইমান আঃ-এর ঘোড়ার দুইটা পাখা ছিল।’ আয়েশা রাঃ-এর জবাব শুনে রাসূল সাঃ এমনভাবে হাসলেন যে, তাঁর দাঁতের মাড়ি প্রকাশ পেয়ে গেলো।
আরেকদিন ঘরে এসে দেখলেন আয়েশা রাঃ মাথা ব্যাথায় অতিষ্ঠ হয়ে বলছেন, “হায়! মাথা ব্যাথা।” রাসূল সাঃ মজা করে বললেন, “আয়েশা! বরং আমার মাথায় ব্যথা হয়েছে। তোমার কোন সমস্যা নেই। তুমি যদি আমার পূর্বে মারা যাও তবে আমি তোমার পাশে থাকব, তোমাকে গোসল দিব, তোমাকে কাফন পরাব এবং তোমার জানাযার সলাত আদায় করব।” আয়েশা রাঃ বললেন, “হু! আমি মারা যাই (আর সে রাতেই আপনি আমার ঘরে অন্য বিবিকে নিয়ে থাকেন।)” জবাব শুনে রাসূল সাঃ হেসে ফেললেন।
রাসূল সাঃ-এর জীবনাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই উমার রাঃ-এর মতো কঠোর স্বভাবের মানুষ পর্যন্ত বলেছিলেন, “একজন মানুষের উচিত তার স্ত্রীর সাথে শিশুর মতো খেলা করা। আর যখন প্রয়োজন তখন বাইরে আসল পুরুষের মতো আচরণ করা।”রাসূল সাঃ ছিলেন স্বামী হিসেবে পৃথিবীর সকল স্বামীর রোল-মডেল। তাঁর স্ত্রীরাই সে কথার সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন। আয়েশা রাঃ তাই তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলতেন, “কেন আমার মতো একজন নারী আপনার মতো একজন পুরুষকে নিয়ে সম্মানবোধ করবে না?” সাফিয়া রাঃ নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন,“আমি আল্লাহর রাসূলের চেয়ে উত্তম আচরণের কোন ব্যক্তিকে দেখিনি 💕💕💕💕💜
"যেমন ছিলেন তিনি"—১ম খন্ডের ১ম অধ্যায়,,,
"পর্ব ১ —স্ত্রীদের সাথে আচরণ"
শায়খ সালিহ আল মুনাজ্জিদ (সৌদি আরব) book: "interactions of the greatest leader"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka